SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ফ্যাটি%' OR titleBn LIKE '%ফ্যাটি%' OR descriptionEn LIKE '%ফ্যাটি%' OR descriptionBn LIKE '%ফ্যাটি%' OR slug LIKE '%ফ্যাটি%' OR metaTag LIKE '%ফ্যাটি%' OR metaDescription LIKE '%ফ্যাটি%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
قَالَ حَضْرَت الْهَيْثَمُ رحمة الله عليه حَدَّثَنِىْ حَضْرَت مَعْنُ بْنُ بَشِيْرٍ رحمة الله عليه عَنْ اَبِيْهِ اَنَّ حَضْرَتْ سَعْدَ بْنَ عُبَادَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ اَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِصَحْفَةٍ اَوْ جَفْنَةٍ مَمْلُوءَةً مُخًّا فَقَالَ يَا حَضْرَتْ اَبَا ثَابِتٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ! مَا هٰذَا؟ فَقَالَ وَالَّذِىْ بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لَقَدْ نَحَرْتُ اَوْ ذَبَحْتُ اَرْبَعِيْنَ ذَاتَ كَبِدٍ فَاَحْبَبْتُ اَنْ اُشْبِعَكَ مِنَ الْمُخِّ. قَالَ فَأَكَلَ وَدَعَا لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِخَيْرٍ.
অর্থ: হযরত হাইছাম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন, আমার à বাকি অংশ পড়ুন...
একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে, বাদামি ডিম বেশি পুষ্টিকর। এটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক এবং স্বাদেও সেরা। অন্যদিকে অনেকের মতে, সাদা ডিম বেশি পরিচ্ছন্ন ও তুলনামূলক সুস্বাদু। তবে বিজ্ঞান ও পুষ্টিবিদদের মতে, এই ধারণাগুলোর অধিকাংশই ভুল অনুমানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
ডিমের খোসার রঙের নেপথ্যে আসল কারণ:
ডিমের খোসার রং কী হবে, তা মূলত নির্ধারিত হয় মুরগির জাত বা বংশগতির ওপর। হোয়াইট লেগহর্ন, হোয়াইট রক ও কর্নিশ জাতের মুরগি সাধারণত সাদা ডিম পাড়ে। আর প্লাইমাউথ রক, নিউ হ্যাম্পশায়ার এবং রোড আইল্যান্ড রেড জাতের মুরগি থেকে বাদামি ডিম পাওয়া যায়। আবার দক্ঠবাকি অংশ পড়ুন...
দৈনন্দিন জীবনে প্লাস্টিকের ব্যবহার বেড়েছে। এদিকে পাল্লা দিয়ে মানুষের মস্তিষ্কে বাড়ছে অতিক্ষুদ্র প্লাস্টিকের কণা।
গবেষকরা বলছে, মানুষের শরীর প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরি করতে পারে না। এই উপাদান খাবারের মতো বাহ্যিক উপাদান থেকে গ্রহণ করে। এদিকে প্লাস্টিক ফ্যাট বা লিপিড পছন্দ করে। মানুষ খাবারের মাধ্যমে যে ফ্যাট গ্রহণ করে সেগুলোর সঙ্গে ন্যানো প্লাস্টিক মানুষের শরীরে প্রবেশ করে এবং ধীরে ধীরে তা মস্তিষ্কসহ অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গে পৌঁছে যায়।
সিএনএন-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের শুরুর দিকে কয়েকজন মানুষের শরীর বাকি অংশ পড়ুন...
আম্বর (اَلْعَنْبَرُ) বৃহদাকার সামুদ্রিক মাছঃ
এ সম্পর্কে সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ بَعَثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَمَّرَ عَلَيْنَا أَبَا عُبَيْدَةَ بْنَ الْجَرَّاحِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ نَتَلَقَّى عِيرًا لِقُرَيْشٍ وَزَوَّدَنَا جِرَابًا مِنْ تَمْرٍ لَمْ نَجِدْ لَهُ غَيْرَهُ فَكَانَ أَبُو عُبَيْدَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ يُعْطِينَا تَمْرَةً تَمْرَةً كُنَّا نَمُصُّهَا كَمَا يَمُصُّ الصَّبِيُّ ثُمَّ نَشْرَبُ عَلَيْهَا مِنَ الْمَاءِ فَتَكْفِينَا يَوْمَنَا إِلَى اللَّيْلِ وَكُنَّا نَضْرِبُ بِعِصِيِّنَا الْخَبَطَ ثُمَّ نَبُلُّهُ بِالْمَاءِ فَنَأْكُلُهُ وَانْطَل বাকি অংশ পড়ুন...
ফ্যাটি লিভার কী?ফ্যাটি লিভার হলো এমন একটি অবস্থা, যখন লিভারের কোষে অতিরিক্ত চর্বি জমতে শুরু করে। সাধারণত লিভারে সামান্য চর্বি থাকা স্বাভাবিক। তবে লিভারের মোট ওজনের ৫ শতাংশের বেশি চর্বি জমলে তাকে ফ্যাটি লিভার বলা হয়।ফ্যাটি লিভার হওয়ার প্রধান কারণ:-১. অতিরিক্ত ওজন ও স্থূলতা: যাদের ওজন বেশি বা পেটের মেদ বেশি, তাদের ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি অনেক বেশি। শরীরে অতিরিক্ত চর্বি লিভারেও জমতে থাকে।২. অতিরিক্ত চিনি ও জাঙ্ক ফুড খাওয়া: কোমল পানীয়, মিষ্টি, কেক, বিস্কুট, ফাস্টফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবার নিয়মিত খেলে লিভারে চর্বি জমার আশঙ্কা বাড়ে।৩. ডাà§ বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে কম বয়সীদের মধ্যেও ফ্যাটি লিভারের প্রবণতা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফ্যাটি লিভার অধিকাংশ ক্ষেত্রেই জীবনযাপনের পরিবর্তনের মাধ্যমে উল্টে দেওয়া সম্ভব। তবে অবহেলা করলে এটি নন-অ্যালকোহলিক স্টিয়াটোহেপাটাইটিস, লিভারে প্রদাহ, সিরোসিস (লিভারের স্থায়ী ক্ষত) এমনকি লিভার ক্যানসারের কারণ হতে পারে। জীবনযাত্রার পরিবর্তনে ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে করণীয় জেনে নিন।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা:
অতিরিক্ত ওজন থাকলে মোট শরীরের ওজনের ৫-১০ শতাংশ কমাতে পারলেও লিভারের চর্বি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেতে পারে।
সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা:
প্রতিদিনà বাকি অংশ পড়ুন...
মাঝরাতের ক্ষুধা মেটাতে স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নেওয়া জরুরি। এ ক্ষেত্রে পেস্তা বাদাম হতে পারে একটি আদর্শ বিকল্প। সুস্বাদু এই বাদাম শুধু ক্ষুধা মেটায় না, বরং শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টিও সরবরাহ করে। একই সঙ্গে এটি ঘুমের মান উন্নত করতেও সাহায্য করে।
জেনে নিন কেন পেস্তা বাদাম খাবেন-
প্রোটিনে ভরপুর পেস্তা:
পেস্তা বাদাম প্রোটিনের একটি ভালো উৎস। প্রায় ২৮ গ্রাম পেস্তায় থাকে প্রায় ৬ গ্রাম প্রোটিন। এছাড়া এতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড, যা শরীরের নানা কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কয়েকটি পেস্তা খ বাকি অংশ পড়ুন...
থাইরয়েড হরমোন খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এগুলো শরীরের শক্তির মাত্রা, বিপাকক্রিয়া (মেটাবলিজম), শরীরের তাপমাত্রা, মুড, হৃদস্পন্দন এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। যদি আপনার থাইরয়েড পর্যাপ্ত হরমোন তৈরি না করে, তাহলে তাকে হাইপোথাইরয়েডিজম বলা হয়।
এই অবস্থায় শরীরে নানা নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং সবসময় ক্লান্ত বা অবসন্ন বোধ হতে পারে। থাইরয়েড হরমনের ভারসাম্য ঠিক রাখতে খাদ্যতালিকায় কোন কোন খাবার রাখা জরুরি, তা জেনে নিন।
থাইরয়েডের সমস্যার সঠিক কারণ অনেক ক্ষেত্রেই অজানা। তবে কিছু খাবার থাইরয়েডের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে বাকি অংশ পড়ুন...
দুপুরের গরম ভাতে এক চামচ ঘি। এই অভ্যাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে আবেগ আর স্বাদ। কিন্তু আপনি কি জানেন, এই সামান্য ঘি আপনার মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কতটা বাড়িয়ে দিতে পারে? হাজার বছর ধরে আয়ুর্বেদ শাস্ত্র ঘি’কে ‘স্মৃতিবর্ধক’ হিসেবে চিনে আসলেও, বর্তমান সময়ের আধুনিক বিজ্ঞানও এখন এই তথ্যে সিলমোহর দিচ্ছে।
স্মৃতিভ্রম, মনোযোগের অভাব বা ‘ব্রেন ফগ’-এর মতো সমস্যায় যখন অনেকেই ভুগছেন, তখন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ঘি কেন জরুরি, তা নিয়ে সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে চমকপ্রদ তথ্য।
মস্তিষ্কের সক্রিয়তা বা মেধাশক্তি বাড়াতে ঘি কেন কার্যকরী?
মানুষের বাকি অংশ পড়ুন...
কথিত বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতেও রোযার উপকারিতা অপরিসীম। জীব বিজ্ঞানের গবেষণার ফলে আমরা জানি, প্রতিটি প্রাণীর শরীর একটি উচ্চতর এবং সূক্ষ¥ জৈব রাসায়নিক কারখানা এবং এটিকে সচল রাখতে প্রয়োজন হয় শক্তি। উক্ত শক্তির জোগান দিতে স্রষ্টা জীবজগতের জন্য নানা প্রকারের খাদ্যদ্রব্যের ব্যবস্থা করেছেন। সাধারণত একজন মানুষের এই শক্তি সরবরাহ অব্যাহত রাখতে কমপক্ষে দৈনিক তিনবার খাদ্যদ্রব্য গ্রহণ করতে হয়। তবে মানুষ উন্নত আত্মা সম্পন্ন জীব হওয়ায় মানুষের সঙ্গে অন্যান্য পশুর পার্থক্য হলো মানুষ তার ক্ষুধা-পিপাসা এবং যৌন প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণ করতে পারà§ বাকি অংশ পড়ুন...
মা চিকিৎসক। কোলের শিশুটির বয়স বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মা বুঝতে পারছিলো, শিশুটির পা দুটি স্বাভাবিক না, সামান্য বাঁকা। বয়স তখন ১৮ মাস। শিশুকে নিয়ে যান রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে। রক্ত পরীক্ষায় জানা গেল, শিশুটি ভিটামিন ডি স্বল্পতায় ভুগছে।
শিশুটির চিকিৎসা হয়েছিল প্রতিষ্ঠানের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগে। শিশুটিকে নিয়মিত ভিটামিন ডি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। এখন শিশুটির বয়স ২২ মাস। ২৮ মে শিশুটির মা বলেন, শিশুটির পা ঠিক হয়ে গেছে। ওর শরীরে ভিটামিন ডির ঘাটতিও নেই।
শিশুটির চিকিৎসায় যুক্ত ছিলো বাংলাদেশ শিশু হাসপাà বাকি অংশ পড়ুন...












