নেপালও একসময় মুসলিম শাসনের অধীনেই ছিলো। আর এ বিজয়টি করেছিলো সুলতানে বাঙ্গালাহ এবং স্বাধীন বাংলার নির্মাতা শামসউদ্দিন ইলিয়াস শাহ্ বাঙ্গালাহ্। পূর্বে কেউই সম্পূর্ণ নেপাল বিজয় করতে পারেনি। এর কারণ ছিলো- প্রতিকূল আবহাওয়া এবং হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত হওয়া।
নেপালের ক্ষমতায় তখন মল্ল শাসকরা। নেপালের বিস্তৃতি তখন বর্তমান ভারতের উত্তরাখন্ড প্রদেশেও ছিলো। দ্বাদশ শতকে মল্ল শাসকরা ত্রিহুতও শাসন করতো। ত্রিহুতে নেপালি মল্ল শাসনের অবসান ঘটিয়েছিলেন গৌড়ের সুলতান গিয়াস উদ্দীন ইয়াজ শাহ খিলজী।
১৩৫০ খ্রি:। গৌড়ের সুলতান শামসউদ্দিন ইলি বাকি অংশ পড়ুন...
মসনদে আজ মস্ত মেহেরবান
জানেরই জান পরানের পরান
তোহফায়ে রব্বে খোদা - মারহাবান মারহাবান
নবমী চাঁদে রিদ্বা - মারহাবান মারহাবান
জোড়ালো ধুম ক্বাছিদা- মারহাবান মারহাবান
পুলকিত হৃদয়ে আজান,
জানেরই জান পরানের পরান।
মোদের দোনো মাশুক,
দিলেন এমনই সুখ।
দেখে ফিদা হলো দোজাহান!
দিলে মিলে তাইতো খুশিরবান!
পেল দুনিয়া, সেরা হাদিয়া
দামাদাম খোশে হিয়া
নয়ই রমাদান, হলো সুমহান
নছীবে পেয়ে, শাহ জামান
মারকাজে আজ সজ্জা আলিশান!
শাহী প্রাসাদে, শাহী নিনাদে
ইন্তেজার আজ দল বেঁধে
মুখর কলতান, ঈদেরই লেহান
শানে শাফী আক্বাজান
দীদারে সব হবো ইতমিনান!
ঈদী আব বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজে অংশ নিতে অন্তর্বর্তী সরকার তাকে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে যেতে বাধা দিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন।
গত জুমুয়াবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে বঙ্গভবনে জাতীয় এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন। সাক্ষাৎকারটির প্রথম পর্ব প্রকাশিত হয় গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি)। গতকাল ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) এর দ্বিতীয় ও শেষ অংশ প্রকাশিত হয়েছে।
সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি বলেন, আমাকে যেন এই প্রাসাদে (বঙ্গভবন) গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছিল। পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজে রাষ্ট্রপতি জাত বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার নিয়ত করার কারণে মৃত্যুদ- থেকে মুক্তিলাভ
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন-
اِنَّهٗ كَانَ فِىْ زَمَانِ الْـخَلِيْفَةِ عَبْدِ الْـمَلِكِ بْنِ مَرْوَانَ شَابٌّ حُسْنُ الصُّوْرَةِ فِىْ الشَّامِ وَكَانَ يَلْهُوْ بِرُكُوْبِ الْـخَيْلِ فَبَيْنَمَا هُوَ ذَاتَ يَوْمٍ عَلٰى ظَهْرِ حِصَانِهٖ اِذْ اَجْفَلَ الْـحِصَانُ وَحَـمَلَهٗ فِىْ سِكَكِ الشَّامِ وَلَـمْ يَكُنْ لَّهٗ قُدْرَةٌ عَلٰى مَنْعِهٖ فَوَقَعَ طَرِيْقُهٗ عَلٰى بَابِ الْـخَلِيْفَةِ فَصَادَفَ وَلَدُهٗ وَلَـمْ يَقْدِرِ الْوَلَدُ عَلٰى رَدِّ الْـحِصَانِ فَصَدَمَهٗ بِالْفَرَسِ وَقَتَلَهٗ فَوَصَلَ الْـخَبَرُ اِلَى الْـخَلِيْفَةِ فَاَمَرَ بِاِحْضَارِهٖ فَلَمَّا اَنْ اَشْرَفَ اِلَيْهِ বাকি অংশ পড়ুন...
প্রাচীন স্থাপনার দেয়ালে খোদাই করা শিলালিপি আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অনন্য মাধ্যম। একদিকে এতে রয়েছে ইতিহাসের সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় তথ্য, অন্যদিকে শিল্পমান বিবেচনায় এগুলো অমূল্য। বিশেষ করে আরবি ও ফারসি শিলালিপিগুলো এ অঞ্চলে ইসলামের আগমন ও বিস্তারের ইতিহাস বুঝতে দারুণভাবে সাহায্য করে। এই ইতিহাসের পথ ধরেই বাঙালি মুসলমানরা একসময় ইসলামি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ভাষাভিত্তিক জনগোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছিলো।
শিলালিপিবিদ্যার সঙ্গে বাংলার সংযোগ বেশ পুরোনো। পঞ্চদশ শতকের প্রথমার্ধে মক্কার একটি মাদ্রাসায় কর্মরত বাঙালি শিক্ষাবি বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে রাতে পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফ থেকে পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ পর্যন্ত ভ্রমণ করিয়েছেন। অতঃপর মুবারক আনুষ্ঠানিক দীদার দিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
فَكَانَ قَابَ قَوْسَیْنِ اَوْ اَدْنَ.
অর্থ: “ধনুকের দুই মাথার যতটুকু ব্যবধান এই পরিমাণ অথবা এর চেয়েও আরো অধিক নিকটবর্তী হলেন।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা নজম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-০৯)
মূলত এটিই হচ্ছে পব বাকি অংশ পড়ুন...
স্বাগতম সাইয়্যিদা
মনোরম সাইয়্যিদা
শাহী মারকাজে আলোকি সাজ সাজ
মিষ্টি গুঞ্জনে মন ইশকে মুহতাজ
সারা আসমানে আযীমী আলফাজ
শুভ তাশরীফে তাকবীরী নারা
ছানী যাহরা
ছানী যাহরা
ছানী যাহরা
ছানী যাহরা
শাহ নাওয়াদী সেরা দরদী
মুরশিদী ইয়ারা
শাহযাদায়ী নূর ‘আরূসী হুর
প্রাণেরই পেয়ারা
নব মেহেমান - মারহাবা
নববী ই’লান - মারহাবা
হাদীয়ে জাহান - মারহাবা
হাদীয়া মহান - মারহাবা
উৎসবে আনন্দিত সবে লেগেছে তাই ধুম
প্রিয় লেহানে হার জবানে ছল্লু আলাইকুম
কত আয়োজন.... (আজ)
কত আয়োজন অ-সাধারণ সাজিয়ে হুজরা
শাহযাদায়ী নূর ‘আরূসী হুর প্রাণেরই পেয়ারা
আশিকী দিল বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
২০২২ সালে ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে নিজের বাসভবন মার-আ-লাগোতে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের অভিযানে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিলো, সেজন্য মার্কিন রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে ১০০ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ নিচ্ছে ট্রাম্প। শিগগিরই এ অর্থ তুলবে বলে জানিয়েছে সে।
ক্ষতিপূরণের এই অর্থ দাতব্য কাজের জন্য দিয়ে দেবে বলে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে সে।
গত জুমুয়াবার নর্থ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের রকি মাউন্ট শহরে রিপাবলিকান পার্টির এক সমাবেশে যোগ দিয়েছিলো ট্রাম্প। সেখানে সে বলেছে, “ঠগের দল ২০২২ সালে আমার বাড়িতে যে অভিযান চালিয়েছিলো, তার ক বাকি অংশ পড়ুন...
এক বুযূর্গ ব্যক্তি, মহান আল্লাহ পাক উনার বিশিষ্ট ওলী, বুযূর্গ ছিলেন। সেই দেশের যে বাদশাহ ছিলো, সে উক্ত বুযূর্গ বা মহান আল্লাহ পাক উনার ওলীর মুরীদ ছিলো। তিনি নছীহত করতেন, তা’লীম দিতেন। বাদশাহও প্রায় সময় তার পীর সাহেব অর্থাৎ সেই ওলীআল্লাহ বা বুযূর্গ ব্যক্তির খানকা শরীফে আসতো। এসে নছীহত হাছিল করে তা’লীম নিয়ে যেতো। একদিন সেই মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী, বুযূর্গ ব্যক্তি তিনি নছীহত করলেন যে, মানুষের অন্তরের মধ্যে দুনিয়ার মুহব্বত বেশী হয়ে গিয়েছে। মানুষ দুনিয়াতে গরক (মশগুল) থাকার কারণে মহান আল্লাহ পাক উনার থেকে গাফিল হয়ে গিয়েছে। তবে ক বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গিনি-বিসাউয়ে সেনাবাহিনী গত বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) মেজর জেনারেল হোর্তা ইনতা-আ কে দেশটির অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেছে। গত বুধবার সেনারা দেশটিতে সদ্য অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হওয়ার আগেই হঠাৎ বেসামরিক সরকারকে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করে।
গতকাল জুমুয়াবার (২৮ নভেম্বর) আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
এদিকে অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর গ্রেপ্তার হওয়া প্রেসিডেন্ট উমারো একটি বিশেষ উড়োজাহাজে সেনেগালে গেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে সেনেগালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল বাকি অংশ পড়ুন...
নিজের বদ নযর নিজের উপর, নিজের সন্তানদের উপর এবং সম্পদের উপর লাগতে পারে:
বণি ইসরাইলের এক বাদশাহ ছিলো। সে দুইজন পুত্র সন্তান রেখে মারা যায়। তার পরিত্যক্ত সম্পদ ছিলো আট হাজার দীনার। পুত্রদ্বয় ঐ অর্থ-সম্পদ সমান ভাগে ভাগ করে নিলো।
উল্লেখ্য যে, তারা দুই ভাই। এক ভাই ছিলো ঈমানদার। অপরজন ছিলো কাফির। এক ভাই তার এক হাজার দীনার দিয়ে এক খন্ড জমি ক্রয় করলো। আর এক ভাই এক হাজার দীনার মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় দান করে দিল। আর বললো, আয় বারে ইলাহী! আমার ভাই এক হাজার দীনার দিয়ে পৃথিবীর ভূমি ক্রয় করেছে। আর আমি এক হাজার দীনারের মাধ্যমে জান্নাতের জমি বাকি অংশ পড়ুন...
শাসনের অবসান ঘটায়। এতে করে স্থানীয় হিন্দুত্ববাদী কোম্পানীগুলো বিপুলভাবে বৈষয়িক, বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সুযোগ সুবিধা লাভ করে।
কোম্পানীর অধীনে চাকুরী-বাকুরী ও ব্যবসা বাণিজ্য করার জন্যে স্থানীয় হিন্দুরা খুব দ্রুতই বুঝতে পেরেছিলো ‘English is money’ ইংরেজী ভাষার অপর নাম অর্থ এবং এজন্যে তারা যতটুকুই ইংরেজী ভাষা রপ্ত করতে পারুক না কেন, তার জন্যে প্রবল আগ্রহান্বিত হয়ে পড়ে। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষার্ধে যেখানে সেখানে কোলকাতা ও তার আশেপাশে ইংরেজী স্কুল গড়ে উঠে এবং হিন্দুরা এসব স্কুল থেকে কাজ চালাবার মতো ইংরেজী ভাষা শিক্ষা করে।
অপরদিকে মুসলমা বাকি অংশ পড়ুন...












