SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%পাপে%' OR titleBn LIKE '%পাপে%' OR descriptionEn LIKE '%পাপে%' OR descriptionBn LIKE '%পাপে%' OR slug LIKE '%পাপে%' OR metaTag LIKE '%পাপে%' OR metaDescription LIKE '%পাপে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মুসলমানদের বিশেষ ফযীলতপূর্ণ দিন যেমন- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফ, পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত হানাফী মাযহাব মুতাবিক
পবিত্র নামায আদায়ের সুন্নত তরীক্বা
যেকোনো নেক আমল বা ইবাদত-বন্দেগী করা হোক না কেনো, তা সুন্নত মুতাবিকই করা উচিত এবং সুন্নত মুতাবিক করলেই সে আমল বা ইবাদত-বন্দেগীর পূর্ণ ছওয়াব লাভের আশা করা যায়। অন্যথায় সুন্নত পরিত্যাগ করে অথবা সম্মানিত সুন্নত উনার খিলাফ কোনো আমল বা ইবাদত-বন্দেগী করলে ছওয়াবের পরিবর্তে পাপের ভাগী হওয়ার আশঙ্কাই বেশি থাকে।
কারণ সম্মানিত দ্বীন ইসলামের মধ্যে এমন কোনো ইবাদত নেই, যা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত সুন্নত মুবারক দ্ব বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে, “যার সাথে মহব্বত, পরকালে তার হাশর-নশর তার সাথেই হবে।” (সহীহ বুখারী, হাদীছ নং- ৬১৬৯)
পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বসে কোনো হারাম বা অন্যায় কাজ সমর্থন করার অর্থ হলো সেই পাপের অংশীদার হওয়া। ইসলামে কোনো অপরাধের প্রতি অন্তরের সন্তুষ্টি বা আসক্তিকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং- ৪৩৪৫)
সম্মানিত দ্বীন ইসলামে খেলাধুলা হারাম। সুতরাং এখন হারাম বিশ্বকাপের যে উন্মাদনা (পাগলামি) চলছে এবং তার স্রোতে মুসলমান নামধারীরা ভেসে বেড়াচ্ছে, তা সম্মানিত শরীয়ত অনুযায়ী কাট্টা হারাম ও কবীরা গুণাহ। যা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সুন্নত উনার অর্থ ও পরিচয় মুবারক: পবিত্র ‘সুন্নত’ শব্দটি আরবী, একবচন। বহুবচনে السنن (আস-সুনান)। আভিধানিক অর্থ হল, الطريقة والسيرة অর্থাৎ পথ, পন্থা, পদ্ধতি, নিয়ম ইত্যাদি; (লিসানুল আরব ১৩/২২৪-২২৫)
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে উক্ত অর্থে সুন্নত শব্দটি ব্যবহার করেছেন। তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يُرِيْدُ اللهُ لِيُبَيِّنَ لَكُمْ وَيَهْدِيَكُمْ سُنَنَ الَّذِيْنَ مِنْ قَبْلِكُمْ وَيَتُوْبَ عَلَيْكُمْ وَاللهُ عَلِيْمٌ حَكِيْمٌ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি ইচ্ছা করেন তোমাদের নিকট বিশদভাবে বিবৃত করতে, তোমাদের পূর্ববর্তীদের নিয়ম-কানুন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা বাকি অংশ পড়ুন...
৩৭. মালঊন পালামলের করুণ পরিণতি:
১৭ই সেপ্টেম্বর ১৯৩৪ খৃ: সন্ধ্যার ঘটনা। মুহম্মদ ছিদ্দীক বাবা বুল্লে শাহের দরবারের কাছে একটি নিম গাছে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। অনুসন্ধিৎসু চোখে দু’জন আগন্তুকের উপর তীক্ষè দৃষ্টি রাখছেন। এর মধ্যেই এক ব্যক্তি আসলো যে তার চেহারার অধিকাংশই নেকাব দিয়ে ঢেকে রেখেছে। তিনি তৎক্ষণাৎ তার গতিরোধ করলেন। জিজ্ঞাসা করলেন তুমি কে? কোথায় থেকে এসেছো? এখানে কী করো? সে নাম বলতে দ্বিধা করলো। ঘটনা হাতাহাতি পর্যন্ত গড়ালো। মুহম্মদ ছিদ্দীককে একা দেখে তারও সাহস বেড়ে গেলো। বলতে লাগলো, মুসলমানরা এই পর্যন্ত আমার কী-ই বা কর বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র কুরবানী একটি ঐতিহ্যবাহী শরয়ী বিধান ও ইসলামী কাজ। যা খাছ সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সুন্নতে খলীল আলাইহিস স বাকি অংশ পড়ুন...
আক্বাজি
কদম পাকে অধম করি নিবেদন
কবুল করুন
এই গোলামের আত্মসমর্পণ
সব হারিয়ে আজ
মুর্শিদ আপনায় ডাকছি ভীষণ
এই নফসের অভিশাপে
পাপী অধম
কত ইচ্ছাকৃত পাপে
হচ্ছি জখম
ও মালিকে আ’যম
স্মরি আপনায় হরদম
ঠেকিয়ে দিন মোর অধ:পতন
কদম পাকে অধম করি নিবেদন
খুব কষ্ট চেপে আজ
পড়ছি নাশিদ
সেই আবেগ অনুভূতি
নেই যে মুর্শিদ
আশিকের এই মারিদ্ব
সারিয়ে দিন সাইয়্যিদ
পবিত্র করুন মোর দেহ-গড়ন
কদম পাকে অধম করি নিবেদন
দুই আঁখি জুড়ে যেন
শত হাহাকার
বলা হয়নি কত কথা
হবে কবে আর?
রঙিন স্বপ্ন আমার
ভেঙ্গে হয় চুরমার
নিজ দোষে দোষী আমি করছি ক্রন্দন
কদম পাকে অধম করি নিবেদন বাকি অংশ পড়ুন...
বেদনাবিধুর ইতিহাসের মুকুরে তাকালে দেখা যায়, যখন পূর্ব আকাশে আগ্রাসী লাল ড্রাগনের নিঃশ^াস আগুনের হলকা হয়ে ঝরে পড়ে, তখন ১১টি বাংলাদেশের সমান বিশাল এক মুসলিম ভূখ- ‘পূর্ব তুর্কিস্তান’ আজ জ্যান্ত কবরস্থানে পরিণত হয়েছে। ১৬ লক্ষ বর্গকিলোমিটারের সেই পবিত্র জমিনকে গ্রাস করে নিয়েছে নাস্তিক্যবাদী কমিউনিস্ট চীন। ৩০ কোটি মানুষকে খাঁচায় বন্দি করতে তারা স্থাপন করেছে অগণিত সংখ্যক সিসিটিভি ক্যামেরা। এটি কেবল নজরদারি নয়, বরং একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় ‘কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প’, যেখানে প্রতিটি মোড়ে মোড়ে মুসলিম অস্তিত্বকে মুছে ফেলার নীল নকশ বাকি অংশ পড়ুন...
মানব হৃদয়ে যাবতীয় রোগ তথা বদ খাছলতসমূহের মধ্যে কৃপণতা বা ধনাসক্তি সর্বাপেক্ষা জঘণ্যতম রোগ। এটা যত ক্ষতি সাধন করতে পারে অন্য কোন কিছু তত ক্ষতি করতে পারে না। (কিমিয়ায়ে সাআদাত)
একবার সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র কা’বা শরীফ তাওয়াফ করছিলেন। এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি এসে পবিত্র কা’বা শরীফের বেষ্টনীর উপর হাত রেখে বলতে লাগলেন, “হে দয়াময় মহান আল্লাহ পাক! এই পবিত্র ঘরের উছীলায় আপনি আমার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিন।”
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক বাকি অংশ পড়ুন...
মামদুহজী আমার
প্রিয় মাওলাজি আমার
আমি নিছবত পেতে প্রতি ওয়াক্তে
করি যে আবদার
আমি সাগরের ঝিনুক
মুক্তা বিহীন হৃদয় আমার
খুজে পায়না সুখ
মুক্তার মালিক আপনি অধিক
নূরে মুনাওওয়ার
মামদুহজী আমার
এই নাদান নাফরমান
মুহলিকাতের ফাঁদে পড়ে
হলো পেরেশান
দু’হাত ধরে বাঁচান মোরে
ছাকিয়ে কাওছার
মামদুহজী আমার
আর কত অবনতি?
দু’কাঁধের দু’জন-ই লিখছে
পাপের ফিরিস্তি
গুনাহ মুছে নূরানী ধাঁচে
সাজিয়ে দিন আবার
মামদুহজী আমার
আপনি সবই তো জানেন
কার ভিতরে কোন পিপাসা
সব খবর রাখেন
মাহবুব সনদ দানুন আলবত
আক্বায়ে নামদার
মামদুহজী আমার
আপনি উম্মাতের শাফি
বাকি অংশ পড়ুন...












