পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার শেষ দশকের বেজোড় সংখ্যক রাতে পবিত্র ক্বদর শরীফ তালাশ করা খাছ সুন্নত মুবারক। মুসলিম উম্মাহর জন্য পবিত্র শবে ক্বদর শরীফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ-ফযীলতপূর্ণ দিবস মুবারক।
সকলকেই এই মহামান্বিত ‘লাইলাতুল ক্বদর’ উনার পরিপূর্ণ নি’য়ামত, রহমত-বরকত অর্জন করতে হবে। এই বরকতময় রাত্রিতে অবহেলা-অলসতা আর খোশগল্পে কাটানো কোনোক্রমেই নেককারদের কাজ হবে না।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও ইখলাছের সাথে অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
সকলকেই এই মহামান্বিত ‘লাইলাতুল ক্বদর’ উনার পরিপূর্ণ নি’য়ামত, রহমত-বরকত অর্জন করতে হবে। এই বরকতময় রাত্রিতে অবহেলা-অলসতা আর খোশগল্পে কাটানো কোনোক্রমেই নেককারদের কাজ হবে না।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও ইখলাছের সাথে অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মহাসম্মানিত সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের জন্য পবিত্র লাইলাতুল বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ই’তিকাফ উনার গুরুত্ব এবং তা শেষ দশকেই করার দলীল:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রতি বছর পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার শেষ দশকে সম্মানিত ই’তিকাফ মুবারক করেছেন।
এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে -
عَنْ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَعْتَكِفُ الْعَشْرَ الْاَوَاخِرَ مِنْ رَمَضَانَ.
অর্থ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র রোযার পরিচয় :
সাধারণত সম্মানিত রোযা বলতে ছুবহি ছাদিক্ব থেকে শুরু করে সূর্যাস্ত পর্যন্ত নির্জন অবস্থান ও পানাহার থেকে বিরত থাকাকে বুঝায়। তবে এর সাথে সাথে মিথ্যা, গীবত, চোগলখোরী, ঝগড়া-বিবাদ, মারামারি-কাটাকাটি, গালি-গালাজ, অশ্লীল-অশালীন, ফাসিক্বী ও নাফরমানিমূলক কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার মধ্যে খারাপ কাজ করে, শরাব পান করে, বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বনূ কুরাইজা উনার জিহাদ মুবারক:
হযরত আবূ লুবাবা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু নিজেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদুন নববী শরীফ উনার খুঁটির সাথে বাঁধা প্রসঙ্গে:
হযরত ইবনে হিশাম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে কাতাদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত যে, হযরত আবূ লুবাবা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সম্পর্কে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَخُونُوا اللَّهَ وَالرَّسُولَ وَتَخُونُوا أَمَانَاتِكُمْ وَأَنتُمْ تَعْلَمُونَ
অর্থ: বাকি অংশ পড়ুন...
এরপর যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করলেন-
يَا نِسَاء النَّبِيِّ لَسْتُنَّ كَأَحَدٍ مِّنَ النِّسَاء
অর্থ : হে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, আপনারা কোন মহিলাদের মতো নন। ” সুবহানাল্লাহ!
‘এখন যারা বলে যাচ্ছে প্রকাশ্য ফাহিশাহ কাজ। এর অর্থ ও ব্যাখ্যা অনেক রয়েছে, তবে মূল ব্যাখ্যা হলো, আপনারা যদি মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অসন্তুষ্টিমূলক কোন কাজ করেন, তাহলে কি হবে? দ্বিগুণ শাস্তি দেয়া হবে। নাউযুবিল্লাহ! যিনি খ বাকি অংশ পড়ুন...
প্রয়োজনে আপনি আপনার পিতা-মাতা উনাদের সাথে আলোচনা মুবারক করে জবাব দিবেন। তিনি বললেন ঠিক আছে, কি বিষয়। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র আয়াত শরীফ মুবারক তিলাওয়াত করে শুনালেন। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি শুনে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলেছেন, আমি যেন আমার পিতা-মাতা উনাদেরকে জিজ্ঞেস করে জবাব দেই। আপনি আমাকে মহব্বত মুবারক করেন। আসলে আমার পিতা-মাতা উনাদে বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যেই ইহুদী, মুশরিক, নাছারা, বৌদ্ধ, মজুসী তথা সমস্ত কাফির-মুশরিকদেরকে সম্মানিত দ্বীন ইসল বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- مَن جَاءَ بِالْحَسَنَةِ فَلَهُ عَشْرُ أَمْثَالِهَا অর্থ: যে ব্যক্তি একটি নেককাজ করবে সে তার দশগুন ফায়দা পাবে। (পবিত্র সূরা আনআম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৬০) বাকি অংশ পড়ুন...
একটা শয়তান তার জন্য নির্দিষ্ট হয়ে যায়।
উক্ত শয়তান তার সঙ্গী বা বন্ধু হয়ে যায়।
উক্ত শয়তান তাকে নেককাজ থেকে ফিরিয়ে রাখে।
বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যেই ইহুদী, মুশরিক, নাছারা, বৌদ্ধ, মজুসী অর্থাৎ সমস্ত কাফির-মুশরিকদেরকে সম্মানিত দ্বীন বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র আশুরা শরীফ উনাকে সম্মান করলে যে কি ফযীলত হয় তার একটা ওয়াকিয়া বর্ণনা করা হয়- এক ব্যক্তি ছিলেন গরীব, দিনমজুর। একবার অসুস্থতার কারণে তিনি তিন দিন যাবত কাজ করতে পারলেন না। চতুর্থ দিন ছিল আশুরার দিন। তিনি আশুরার দিনে ভাল খাওয়ার ফযীলত সম্পর্কে জানতেন।
তখন ছিল কাজীদের (বিচারকদের) যুগ। কাজী সাহেব ধনী ব্যক্তি ছিলেন। তার কাছে পবিত্র আশুরা শরীফ উনার ফজিলতের কথা বলে এবং নিজের অসুস্থতা ও পরিবারের তিনদিন যাবত অভুক্ত থাকার কথা উল্লেখ করে ১০ সের আটা, ১০ সের গোশত ও দুই দিরহাম চাইলেন। কাজী সাহেব তাকে যোহরের সময় আসতে বললেন। যোহরের সময় ক বাকি অংশ পড়ুন...












