SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ধূমকেতু%' OR titleBn LIKE '%ধূমকেতু%' OR descriptionEn LIKE '%ধূমকেতু%' OR descriptionBn LIKE '%ধূমকেতু%' OR slug LIKE '%ধূমকেতু%' OR metaTag LIKE '%ধূমকেতু%' OR metaDescription LIKE '%ধূমকেতু%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সূর্যের তীব্র তাপে একটি বিশাল গ্রহাণু ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবী যখন এই ধ্বংসাবশেষের মেঘের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করবে, তখন আকাশে উল্কাবৃষ্টি দেখা যাবে। ইতোমধ্যে ২৮২টি উল্কাবৃষ্টির একটি গুচ্ছ শনাক্ত করা হয়েছে।
গবেষকদের ধারণা, এই উল্কাবৃষ্টি মহাকাশের একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে উৎপন্ন হচ্ছে। পাথুরে ধ্বংসাবশেষের এই স্তূপটি আসলে একটি মৃতপ্রায় গ্রহাণু বা রক কমেটের অবশিষ্টাংশ। সূর্যের খুব কাছে চলে যাওয়ায় গ্রহাণুটি ভেঙে টুকরো হয়ে গেছে।
নাসার জনসন স্পেস সেন্টারের বিজ্ঞানী প্যাট্রিক বলে, এই আবিষ্কারটি ব বাকি অংশ পড়ুন...
রাতের আকাশে হঠাৎ আগুনের মতো ছুটে চলা আলোর রেখা-এমন এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য তৈরি করছে লিরিড উল্কাবৃষ্টি। প্রতি বছরের মতো এবারও এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত এই প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখা যাচ্ছে, যা আকাশপ্রেমীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ।
জানা গেছে, লিরিড উল্কাবৃষ্টি সাধারণত ১৬ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সক্রিয় থাকে। এর সবচেয়ে বেশি উল্কা দেখা যায় ২২ বা ২৩ এপ্রিলের দিকে। এ বছরও ওই সময়েই এর শিখর পর্যায় ছিলো। উত্তর গোলার্ধের অনেক জায়গায় মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত সময়টি ছিলো সবচেয়ে ভালো দেখার সুযোগ।
স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১০ থেকে ১৫ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাকাশের গভীরে হঠাৎই যেন এক অদ্ভুত ঘটনা! একটি ছোট ধূমকেতুর আগে গতি কমলো, তারপর একসময় প্রায় থেমে গেলো। আর এরপর যা ঘটলো, তা দেখে অবাক বিজ্ঞানীরা-ধূমকেতুটি উল্টো দিকে ঘোরা শুরু করলো!
এই ধূমকেতুর নাম সংক্ষেপে ‘৪১পি’। বিজ্ঞানীরা নাসার হাবল টেলিস্কোপ ব্যবহার করে এই অদ্ভুত পরিবর্তন দেখেছে।
বিজ্ঞানীদের মতে, এই ধূমকেতুটি এসেছে কুইপার বেল্ট (সূর্যের অনেক দূরের বরফময় অঞ্চল) থেকে। পরে বৃহস্পতি গ্রহের টানে এটি এখন সূর্যের কাছাকাছি এলাকায় ঘোরে। প্রতি ৫.৪ বছরে একবার সূর্যকে ঘুরে আসে।
২০১৭ সালে সূর্যের কাছে আসার পর এর ঘোরার গতি বদলে যায়। আ বাকি অংশ পড়ুন...
রাতের আকাশে তাকালে অনেক সময় তারা ছাড়া আর কিছুই চোখে পড়ে না। কিন্তু কিছু সময় আসে, যখন আকাশে দেখা দেয় এক বিশেষ অতিথি। এমনই এক অতিথি হলো নতুন ধূমকেতু সি/২০২৪ ই১ (ভিয়ারজোস)। এটি এখন ধীরে ধীরে পৃথিবীর আকাশের দিকে এগিয়ে আসছে।
এই ধূমকেতুটি প্রথম ধরা পড়ে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে। বিজ্ঞানীরা আকাশ পর্যবেক্ষণের সময় এটি খুঁজে পায়। ধূমকেতুটি এসেছে সৌরজগতের একেবারে দূরের অংশ থেকে, যাকে বলা হয় ওর্ট মেঘ (বরফে ভরা বিশাল অঞ্চল, যেখানে অসংখ্য ধূমকেতু জন্ম নেয়)। সূর্যের দিকে আসতে আসতে এটি এখন পৃথিবীর কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছে।
বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছে, ধূমকেতু বাকি অংশ পড়ুন...
মনে করুন, সৌরজগতের বাইরে থেকে ছুটে আসা রহস্যময় কোনো বস্তু হঠাৎই পৃথিবীর দিকে ধেয়ে এলো। ঠিক কোথায় আঘাত হানতে পারে? এটা জানতে নতুন এক গবেষণায় উচ্চঝুঁকির অঞ্চল চিহ্নিত করেছেন বিজ্ঞানীরা।
মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির করা এই গবেষণায় বলা হয়েছে, পৃথিবীর নিরক্ষীয় অঞ্চলের (ইকুয়েটর এলাকা) প্রতি আন্তর্মহাজাগতিক বস্তুর আঘাতের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। তুলনামূলকভাবে উত্তর গোলার্ধ যেখানে পৃথিবীর প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ বাস করে, সেখানে আঘাত লাগার সম্ভাবনাও সামান্য বেশি।
গবেষকরা কম্পিউটার সিমুলেশন ব্যবহার করে এসব বস্তু পৃথিবীর দিকে এলে তাদের গ বাকি অংশ পড়ুন...
পৃথিবীর দিকে এগিয়ে আসছে বিরল এক ধূমকেতু যার নাম থ্রিআই-অ্যাটলাস। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, এটি আমাদের সৌরজগতের বাইরের কোনো তারকা ব্যবস্থা থেকে এসেছে। পৃথিবীর জন্য কোনো ঝুঁকি না থাকলেও এর গতিপথ ও উৎপত্তি নিয়ে আগ্রহ বেড়েছে বিজ্ঞানীদের মধ্যে।
নাসা জানিয়েছে, ধূমকেতুটি ২৯ অক্টোবর পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি ছিলো। তবে এর দূরত্ব ছিলো প্রায় ১৭ কোটি মাইল যা পৃথিবীর জন্য একেবারেই নিরাপদ। এর একদিন পর ৩০ অক্টোবর এটি সূর্যের সবচেয়ে নিকটে ছিলো।
বিজ্ঞানীরা বলছে, এই ধূমকেতুর কক্ষপথ হাইপারবোলিক অর্থাৎ এটি সূর্ বাকি অংশ পড়ুন...
সৌরজগতের বহুদূরের অজানা অঞ্চলে এক অদৃশ্য গ্রহের অস্তিত্বের ইঙ্গিত পেয়েছে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। ধারণা করা হচ্ছে, এই গ্রহটির নাম হতে পারে ‘প্ল্যানেট ওয়াই’ -একটি কাল্পনিক গ্রহ। এটাকে সরাসরি দেখা না গেলেও তার উপস্থিতির প্রমাণ মিলছে সৌরজগতের প্রান্তে থাকা কয়েক ডজন বস্তুর অস্বাভাবিক গতিপথ থেকে।
ব্রিটিশ বৈজ্ঞানিক সাময়িকী মন্থলি নোটিসেস অব দ্য রয়্যাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি-তে প্রকাশিত সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হয়েছে, নেপচুনের পরের অঞ্চল কুইপার বেল্টে (বরফময় ছোট গ্রহ, ধূমকেতু ও মহাজাগতিক বস্তুর বিশাল বলয়) প্রায় ৫০টি দূরবর্ বাকি অংশ পড়ুন...
বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছে যে, প্রায় ৪৩ মিলিয়ন বছর আগে একটি বিশাল অ্যাস্টেরয়েড সমুদ্রের তলদেশে আঘাত হেনেছিলো। গবেষকরা সিসমিক ইমেজিং ও সমুদ্রতলের নিচের তথ্য বিশ্লেষণ করে নিশ্চিত করেছে, সমুদ্রতলে পিরামিড-আকারের অ্যাস্টেরয়েডের আঘাতটি ৪৩ মিলিয়ন বছরের পুরনো।
আর এ মহাজাগতিক ঘটনারই প্রমাণ মিলেছে ইয়র্কশায়ারের উপকূল থেকে প্রায় ৮০ মাইল দূরে অবস্থিত ‘সিলভারপিট ক্রেটার’-এ। খবর ডেইলি মেইল।
ক্রেটার সমুদ্রের তলদেশে অবস্থিত বিশাল গর্তকে বোঝায়। সিলভারপিট ক্রেটারটি প্রথম আবিষ্কৃত হয় ২০০২ সালে। আবিষ্কৃত হওয়ার পর থেকে গত দুই দশকেরও বাকি অংশ পড়ুন...
আর বছর কয়েক পরে এমন এক উল্কাবৃষ্টি দেখতে চলেছে পৃথিবীবাসী, যা আগের মহাজাগতিক ঘটনাবলিকে মøান করে দিতে পারে। কেননা এবার উল্কাবৃষ্টি হবে চাঁদ থেকে!
আসলে কয়েক মাস আগে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা শিউরে উঠেছিলো এক অতিকায় গ্রহাণুর সন্ধান পেয়ে। ২০২৪ ওয়াইআর৪ নামের ওই গ্রহাণু আছড়ে পড়তে পারে পৃথিবীর বুকে- এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছিলো। তবে পরে দেখা যায়, গ্রহাণুটি দিক বদলে চাঁদের দিকে এগোচ্ছে। জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ থেকে পাওয়া তথ্য থেকে এমনটাই দাবি বিজ্ঞানীদের। এবার জানা গেল ২০৩২ সালে সেটি চাঁদের মাটিতে আছড়ে পড়লে তার জেরে উল্কাবৃষ্টি হবে পৃথি বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
প্রতি বছরের মতো এবারও আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে আকাশ চিরে যাবে পার্সাইড উল্কাবৃষ্টির আলোকচ্ছটায়।
আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আজ বুধবার ভোর রাতে এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্যটি বাংলাদেশ থেকে পর্যবেক্ষণ করা যাবে। উত্তর গোলার্ধের যেকোনো স্থান থেকে পার্সিয়েড উল্কাবৃষ্টি দেখা যাবে।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছে, এই উল্কাবৃষ্টি পার্সিয়াস নক্ষত্রম-ল থেকে আসছে বলে মনে হওয়ায় একে ‘পার্সাইড’ বলা হয়। মূলত এটি ১০৯পি/সুইফট-টাটল ধূমকেতুর রেখে যাওয়া ধূলিকণার অবশেষ।
পৃথিবী তার কক্ষপথে ঘোরার সময় যখনই এই ধূমকেতুর পথের কাছাকাছি আসে, তখন বাকি অংশ পড়ুন...












