২১শে ফেব্রুয়ারিকে আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করি। ১৯৫২ সালে ভাষার জন্য এদিন ভাষা সৈনিকরা প্রাণ দিয়েছিলো, সেই দিনটিকেই স্মরণ করে দিবসটি উদযাপন। তবে শুধু ২১শে ফেব্রুয়ারি নয়, বাংলা ভাষা নিয়ে আরেকটি দিবস আমাদের পালন করা উচিত। সেটা হচ্ছে বাংলা ভাষার স্বাধীনতা দিবস। দিবসটি হিজরী তারিখ হচ্ছে- “১৯শে রমাদ্বান শরীফ”। আসুন বিষয়টি সম্পর্কে জেনে নেই।
ইতিহাস স্বাক্ষী হাজার বছর আগে বাঙ্গালি জাতির মুখে ‘এক কথ্য’ ভাষার প্রচলণ ছিলো। বাঙ্গালিরা সেই ভাষায় নিজেদের ভাব-আবেগ বিনিময় করতো। বাঙ্গালিদের মুখের সেই কথ্য ভাষা ছিলো বাকি অংশ পড়ুন...
ছানী মাওলা ছানী মাওলা সেরা সেরা (হক)
ছানী মাওলা ছানী মাওলা সেরা সেরা (হক)
একটি নজর ফজর থেকে আছর তক পেতে চাহি
রাত্রিতেও হোক নজর অপলক বাদশাহী
খেয়ালে খলীফা ইশকি অজিফা অনন্তকাল
হটাও নিরাশা খোদ তিনি ভরসা ঈমানী ঢাল
খানকার দুয়ারে খুব চুপিসারে উঁকি মারি
বাহানা একটাই পথিক সেজে তাই ফেরারী
নবম রমাদ্বান বড়-ই মহিয়ান তাতো জানি
তবে কেন আজ বেহায়া বেলাজ দিবস মানি
সুদিন এসেছে মু’মিন জেগেছে সাহস করে
সেরা রণসাজ বলিষ্ঠ আওয়াজ দীপ্ত স্বরে
হাকীকী স্মরণে মজনু এ মনে ইশক হরদম
আজ হয়ে যাক গভীর সিনা চাক সেই রকম
বাকি অংশ পড়ুন...
প্রখ্যাত উসমানীয় ইতিহাসবিদ মুস্তাফা আলী’র মতে, ‘সুলতান সুলাইমান শুধুমাত্র একজন বিখ্যাত শাসকই ছিলেন না, সমভাবে উনার ছিলেন একজন প্রখ্যাত নির্মাতা, যিনি মুসলিম বিশ্বের কিছু চিত্তাকর্ষক, শ্বাসরুদ্ধকর ও অনিন্দ্যসুন্দর স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে নিজের দীপ্ত চিহ্ন রাখতে দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ ছিলেন’। তাই সুলতান ‘সুলাইমানিয়াহ মসজিদ কমপ্লেক্স’কে বিশ্বের সবচেয়ে নয়নমনোহর, অভিজাত ও মার্জিত ভবনগুলির মধ্যে একটি বানাতে চেয়েছিলেন। উনার এই মহান কর্মের শুরু থেকে শেষ অবধি কাজের পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধানে গভীর য বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র মক্কা শরীফ উনার কাফির সমাজ যখন অহংকার ও অবিশ্বাসে অন্ধ হয়ে সত্যকে অস্বীকার করছিলো, তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রকাশ করেছিলেন এমন এক পবিত্র ই’জায শরীফ, যা আকাশ ও পৃথিবীকে একসাথে সাক্ষী বানিয়ে দেয়। সে পবিত্র ই’জায শরীফই আজ আমরা বর্ণনা করছি।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। পবিত্র মক্কা শরীফ উনার আকাশ যখন গভীর রাতে জ্যোৎস্নায় ছেয়ে গিয়েছিলো। পূর্ণ চাঁদ তার সমস্ত সৌন্দর্য আর দীপ্তি নিয়ে আকাশম-লে বিরাজ করছিলো। ঠিক সেই সময় কুফর ও অহংকারে অন্ধ মুশরিকদের একটি বিরাট দল পরস্পর একস্থানে এক বাকি অংশ পড়ুন...
চিনির ক্ষতিকর অনেক দিক রয়েছে প্রতিদিনের নাশতায় আমাদের একটু চিনি না হলে চলেই না। তবে অতটা ক্ষতিকর নয় সুস্থ-সবল কম বয়সীদের জন্য। খাওয়ার পর এক টুকরো মিষ্টি খেলে বরং খাবারের তৃপ্তিটা বাড়িয়ে দেয় বহু গুণে। চিনির প্রতি আমাদের এতটা আকর্ষণ মিষ্টি স্বাদের জন্যই।
এক বার ভেবে দেখেছেন কি, চিনির স্বাদ মিষ্টি লাগে কেন?
চিনি বা সুক্রোজ এক ধরনের কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা, চিনির আরেক নাম সুক্রোজ। আবার কার্বোহাইড্রেট স্যাকারাইড নামেও পরিচিত। এক ধরনের জৈব অণু কার্বোহাইড্রেট যার মধ্যে রয়েছে কার্বন, অক্সিজেন, হাইড্রোজেন পরমাণু। এক অণু চিনিত বাকি অংশ পড়ুন...
মালিকুল জান্নাহ, মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ্, মালিকুল কায়িনাত, আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সাথে মালিকুল জান্নাহ, মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ্, মালিকুল কায়িনাত, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ উনার সম্মানিত প্রস্তাব মুবারক
‘আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম’ উনার মধ্যে উল্লেখ রয়েছেন, “হযরত হাসান বিন আহমদ বাকরী রহমত বাকি অংশ পড়ুন...
১. যুদ্ধ শেষে প্রায় দুইশ’ ওয়াগন রেলগাড়ী ভর্তি করে ২৭০০ কোটি টাকার অস্ত্র-শস্ত্র লুটের অভিযোগ ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার। (সূত্র: দৈনিক অমৃতবাজার, ১২ মে,১৯৭৪)
২. শস্য লুট:
★ধান-চাল-গম (৭০-৮০ লাখ টন, গড়ে ১০০ টাকা ধরে): ২১৬০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার।
★পাট (৫০ লাখ বেলের উপরে): ৪০০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলার।
★ত্রাণ-সামগ্রী পাচার: ১৫০০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার।
★যুদ্ধাস্ত্র, ঔষধ, মাছ, গরু, বনজ সম্পদ: ১০০০ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
সীমান্ত হত্যা থামছেই না। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বারবার কথা দিলেও তারা কথা রাখছে না। নিয়মিতই তাদের বন্দুকের গুলির শিকার হচ্ছে বাংলাদেশিরা। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত সীমান্তে অন্ বাকি অংশ পড়ুন...












