SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%জিএমও%' OR titleBn LIKE '%জিএমও%' OR descriptionEn LIKE '%জিএমও%' OR descriptionBn LIKE '%জিএমও%' OR slug LIKE '%জিএমও%' OR metaTag LIKE '%জিএমও%' OR metaDescription LIKE '%জিএমও%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
গতকাল জুমুয়াবার বা’দ জুমুয়া রাজধানীর মালিবাগ মোড়ের ফাল ইয়াফরাহু চত্ত্বরে ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা’র উদ্যোগে এক বিশাল প্রতিবাদী সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সরকারের প্রতি ৮ দফা দাবিনামা পেশ করা হয়:
১. নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের শানে অবমাননাকারীদের একমাত্র শরঈ শাস্তি ‘ফাঁসি’ রাষ্ট্রীয়ভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত উম্মাহাতু বাকি অংশ পড়ুন...
গতকাল জুমুয়াবার বা’দ জুমুয়া রাজধানীর মালিবাগ মোড়ের ফাল ইয়াফরাহু চত্ত্বরে ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা’র উদ্যোগে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মহাসমাবেশ থেকে ঈমান, ইসলাম এবং মাতৃভূমির স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার লক্ষ্য নিয়ে সুনির্দিষ্ট ১০ দফা প্রস্তাব ও দাবি পেশ করা হয়।
দাবিসমূহ হলো-
১. নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও মহাসম্মানিত হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের শানে মানহানিকারীদের মৃত্যুদ- বাস্তবায়ন:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাকি অংশ পড়ুন...
গতকাল বাদ জুমুয়া রাজধানীর মালিবাগ মোড়ের ফাল ইয়াফরাহু চত্ত্বরে ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা’র উদ্যোগে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ থেকে ঈমান, ইসলাম এবং মাতৃভূমির স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার লক্ষ্য নিয়ে সুনির্দিষ্ট ১০ দফা প্রস্তাব ও দাবি পেশ করা সমাবেশে বক্তারা স্পষ্ট ঘোষণা করেন, ৯৮ ভাগ মুসলমানের এই বাংলাদেশে কোনো কুফরী আদর্শ, বিধর্মী বা কাফির-মুশরিকদের তোষণ, দালালি এবং ইসলামের বিরুদ্ধে কোনো চক্রান্ত সহ্য করা হবে না।
প্রথম দাবিটি হলো, সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সারা বছর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাঠবাকি অংশ পড়ুন...
১৯৯৬ সালে প্রথম জিএম ফসলের চাষ ও বাজারজাত শুরু হয় আমেরিকায়। সে সময় ১.৭ মিলিয়ন হেক্টর জমি চাষ হয়েছিল। বাংলাদেশে জিএম ফসলের চাষ শুরু না হলেও, নানারকম বিদেশি দ্রব্যের আমদানির মাধ্যমে দেশের বাজারে প্রবেশ করেছে জিএম ফসল। এর মধ্যে রয়েছে বিটি বেগুন, গোল্ডেন রাইস, সয়াবিন ইত্যাদি।
বিটি বেগুন হলো- ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা প্রতিরোধী বেগুন, যা জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে তৈরি করা এক ধরনের জিএম ফসল। অনেকে মনে করেন বায়োটেকনোলজি শব্দ থেকে বিটি বেগুনের নামকরণ করা হয় যা সঠিক নয়। বিটি হলো- ইধপরষষঁং ঞযঁৎরহমবহংরং (বেসিলাস থুরেনজেনসিস)-এর সংক্ষিপ্ত নাম। বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৯৬ সালে প্রথম জিএম ফসলের চাষ ও বাজারজাত শুরু হয় আমেরিকায়। সে সময় ১.৭ মিলিয়ন হেক্টর জমি চাষ হয়েছিল। বাংলাদেশে জিএম ফসলের চাষ শুরু না হলেও, নানারকম বিদেশি দ্রব্যের আমদানির মাধ্যমে দেশের বাজারে প্রবেশ করেছে জিএম ফসল। এর মধ্যে রয়েছে বিটি বেগুন, গোল্ডেন রাইস, সয়াবিন ইত্যাদি।
বিটি বেগুন হলো- ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা প্রতিরোধী বেগুন, যা জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে তৈরি করা এক ধরনের জিএম ফসল। অনেকে মনে করেন বায়োটেকনোলজি শব্দ থেকে বিটি বেগুনের নামকরণ করা হয় যা সঠিক নয়। বিটি হলো- ইধপরষষঁং ঞযঁৎরহমবহংরং (বেসিলাস থুরেনজেনসিস)-এর সংক্ষিপ্ত নাম। বাকি অংশ পড়ুন...
গতকাল বাদ জুমুয়া রাজধানীর মালিবাগ মোড়ের ফাল ইয়াফরাহু চত্ত্বরে ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা’র উদ্যোগে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা বলেন, ৯৮ ভাগ মুসলমানের বাংলাদেশে কোনো কুফরী আদর্শ বা সংস্কৃতি, বিধর্মী কাফির-মুশরিকদের তোষণ এবং দ্বীন-বিরোধী চক্রান্ত মেনে নেওয়া হবে না। সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধের ঈমানী দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে মহাসমাবেশ থেকে সরকার ও জাতির উদ্দেশ্যে ১২ দফা সুনির্দিষ্ট দাবি পেশ করা হচ্ছে:
১. সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সারাবছর সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন ও বিরোধীতাকারী- মাঠবাকি অংশ পড়ুন...
প্রোটিন-ফ্যাট-পলিস্যাকারাইড এগুলি হচ্ছে বড় বড় মলিকিউল বা অনু। এদেরকে বায়োকেমিস্ট্রিতে বলা হয় ম্যাক্রোমলিকিউল। ধরা যাক, একটা প্রোটিন হচ্ছে একটা বাড়ির মত। তো এই বাড়িটা তো অনেকগুলি ইট দিয়ে তৈরি, এই ইট হচ্ছে এমাইনো এসিড। অজস্র অজস্র এমাইনো এসিড দিয়ে একটা করে প্রোটিন তৈরি হয়।
আমাদের শরীর স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে ২১ ধরনের এমাইনো এসিড লাগে, এরমধ্যে ৯ ধরনের এমাইনো এসিড মানুষ নিজে তৈরি করতে পারে না, এগুলি খাবার থেকে পেতে হয়।
এই ৯ ধরনের এমাইনো এসিডগুলির মধ্যে আছে-
১) ফিনাইল এলানিন ২) লাইসিন ৩) ট্রিপ্টোফ্যান ৪) মেথিওনিন ৫)ভ্যালিন ৬) থ্রেওনি বাকি অংশ পড়ুন...
হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছেন- “ইলিম বা জ্ঞান অর্জন ফরজ”। একজন আলেম বা জ্ঞানী ব্যক্তি কারো অন্ধ অনুকরণ করেননা। একজন আলেম বা জ্ঞানী ব্যক্তি চিনেন, কে বা কারা মুসলমানদের শত্রু আর কে বন্ধু। তাই হুজুগে বা অপপ্রচারে ভুল সিদ্ধান্ত নেয়ার নাম জ্ঞান নয়।
জিএমও-এর পেছনে যতই “উন্নয়নের” কথা বলা হোক, বাস্তবতা হলো ইহুদি নিয়ন্ত্রণ ও ধ্বংস। বাংলাদেশের মতো দেশে এটি চালু করা মানে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিষ খাওয়ানো।
কোনো প্রযুক্তি যদি কৃষককে ইহুদি কাফিরদের গোলাম বানায়, বীজ বৈচিত্র্য ধ্বংস করে, পরিবেশ বিষাক্ত করে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়-তবে তা প্রত্যাà বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন: “মুসলমান উনাদের সবচেয়ে তীব্র শত্রু হচ্ছে ইহুদিরা ও মুশরিকরা। (পবিত্র সূরা মায়িদা : আয়াত শরীফ নং- ৮২)”
আজকের বাস্তবতা এই পবিত্র আয়াত শরীফের প্রমাণ। খাদ্যের আড়ালে জিএমও হলো নতুন উপনিবেশবাদ। একসময় নীলচাষ করে বাংলাকে ধ্বংস করেছিল, বর্তমানে জিএম বীজ দিয়ে একই ষড়যন্ত্র। মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু ইহুদি-মুশরিকরা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ধোঁকা দিয়ে বিষ পান করিয়ে ছিল। যার ফলে তিনি শাহাদতী শান মুব বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের ইতিহাসে কিছু তারিখ কালো অক্ষরে লেখা থাকে। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সেই তালিকায় নতুন সংযোজন। ওইদিন গভীর রাতে, জনগণের চোখের আড়ালে, একটি অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এমন একটি বাণিজ্য চুক্তিতে সই করেছে, যার মাশুল দিতে হবে আগামী প্রজন্মকে। নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে অস্থায়ী একটি সরকার কর্তৃক কঠোর গোপনীয়তা বজায় রেখে এই চুক্তি স্বাক্ষরের ঘটনা নানা কারণে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। প্রশ্ন হলো- এই গোপনীয়তা কেন? কী লুকানোর ছিল?
যা পেলাম, যা দিলাম :
সরকারের দাবি, এই চুক্তিতে বাংলাদেশ “ঐতিহাসিক সাফল্য” অর্জন করেছে। দীর্ঘ প্à বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীস শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন,, “যে ব্যক্তি মুসলিমদের ক্ষতি করে, সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।” জিএমও ঠিক তাই-মুসলিম জাতির স্বাস্থ্য, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও কৃষি স্বাধীনতার ওপর আঘাত। গোল্ডেন রাইস, বিটি বেগুনের নামে যে পরীক্ষা চলছে, তা দরিদ্র মুসলিম দেশকে ল্যাবরেটরি বানানোর ষড়যন্ত্র।
কৃষক একবার জিএম বীজে আসক্ত হলে আর ফিরতে পারবে না। বীজের মালিকানা হারিয়ে কৃষক ইহুদি কর্পোরেট কোম্পানীর দাসে পরিণত হয়। পরিবেশে জিন দূষণ, মাটির উর্বরতা নষ্ট, বায়োডা বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পাদিত গোপনীয় বাণিজ্য চুক্তির কিছু ধারা প্রকাশ্যে আসার পর উদ্বেগ ও প্রশ্ন ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে চুক্তির “কৃষিপ্রযুক্তিপণ্য”অংশে আর্টিকেল ১.৬, অ্যানেক্স ৩-এ বলা হয়েছে- চুক্তি স্বাক্ষরের ২৪ মাসের মধ্যে বাংলাদেশকে এমন নীতিমালা তৈরি করতে হবে, যাতে যুক্তরাষ্ট্রে নিরাপদ হিসেবে স্বীকৃত বায়োটেকনোলজি বা জৈবপ্রযুক্তিপণ্য বাংলাদেশে বিনা পরীক্ষা ও বাড়তি কোনো লেবেলিং ছাড়াই প্রবেশ করতে পারে। অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে জিএমও (এবহবঃরপধষষু গড়ফরভরবফ ঙৎমধহরংস) খাদ্যপণ্য পাঠাবে, কিন্তু বাংলাদে বাকি অংশ পড়ুন...












