SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%জিএমও%' OR titleBn LIKE '%জিএমও%' OR descriptionEn LIKE '%জিএমও%' OR descriptionBn LIKE '%জিএমও%' OR slug LIKE '%জিএমও%' OR metaTag LIKE '%জিএমও%' OR metaDescription LIKE '%জিএমও%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
প্রোটিন-ফ্যাট-পলিস্যাকারাইড এগুলি হচ্ছে বড় বড় মলিকিউল বা অনু। এদেরকে বায়োকেমিস্ট্রিতে বলা হয় ম্যাক্রোমলিকিউল। ধরা যাক, একটা প্রোটিন হচ্ছে একটা বাড়ির মত। তো এই বাড়িটা তো অনেকগুলি ইট দিয়ে তৈরি, এই ইট হচ্ছে এমাইনো এসিড। অজস্র অজস্র এমাইনো এসিড দিয়ে একটা করে প্রোটিন তৈরি হয়।
আমাদের শরীর স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে ২১ ধরনের এমাইনো এসিড লাগে, এরমধ্যে ৯ ধরনের এমাইনো এসিড মানুষ নিজে তৈরি করতে পারে না, এগুলি খাবার থেকে পেতে হয়।
এই ৯ ধরনের এমাইনো এসিডগুলির মধ্যে আছে-
১) ফিনাইল এলানিন ২) লাইসিন ৩) ট্রিপ্টোফ্যান ৪) মেথিওনিন ৫)ভ্যালিন ৬) থ্রেওনি বাকি অংশ পড়ুন...
হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছেন- “ইলিম বা জ্ঞান অর্জন ফরজ”। একজন আলেম বা জ্ঞানী ব্যক্তি কারো অন্ধ অনুকরণ করেননা। একজন আলেম বা জ্ঞানী ব্যক্তি চিনেন, কে বা কারা মুসলমানদের শত্রু আর কে বন্ধু। তাই হুজুগে বা অপপ্রচারে ভুল সিদ্ধান্ত নেয়ার নাম জ্ঞান নয়।
জিএমও-এর পেছনে যতই “উন্নয়নের” কথা বলা হোক, বাস্তবতা হলো ইহুদি নিয়ন্ত্রণ ও ধ্বংস। বাংলাদেশের মতো দেশে এটি চালু করা মানে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিষ খাওয়ানো।
কোনো প্রযুক্তি যদি কৃষককে ইহুদি কাফিরদের গোলাম বানায়, বীজ বৈচিত্র্য ধ্বংস করে, পরিবেশ বিষাক্ত করে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়-তবে তা প্রত্যা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন: “মুসলমান উনাদের সবচেয়ে তীব্র শত্রু হচ্ছে ইহুদিরা ও মুশরিকরা। (পবিত্র সূরা মায়িদা : আয়াত শরীফ নং- ৮২)”
আজকের বাস্তবতা এই পবিত্র আয়াত শরীফের প্রমাণ। খাদ্যের আড়ালে জিএমও হলো নতুন উপনিবেশবাদ। একসময় নীলচাষ করে বাংলাকে ধ্বংস করেছিল, বর্তমানে জিএম বীজ দিয়ে একই ষড়যন্ত্র। মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু ইহুদি-মুশরিকরা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ধোঁকা দিয়ে বিষ পান করিয়ে ছিল। যার ফলে তিনি শাহাদতী শান মুব বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের ইতিহাসে কিছু তারিখ কালো অক্ষরে লেখা থাকে। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সেই তালিকায় নতুন সংযোজন। ওইদিন গভীর রাতে, জনগণের চোখের আড়ালে, একটি অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এমন একটি বাণিজ্য চুক্তিতে সই করেছে, যার মাশুল দিতে হবে আগামী প্রজন্মকে। নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে অস্থায়ী একটি সরকার কর্তৃক কঠোর গোপনীয়তা বজায় রেখে এই চুক্তি স্বাক্ষরের ঘটনা নানা কারণে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। প্রশ্ন হলো- এই গোপনীয়তা কেন? কী লুকানোর ছিল?
যা পেলাম, যা দিলাম :
সরকারের দাবি, এই চুক্তিতে বাংলাদেশ “ঐতিহাসিক সাফল্য” অর্জন করেছে। দীর্ঘ প্ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীস শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন,, “যে ব্যক্তি মুসলিমদের ক্ষতি করে, সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।” জিএমও ঠিক তাই-মুসলিম জাতির স্বাস্থ্য, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও কৃষি স্বাধীনতার ওপর আঘাত। গোল্ডেন রাইস, বিটি বেগুনের নামে যে পরীক্ষা চলছে, তা দরিদ্র মুসলিম দেশকে ল্যাবরেটরি বানানোর ষড়যন্ত্র।
কৃষক একবার জিএম বীজে আসক্ত হলে আর ফিরতে পারবে না। বীজের মালিকানা হারিয়ে কৃষক ইহুদি কর্পোরেট কোম্পানীর দাসে পরিণত হয়। পরিবেশে জিন দূষণ, মাটির উর্বরতা নষ্ট, বায়োডা বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পাদিত গোপনীয় বাণিজ্য চুক্তির কিছু ধারা প্রকাশ্যে আসার পর উদ্বেগ ও প্রশ্ন ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে চুক্তির “কৃষিপ্রযুক্তিপণ্য”অংশে আর্টিকেল ১.৬, অ্যানেক্স ৩-এ বলা হয়েছে- চুক্তি স্বাক্ষরের ২৪ মাসের মধ্যে বাংলাদেশকে এমন নীতিমালা তৈরি করতে হবে, যাতে যুক্তরাষ্ট্রে নিরাপদ হিসেবে স্বীকৃত বায়োটেকনোলজি বা জৈবপ্রযুক্তিপণ্য বাংলাদেশে বিনা পরীক্ষা ও বাড়তি কোনো লেবেলিং ছাড়াই প্রবেশ করতে পারে। অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে জিএমও (এবহবঃরপধষষু গড়ফরভরবফ ঙৎমধহরংস) খাদ্যপণ্য পাঠাবে, কিন্তু বাংলাদে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ সূরা আলে ইমরান শরীফ উনার ১১৮ নং আয়াত শরীফে স্পষ্ট সতর্কবাণী: “হে ঈমানদারগণ! তোমরা মুসলমান ছাড়া অন্যদেরকে বন্ধু বা উপদেষ্টা হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা তোমাদের ক্ষতি করতে কোনো ত্রুটি করে না।”
জিএমও খাদ্য ও বীজ ঠিক এই ক্ষতির নতুন রূপ। বহুজাতিক কর্পোরেট (মনসান্টো-সিনজেন্টার মতো) কাফিরদের হাতিয়ার- যা খাদ্যের নামে মুসলিম জাতিকে পরাধীন করার ষড়যন্ত্র।
এই প্রযুক্তি প্রাকৃতিক বীজ ধ্বংস করে কৃষককে প্রতি মৌসুমে কোম্পানির বীজ কিনতে বাধ্য করে। জিন ফ্লো ও আউট-ক্রসিংয়ের মাধ্যমে দেশীয় ফসল দূষিত হয়। স্বাস্থ্যঝুঁকি অস্বী বাকি অংশ পড়ুন...
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ‘গোলামির বাণিজ্য চুক্তিপত্র’- এ আগুন দিয়েছে ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা, উত্তরা শাখা। গতকাল ১১ মে ২০২৬, সোমবার রাজধানী ঢাকার উত্তরা জসিমউদ্দিনে এক বিশাল সমাবেশে তারা ৩২ পৃষ্ঠার উক্ত বাণিজ্য চুক্তিপত্রে আগুন দেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন- জনগণের সঙ্গে লুকোচুরি করে ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়ার মাত্র ৩ দিন আগে গোপনীয়ভাবে আমেরিকার সঙ্গে এই চুক্তি সম্পাদন করে ইউনুস সরকার। যদিও অন্তর্বর্তী সরকার হিসেবে বিদেশীদের সাথে এ ধরনের চুক্তি করার কোন অধিকার তার ছিলো না। এই চুক্তি স্বাধীন বাংলাদেশকে গোলামীর শৃঙ্খ বাকি অংশ পড়ুন...
দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের মৌলিক অধিকার ক্ষুণœ করে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আমেরিকার সঙ্গে যে গোপন বাণিজ্য চুক্তি করা হয়েছে, তা বাতিলসহ ৩ দফা দাবিতে গত জুমুয়াবার (১০ এপ্রিল) রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্বরে ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা’ একটি প্রতিবাদী জনসমাবেশের আয়োজন করেছে।
সমাবেশের ৩টি দাবি:
১। আমেরিকার সাথে গোপন বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে হবে :
চুক্তির অজুহাতে আমেরিকা থেকে অতিরিক্ত গ্লুটেনযুক্ত গম, বিষাক্ত সয়াবিন, হারাম গোশত এবং ক্ষতিকর জিএমও বীজ আমদানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া বেশি দামে বো বাকি অংশ পড়ুন...
দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের মৌলিক অধিকারকে পদদলিত করে একের পর এক দেশবিরোধী ও আত্মঘাতী চুক্তি সম্পাদনের তীব্র প্রতিবাদে গতকাল রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্ত্বরে এক প্রতিবাদী জনসমাবেশের আয়োজন করে বৈষম্য ও জুলুম দূর করে সারা কায়িনাতে ইনসাফ কায়েমে বদ্ধপরিকর সংগঠন 'ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা'।
সমাবেশে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ দেশের অর্থনৈতিক মুক্তি, খাদ্য নিরাপত্তা, কৌশলগত সম্পদ রক্ষা এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য প্রতিষ্ঠায় নি¤েœাক্ত ৪ দফা দাবি উত্থাপন করেন এবং অবিলম্বে বাস্তবায়নের জোর দাবী জানান।
১. বিশ্ব স বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
মুসলমান বিশেষ করে ইরানের কামিয়াবী এবং সন্ত্রাসী ইসরাইল ও সন্ত্রাসী আমেরিকার ধ্বংস চেয়ে রাজধানী ঢাকায় সমাবেশের আয়োজন করেছে বৈষম্য ও জুলুমের বিরুদ্ধে সর্বদা প্রতিবাদী সংগঠন ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-জনতা’। গতকাল বাদ জুমুয়া রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্বরে এক বিশাল সমাবেশে তারা এই দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ইসরাইল ও আমেরিকা দুটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র। তারা বিশ^ মানবতার জন্য চরম হুমকি। পৃথিবীতে এদের থাকার কোন অধিকার নেই। ইরানে হামলা করে এরা নিজেরাই নিজেদের মৃত্যু ডেকে এনেছে। বিশ^ সন্ত্রাসী ড্র বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫৭ হাজার ২০৩ টন গমবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। গত সোমবার (১৯ জানুয়ারি) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) আলোকে নগদ ক্রয় চুক্তি নম্বর জি টু জি-০২ এর অধীনে দেশটি থেকে ৫৭ হাজার ২০৩ টন গমবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে।
এতে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ এরইমধ্যে সরকার টু সরকার ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানি কার্যক্রম শুর বাকি অংশ পড়ুন...












