SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%জারাহ%' OR titleBn LIKE '%জারাহ%' OR descriptionEn LIKE '%জারাহ%' OR descriptionBn LIKE '%জারাহ%' OR slug LIKE '%জারাহ%' OR metaTag LIKE '%জারাহ%' OR metaDescription LIKE '%জারাহ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
নাম মুবারক:
নাম মুবারক: আহমদ।
পিতা উনার নাম: মুহম্মদ।
দাদা উনার নাম: হাম্বল।
উপনাম: আবূ আব্দুল্লাহ।
বংশ পরিচয়:
হযরত আহমদ বিন মুহম্মদ বিন হাম্বল বিন হিলাল বিন আসাদ বিন ইদরীস আশ্ শায়বানী, আল-মারওয়ায়ী আল-বাগদাদী। উনার ১৩ তম পূর্ব পুরুষ শায়বান এর দিকে সম্পৃক্ত করায় আশ শায়বানী, উনার জন্মভূমি মুরউ এর দিকে সম্পৃক্ত করায় আল-মারওয়ায়ী, অতঃপর উনার অবস্থান বাগ্দাদ এর দিকে সম্পৃক্ত করায় আল বাগ্দাদী....।
পবিত্র বিলাদত শরীফ ও প্রতিপালন:
ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ১৬৪ হিজরী সনের সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয় বাকি অংশ পড়ুন...
সমস্ত ইলিম মুবারক উনাকে হাদিয়া মুবারক করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
إِنَّمَا أَنَا قَاسِمٌ وَاللهُ يُعْطِي
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাকে হাদিয়া মুবারক করেছেন আর তিনি যাকে ইচ্ছা তাকেই বন্টন মুবারক করেন, আর সে ততটুকু পায়। এর চাইতে এক র্জারাহ পরিমাণ বেশী ইলিম নাই, এরা মিথ্যাবাদী। উনারা যাকে যতটুকু দেন সে ততটুকু লাভ করবে, এর বাইরে ইলিম-কালাম নেই। এই জন্য পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র আয়াত শরীফ মুবারক বলা হয়েছে। আমি অনেক বার বলেছি-
هُوَ الَّذِيَ أَنزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ
যিনি খ বাকি অংশ পড়ুন...
সনদ পর্যালোচনা:
এই হাদীছের একজন রাবী হচ্ছেন- সাঈফ ইবনে মিসকীন। তার সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ বিশারদ উনাদের কিছু বক্তব্য দেখা যাক।
হযরত ইমাম দারা কুত্বনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি এবং হযরত আবূ হাতিম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি অর্থাৎ উনারা বলেন-
وَسَيفُ بن مِسكِينٍ هَذا لَيس بِالقَوِيِّ
অর্থ: সাঈফ ইবনে মিসকীন তিনি শক্তিশালী নন। (আল ইলাল লিদ দারা কুত্বনী ১/২১৯, তাহক্বীকু জুযইম মিন ইলালি ইবনে আবী হাতিম ১/৬১)
হযরত মুহম্মদ ইবনে আলী ইবনে মুহম্মদ শাওক্বানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
سيف بن مسكين وهو واه
অর্থ: সাঈফ ইবনে মিসকীন তিনি জারাহগ্রস্ত, ভিত্ত বাকি অংশ পড়ুন...
কিন্তু বাংলায় প্রবাদ আছে চোরের দশ দিন আর গৃহস্থের একদিন। সুতরাং চোর ধরা পড়ে গেলো। সেই তাওহীদ প্রকাশনীর সম্পাদনায় বুখারী শরীফ উনার ১ম খ- ২য় পৃষ্ঠা ১নং হাদীছ শরীফ উনার সনদটি নিম্নরূপ (দাগ দেয়া অংশে রাবী উনার নাম)-
حَدَّثَنَا الْـحُمَيْدِيُّ عَبْدُ اللهِ بْنُ الزُّبَيْرِ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ حَدَّثَنَا يَـحْيَى بْنُ سَعِيْدٍ الْاَنْصَارِيُّ، قَالَ أَخْبَرَنِـيْ مُـحَمَّدُ بْنُ اِبْرَاهِيْمَ التَّيْمِيُّ، اَنَّهُ سَـمِعَ عَلْقَمَةَ بْنَ وَقَّاصٍ اللَّيْثِيَّ، يَقُولُ سَـمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْـخَطَّابِ
বুখারী শরীফ উনার ১ম হাদীছ শরীফ “ইন্নামা আ’মালু বিন্নিয়াত” এই মশহুর হাদীছ শরীফ উনার রাবী হচ্ছেন- হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
হাফিযে হাদীছ হযরত ইবনে হাজার আসকালানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
لَا يَلْزِمُ مِنْ نَفِىِ الثُّبُوْتِ ثُبُوْتَ الضَّعْفِ لِاِحْتِمَالٍ اَنْ يُّرَادَ بِالثُّبُوْتِ الصِّحَةَ فَلَا يَنْتَفِى الْـحَسَنَ
অর্থ: “পবিত্র হাদীছ শরীফ সাবিত নয় বা দৃঢ় নয় দ্বারা দ্বয়ীফ হওয়া আবশ্যক নয়। হাদীছ শরীফখানা সাবিত নয় দ্বারা ছহীহ নয় বুঝানো হয়েছে। তাই বলে হাসান হওয়াকে নিষেধ করা হয়নি।” (তুহফাতুল আবরার ১/৪)
এছাড়া হযরত জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ‘তা’কিবাত আলাল মওদ্বয়াত’ কিতাবে, হযরত তাহের ফাত্তানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার রচিত ‘তাযকিরাতুল মাওদ্বুয়াত’ কিতাবে, আব্দুল বাকি অংশ পড়ুন...
নিম্নে সে বিষয়সমূহ সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো-
সনদ ছহীহ না হলেও উলামায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের আমলের দ্বারা তা ছহীহ সাব্যস্ত হয়:
হযরত উলামায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা যদি গ্রহণ করে নেন তবে তা ছহীহ বলে সাব্যস্ত হয়। এ বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বিখ্যাত আলিমে দ্বীন হযরত খতীব বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি কয়েকটি হাদীছ শরীফ উল্লেখ করেন যা সনদগতভাবে দুর্বল।
কিন্তু সকল আলিম এই হাদীছ শরীফগুলো আমল করে আসছেন। আর তাই তিনি বলেন-
وَإِنْ كَانَتْ هٰذِهٖ أَحَادِيْثَ لَا تُثَبِّتُ مِنْ جِهَةِ الْإِسْنَادِ لٰكِنَّ لَـمَا تَلَقَّتْهَا الكَافَّةُ عَنِ الْكَافَّةِ غَ বাকি অংশ পড়ুন...
দ্বয়ীফ হলেই কি হাদীছ শরীফ গ্রহণ করা যাবে না?
দ্বয়ীফ হলেই কি হাদীছ শরীফ গ্রহণ করা হবে না? যারা এমন কথা বলে তাদের জেনে রাখা দরকার, ইমাম হযরত বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিখ্যাত কিতাব “আদাবুল মুফাররাদ” কিতাবে এমন অনেক হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন যার সনদ দ্বয়ীফ। বিখ্যাত হাদীছ শরীফ বিশারদ হযরত ইবনে হাজার আসকালানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার “তাকরীবুত তাহযীব” কিতাবে প্রায় ৫২ জন রাবীকে দুর্বল সাব্যস্ত করেছেন যারা সকলেই “আদাবুল মুফাররাদ” কিতাবের রাবী। ইমাম হযরত বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি যদি দ্বয়ীফ হাদীছ শরীফ নাই মানতেন বা গ্রহ বাকি অংশ পড়ুন...
ইহুদীদের পরিকল্পনা অনুযায়ী মুসলমানদেরকে ছহীহ আক্বীদা ও আমল থেকে বিচ্যুত করে দেয়াই এদের উদ্দেশ্য:
আমরা সবাই জানি রাফিযী, শিয়া, খারিজী, ক্বদরিয়া, জহমিয়া, মুশাব্বিয়া এসব বাতিল ফিরকার লোকেরা বদ আকীদার এবং বিদয়াতী। তাহলে এসব বর্ণনাকারী কেন ছহীহ হাদীছ শরীফ উনার কিতাবে?
বদ আকীদার রাবী সম্পর্কেও একেক ইমাম উনাদের একেক দৃষ্টি ভঙ্গি রয়েছে। যেমন, হযরত ইমাম শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মুতাজিলা ফেরকার লোকদের বর্ণিত হাদীছ শরীফ গ্রহণ করতেন না। (আল ফারকু বাইনাল ফিরকি ৩৫৮ পৃষ্ঠা)
হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, তাদের (শিয়া) বাকি অংশ পড়ুন...
(৫) হযরত ইবনে হিব্বান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
أهل الحجاز يطلقون كذب في موضع أخطا
অর্থ: হেজাযের লোকেরা خطاء এর স্থলে কখনো কখনো كذب শব্দ ব্যবহার করে। (মুকাদ্দিমা ফতহুল বারী ৪২৬)
এখন রাবীদের ব্যাপারে ‘কিযব’ বা মিথ্যাবাদী শব্দ দেখে পবিত্র হাদীছ শরীফ বাদ দিয়ে দেয়ার আগে বিভিন্ন স্থান ভেদে ইমামদের প্রচলিত ভাষা সম্পর্কেও যথেষ্ট জ্ঞান রাখতে হবে।
রিজাল শাস্ত্রের ইমাম উনাদের এধরনের আরো অনেক ব্যাখ্যামূলক ভাষা রয়েছে। যার সম্পর্কে পূর্ণ ইলিম না থাকলে ভয়াবহ বিভ্রান্তিতে পড়তে হবে। এ কারণে হযরত আব্দুল হাই লখনবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছেন-
ول বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
তাফসীরের কিতাবে বর্ণিত আছে, যারা আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিন্তু আমলে দুর্বল তাদেরও মর্যাদা দিতে হবে। সুবহানাল্লাহ! বরং মুহাক্কিক আলেমগণ বলেছেন তাদের মর্যাদা মাশরূহ আয়াত শরীফের মত। যা তিলাও বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ইমামদের ব্যবহৃত পারিভাষিক ভাষাসমূহের পার্থক্য:
হাফিয ইবনে কাছীর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, বিশেষ বিশেষ ইমাম উনাদের বিশেষ বিশেষ পরিভাষা রয়েছে, সেগুলো জেনে রাখা আবশ্যক। (ইখতেছারু উলুমিল হাদীছ ১০৫ পৃষ্ঠা)
সকল ইমাম উনাদের ব্যবহৃত পরিভাষা একই রকম হয় না। একজনের পারিভাষিক ভাষায় যেই বর্ণনা গ্রহণই করা যায় না, আবার অন্য কোন মুহাদ্দিছ উনার সেই ভাষায় তা গ্রহণ করতে কোন সমস্যা থাকে না। কতিপয় উদাহরণ পেশ করা হলো-
(১) আমীরুল মু’মিনীন ফিল হাদীছ ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি যখন কোন রাবী সম্পর্কে বলেন, منكر الحديث ( বাকি অংশ পড়ুন...












