SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%চেনার%' OR titleBn LIKE '%চেনার%' OR descriptionEn LIKE '%চেনার%' OR descriptionBn LIKE '%চেনার%' OR slug LIKE '%চেনার%' OR metaTag LIKE '%চেনার%' OR metaDescription LIKE '%চেনার%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পবিত্র কুরবানী উনার পশুর বৈশিষ্ট্য;
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- فَصَلّ لِرَبّكَ وَانْـحَرْ
অর্থ: “আপনার মহান রব তায়ালা উনার উদ্দেশ্যে নামায পড়–ন এবং কুরবানী করুন।” (পবিত্র সূরা কাওছার শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২)
এখন কুরবানী করতে হলে কুরবানী উনার পশুর কতগুলো বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য রাখতে হয়। নি¤েœ সে বিষয়ে আলোচনা করা হলো-
কুরবানী যোগ্য পশু গৃহপালিত হতে হবে বন্য পশু দ্বারা কুরবানী দেয়া নাজায়িয :
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে পবিত্র কুরবানী উনার জন্য পশুকে গৃহপালিত হওয়ার শর্ত বর্ণনা করা হয়েছে। যেমন এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ প বাকি অংশ পড়ুন...
আসছে পবিত্র কুরবানী ঈদ। সামর্থ্যবান মুসলমান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি লাভের জন্য পশু কুরবানী দেন। বাংলাদেশে কুরবানীর জন্য অন্যতম জনপ্রিয় পশু হলো গরু। ফলে এ সময় ব্যাপকভাবে গরুর চাহিদা বেড়ে যায়। ভালো গরু বাছতে, সুস্থ গরু পেতে ক্রেতারা এ সময় দুশ্চিন্তায় ভোগেন। সুস্থ-সবল গরু না চেনার ফলে অনেকে বিপাকে পড়েন। সুস্থ-সবল, মনের মতো ভালো গরু চেনার উপায় কি তার সারসংক্ষেপ নিচে উল্লেখ করা হলো:
১. সুস্থ গরুর প্রথম বৈশিষ্ট্য হলো গরুটি সচেতন থাকবে। লেজ দিয়ে মশা-মাছি তাড়াবে, আশপাশে মানুষের উপস্থিতি বুঝতে পারবে এবং এ সময় সে নড়ে উঠবে। মোদ্দাকথা বাকি অংশ পড়ুন...
জমির দাগ-খতিয়ান নম্বরসহ মৌলিক বিষয়গুলো সম্পর্কে জানা জরুরি। এই বিষয় সম্পর্কে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, জমির হিসাব ও পরিচয় বোঝার জন্য প্রধান তিনটি বিষয় হলো-দাগ, খতিয়ান ও মৌজা।
দাগ নম্বর (প্লট নম্বর): ম্যাপ বা নকশায় প্রতিটি খ- জমিকে আলাদাভাবে চেনার জন্য যে নম্বর দেওয়া হয়, তাকে দাগ নম্বর বলে। একটি মৌজার অধীনে আপনার জমিটি ঠিক কোন অবস্থানে এবং এর সীমানা কতটুকু, তা এই নম্বর দিয়ে চিহ্নিত করা হয়।
খতিয়ান (রেকর্ড অব রাইটস-আরওআর): খতিয়ান হলো জমির স্বত্ব বা মালিকানার সংক্ষিপ্ত বিবরণী, যেখানে একজন মালিকে বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতের মাটি থেকে উৎসারিত বিষাক্ত হিন্দুত্ববাদের দাবানল এখন সীমান্ত পেরিয়ে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের আকাশকেও কলুষিত করতে উদ্যত হয়েছে। উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো একদিকে যখন ‘লাভ জিহাদ’-এর কাল্পনিক জুজু ছড়িয়ে মুসলিমদের কোণঠাসা করার নীল নকশা বাস্তবায়ন করছে, অন্যদিকে তারা অত্যন্ত সংগোপনে ও সুপরিকল্পিতভাবে মুসলিম তরুণীদের টার্গেট করে ছড়িয়ে দিয়েছে ‘লাভ ট্র্যাপ’ এর মরণফাঁদ। অতি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে ভারতের এই নারকীয় ও পৈশাচিক চিত্র যেভাবে ফুটে উঠেছে, তা কেবল উদ্বেগজনকই নয়, বরং মুসলিম উম্মাহর ঈমান ও ইজ বাকি অংশ পড়ুন...
তাহলে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের জন্য সেই প্রথম শাস্তিটা দেয়া হয়েছিল। মানুষতো বুঝতে পারবে না। কিন্তু পরবর্তী আয়াত শরীফ নাযিল করা হলো অনেক। তার মধ্যে একটা বিষয় বলা হচ্ছে তাহলো পর্দার পবিত্র আয়াত শরীফ যা নাযিল করা হলো একাধিকবার।
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِّأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَاءِ الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلابِيبِهِنَّ ذٰلِكَ أَدْنٰى أَنْ يُّعْرَفْنَ فَلا يُؤْذَيْنَ وَكَانَ اللهُ غَفُورًا رَّحِيمًا
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলতেছেন প্রথমে, কি বললেন?
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ
আয় আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হা বাকি অংশ পড়ুন...
পরিশ্রমের বেলায় মৌমাছির উদাহরণ নতুন কিছু নয়। কিন্তু সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও যে তারা রীতিমতো স্মার্ট। এরা গণিতেও পারাদর্শী-সাম্প্রতিক এক গবেষণায় সেই চিত্রই উঠে এসেছে।
নতুন এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানুষ যেমন কেনাকাটার সময় ফলের রং বা ঘ্রাণ দেখে সেরাটি বেছে নেয়, মৌমাছিরাও ঠিক তেমনই পরিস্থিতি বুঝে সহজ বা জটিল সংকেত ব্যবহার করে দ্রুত সঠিক ফুলটি নির্বাচন করে। তাদের এই ‘স্মার্ট’ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কৌশল বিজ্ঞানীদেরও বিস্মিত করেছে।
মৌমাছি সম্পর্কে যত বেশি জানা যাচ্ছে, ততই এদের এমন সব মানসিক দক্ষতার পরিচয় মিলছে যা অনেক বাকি অংশ পড়ুন...
ভালো তরমুজ কেনা বেশ কষ্টসাধ্য। দেখেশুনে তরমুজ কেনার পরেও ঠকে যান অনেকেই।
তাই তরমুজ কেনার আগে জেনে রাখুন ৭ পরামর্শ।
১. ফিল্ড স্পট বা গ্রাউন্ড স্পট দেখে নিন:
লাল মিষ্টি তরমুজ চেনার সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে ‘ফিল্ড স্পট’ বা ‘গ্রাউন্ড স্পট’ দেখে নেওয়া। তরমুজের যে অংশ দীর্ঘদিন মাটির ওপর থাকে, সেই অংশ হলুদ হয়ে যায় এবং একেই বলে ফিল্ড স্পট বা গ্রাউন্ড স্পট। তরমুজ কেনার আগে এই হলদেটে দাগ আছে কি না, তা দেখে নিন। বড় হলুদ দাগ থাকা মানে তরমুজটি ঠিকমতো পেকে যাওয়ার পর জমি থেকে ওঠানো হয়েছে।
২. তরমুজ ভারী কি না দেখুন:
তরমুজটি হাতে নিয়ে দেখুন, তা ভারী বাকি অংশ পড়ুন...
যে ব্যক্তি পারলৌকিক সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত রয়েছে, বুঝতে হবে যে, সৌভাগ্যের পথে সে ব্যক্তি আদৌ চলেনি। না চলার কারণ অনুসন্ধান করলে জানা যাবে যে, সে ব্যক্তি সৌভাগ্যের পথ চিনতেই পারেনি অথবা চিনতে পেরেছিল বটে, কিন্তু চলতে পারেনি। চিনেও চলতে না পারার কারণ অনুসন্ধান করলে বুঝা যাবে যে, প্রবৃত্তির কবলে বন্দী হয়ে পড়েছিল। কুপ্রবৃত্তির সাথে সংগ্রাম করে জয়ী হতে পারেনি। সুতরাং পারলৌকিক সৌভাগ্যের পথ চিনেও প্রবৃত্তি কর্তৃক বাধপ্রাপ্ত হওয়ার কারণে দ্বীনী পথে চলতে অক্ষম হয়েছিল। যারা পারলৌকিক পথ চিনতেই পারেনি, সেদিকে চলতে না পেরে সৌভাগ্য হতে বঞ্ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ফিলিস্তিনের গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসন নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা করলেও পর্দার আড়ালে সন্ত্রাসী ইসরায়েলের বিতর্কিত নজরদারি প্রযুক্তি বা ‘স্পাইওয়্যার’ কিনছে যুক্তরাজ্য সরকার। আল জাজিরার এক বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, ফিলিস্তিনিদের ওপর প্রয়োগ ও পরীক্ষা করা এসব প্রযুক্তি এখন ব্রিটিশ পুলিশ ও সরকারি সংস্থাগুলো ব্যবহার করছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সেলিব্রাইট এবং ব্রিফক্যাম -এর মতো ইসরায়েলি বংশোদ্ভূত কোম্পানির সাথে মোটা অঙ্কের চুক্তি করেছে ব্রিটেনের একাধিক পুলিশ বাহিনী। এই বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় মসজিদের মেহরাবে দাঁড়িয়ে খ্রিষ্টধর্ম প্রচারের যে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে, তা নিছক বিচ্ছিন্ন কোনো অপরাধ নয় বলে মনে করছেন অনেকে। এর পেছনে একটি সুসংগঠিত ‘ইনসাইডার মুভমেন্ট’ কাজ করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পশ্চিমা মিশনারিদের তৈরি এই গোপন কৌশল অনুযায়ী, প্রচারকারীরা মুসলিম নাম ধারণ করে, দাড়ি-টুপি ও জুব্বা পরে অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে সাধারণ মুসলিমদের মাঝে মিশে যায়।
ছদ্মবেশী প্রচারকদের চেনার উপায় সম্পর্কে ইসলামী বিশেষজ্ঞরা কয়েকটি ধারণা দিয়েছেন।
১. কুরআন শরীফের অপব্যাখ্যা: এদের প্রধান কৌশল হ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
প্রথমে মাথা বা বুকে বালিশ ঠেকিয়ে চালানো হতো গুলি। বুলেটের আঘাতে জীবনপ্রদীপ নিভতেই ছুরি দিয়ে কেটে ফেলতো পেট। এর মধ্যেই মাথা আর পায়ে সিমেন্টের ব্লক বেঁধে ডুবিয়ে দেওয়া হতো নদীতে। রাখতেন না নৃশংস হত্যাযজ্ঞের কোনো আলামতও। আওয়ামী লীগের টানা শাসনামলে গুম হওয়া বহু মানুষের লাশ এভাবেই চাপা পড়েছিল নদীর গভীরে। ক্রসফায়ার আর বনদস্যু দমনের আড়ালে বছরের পর বছর গুম-খুনের শিকার হন অনেক নিরপরাধ লোক। পরিকল্পিত এসব হত্যাযজ্ঞ চললেও মুখ খোলার সাহস ছিল না কারোরই। তবে ক্ষমতার পালাবদলে ফাঁস হতে থাকে রক্তাক্ত নীলনকশা। আর সেই ভয়াল বাকি অংশ পড়ুন...












