SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%চামড়ার%' OR titleBn LIKE '%চামড়ার%' OR descriptionEn LIKE '%চামড়ার%' OR descriptionBn LIKE '%চামড়ার%' OR slug LIKE '%চামড়ার%' OR metaTag LIKE '%চামড়ার%' OR metaDescription LIKE '%চামড়ার%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা এবং পানি দিয়ে ধোয়া উভয়টিই সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ:
বড় ইসতিন্জা এবং ছোট ইসতিন্জা করার পর ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা এবং পানি দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার হওয়া উভয়টি সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্। অর্থাৎ ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা যেমন সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্ তেমনিভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার করাও সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্। কেননা শরীরের মধ্যে একটা গরম ভাব আছে। বড় ইসতিন্জা বের হয়ে চামড়ার উপর লাগলে শরীরের গরমে ময়লার (পায়খানার) কিছুটা চামড়ায় শোষণ করে নেয়। ঢেলা-কুলুখে সেই শোষিত ময়লা (পায়খানা) দুর হয় না। তাই ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করার পর পানি দিয় বাকি অংশ পড়ুন...
ব্রিটিশ আমলে যখন বাঙালি হিন্দুরা ইংরেজদের সহায়তায় সাহিত্যক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন থেকেই তারা শুরু করে মুসলমানদের চরিত্রে অপবাদ দিয়ে অশ্লীল সাহিত্য ও নাটক রচনা। বুযূর্গ বাদশাহ হযরত আলমগীর রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে শুরু করে উনার কন্যা ও বোনদের নিয়ে বঙ্কিমচন্দ্র তার ‘রাজসিংহ’ উপন্যাসে ব্যভিচারের গল্প ফাঁদে, কলকাতার নাট্যমঞ্চগুলোতে মুসলমান রাজা বাদশাহগণ উনাদের নিয়ে কুৎসিত কাহিনীযুক্ত নাটক মঞ্চায়িত হতে থাকে।
কিন্তু সেসব নাটকের কুশীলব কারা ছিল? প্রাবন্ধিক নীরদ সি চৌধুরী তার গ্রন্থ ‘আত্মঘাতী বাঙালী’-তে সেসময়ের মঞ্চনাট বাকি অংশ পড়ুন...
খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি ফেটে চৌচির হয়ে যাওয়া মিসরের শুষ্ক নীলনদের প্রতি ফরমান মুবারক লিখে পাঠিয়ে ছিলেন-
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
مِنْ عَبْدِ اللهِ عُمَرَ اَمِيْرِ الْمُؤْمِنِينَ اِلـٰى نِيْلِ اَهْلِ مِصْرَ اَمَّا بَعْدُ فَاِنْ كُنْتَ اِنَّـمَا تَـجْرِيْ مِنْ قِبَلِكَ وَمِنْ اَمْرِكَ فَلَا تَـجْرِ فَلَا حَاجَةَ لَنَا فِيْكَ وَاِنْ كُنْتَ اِنَّـمَا تَـجْرِىْ بِاَمْرِ اللهِ الْوَاحِدِ الْقَهَّارِ وَهُوَ الَّذِىْ يُـجْرِيْكَ فَنَسْأَلُ اللهَ تَعَالٰى اَنْ يُّـجْرِيَكَ
অনুবাদ:
বিস্মিল্লাহির রহ্মানির রহীম
“এই সম্মনিত চিঠি মুবারক মহান আল্লাহ পাক উনার বান্দা, আম বাকি অংশ পড়ুন...
ফলের জগতে বিলাসিতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত মিয়াজাকি আম। পুষ্টিগুণ, বিরলতা ও বাজারমূল্যের দিক থেকেও অন্যান্য আমকে ছাড়িয়ে গেছে এই বিশেষ ধরণের আমটি। বিশ্ববাজারে এটি ‘রেড ম্যাংগো’ নামে পরিচিত।
আমটির স্বাদ অন্য আমের চেয়ে প্রায় ১৫ গুণ বেশি। আমটি খেতে খুবই মিষ্টি। আমটির গড় ওজন প্রায় ৭০০ গ্রামের মতো। বিশ্ববাজারে এর দাম প্রায় ৩ লাখ টাকা কেজি।
জাপানের কিউশু অঞ্চলের মিয়াজাকি শহর থেকে উৎপত্তি হওয়া এই বিশেষ জাতের আম বিশ্বজুড়ে পরিচিত এর রং, স্বাদ এবং আকাশছোঁয়া দামের জন্য। সাধারণ আমের মতো সবুজ বা হলুদ নয়, মিয়াজাকি আমের রং উজ্জ্বল লালচে-বে বাকি অংশ পড়ুন...
এবারও ঈদের পর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একই দৃশ্য দেখা গেছে। কোথাও চামড়া রাস্তায় পড়ে আছে, কোথাও খোলা মাঠে নষ্ট হচ্ছে, কোথাও আবার নদী বা খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ক্রেতা না পাওয়ায় অনেককেই রাস্তা-মাঠে চামড়া ফেলে রেখে চলে যেতে দেখা গেছে। দুর্গন্ধের হাত থেকে বাঁচতে বিভিন্ন স্থানে চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলার খবরও পাওয়া গেছে। এছাড়া, মহাসড়কের পাশে চামড়া ফেলে গেছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।
রাজধানী থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন জেলা শহর ও গ্রামে চামড়া শিল্পের এই করুণ দৃশ্য দেখা গেছে।
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদেশি বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
সরকার নির্ধারিত মূল্য থাকলেও মাঠপর্যায়ে সেই দামে চামড়া বিক্রি না হওয়ায় বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন মৌসুমি ব্যবসায়ী ও খুচরা সংগ্রহকারীরা। অনেক এলাকায় শত শত চামড়া সড়কের পাশে ফেলে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
মৌসুমি ব্যবসায়ীরা ৩০০ টাকায় চামড়া কিনে তা আড়তে বিক্রি করেছে মাত্র ১০০ টাকায়। এতে লাভ তো দুরের কথা গাড়ি ভাড়াও তুলতে পারছেন না তারা। এতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এসব ব্যবসায়ীরা। তাদের অভিযোগ, সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে চামড়া না কিনে সিন্ডিকেট করে নিজেদের ইচ্ছেমতো চামড়া কিনছেন আড়ৎদাররা।
স্থানীয় ব্যবস বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
কুরবানির গরুর চামড়ার দাম সরকার গত বছরের তুলনায় বাড়ালেও রাজধানীতে সেই দরে বিক্রি হচ্ছে না। বিক্রেতারা বলছেন, তারা এবারও সরকারি নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় অনেক কম দামে চামড়া বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন।
মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীদের দাবি, সরকার দাম বাড়ালেও ট্যানারি মালিকদের পক্ষ থেকে সেই দামে চামড়া কেনার কোনো নিশ্চয়তা তারা পাননি। ট্যানারি মালিকরা গত বছরের তুলনায় কম দাম দিচ্ছেন। ফলে মৌসুমি ব্যবসায়ীরাও কম দামে চামড়া কিনছেন।
এদিকে ট্যানারি মালিকরা বলছেন, গত বছরের তুলনায় দাম কমেনি, বরং প্রতি পিসে ৫০-৬০ টাকা বেড়েছে।
র বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
সরকার নির্ধারিত মূল্য থাকলেও মাঠপর্যায়ে সেই দামে চামড়া বিক্রি না হওয়ায় বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন মৌসুমি ব্যবসায়ী ও খুচরা সংগ্রহকারীরা। অনেক এলাকায় শত শত চামড়া সড়কের পাশে ফেলে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
মৌসুমি ব্যবসায়ীরা ৩০০ টাকায় চামড়া কিনে তা আড়তে বিক্রি করেছে মাত্র ১০০ টাকায়। এতে লাভ তো দুরের কথা গাড়ি ভাড়াও তুলতে পারছেন না তারা। এতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এসব ব্যবসায়ীরা। তাদের অভিযোগ, সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে চামড়া না কিনে সিন্ডিকেট করে নিজেদের ইচ্ছেমতো চামড়া কিনছেন আড়ৎদাররা।
স্থানীয় ব্যব বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
কুরবানির গরুর চামড়ার দাম সরকার গত বছরের তুলনায় বাড়ালেও রাজধানীতে সেই দরে বিক্রি হচ্ছে না। বিক্রেতারা বলছেন, তারা এবারও সরকারি নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় অনেক কম দামে চামড়া বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন।
মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীদের দাবি, সরকার দাম বাড়ালেও ট্যানারি মালিকদের পক্ষ থেকে সেই দামে চামড়া কেনার কোনো নিশ্চয়তা তারা পাননি। ট্যানারি মালিকরা গত বছরের তুলনায় কম দাম দিচ্ছেন। ফলে মৌসুমি ব্যবসায়ীরাও কম দামে চামড়া কিনছেন।
এদিকে ট্যানারি মালিকরা বলছেন, গত বছরের তুলনায় দাম কমেনি, বরং প্রতি পিসে ৫০-৬০ টাকা বেড়েছে।
র বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
চামড়াশিল্পের জন্য একটি আলাদা বোর্ড গঠনের দাবি জানিয়েছেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি কাঁচা চামড়া সংরক্ষণে ঋণসুবিধা, রাসায়নিক দ্রব্য আমদানি সহজ করা ও সনদের প্রতিবন্ধকতা দূর করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
গতকাল ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) রাজধানীর পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সেমিনারে এসব দাবি জানানো হয়।
‘অস্তিত্ব সংকটে চামড়াশিল্প উত্তরণের উপায় অনুসন্ধান’ শীর্ষক সেমিনারটির আয়োজন করে লেদার ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ। সভায় চামড়া খাতের ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
চামড়াশিল্পের জন্য একটি আলাদা বোর্ড গঠনের দাবি জানিয়েছেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি কাঁচা চামড়া সংরক্ষণে ঋণসুবিধা, রাসায়নিক দ্রব্য আমদানি সহজ করা ও সনদের প্রতিবন্ধকতা দূর করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
গতকাল ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) রাজধানীর পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সেমিনারে এসব দাবি জানানো হয়।
‘অস্তিত্ব সংকটে চামড়াশিল্প উত্তরণের উপায় অনুসন্ধান’ শীর্ষক সেমিনারটির আয়োজন করে লেদার ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ। সভায় চামড়া খাতের ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞ বাকি অংশ পড়ুন...












