এক সময় গ্রাম-বাংলার কৃষকের সকালের প্রধান খাবার ছিল পান্তা ভাত। সারাদিন মাঠে কাজের শক্তি জোগাতে পান্তা ভাত দারুণ কাজ করে শরীরে। এখনও অনেক পরিবারে সরিষার তেল, কাঁচামরিচ, লবণ ও ভাজা মাছের সঙ্গে পান্তা খাওয়ার চল রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমের সময়ে পান্তা ভাত শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এতে রয়েছে বেশ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা।
পান্তা ভাতে আয়রনের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেড়ে যায়, যা রক্তশূন্যতা কমাতে সহায়ক হতে পারে। এছাড়া এতে উপকারী ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়, যা হজমশক্তি বাড়াতে এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করে বাকি অংশ পড়ুন...
মিষ্টি কুমড়া সুস্বাস্থ্যের জন্য একটি অনন্য সুপারফুড। সম্প্রতি কৃষি বিভাগের ফুড ডাটা সেন্ট্রাল থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, এই সবজিটি যেমন পুষ্টিগুণে ভরপুর, তেমনি এটি সম্পূর্ণ কোলেস্টেরলমুক্ত। নিয়মিত মিষ্টি কুমড়া খাওয়ার মাধ্যমে ক্যান্সার ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব।
গবেষণায় দেখা গেছে, এক কাপ বা প্রায় ২৪৫ গ্রাম সেদ্ধ মিষ্টি কুমড়ায় মাত্র ৪৯ ক্যালরি থাকে। এতে প্রোটিন, ফাইবার এবং কার্বোহাইড্রেটের চমৎকার সমন্বয় রয়েছে। মিষ্টি কুমড়ায় থাকা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডে বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত সুন্নতী সবজি কদু হজমে সাহায্য করে। কদুতে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় ফাইবার আছে। দ্রবণীয় ফাইবার খাবার সহজে হজম করতে সাহায্য করে এবং হজম সংক্রান্ত সকল সমস্যা সমাধানে সহায়তা করে। তাই নিয়মিত সুন্নতী সবজি কদু খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, অর্শ, পেটফাঁপা ও অ্যাসিডিটি সমস্যা সমাধানে খুবই উপকার পাওয়া যায়। অদ্রবণীয় ফাইবার পাইলসের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
নিয়মিত সুন্নতী সবজি কদু খাওয়া হার্টের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কদুতে কলেস্টেরল পরিমাণ শূন্য; যা হার্টের রোগীদের সুস্থ রাখতে অত্যন্ত সহায়ক। এতে ভিটামিন-সি এবং অ্যান্টি বাকি অংশ পড়ুন...
খাবার খাওয়ার পর অনেকেরই হজমের সমস্যা হয়। পেট ফাঁপা, গ্যাস, অস্বস্তি কিংবা অ্যাসিডিটির মতো উপসর্গকে সাধারণ সমস্যা ভেবে অনেকেই গুরুত্ব দেন না। তবে চিকিৎসকদের মতে, এসব উপসর্গের পেছনে আইবিএস (IBS) বা ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমের মতো জটিল সমস্যা থাকতে পারে।
আইবিএস কি?
স্বাস্থ্যবিষয়ক বিভিন্ন ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, আইবিএস (Irritable Bowel Syndrome) একটি দীর্ঘমেয়াদি (chronic) কার্যকরী পরিপাকতন্ত্রজনিত রোগ। এ সমস্যায় অন্ত্রের গঠন স্বাভাবিক থাকলেও এর কার্যকারিতায় বিঘœ ঘটে। ফলে পেটব্যথা, অতিরিক্ত গ্যাস, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো উপসর্গ দেখা দেয়।
চিক বাকি অংশ পড়ুন...
শীতকালের পরিচিত অভিযোগ হচ্ছে শীতবস্ত্র পরিধান করেও হাত-পা ঠান্ডা হয়ে জমে যাচ্ছে। বিশেষ করে ভোর বা গভীর রাতে হাত-পা যেন বরফের মতো ঠান্ডা লাগে। বাংলাদেশে শীত তুলনামূলক কম হলেও এই সময়ে এমন সমস্যা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। কেউ এটাকে স্বাভাবিক শীতের প্রতিক্রিয়া ভেবে এড়িয়ে যান, আবার কেউ অস্বস্তিতে ভোগেন দীর্ঘ সময় ধরে। কিন্তু জানা আবশ্যক, সব সময় এই ঠান্ডা লাগা শুধু আবহাওয়ার কারণে হয় না?
পুষ্টিবিদরা জানান, অনেক ক্ষেত্রে শীতে হাত-পা অতিরিক্ত ঠান্ডা হওয়ার পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে শরীরের ভেতরের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা বিশেষ করে ভিটামি বাকি অংশ পড়ুন...
ফ্যাটি লিভার বা লিভারের অন্যান্য সমস্যা এখন বিরল নয়। ব্যস্ত জীবনযাপন, প্রক্রিয়াজাত খাবার, মানসিক চাপ ও শারীরিক পরিশ্রমের অভাবে লিভার অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রেই মানুষ বুঝতে পারে না যে তাদের লিভারের সমস্যা শুরু হয়ে গেছে। সাধারণত রুটিন পরীক্ষার সময় এই সমস্যা ধরা পড়ে। চিকিৎসা অবশ্যই জরুরি, তবে দৈনন্দিন খাবারে সামান্য পরিবর্তনও লিভারের সুস্থতায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে শীতকালীন পরিচিত সবজি মুলা লিভারের যতেœ কার্যকর।
পুষ্টিবিদরা মুলাকে লিভারের ‘সুপারহিরো’ আখ্যা দিয়ে থাকেন অনেক ক্ষেত্রে। কোনো দামি সাপ্ল বাকি অংশ পড়ুন...
শীতের দিনে শরীর উষ্ণ রাখা বড়ই চ্যালেঞ্জ। শুধু মোটা কাপড় পরলেই যে শীতের প্রভাব এড়ানো যায়, তা নয়। এই সময় শরীরের ভেতর থেকে তাপ তৈরি ও ধরে রাখার জন্য প্রয়োজন সঠিক খাদ্যাভ্যাস। কিছু খাবার আছে, যা স্বাভাবিকভাবেই শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শীতজনিত অসুস্থতা থেকে সুরক্ষা দেয়।
শীতকালে খাদ্যতালিকায় এসব খাবার যুক্ত করলে উষ্ণতার পাশাপাশি পাওয়া যায় প্রয়োজনীয় পুষ্টিও। জেনে নিতে পারেন শীতকালে উপকারী কিছু খাবার সম্পর্কে-
তুলসী ও আদা: শীতকালে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে তুলসী ও আদা অত্যন্ত কার্যক বাকি অংশ পড়ুন...
কলার থোড় হলো কলা গাছের ভোজ্য, তন্তুযুক্ত মূল, যা বাঙালি খাবারে বেশ জনপ্রিয়। কলার থোড় দিয়ে তৈরি করা যায় সুস্বাদু তরকারি। আবার এর রসও ঐতিহ্যবাহী ঘরোয়া চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। কলার থোড়ে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, পটাসিয়াম এবং উদ্ভিদ যৌগ রয়েছে যা কিডনি, রক্তে শর্করা, হজম এবং সামগ্রিক বিষমুক্তকরণে সহায়তা করতে পারে। কলার থোড়ের উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন-
কিডনিতে পাথর প্রতিরোধ করে:
কিডনিতে পাথর তৈরি বা বৃদ্ধি রোধ করতে ঐতিহ্যবাহী ওষুধে কলার থোড়ের রস ব্যবহার করা হয়। পরীক্ষাগার গবেষণা প্রমাণ করে যে, অপ্রক্রিয়াজাত কলার থোড় শরীর বাকি অংশ পড়ুন...
হার্টকে সুস্থ ও শক্তিশালী রাখতে অনেক বিশেষ সাপ্লিমেন্ট বা ব্যয়বহুল চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। আমাদের আশপাশে থাকা উজ্জ্বল লাল রঙের কিছু ফল হৃদস্বাস্থ্যের জন্য হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর সুরক্ষা। এই ফলগুলোতে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং প্রাকৃতিক যৌগ যা শরীরের প্রদাহ কমায়, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং রক্তপ্রবাহ উন্নত করে। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এগুলো সুস্বাদু এবং প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখা অত্যন্ত সহজ। তাজা, জুসে, সালাদে বা নাস্তা হিসেবে যেভাবেই খান না কেন, লাল রঙের এই পাঁচ সুপারফুড আপনার হার্টের জন্য হতে পারে প বাকি অংশ পড়ুন...
অনেক বাবা-মা মনে করেন, সন্তান হয়তো ঠিকমতো খাচ্ছে না বলেই উচ্চতা বাড়ছে না। আসলে শুধু খাওয়ার পরিমাণই নয়, কি ধরনের খাবার খাচ্ছে সেটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। শিশুদের বৃদ্ধি (গ্রোথ) এবং উচ্চতা বাড়ানোর জন্য দরকার সঠিক পুষ্টি- যেমন প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিনস, আয়রন ও খনিজ পদার্থ।
এমন কিছু ফল আছে যেগুলোর রসে থাকা প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদান শিশুদের হাড় মজবুত করে, হজমশক্তি বাড়ায় এবং স্বাভাবিকভাবে উচ্চতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। নিচে এমন তিনটি ফলের রসের কথা বলা হলো, যেগুলো শিশুদের খেতে দিলে উপকার পেতে পারেন।
১. পেয়ারার রস:
পেয়ারা শুধু খেতেই সুস্ বাকি অংশ পড়ুন...
কাঁচা কলা হলো কল্যাণের একটি পাওয়ার হাউস, যা প্রয়োজনীয় খনিজ ও পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং স্বাস্থ্য উপকারিতার একটি অ্যারে গর্ব করে। আসুন কাঁচা কলার পুষ্টিগুণ অন্বেষণ করি এবং স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নেই।
কাঁচা কলার পুষ্টিগুণ:
কাঁচা কলা অত্যাবশ্যকীয় ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং খনিজ সমৃদ্ধ, যা এগুলিকে একটি ভাল সংযোজন করে তোলে-সুষম খাদ্য. একটি একক মাঝারি আকারের কাঁচা কলায় আনুমানিক ১০০ ক্যালোরি থাকে এবং প্রচুর পুষ্টি সরবরাহ করে, যার মধ্যে রয়েছে-
পটাসিয়াম: কাঁচা কলা হলো পটাসিয়ামের একটি বড় উৎস, যা দৈনিক মূল্যের (ডিভি) ৯%। পট বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
বিশ্ব সন্ত্রাসী দখলদার ইসরায়েলের হামলার পর বিধ্বস্ত গাজা উপত্যকা পুনর্গঠন করতে কয়েক দশকে ৭০ বিলিয়ন ডলারেরও (৫৩ বিলিয়ন পাউন্ড) বেশি খরচ হতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে চরমভাবে ‘বহুস্তরীয় দারিদ্র্যের শিকার’ হয়েছে অন্তত ২৩ লাখ মানুষ। বাসিন্দাদের ‘টিকে থাকার প্রতিটি স্তম্ভকে গভীরভাবে দুর্বল করে দিয়েছে’ এ যুদ্ধ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ সময়কালে গাজার অর্থনীতি ৮৭ শতাংশ সঙ্কুচিত হয়েছে। ফলে মাথাপিছু জিডিপি মাত্র ১৬১ ডলারে নেমে এসেছে। শুধু গাজা উপত্যকা নয়, দ্রুতগতিতে বসতি সম্প বাকি অংশ পড়ুন...












