SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%খন্ডন%' OR titleBn LIKE '%খন্ডন%' OR descriptionEn LIKE '%খন্ডন%' OR descriptionBn LIKE '%খন্ডন%' OR slug LIKE '%খন্ডন%' OR metaTag LIKE '%খন্ডন%' OR metaDescription LIKE '%খন্ডন%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সাহিত্যে পবিত্র হাদীছ শরীফ:
পবিত্র হাদীছ শরীফও সাহিত্যের এক যুগান্তকারী অধ্যায় মুবারক। পবিত্র হাদীছ শরীফ আরবী সাহিত্যের অমূল্য ভা-ার। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাকে কেন্দ্র করে সাহিত্যের আরও বহু বিষয় সমৃদ্ধ হয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ভাষা মুবারকগুলো অত্যন্ত উন্নত ও সুষমাম-িত।
আমিরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম তিনি সাহিত্যে অসামান্য পৃষ্ঠপোষকতা মুবারক করেছিলেন। পাশাপাশি তিনি একজন সুবক্তা, লেখক এবং মহাকবি হিসেবেও বিখ্যাত ছিলেন। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহ বাকি অংশ পড়ুন...
আরো বলা হচ্ছে,
عَنْ حَضْرَتْ اِمَامِ الاوّل عَلَيْهِ السَّلَامُ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ্রنَحْنُ أَهْلُ بَيْتِ شَجَرَةِ النُّبُوَّةِ وَمَعْدِنُ الرِّسَالَةِ،
ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, আমরা হচ্ছি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভূক্ত। নুবুওওয়াতের বৃক্ষ, রিসালতের মূল খনি,
لَيْسَ أَحَدٌ مِنَ الْخَلَائِقِ يَفْضُلُ أَهْلَ بَيْتِي غَيْرِيগ্ধ
সৃষ্টির কোন সৃষ্টি, সৃষ্টি হয়নি যারা হযর বাকি অংশ পড়ুন...
গরুর গোশত খাওয়া সুন্নত কি-না?
তাছাড়া হযরত মুহম্মদ ইবনে ইউসুফ ছালেহী শামী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিশ্ববিখ্যাত সীরাতগ্রন্থ ‘সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ’ উনার মধ্যে উপরোক্ত হাদীছ শরীফখানা উল্লেখ করেছেন। আর সেই বাবের নাম দিয়েছেন-
فيما أكله صلى الله عليه وسلم من لحوم الحيوانات
অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে সমস্ত প্রাণীর গোশত খেয়েছেন। (সুবুলুল হুদা ওয়ার রাশাদ ৭/১৮৬)
এখান থেকেও প্রমাণিত হয়, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি গরুর গোশত খেয়েছেন।
নূরে বাকি অংশ পড়ুন...
‘গরুর গোশতে রোগ আছে’ এটা পবিত্র কুরআন শরীফ উনার খিলাফ কথা:
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে পবিত্র, স্বাস্থ্যকর, রুচিসম্মত বস্তুকে হালাল করা হয়েছে এবং অপবিত্র, নাপাক, অস্বাস্থ্যকর, অরুচিকর বস্তুকে হারাম করা হয়েছে। যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَسْأَلُونَكَ مَاذَا أُحِلَّ لَهُمْ ۖ قُلْ أُحِلَّ لَكُمُ الطَّيِّبَاتُ
অর্থ: (আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) লোকজন আপনাকে জিজ্ঞেস করে যে, কোন বস্তু তাদের জন্যে হালাল? আপনি উম্মতদেরকে বলে দিন, তোমাদের জন্যে পবিত্র, উৎক বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক পর্ব- ০৬)
উল্লেখিত চারটি হাদীছের প্রথম তিনটি সনদের দিক থেকেই বাতিল প্রমাণিত হলো। আর শেষের হাদীছটির সনদ সর্বোচ্চ দুর্বল বলা যেতে পারে। কিন্তু ইবনে কাইয়্যুমের বক্তব্য অনুযায়ী এটার সনদও প্রমাণিত নয়।
তবে সনদের দিক থেকে এটা দুর্বল হলেও মতনের দিক থেকে পুরাই বানোয়াট, মিথ্যা, জাল হাদীছের অন্তর্ভুক্ত। কারণ উল্লেখিত হাদীছগুলো পবিত্র কুরআন শরীফ ও ছহীহ হাদীছ শরীফ উনাদের সম্পূর্ণ খিলাফ। নাঊযুবিল্লাহ!
আরেকটা বিষয় হচ্ছে- গরুর দুধ সম্পর্কে মূল যে বর্ণনা রয়েছে সেখানে ‘গরুর গোশতে রোগ আছে’ এই অংশটা নেই। আর সেই বর্ণনাটাকে সকলেই বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক পর্ব- ০৫)
চতুর্থ বর্ণনা:
হযরত আবূ নাঈম ইস্পাহানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘আত্ব ত্বিব্বুন নববী’ কিতাবে বর্ণনা করেন-
أخبرنا أحمد في كتابه حَدَّثَنا محمد بن جرير، حَدَّثَنا أحمد بن الحسن الترمذي، عَن موسى بن محمد النسائي، حَدَّثَنا دفاع بن دغفل السدوسي، عَن عَبد الحميد بن صيفي بن صهيب، عَن أبيه، عَن جَدِّه صهيب الخير رضى الله تعالى عنه قال قال رسول الله صَلَّى الله عَليْهِ وَسلَّم عليكم بألبان البقر فإنها شفاء وسمنها دواء ولحومها داء
অর্থ: (আমাদের নিকট) আহমদ তিনি উনার কিতাবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমাদের নিকট মুহম্মদ ইবনে জারীর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আহমদ ইবনুল হাসান আত তিরমিযী তিনি মূসা ইবনে ম বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক পর্ব- ০৪)
তৃতীয় বর্ণনা:
এটা বর্ণনা করেছেন হযরত ইবনে আদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি-
حَدَّثَنَا عَبد اللَّهِ بْنُ مُحَمد بْنِ يَاسِينَ، حَدَّثَنا مُحَمد بْنُ مُعَاوِيَةَ الأنماطي، حَدَّثَنا مُحَمد بْنُ زِيَادٍ الطَّحَانُ عَنْ مَيْمُونٍ، عنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضى الله تعالى عنه قَال قَال رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَمْنُ الْبَقَرِ وَأَلْبَانُهَا شفاء ولحومها داء.
অর্থ: (হযরত ইবনে আদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে মুহম্মদ ইবনে ইয়াসীন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহম্মদ ইবনে মুআবিয়াহ আনমাত্বী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট মুহম্মদ ইবনে যিয়াদ আ বাকি অংশ পড়ুন...
সনদ পর্যালোচনা:
এই হাদীছের একজন রাবী হচ্ছেন- সাঈফ ইবনে মিসকীন। তার সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ বিশারদ উনাদের কিছু বক্তব্য দেখা যাক।
হযরত ইমাম দারা কুত্বনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি এবং হযরত আবূ হাতিম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি অর্থাৎ উনারা বলেন-
وَسَيفُ بن مِسكِينٍ هَذا لَيس بِالقَوِيِّ
অর্থ: সাঈফ ইবনে মিসকীন তিনি শক্তিশালী নন। (আল ইলাল লিদ দারা কুত্বনী ১/২১৯, তাহক্বীকু জুযইম মিন ইলালি ইবনে আবী হাতিম ১/৬১)
হযরত মুহম্মদ ইবনে আলী ইবনে মুহম্মদ শাওক্বানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
سيف بن مسكين وهو واه
অর্থ: সাঈফ ইবনে মিসকীন তিনি জারাহগ্রস্ত, ভিত্ত বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক পর্ব- ০২)
হযরত আবূ দাঊদ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘মারাসীল’ গ্রন্থে উনার থেকে রেওয়ায়েত করেছেন। সেটা আবার হযরত ওয়ালিউদ্দীন আহমদ ইবনে আব্দুর রহীম ইবনে হুসাইন আবূ যুরআ ইরাক্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৮২৬ হিজরী) তিনি উনার ‘তুহফাতুত তাহছীল ফী যিকরি রুওয়াতিল মারাসীল’ নামক গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। (তুহফাতুত তাহছীল ১/৩৭৯ দ্রষ্টব্য)
উক্ত বর্ণনা থেকে প্রমাণিত হয় এই হাদীছটা মুরসাল।
ইমামগণ যে সকল ক্ষেত্রে মুরসাল হাদীছ শরীফ দলীল হিসেবে গ্রহণ করেছেন তার কয়েকটি হলো:
(১) যদি মুরসাল হাদীছ শরীফ কোন ছহীহ হাদীছ শরীফের পক্ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
“আল আয়িম্মাতু মিন কুরাইশ” এবং “তা‘য়াল্লামুল ফারায়িদ্বা ওয়া আল্লিমূহা ফাইন্নাহা নিছফুল ইলম” হাদীছ শরীফ দুখানা জনৈক ব্যক্তি বানোয়াট মনে করে অস্বীকার করে থাকে। এ বিষয়ে সঠিক জাওয়াব কি হবে?
জাওয়াব: (২য় অংশ)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার আরো প্রকারভেদ রয়েছে। যেমন- মারফু, মাওকুফ, মাকতু, মুত্তাসিল, মুনকাতি, মুরসাল, মুআল্লাক, মুদাল্লাস, মুদ্বতারাব, মুদরাজ, ছহীহ, হাসান, দ্বয়ীফ, মাওদূ, মাতরূক, মুবহাম, গরীব, আযীয, মাশহূর, মুতাওয়াতির ইত্যাদি। এ সমুদয় প্রকারভেদ রাবী বা বর্ণনাকারীর বর্ণনার উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক পর্ব- ০১)
মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে বান্দা-বান্দীদেরকে অসংখ্য-অগণিত নিয়ামত মুবারক দান করেছেন। তারমধ্যে বিশেষ এক নিয়ামত হচ্ছে গরুর গোশত। গরুর গোশত মহান আল্লাহ পাক তিনি মুসলিম উম্মাহর জন্য হালাল করেছেন।
মহান আল্লাহ পাক উনার নৈকট্য হাছিলের অন্যতম একটি মাধ্যম হচ্ছে পবিত্র কুরবানী। আর এই পবিত্র কুরবানীর পশু সমূহের মধ্যে অন্যতম হলো গরু। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
“আল আয়িম্মাতু মিন কুরাইশ” এবং “তা‘য়াল্লামুল ফারায়িদ্বা ওয়া আল্লিমূহা ফাইন্নাহা নিছফুল ইলম” হাদীছ শরীফ দুখানা জনৈক ব্যক্তি বানোয়াট মনে করে অস্বীকার করে থাকে। এ বিষয়ে সঠিক জাওয়াব কি হবে?
জাওয়াব: (১ম অংশ)
উল্লেখিত পবিত্র হাদীছ শরীফ দু’খানা বিশুদ্ধ এবং দলীলসমৃদ্ধ। যেমন প্রথম হাদীছ শরীফখানা উনার মূল বর্ণনাকারী হচ্ছেন হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। যিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিশিষ্ট খাদিম। তিনি সুদীর্ঘ দশ বৎসর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্ বাকি অংশ পড়ুন...












