সম্পাদকীয়-১
আহলান সাহলান মহিমান্বিত ৬ই রজবুল হারাম শরীফ! আজ কুতুবুল মাশায়িখ, সুলত্বানুল হিন্দ, খাজায়ে খাজেগাঁ, গরীবে নেওয়াজ, হাবীবুল্লাহ হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সুমহান বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
এ সুমহান দিবস মুবারক উনার তাৎপর্য অনুধাবন করা গোটা মুসলিম উম্মাহ্র জন্য ফরয-ওয়াজিব।
, ০৭ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৯ সাবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ১৩ পৌষ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) সম্পাদকীয়
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকে ইচ্ছা স্বীয় রহমত মুবারক উনার মধ্যে দাখিল করে নেন। ” (পবিত্র সূরা ফাতাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২৫)
মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে আখাচ্ছুল খাছভাবে রহমতপ্রাপ্ত এ ধরনের একজন ওলীআল্লাহ হচ্ছেন সুলতানুল হিন্দ, খাজায়ে খাজেগাঁ, গরীবে নেওয়াজ, হাবীবুল্লাহ হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
উনার তাশরীফ মুবারক গ্রহণের পূর্বে প্রায় ১৭৫ বৎসর আগে গজনীর সুলত্বান মাহমুদ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি প্রায় ১৭ বার ভারতবর্ষে আক্রমণ করেন। কিন্তু তিনি এদেশে স্থায়ী ঘাঁটি তৈরি করতে পারেননি। ১১৯০-৯১ সালে সুলত্বান মুহম্মদ ঘুরী এক বিশাল সৈন্যবাহিনী নিয়ে ভারত আক্রমণ করলে যালিম পৃথ্বিরাজ অন্যান্য যালিম হিন্দু রাজপুতদের সাহায্য নিয়ে মুহম্মদ ঘুরীকে ফিরিয়ে দেয়। এদিকে সৈন্যবাহিনী প্রেরণ, যাদুকর প্রেরণ, তাত্ত্বিক কাপালিক ঐন্দ্রজালিক প্রেরণ, সর্বোপরি হাবীবুল্লাহ হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার লোকদের উপর পৃথ্বিরাজের চরম নির্যাতন অত্যাচার যখন চরম মাত্রা ধারণ করলো তখন সুলত্বানুল হিন্দ হাবীবুল্লাহ হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি এক টুকরা কাগজে পৃথ্বিরাজকে লিখে পাঠালেন- ‘মান তোরা জেন্দা বদস্তে লশকরে ইসলাম ব-সোর্পদম’। অর্থাৎ ‘আমি তোমাকে তোমার জীবতাবস্থাতেই মুসলিম সেনাদের হাতে সোপর্দ করলাম’। এরপরই শায়েখ শিহাবুদ্দীন মুহম্মদ ঘুরী ১১৯২ সালে যালিম পৃথ্বিরাজকে পরাজিত করেন ও নিহত করেন। বলতে গেলে গোটা ভারতবর্ষে তথা খাজায়ে খাজেগাঁ হাবীবুল্লাহ হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দ্বারা পবিত্র দ্বীন ইসলাম কায়িম হয়। যার দ্বারা আরো প্রতিভাত ও প্রমাণিত হয় যে- পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে কায়িমের জন্য রাজশক্তি বা রাজনৈতিক দল প্রয়োজন নয়, প্রয়োজন রূহানী শক্তি।
উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশের সময় উনার কপাল মুবারকের মধ্যে স্বর্ণাক্ষরে লেখা হয়েছিলো, “হা-যা হাবীবুল্লাহ মা-তা ফী হুব্বিল্লাহ”। অর্থাৎ ইনি হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার বন্ধু, মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বতে তিনি বিদায় নিলেন। সুবহানাল্লাহ!
৬৩৩ হিজরী সনের ৬ই রজবুল হারাম শরীফ ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ তিনি পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। আজ সেই মহান ৬ই রজবুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
সঙ্গতকারণেই বলতে হয়, রাষ্ট্রদ্বীন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার এদেশে পবিত্র দ্বীন ইসলাম প্রচার ও প্রসারের ত্রাণকর্তারূপে সুলত্বানুল হিন্দ, গরীবে নেওয়াজ, হাবীবুল্লাহ হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশের দিবস মহাসমারোহে পালন শুধু প্রাসঙ্গিক বা আবশ্যিকই নয়; বরং একান্ত অত্যাবশ্যকীয়। সুবহানাল্লাহ!
(২)
প্রসঙ্গত, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একটি সংবিধান আছে। এর ২(ক) ধারায় রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্রদ্বীন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বাংলাদেশে আবির্ভাবের ইতিহাসটা কী। তা কী পর্যালোচনা এবং মূল্যায়নের অবকাশ নেই? ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আমরা মূল্যায়ন করছি। ভাষা শহীদদের স্মৃতিচারণ করছি। ভাষা দিবস পালন করছি। ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক ইতিহাস রচিত হয়েছে ও হচ্ছে। স্বাধীনতা ঘোষণা দিবস, বিজয় দিবস পালিত হচ্ছে। শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হচ্ছে। কিন্তু যে কণ্টকাকীর্ণ আন্দোলনের মুখে দেশবাসী, রাষ্ট্রভাষা বাংলা পেয়েছে, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান করতে পেরেছে ১৯৭১-এ ভূখন্ডের স্বাধীনতা পেয়েছে; তার ক্রমবিকাশে মূল যে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার অবদান অনিবার্য এবং অনস্বীকার্য; সে মহান দ্বীন ইসলাম কী এমনিতেই বাংলাদেশে এসেছে? রাষ্ট্রভাষা বাংলার পেছনে যদি শত ভাষা শহীদদের, ভূখ-ের স্বাধীনতার জন্য ত্রিশ লাখ শহীদের অবতারণা হয়, তবে এসবের উৎস ও মূল মহান দ্বীন ইসলাম উনার জন্য কি কোটি শহীদের রক্তের প্রয়োজন হয়নি? এবং সেসব মহান জিহাদ যারা পরিচালনা করেছেন উনারা কী বেমেছাল যোগ্যতা, প্রজ্ঞা ও পরম রূহানী যোগ্যতার অধিকারী চরম অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব নন? তাহলে সংবিধানে ও সরকারে সেসব মহান ইসলামী ব্যক্তিত্বের অন্তর্ভুক্তি নেই কেন? আলোচনা নেই কেন? সরকার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রক্ষায় তৎপর বলে প্রচারে পঞ্চমুখ। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস কী সম্মানিত ইসলামী চেতনা নয়? পবিত্র দ্বীন ইসলাম নিঃসৃত ‘দেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ’- এই কী মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার মূল উদ্দীপনা নয়? মরলে জান্নাত, বাঁচলে গাজী- এই ঈমানী বোধই কী সম্মুখ সমরে অকাতরে জান বিলিয়ে দেয়ার পরম আকুতি নয়? তাহলে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে অস্বীকার করে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার অবদানকে অবজ্ঞা করে কোনোদিন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রচিত হতে পারে না। স্বীকৃত হতে পারে না। প্রকাশিত হতে পারে না। প্রচারিত হতে পারে না। দেশ ও জাতি পরিচালিত হতে পারে না এবং সেই সাথে এদেশে যাদের উসীলায় পবিত্র দ্বীন ইসলাম এসেছে উনাদের মূল্যায়নও নিষ্প্রভ হতে পারে না। যদি হয়, তাহলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়। খ-িত করা হয়। অবমূল্যায়ন করা হয়।
লেখাবাহুল্য, এরূপ বিকৃতি, খন্ডন আর অবমূল্যায়নের ধারাবাহিকতায় চলছে দেশের স্বাধীনতাউত্তর থেকেই। কিন্তু এর থেকে উত্তরণ অনিবার্য। এবং দেশের স্বাধীনতা রক্ষা কবচের সাথে অবিচ্ছেদ্য।
(৩)
স্মর্তব্য যে, গরীবে নেওয়াজ, সুলত্বানুল হিন্দ, হাবীবুল্লাহ হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি আল হাসানী ওয়াল হুসাইনী ওয়াল কুরাইশী উনার চল্লিশ জন সহযাত্রীর বিশিষ্টজনের উত্তর পুরুষই হলেন- ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ! উনার সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে যামানার ইমাম উনাকে চিনলো না, সে যেন জাহিলিয়াতের মধ্যে মারা গেলো। ” নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ!
প্রসঙ্গত সুলত্বানুল হিন্দ, গরীবে নেওয়াজ, হাবীবুল্লাহ হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে মূল্যায়নের মানসিকতায় তথা অনুসরণের ধারাবাহিকতায় বর্তমানে সরকারসহ প্রত্যেক মুসলমানেরই দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনাকে জানা, চিনা ও মানা। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যা উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, ত্বাহিরাহ, ত্বইয়িবাহ, বিনতু রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাধারণ মুসলিম শুধু ফিলিস্তিন-কাশ্মীরের প্রতি সহানুভূতিতেই সীমাবদ্ধ
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ভয়াবহ নীরব দুরারোগ কিডনী রোগ একদিকে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা, অপরদিকে বাড়ছে চিকিৎসা ব্যায়
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জল ভূমিকা যেমন জ্বলজ্বল, উন্নয়নে ঝলমল তেমনি সংকটকালেও থাকুক সমুজ্জ্বল
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
যা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল খ¦মিসাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১৬৮ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ। এই কুলাঙ্গার আবারো ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে, রাষ্টের শীর্ষ পদে তথা প্রেসিডেন্ট পদে আলোচনায় আসে কি করে? নেপথ্যে কি মার্কিন দূত গর? অথচ “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়”- বিএনপির শ্লোগান
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
গত ১১ বছরে মানচিত্রের অন্তর্ভূক্তি ছাড়া ছিটমহলবাসীর জীবন জীবিকার কিছুই উন্নয়ন হয়নি।
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইসলামের শত্রু, মুসলমানের শত্রু মুসলিম বিশ্বের শত্রু, বাংলাদেশের শত্রু ট্রাম্পের বিরুদ্ধে জনরোষের অনল দাউ দাউ জ্বলছে।
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
চার বছর ধরে ঝুলে আছে খেলাপী ঋণ কমানের উদ্যোগ। খেলাপী ঋণের প্রভাবে মুদ্রাস্ফীতি, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণ না পাওয়া, কর বৃদ্ধি, অর্থ পাচার সহ জনদুর্ভোগের উত্তাপে উত্তাল হতে পারে দেশ।
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মাত্র কয়েক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের জন্য বাংলাদেশে বিস্তীর্ণ ভূমি, প্রাকৃতিক বৈচিত্র নষ্ট হবে উত্তরবঙ্গের জনজীবন ও অর্থনীতি বিপর্যস্থ হবে, সর্বোপরি ভারতের হাতে যাবে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের উপর আঘাতের কুঠার।
০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মাত্র কয়েক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের জন্য বাংলাদেশে বিস্তীর্ণ ভূমি, প্রাকৃতিক বৈচিত্র নষ্ট হবে উত্তরবঙ্গের জনজীবন ও অর্থনীতি বিপর্যস্থ হবে, সর্বোপরি ভারতের হাতে যাবে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের উপর আঘাতের কুঠার।
০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












