নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত সতর মুবারক সংশ্লিষ্ট মওযূ হাদীছ ও তার খন্ডনমূলক জবাব (৬)
, ০৭ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৯ সাবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ১৩ পৌষ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
(দ্বিতীয় ভাগ)
মওযূ হাদীছ ও তার খন্ডনমূলক জবাব:
‘মুস্তাদরাকে হাকিম’ কিতাবে এসেছে,
৭৩৫৬ - حَدَّثَنَا حَضْرَتْ اَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوْبَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ ثَنَا حَضْرَتْ الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ اَلدُّوْرِىُّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ ثَنَا حَضْرَتْ اَبُوْ يَحْيَى الْحَمَّانِىُّ عَبْدُ الْحَمِيْدِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمٰنِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ ثَنَا اَلنَّضْرُ اَبُوْ عُمَرَ اَلْخَزَّازُ عَنْ حَضْرَتْ عِكْرِمَةَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ كَانَ اَبُوْ طَالِبٍ يُعَالِجُ زَمْزَمَ وَكَانَ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِـمَّنْ يَنْقُلُ الْحِجَارَةَ وَهُوَ يَوْمَئِذٍ غُلَامٌ فَاَخَذَ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِزَارَهٗ فَتَعَرّٰى وَاتَّقٰى بِهِ الْحَجَرَ فَغُشِىَ عَلَيْهِ فَقِيْلَ لِاَبِىْ طَالِبٍ اَدْرِكِ ابْنَكَ فَقَدْ غُشِىَ عَلَيْهِ فَلَمَّا اَفَاقَ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ غَشْيَتِهٖ سَاَلَهٗ اَبُوْ طَالِبٍ عَنْ غَشْيَتِهٖ فَقَالَ اَتَانِىْ اٰتٍ عَلَيْهِ ثِيَابٌ بِيْضٌ فَقَالَ لِىْ اِسْتَتِرْ فَقَالَ حَضْرَتْ اِبْنُ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ فَكَانَ ذٰلِكَ اَوَّلَ مَا رَاٰهُ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنَ النُّبُوَّةِ اَنْ قِيْلَ لَهٗ اِسْتَتِرْ فَمَا رُؤِيَتْ عَوْرَتُهٗ مِنْ يَوْمَئِذٍ
অর্থ: “৭৩৫৬- আমাদেরকে বর্ণনা করেছেন হযরত আবুল আব্বাস মুহম্মদ ইবনে ইয়া’কূব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। তিনি বলেন, আমাদেরকে বর্ণনা করেছেন হযরত আব্বাস ইবনে মুহম্মদ আদ্ দূরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। তিনি বলেন, আমাদেরকে বর্ণনা করেছেন হযরত আবূ ইয়াহ্ইয়া আব্দুল হামীদ ইবনে আব্দুর রহমান আল হাম্মানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। তিনি বলেন, আমাদেরকে বর্ণনা করেছেন আন নদ্বর আবূ উমর আল খয্যায। সে হযরত ইকরামাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে। আর হযরত ইকরামাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন- খাজা আবূ ত্বালিব তিনি পবিত্র যমযম কূপ মেরামতের কাজ করছিলেন, আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পাথর বহন করছিলেন। তখন তিনি একজন কিশোর ছিলেন (অর্থাৎ দুনিয়াবী দৃষ্টিতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বয়স মুবারক ছিলেন ১৫-১৬ বছর)। এক সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার ইযার বা লুঙ্গি মুবারক হাতে নিলেন। তাই, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সতর মুবারক অনাবৃত হয়ে গেলো। আর তিনি সেই ইযার বা লুঙ্গি মুবারক দিয়ে পাথরের আঘাত থেকে নিজেকে রক্ষা করলেন। সাথে সাথেই তিনি অচেতন হয়ে গেলেন। তখন খাজা আবূ ত্বালিব উনাকে বলা হলো- ‘আপনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ভাতিজা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দেখুন, তিনি অচেতন হয়ে গেছেন। ’ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন অচেতনতা থেকে জ্ঞান ফিরে পেলেন, তখন খাজা আবূ ত্বালিব তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উনার অচেতনতার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন- ‘আমার কাছে একজন আগমনকারী এলেন- উনার গায়ে ছিলো সাদা পোশাক। তিনি আমাকে বললেন- ‘আবৃত হন’। হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বলেন- ‘মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নুবুওওয়াত মুবারক বিষয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্ব প্রথম যা দেখেছেন তা ছিলো এটা যে, উনাকে বলা হলো- ‘আবৃত হন। ’ সেদিন থেকে আর কখনো উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আওরাত (সতর) মুবারক দেখা যায়নি। অর্থাৎ আর কখনো উনাকে বস্ত্রহীন অবস্থায় কেউ দেখেনি। ” না‘ঊযুবিল্লাহ!
এছাড়া এই মওযূ হাদীছটি নদ্বর ইবনে আব্দুর রহমান আবূ উমর খায্যাযের সূত্রে ‘দালাইলুন নুবুওওয়াহ্ লিআবী নু‘আইমসহ’ আরো অন্যান্য কিতাবে বর্ণিত রয়েছে।
এটি একটি মওযূ হাদীছ। এই মওযূ হাদীছটি বর্ণনা করেছে নদ্বর ইবনে আব্দুর রহমান আবূ উমর খায্যায। সে হচ্ছে- মওযূ হাদীছ বর্ণনাকারী, কায্যাব অর্থাৎ চরম মিথ্যাবাদী। এই মওযূ হাদীছটি সে হযরত ইকরিমাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সূত্রে হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার নামে চালিয়ে দিয়েছে। এটা তার আদত বা অভ্যাস ছিলো। সে বানিয়ে বানিয়ে যেকোনো হাদীছকে হযরত ইকরিমাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সূত্রে হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার নামে চালিয়ে দিতো। যেমন- এই সম্পর্কে আল হাফিযুল মুতক্বিন আল্লামা হযরত জামালুদ্দীন মিয্যী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৭৪২ হিজরী শরীফ) তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘তাহ্যীবুল কামাল’ উনার মধ্যে বলেন,
قَالَ حَضْرَتْ مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ كَثِيْرٍ اَلْحَرَّانِىُّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ سَمِعْتُ حَضْرَتْ اَبَا نُعَيْمٍ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وَسُئِلَ عَنْ اَلنَّضْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمٰنِ الْخَزَّازِ فَرَفَعَ شَيْئًا مِّنَ الْاَرْضِ فَقَالَ لَا يَسْوٰى هٰذِهٖ كَانَ يَجِىْءُ يَجْلِسُ عِنْدَ حَضْرَتْ اَلْحَمَّانِىِّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ فَكُلُّ شَىْءٍ يُسْاَلُ يَقُوْلُ حَضْرَتْ عِكْرِمَةُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ
অর্থ: “হযরত মুহম্মদ ইবনে ইয়াহ্ইয়া ইবনে কাছীর আল হাররানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, ‘আল হাফিযুল কাবীর, শাইখুল ইসলাম আল্লামা হযরত ফযল ইবনে দুকাইন আবূ নু‘আইম রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ২১৯ হিজরী শরীফ) উনার থেকে আমি নিজ কানে শুনেছি। উনাকে নদ্বর ইবনে আব্দুর রহমান আল খায্যায সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো। তখন তিনি মাটি থেকে একটি ছোট জিনিস তুলে ধরে বলেন- ‘এর সমান মূল্যও তার নেই। ’ (তিনি আরো বললেন-) নদ্বর ইবনে আব্দুর রহমান আল খায্যায হযরত আবূ ইয়াহ্ইয়া আব্দুল হামীদ ইবনে আব্দুর রহমান আল হাম্মানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট এসে বসত। তাকে যাই জিজ্ঞাসা করা হতো, সে একই কথা বলতো- ‘হযরত ইকরিমাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণনা করেছেন’। ” না‘ঊযুবিল্লাহ! (তাহ্যীবুল কামাল ২৯/৩৯৩)
অর্থাৎ তাকে যে বিষয়ই জিজ্ঞাসা করা হোক না কেন, সে ভিত্তিহীনভাবে একই সনদ বানিয়ে বলে দিতো- হযরত ইকরিমাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণনা করেছেন।
কাজেই, নিঃসন্দেহে ‘মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সতর মুবারক সংশ্লিষ্ট এই মওযূ হাদীছটি’ নদ্বর ইবনে আব্দুর রহমান আবূ উমর খায্যাযের বানানো একটি মওযূ বর্ণনা। সে হযরত ইকরিমাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সূত্রে হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার নামে এই মওযূ হাদীছটি চালিয়ে দিয়েছে। না‘ঊযুবিল্লাহ!
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আল আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে মানহানীকারীদের যুগে যুগে ভয়াবহ পরিণতি (৪৪)
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত মাক্বাম মুবারক সম্পর্কে বর্ণনা মুবার
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত ওয়ালিদাইন শরীফাইন আলাইহিমাস সালাম উনাদের খুশি মুবারক প্রকাশ
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে গভীর নিসবত মুবারক এবং ২৪ ঘণ্টা দায়িমীভাবে উনাদের মহাসম্মানিত দীদার মুবারক-এ মশগূল থাকার বিষয়ে বর্ণনা মুবারক (২)
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান বুলন্দী শান মুবারক প্রকাশ: ‘উম্মী’ শব্দ নিয়ে বাতিলপন্থীদের মিথ্যাচারের চূড়ান্ত জবাব (৫)
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে গভীর নিসবত মুবারক এবং ২৪ ঘণ্টা দায়িমীভাবে উনাদের মহাসম্মানিত দীদার মুবারক-এ মশগূল থাকার বিষয়ে বর্ণনা মুবারক (১)
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার বিশেষ বিশেষ নিসবত মুবারক সম্পর্কে বর্ণনা মুবারক
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম “لِـيَـعْبُدُوْنِ (লিইয়া’বুদূন) থেকে لِـيُصَلُّوْنِ (লিইউছল্লূন) পর্যন্ত ৮টি মাক্বাম মুবারক উনাদের বর্ণনা মুবারক
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অদ্বিতীয় হাক্বীক্বী কায়িম-মাক্বাম হিসেবে, উনার হুবহু নক্বশা মুবারক হিসেবে উনার সমস্ত নিয়ামত মুবারক আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনাকে হাদিয়া মুবারক করা
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












