নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত সতর মুবারক সংশ্লিষ্ট মওযূ হাদীছ ও তার খন্ডনমূলক জবাব (১২)
, ১৫ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৭ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৫ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ২১ পৌষ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
(দ্বিতীয় ভাগ)
মওযূ হাদীছ ও তার খন্ডনমূলক জবাব:
নিম্নে উক্ত মওযূ হাদীছ বর্ণনাকারী নদ্বর ইবনে আব্দুর রহমান আবূ উমর খায্যাযের সম্পর্কে হযরত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের অভিমত তুলে ধরা হলো-
হাফিয নূরুদ্দীন আলী ইবনে আবী বকর হাইছামী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অভিমত:
আল্লামা হযরত ইমাম আবুল হাসান নূরুদ্দীন আলী ইবনে আবী বকর ইবনে সুলাইমান হাইছামী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৮০৭ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন,
৫৭২১ - وَعَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ كَانَ اَبُوْ طَالِبٍ يُعَالِجُ زَمْزَمَ فَكَانَ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَنْقُلُ الْحِجَارَةَ وَهُوَ غُلَامٌ رَوَاهُ حَضْرَتْ اَلْبَزَّارُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وَفِيْهِ النَّضْرُ اَبُوْ عُمَرَ وَهُوَ مَتْرُوْكٌ
অর্থ: “৫৭২১- হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। ‘খাজা আবূ ত্বালিব তিনি পবিত্র যমযম কূপ মেরামতের কাজ করছিলেন, তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পাথর বহন করছিলেন। অথচ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দুনিয়াবী দৃষ্টিতে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কিশোর বয়স মুবারক উনার অধিকারী ছিলেন।’
এটি হযরত ইমাম বায্যার রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেছেন। এতে নদ্বর আবূ উমর নামে একজন বর্ণনাকারী রয়েছে। সে হচ্ছে মাতরূক বা পরিত্যাজ্য। অর্থাৎ তার থেকে বর্ণিত হাদীছ মাতরূক বা পরিত্যাজ্য, গ্রহণযোগ্য নয়।” (মাজমাউয্ যাওয়াইদ ৩/২৮৭)
কাজেই, নদ্বর ইবনে আব্দুর রহমান আবূ উমর খায্যায ছিলো মাতরূক অর্থাৎ পরিত্যক্ত, পরিত্যাজ্য, কায্যাব অর্থাৎ চরম মিথ্যাবাদী, মওযূ হাদীছ বর্ণনাকারী। তার বর্ণিত হাদীছ সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাজ্য, বাতিল, ভিত্তিহীন, বানোয়াট, মওযূ ও জাল। এই মওযূ হাদীছ বর্ণনাকারী, কায্যাব অর্থাৎ চরম মিথ্যাবাদী নদ্বর ইবনে আব্দুর রহমান আবূ উমর খায্যায বানিয়ে বানিয়ে ‘নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সতর মুবারক সংশ্লিষ্ট মওযূ হাদীছটি বর্ণনা করেছে এবং তা হযরত ইকরিমাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সূত্রে হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার নামে চালিয়ে দিয়েছে। না‘ঊযুবিল্লাহ! এটা তার আদত বা অভ্যাস ছিলো, সে বানিয়ে বানিয়ে যেকোনো হাদীছ হযরত ইকরিমাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সূত্রে হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার নামে চালিয়ে দিতো। না‘ঊযুবিল্লাহ!
কাজেই, এটা আর বলার অপেক্ষাই রাখে না যে, নিঃসন্দেহে অবশ্যই অবশ্যই ‘মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সতর মুবারক সংশ্লিষ্ট এই মওযূ হাদীছটি’ নদ্বর ইবনে আব্দুর রহমান আবূ উমর খায্যাযের বানানো একটি মওযূ, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, মনগড়া ও জাল বর্ণনা।
এতএব, এই মাতরূক, কায্যাব, মওযূ হাদীছ বর্ণনাকারী রাবী নদ্বর ইবনে আব্দুর রহমান আবূ উমর খায্যাযের উপর বিশ্বাস করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যা তোহমত দেয়া, উনার প্রতি বদ আক্বীদাহ্ পোষণ করা, উনার ‘মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সতর মুবারক’ নিয়ে এরূপ ফাহেশা ও কুফরীমূলক আক্বীদাহ্ পোষণ করা, সেগুলো বর্ণনা করা ও লিপিবদ্ধ করা কোনো উম্মত বা সৃষ্টির কারো জন্য কস্মিনকালেও জায়েয নেই; বরং সম্পূর্ণরূপে হারাম, নাজায়েয, কাট্টা কুফরী, চির মাল‘ঊন ও চির জাহান্নামী হওয়ার কারণ। কেননা, স্বয়ং যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
مَا لَيْسَ لَكُمْ بِهٖ عِلْمٌ وَّتَحْسَبُوْنَهٗ هَيِّنًا وَهُوَ عِنْدَ اللهِ عَظِيْمٌ. وَلَوْلَآ اِذْ سَـمِعْتُمُوْهُ قُـلْتُمْ مَّا يَكُوْنُ لَـنَآ اَنْ نَّــتَكَلَّمَ بِـهٰـذَا سُبْحٰنَكَ هٰذَا بُـهْتَانٌ عَظِـيْمٌ. يَعِظُكُمُ اللهُ اَنْ تَـعُوْدُوْا لِمِثْلِهٖٓ اَبَدًا اِنْ كُنْـتُمْ مُّؤْمِنِيْـنَ. وَيُـبَيِّـنُ اللهُ لَكُمُ الْاٰيٰتِ وَاللهُ عَلِيْمٌ حَكِـيْمٌ. اِنَّ الَّذِيْنَ يُـحِبُّـوْنَ اَنْ تَشِيْعَ الْفَاحِشَةُ فِـى الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَـهُمْ عَذَابٌ اَلِيْمٌ فِـى الدُّنْـيَا وَالْاٰخِرَةِ وَاللهُ يَـعْلَمُ وَاَنْـتُمْ لَا تَـعْلَمُوْنَ
অর্থ: “এই বিষয়ে তোমাদের কোনো ইলিম নেই। তোমরা এই বিষয়টিকে হালকা মনে করো? অথচ মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে এটা একটি অত্যন্ত কঠিন অপরাধ। তোমরা যখন (শান মুবারকের খিলাফ এলোমেলো) এই কথা শুনলে, তখন কেন্ বললে না যে, এই বিষয়ে আমাদের কোনো কথা বলার অধিকার নেই। তিনি (অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি) অত্যন্ত পবিত্রতম। মহান আল্লাহ পাক তিনিও পবিত্র থেকে পবিত্রতম। এটা একটা কঠিন অপবাদ। সুবহানাল্লাহ! যদি তোমরা মু’মিন হয়ে থাকো, তাহলে তোমরা জেনে রাখ- শেষ বারের মতো তোমাদেরকে নছীহত করা হচ্ছে, তোমাদেরকে জানিয়ে দেয়া হচ্ছে, তোমরা ক্বিয়ামত পর্যন্ত আর কখনও পবিত্র শান মুবারকে এই সমস্ত কথা বলবে না, চূ-চেরা, ক্বীল-ক্বাল করবে না। মহান আল্লাহ পাক তিনি সব হুকুম স্পষ্টভাবে বর্ণনা করে দিয়েছেন। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি সব জানেন, শুনেন। সুবহানাল্লাহ! নিশ্চয়ই যারা অশ্লীল-অশালীন কথা বলা পছন্দ করে থাকে তাদের জন্য ইহকাল-পরকালে কঠিন শাস্তি রয়েছে। এবং তাদেরকে (আমি) এমন কঠিন শাস্তি দিবো যা মহান আল্লাহ পাক তিনি (অর্থাৎ আমি) ব্যতীত তোমরা কেউ জানো না।” না‘ঊযুবিল্লাহ! (পবিত্র সূরা নূর শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৯)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন,
لُعِنُـوْا فِـى الدُّنْـيَا وَالْاٰخِرَةِ وَلَـهُمْ عَذَابٌ عَظِيْمٌ
অর্থ: “ইহকাল-পরকালে অনন্তকাল ধরে তাদের উপর লা’নত বর্ষণ করা হবে এবং তাদের জন্য রয়েছে অত্যন্ত কঠিন শাস্তি।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা নূর শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২৩)
অতএব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি যারা মিথ্যা তোহমত দিয়ে থাকে, উনার প্রতি বদ আক্বীদাহ্ পোষণ করে থাকে, উনার ‘মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সতর মুবারক’ নিয়ে ফাহেশা ও কুফরীমূলক আক্বীদাহ্ পোষণ করে থাকে, এলোমেলো কথা-বার্তা বলে থাকে, সেগুলো বর্ণনা করে থাকে ও লিপিবদ্ধ করে থাকে, তারা উপরোক্ত সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফসমূহ উনাদের পরিপূর্ণ মিছদাক্ব।
কাজেই, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সতর মুবারক সংশ্লিষ্ট মওযূ হাদীছগুলো যে সকল রাবীগণ বর্ণনা করেছেন এবং যে সকল ইমাম-মুজতাহিদ উনারা স্বীয় কিতাবে লিপিবদ্ধ করেছেন, উনাদের প্রত্যেককেই খালিছ তাওবা-ইস্তিগফার করতে হবে। আর আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি এই বিষয়ে কায়িনাতবাসী সবাইকে সঠিক ইলিম মুবারক দান করার পরও যদি কেউ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সতর মুবারক সংশ্লিষ্ট মওযূ হাদীছগুলো বিশ্বাস করে বা এগুলো সমর্থন করে বা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শান মুবারক-এ এরূপ মন্তব্য করে, সম্মানিত শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী তাদের একমাত্র শরঈ শাস্তি হচ্ছে মৃত্যুদ-। তারা নামধারী মুসলমান হোক, মুনাফিক্ব হোক বা কাফির হোক অথবা নাস্তিক হোক কিংবা যেকোনো ধর্মেরই অনুসারী হোক না কেন। তাদের তাওবা গ্রহণযোগ্য হবে না। এমনকি যারা তাদেরকে সমর্থন করবে, তাদেরও একই হুকুম অর্থাৎ তাদেরও একমাত্র শরঈ শাস্তি হচ্ছে মৃত্যুদ-। এটাই সম্মানিত শরীয়ত উনার হুকুম। সম্মানিত খিলাফত মুবারক ক্বায়িম থাকলে তা অবশ্যই জারী করতে হবে। সুবহানাল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
اِنَّ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا بَعْدَ اِيْمَانِهِمْ ثُمَّ ازْدَادُوْا كُفْرًا لَنْ تُقْبَلَ تَوْبَتُهُمْ وَاُولٰٓئِكَ هُمُ الضَّآلُّوْنَ
অর্থ: “নিশ্চয়ই যারা ঈমান আনার পর কুফরী করেছে তারপর তারা তাদের কুফরীকে বৃদ্ধি করেছে, তাদের তওবা কখনোই ক্ববূল করা হবে না। তারাই পথভ্রষ্ঠ।” না‘ঊযুবিল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৯০)
আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সতর মুবারক নিয়ে এরূপ কথা বলার চেয়ে বড় কুফরী আর কি হতে পারে? না‘ঊযুবিল্লাহ!
এখানে আরেকটা বিষয় ফিকিরের- সমস্ত সৃষ্টি তো নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ঈমান এনেছে; কোনো ছিক্বাহ্ রাবী বা ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের প্রতি ঈমান আনেনি। কাজেই, ছিক্বাহ্ রাবী বা ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের কথা বা বর্ণনার প্রতি আস্থা বা বিশ্বাস স্থাপন করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি বদ আক্বীদাহ্ পোষণ করার অর্থই হচ্ছে- কার্যত নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর ছিক্বাহ্ রাবী বা ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরকে প্রাধান্য দেয়া, শ্রেষ্ঠত্ব দেয়া। না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! যা নিঃসন্দেহে সুস্পষ্ট কুফরী। না‘ঊযুবিল্লাহ!
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আল আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইসিম বা নাম মুবারক اَحْمَدُ (আহমদ) ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যকার ‘মীম’ হরফ বা অক্ষর মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত শান মুবারক-এ চূ-চেরা, ক্বীলও ক্বাল করার কারণে, হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করার কারণে কাফেরদের বিরুদ্ধে সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট বিচার চাওয়া প্রসঙ্গে
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যস্থতা মুবারক-এ হাক্বীক্বী দীদার মুবারক লাভরে বশিষে র্বণনা মুবারক
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে নিসবত মুবারক স্থাপন করতে পারলে, মূল সব নিয়ামত পরিপূর্ণটা হাছিল সম্ভব। আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথেই আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার সরাসরি মহাসম্মানিত নিসবত মুবারক
১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘এক নাম্বার আক্বীদাহ্ হচ্ছে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা সৃষ্টির কারো মতো নন’
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনাকে মহাসম্মানিত বুছা মুবারক দেয়া
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে ঊলা বা প্রথমা, কুবরা বা মূল, বড়, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মূল এবং সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনারও মূল
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের দায়েমীভাবে এমন মহাসম্মানিত নিসবত মুবারক রয়েছেন যেখানে সৃষ্টির কারো কোনো স্থান সঙ্কুলান হয় না
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












