SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ক্বিয়াস%' OR titleBn LIKE '%ক্বিয়াস%' OR descriptionEn LIKE '%ক্বিয়াস%' OR descriptionBn LIKE '%ক্বিয়াস%' OR slug LIKE '%ক্বিয়াস%' OR metaTag LIKE '%ক্বিয়াস%' OR metaDescription LIKE '%ক্বিয়াস%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
আরো বলা হচ্ছে,
عَنْ حَضْرَتْ اِمَامِ الاوّل عَلَيْهِ السَّلَامُ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ্রنَحْنُ أَهْلُ بَيْتِ شَجَرَةِ النُّبُوَّةِ وَمَعْدِنُ الرِّسَالَةِ،
ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, আমরা হচ্ছি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভূক্ত। নুবুওওয়াতের বৃক্ষ, রিসালতের মূল খনি,
لَيْسَ أَحَدٌ مِنَ الْخَلَائِقِ يَفْضُلُ أَهْلَ بَيْتِي غَيْرِيগ্ধ
সৃষ্টির কোন সৃষ্টি, সৃষ্টি হয়নি যারা হযর বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৮৭)
(ياأيها الذين امَنُواْ أَطِيعُواْ الله) أي في الفرائض (وَأَطِيعُواْ الرسول) أي في السنن. ويقال: أطيعوا الله فيما فرض، وأطيعوا الرسول فيما بيّن. ويقال أَطِيعُواْ الله بقول لا إله إلا الله، وأطيعوا الرسول بقول محمد رسول الله صلى الله عليه و سلم (وَأُوْلِى الامر مِنْكُمْ) يعني أطيعوا أولي الأمر منكم. قال الكلبي ومقاتل: يعني أمراء السرايا. وقال الضحاك: يعني الفقهاء والعلماء في الدين. ويقال: الخلفاء والأمراء ويجب طاعتهم ما لم يأمروا بالمعصية.
অর্থ: (হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার আনুগত্য করো,) অর্থাৎ ফরজসমূহ পালন করো (সাইয়্যিদুনা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ-অনুকরণ করো) অর্থাৎ সুন্নতসমূহ পালন করো। বলা হ বাকি অংশ পড়ুন...
একখানা পবিত্র আয়াত শরীফ বলা হচ্ছে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে। পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ছোট একখানা অংশ মুবারক। যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا نِسَاءَ النَّبِيِّ لَسْتُنَّ كَأَحَدٍ مِّنَ النِّسَاءِ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান মুবারকে বলা হচ্ছে যে, আপনারা দুনিয়ার কোন, সৃষ্টির মহিলাদের মতো নন। তাহলে কি পুরুষদের মতো? নাউযুবিল্লাহ! উনারা কারো মতো নন। এটার কিন্তু ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ আগে পরে আছে। সেটা হচ্ছে, সহজ সরল অর্থে হযরত উম্মু রূহুল্লাহ আলাইহাস সালাম যিনি হযরত মরিয়ম আ বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৮৩)
(يَا اَيُّهَا الذين امَنُواْ) عثمان بن طلحة واصحابه (اَطِيعُوا الله) فيما امركم (وَاَطِيعُوا الرسول) فيما يأمركم (وَاُولِي الامر مِنْكُمْ) امراء السرايا ويقال العلماء.
অর্থ: (হে ঈমানদারগণ!) হযরত উছমান বিন ত্বলহাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও উনার সঙ্গী-সাথী উনারা (তোমরা মহান আল্লাহ তায়ালা উনার আনুগত্য করো) তিনি যা তোমাদেরকে নির্দেশ করেন তা মান্য করো (সাইয়্যিদুনা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ-অনুকরণ করো) তিনি যা তোমাদেরকে নির্দেশ করেন তা মান্য করো (এবং তোমাদের মধ্যে যাঁরা উলিল আমর-আদেশদাতা উনাদের অনুসরণ করো।) উনারা হলেন জিহাদ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ও ফিক্বাহর কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে, কোন প্রাণীর কোন এক অঙ্গ যেমন- কান, লেজ ইত্যাদির এক তৃতীয়াংশের বেশী নষ্ট হয়ে গেলে তা দ্বারা কুরবানী করা জায়িয নেই। কোন কোন ক্ষেত্রে যেমন দাঁত অর্ধেকের বেশী যদি থাকে, তাহলে তা দিয়ে কুরবানী করা দুরুস্ত রয়েছে।
এ উছুলের উপর ক্বিয়াস করে কোন কোন আলিম নামধারী মূর্খ ও গোমরাহ লোকেরা বলে থাকে যে, খাসী ও বলদ ইত্যাদি প্রাণী দ্বারা কুরবানী করলে নাকি কুরবানী দুরুস্ত হবে না। নাউযুবিল্লাহ! অথচ এ ধরণের ক্বিয়াস অশুদ্ধ, নাজায়িয এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিরোধী।
হযরত ইবনে হাজার আসক্ বাকি অংশ পড়ুন...
দুম্বা কুরবানী : দুম্বা কুরবানীর ব্যাপারে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَنَسَ بْنَ مَالِكٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُضَحِّيْ بِكَبْشَيْنِ وَاَنَا اُضَحِّيْ بِكَبْشَيْنِ.
অর্থ : “হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্র্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দু’টি দুম্বা কুরবানী করতেন। হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনিও কুরবানী আদায় করতেন দু’টি দুম্বা দিয়ে।” (বুখারী শরীফ : পবিত্র হাদীছ শরীফ নং ৫৫৫৩)
মেষ কুরব বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৭৯)
المسألة الحادية عشرة: قد دللنا على أن قوله: وَأُولِي الْأَمْرِ مِنْكُمْ يدل على أن الإجماع حجة فنقول: كما أنه دل على هذا الأصل فكذلك دل على مسائل كثيرة من فروع القول بالإجماع.
অর্থ: একাদশ মাসয়ালা: উলিল আমর সম্পর্কিত মহাপবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারা দলীল নেয়া হয় যে, ইজমাউল উম্মাহ মহাসম্মানিত শরীয়ত উনার অকাট্য দলীল। প্রমাণিত আছে যে, পবিত্র ইজমাউল উম্মাহ দ্বারা অসংখ্য শাখামূলক মাসয়ালা বের করা হয়েছে।
(৩৮০)
المسألة الثانية عشرة: ذكرنا أن قوله: فَإِنْ تَنازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللهِ وَالرَّسُولِ يدل على صحة العمل بالقياس، فنقول: كما أن هذه الآية دلت على هذا الأصل، فكذلك دلت على مسائل كثيرة من فروع القول بالقياس.
অর্থ: দ্বাদশ মাসয়ালা: আমরা আ বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৭৩)
أن طاعة الله وطاعة رسوله واجبة قطعا، وعندنا أن طاعة أهل الإجماع واجبة قطعا، وأما طاعة الأمراء والسلاطين فغير واجبة قطعا، بل الأكثر أنها تكون محرمة لأنهم لا يأمرون إلا بالظلم.
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আনুগত্য করা ওয়াজিব অর্থাৎ ফরযে আইন। আমাদের মতে ইজমাকারীগণ উনাদেরকে অনুসরণ করা ওয়াজিব। কিন্তু আমির ও সুলতানদেরকে অনুসরণ করা ওয়াজিব নয়। বরং অধিকাংশগণের মতে, তাদেরকে অনুসরণ করা হারাম, কেননা তারা সাধারণত: যুলুমেরই হুকুম দিয়ে থাকে।
(৩৭৪)
المسألة الرابعة: اعلم أن قوله: فَإِنْ تَنازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللهِ وَالرَّسُولِ يدل عندنا على أن বাকি অংশ পড়ুন...












