SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%কৃষিজমি%' OR titleBn LIKE '%কৃষিজমি%' OR descriptionEn LIKE '%কৃষিজমি%' OR descriptionBn LIKE '%কৃষিজমি%' OR slug LIKE '%কৃষিজমি%' OR metaTag LIKE '%কৃষিজমি%' OR metaDescription LIKE '%কৃষিজমি%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা:
কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় চট্টগ্রামের কৃষি ও মৎস্যখাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। একদিকে পুকুর ও ঘেরের পাড় ভেঙে ভেসে গেছে কোটি টাকার মাছ, অন্যদিকে বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে তলিয়ে গেছে আউশ ধান, আমনের বীজতলা ও মৌসুমি সবজির আবাদ।
পানি ধীরে ধীরে নামতে শুরু করলেও ক্ষতির প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে হাজারো কৃষক ও মৎস্যচাষীর উদ্বেগ।
জেলা মৎস্য অধিদপ্তর ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, বন্যায় চট্টগ্রামের ১৫৩টি ইউনিয়নে প্রায় ১০ হাজার পুকুর ও চিংড়ি ঘের ক্ষত বাকি অংশ পড়ুন...
কক্সবাজার সংবাদদাতা:
বন্যার পানিতে ডুবে চকরিয়া ও মাতামুহুরীতে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া চকরিয়া, নবগঠিত মাতামুহুরী ও পেকুয়া উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। টানা পাঁচ দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢলে শতাধিক গ্রাম তলিয়ে যাওয়ায় এসব উপজেলায় প্রায় তিন লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
মাতামুহুরী ও সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে থাকায় চকরিয়ার বরইতলী, বমুবিলছড়ি, কাকারা, লক্ষ্যারচর, চিরিঙ্গা ও হারবাং ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা পানির নিচে রয়েছে।
এছাড়াও নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলা, ঢেমুশি বাকি অংশ পড়ুন...
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা:
বাঁশখালী উপজেলায় টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং বঙ্গোপসাগরের জোয়ারের পানির সম্মিলিত চাপে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। উপকূলীয় বেড়িবাঁধের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে লবণাক্ত পানি লোকালয়ে ঢ়ুকে পড়ায় উপজেলার বিস্তীর্ণ জনপদ এখনো পানির নিচে রয়েছে।
এতে ঘরবাড়ি, কৃষিজমি ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে; অনেক এলাকায় নৌকা ছাড়া চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে এবং জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গত প্রায় ৩০ বছরের মধ্যে বাঁশখালীতে এমন বড় আকারের প্লাবন ও দুর্যোগের ঘটনা আ বাকি অংশ পড়ুন...
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা:
বাঁশখালী উপজেলায় টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং বঙ্গোপসাগরের জোয়ারের পানির সম্মিলিত চাপে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। উপকূলীয় বেড়িবাঁধের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে লবণাক্ত পানি লোকালয়ে ঢ়ুকে পড়ায় উপজেলার বিস্তীর্ণ জনপদ এখনো পানির নিচে রয়েছে।
এতে ঘরবাড়ি, কৃষিজমি ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে; অনেক এলাকায় নৌকা ছাড়া চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে এবং জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গত প্রায় ৩০ বছরের মধ্যে বাঁশখালীতে এমন বড় আকারের প্লাবন ও দুর্যোগের ঘটনা আ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
দেশের সব মেগা প্রকল্প একই রোগাক্রান্ত। অন্যতম মেগা অবকাঠামো ঢাকা-সিলেট করিডোর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে মেগা-ধীরগতি। বিদেশী ঋণে ১৬ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা খরচের এই মেগা প্রকল্পটির ভবিষ্যৎ এখন সাত বছর আগের এক ত্রুটিপূর্ণ সম্ভাব্যতা সমীক্ষার বেড়াজালে বন্দী। প্রকল্পের মেয়াদের প্রায় ৮৯ শতাংশ সময় অতিক্রম হলেও ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত বাস্তব অগ্রগতি মাত্র ২১.০৫ শতাংশ এবং অর্থ ব্যয় হয়েছে ২৬.১৩ শতাংশ।
প্রকল্পটির ওপর ইএসিআর সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের পরিচালিত নিবিড় পরিবীক্ষণ সমীক্ষায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। আর এই প্রকল্ বাকি অংশ পড়ুন...
পাবনা সংবাদদাতা:
বেড়া উপজেলায় যমুনা নদীর অব্যাহত ভাঙনে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা। ভাঙনের মুখে পড়েছে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র (সাবস্টেশন), একটি জামে মসজিদ, অসংখ্য বসতবাড়ি ও শত শত বিঘা ফসলি জমি। দ্রুত জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে দেখা যায়, ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় যমুনা নদীর ভাঙন দেখা দিলেও সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কল্যাণপুর চর। সেখানে ভাঙন দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ভাঙনের স্থানটি স্থানীয় মসজিদ থেকে প্রায় ২০০ ফুট এবং বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র (সাবস্টেশন) থেকে প্রায় ৪ বাকি অংশ পড়ুন...
উত্তরাঞ্চলের মানুষের কাছে তিস্তা শুধু একটি নদী নয়; এটি জীবন, জীবিকা, কৃষি, অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং টিকে থাকার প্রতীক। অথচ বছরের পর বছর নদীভাঙন, আকস্মিক বন্যা, শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট এবং অপরিকল্পিত নদী ব্যবস্থাপনার কারণে এই জনপদ ক্রমেই পিছিয়ে পড়েছে। সেই বাস্তবতায় বহু বছর ধরে আলোচিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা এখন শুধু একটি অবকাঠামো প্রকল্প নয়; এটি উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক পুনর্জাগরণের স্বপ্ন হয়ে উঠেছে।সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরকে ঘিরে আবারও আলোচনায় এসেছে প্রকল্পটি। তিস্তা অববাহিকার মানুষের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অব বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) ভারতীয় ভূখন্ডের কয়েক কিলোমিটার অভ্যন্তরে ঢুকে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য অরুণাচল প্রদেশের একটি উপজাতি সংগঠন। তাদের দাবি, সেখানে সামরিক ঘাঁটি তৈরির পাশাপাশি চারণভূমি ও কৃষিজমিসহ বিস্তৃত এলাকা দখলে নিয়েছে চীনা বাহিনী। তবে সংগঠনের এই দাবি অস্বীকার করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এবং আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।
কলকাতাভিত্তিক এই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় ভূখণ্ডের কয়েক কিলোমিটার বাকি অংশ পড়ুন...
বোয়ালমারীর কৃষি উদ্যোক্তা হাবিবুর রহমান। বিভিন্ন ফসল ও সবজির পাশাপাশি বিদেশি ফল আলুবোখারার বাগান করেছেন। এতেই তিনি সফলতা লাভ করেছেন। আলুবোখারার বাগান করে রীতিমতো তিনি সফল। সব খরচ বাদেও তিনি এরই মধ্যে খরচের কয়েকগুণ টাকা লাভবান হয়েছেন।
বোয়ালমারী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের লোকনাথ গ্রামের মৃত মকসেদ মোল্লার ছেলে হাবিবুর রহমান বাড়ির পাশে মসলাজাতীয় বিদেশি ফল আলুবোখারার চাষ করে এলাকায় রীতিমতো সাড়া ফেলেছেন। তার বাগান দেখে এখন অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসছে তার বাগান দেখতে। নিচ্ছেন পরামর্শ।
হাবিবুর রহমানের ছ বাকি অংশ পড়ুন...
ফরিদপুর সংবাদদাতা:
বোয়ালমারীর কৃষি উদ্যোক্তা হাবিবুর রহমান। বিভিন্ন ফসল ও সবজির পাশাপাশি বিদেশি ফল আলুবোখারার বাগান করেছেন। এতেই তিনি সফলতা লাভ করেছেন। আলুবোখারার বাগান করে রীতিমতো তিনি সফল। সব খরচ বাদেও তিনি এরই মধ্যে খরচের কয়েকগুণ টাকা লাভবান হয়েছেন।
বোয়ালমারী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের লোকনাথ গ্রামের মৃত মকসেদ মোল্লার ছেলে হাবিবুর রহমান বাড়ির পাশে মসলাজাতীয় বিদেশি ফল আলুবোখারার চাষ করে এলাকায় রীতিমতো সাড়া ফেলেছেন। তার বাগান দেখে এখন অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসছে তার বাগান দেখতে। নিচ্ছেন পরামর্শ বাকি অংশ পড়ুন...
নীলফামারী সংবাদদাতা:
রংপুর, দিনাজপুর ও নীলফামারী জেলার কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১ হাজার ৪৫২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে তিস্তা সেচ ক্যানেল সংস্কার ও সম্প্রসারণের মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছিল পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। প্রকল্পের ৯০ শতাংশ কাজ শেষের দাবি করা হলেও মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। পদে পদে অনিয়ম, আর নি¤œমানের কাজে অতিষ্ঠ খোদ কৃষকরা। প্রকল্পের নামে লাখ লাখ গাছ কাটা ও কৃষিজমির টপসয়েল সরানোর মতো কাজে ভোগান্তিতেও পড়েছেন স্থানীয়রা।
এ বিশাল বাজেটের প্রকৃত সুফল যেন প্রান্তিক চাষির দোরগোড়ায় পৌঁছায়, সেজন্য সরকারের উচ বাকি অংশ পড়ুন...












