মোঘল স্থাপত্যশৈলীর অন্যতম এক নিদর্শন যশোরের শেখপুর জামে মসজিদ। নয়নাভিরাম তিন গম্বুজবিশিষ্ট এ জামে মসজিদটি আজও ছড়াচ্ছে শিক্ষার আলো।
মসজিদটির পাঠশালায় ৪০০ বছর ধরে স্থানীয়রা পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন। পাশাপাশি ইসলামী বিভিন্ন বিষয়ে চর্চা এবং কুরআন শরীফ শিক্ষার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে এই পাঠশালায়।
এ মসজিদকে ঘিরে মানুষের আগ্রহ রয়েছে। শত শত বছর ধরে ইসলামের প্রচার প্রসারের কেন্দ্রবিন্দু মসজিদটি। এ যাত্রা অব্যাহত রাখতে মসজিদটির সংস্কার প্রয়োজন।
মোঘল স্থাপত্যরীতিতে নির্মিত শেখপুর জামে মসজিদটি যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়িত বাকি অংশ পড়ুন...
স্বর্ণযুগে মুসলমানগণ শুধুমাত্র বিজ্ঞান, গণিতশাস্ত্র, দ্বীনশাস্ত্র, ইত্যাদি ক্ষেত্রেই মুন্সিয়ানা দেখাননি বরং শিল্প ও স্থাপত্যকলার উন্নয়ন সাধনেও ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিলেন। বস্তুত সে সময়ে আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান, ৩য় আব্দুর রহমান, সুলতান সুলাইমান ‘দ্য মাগনিফিসিয়েন্ট’ এবং শাসক শাহজাহানের মত প্রভাবশীল মুসলিম শাসকগণের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় দুনিয়ার বুকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ কিছু স্থাপনা নির্মিত হয়েছিলো।
ফিলিস্তিনে বিস্ময়ে বাকরুদ্ধ করা সৌন্দর্যের প্রতীক পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ এবং কুব্বাত আল-সাখরা; গ্রানাডার বিস্ বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের সমৃদ্ধি আর ৯৮ ভাগ মুসলমান জনগোষ্ঠীর ইসলাম পালন ওদের গাত্রদাহের কারণ হয়ে উঠেছে।
মুসলমানদের জন্য বড় আতঙ্ক, বড় শত্রু আমেরিকা।
আমেরিকার লোলুপ দৃষ্টি এখন বাংলাদেশে।
বাংলাদেশের বিরল খনিজ লুট, নারিকেল দ্বীপ দখল, করিডোর, পার্বত্য চট্টগ্রাম নেওয়াতেই আমেরিকা ক্ষান্ত হবে না।
আমেরিকা চায় গৃহযুদ্ধের বাংলাদেশ।
টুকরা টুকরা বাংলাদেশ, ব্যর্থ বাংলাদেশ।
আমেরিকা চায় ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের সর্বনাশ
আমেরিকা চায় সমকামিতা আর পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রসার
এখনই সতর্ক না হলে ভবিষ্যত অন্ধকার। নাউযুবিল্লাহ।
মুসলমানদের প্রথম শত্ বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের সমৃদ্ধি আর ৯৮ ভাগ মুসলমান জনগোষ্ঠীর ইসলাম পালন ওদের গাত্রদাহের কারণ হয়ে উঠেছে।
মুসলমানদের জন্য বড় আতঙ্ক, বড় শত্রু আমেরিকা।
আমেরিকার লোলুপ দৃষ্টি এখন বাংলাদেশে।
বাংলাদেশের বিরল খনিজ লুট, নারিকেল দ্বীপ দখল, করিডোর, পার্বত্য চট্টগ্রাম নেওয়াতেই আমেরিকা ক্ষান্ত হবে না।
আমেরিকা চায় গৃহযুদ্ধের বাংলাদেশ।
টুকরা টুকরা বাংলাদেশ, ব্যর্থ বাংলাদেশ।
আমেরিকা চায় ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের সর্বনাশ
আমেরিকা চায় সমকামিতা আর পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রসার
এখনই সতর্ক না হলে ভবিষ্যত অন্ধকার। নাউযুবিল্লাহ।
মুসলমানদের প্রথম শত্ বাকি অংশ পড়ুন...
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় অবস্থিত প্রাচীন রোয়াইলবাড়ি দুর্গ পূর্ণাঙ্গ খননে উন্মোচিত হতে পারে বাংলার অজানা ইতিহাস। রোয়াইলবাড়ি দুর্গটি একটি প্রাচীন দুর্গ ও ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বলে মনে করা হয়। বাংলার প্রাচীন শাসনকর্তাদের ইতিহাস-ঐতিহ্যের এ স্থাপনাটি দেখতে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ বেড়াতে আসেন এখানে।
প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগীয় আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এটি সুলতানি আমলের স্থাপনা। আবার কেউ কেউ এটিকে কোনো মোঘল সেনাপতির তৈরি স্থাপনা বলেও মনে করেন।
‘ময়মনসিংহে বাকি অংশ পড়ুন...
মুন্সীগঞ্জ শহরের দক্ষিণ প্রান্তে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অবস্থিত ইদ্রাকপুর দুর্গ।
মোঘল স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন এটি। যা কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের ইতিহাস এবং মোঘল আমলের স্থাপত্য কলাকৌশল। দীর্ঘ ৪০০ বছরে ধ্বংস হয়ে গেছে এর অনেক অংশ।
সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে মোঘল বাদশাহ আওরঙ্গজেবের শাসনামলে (১৬৫৮-১৭০৭) বাংলার সুবেদার মীর জুমলার সময়ে ১৬৬০ সালে এ দুর্গটি নির্মাণ করা হয়। ঢাকার লালবাগ কেল্লার আদলে দুর্গটি নির্মিত হয়। উত্তর দক্ষিণে প্রসারিত দুর্গটির দৈর্ঘ্য ৮৬.৮৭ মিটার এবং প্রস্থ ৫৯.৬০ মিটার।
রক্ষিত দু বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় ভারতীয়রা তাদের নাগরিকত্ব ত্যাগ করছে। সম্প্রতি সংসদে পেশ করা পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, গত পাঁচ বছরে প্রায় নয় লক্ষ ভারতীয় নাগরিকত্ব ত্যাগ করে অন্য দেশের নাগরিকত্ব নিয়েছে। গত চৌদ্দ বছরে ২০ লক্ষেরও বেশি ভারতীয় বিদেশি নাগরিকত্ব বেছে নিয়েছে। পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, এই প্রবণতা ক্রমবর্ধমান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সংসদে জানিয়েছে, বিপুল সংখ্যক ভারতীয় তাদের নাগরিকত্ব ত্যাগ করছে। গত পাঁচ বছরে প্রায় ৯ লক্ষ মানুষ তা করেছে।
মন্ত্রী বলেছে, সরকার ভারতীয় নাগরিকত্ব পর বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
পঞ্চদশ শতকের সুলতানি আমলের শ্রেষ্ঠ স্থাপত্যকীর্তি ষাটগম্বুজ মসজিদ এখন অস্তিত্ব সংকটে। মসজিদের মোট ১০টি মিহরাব দক্ষিণে ৫টি, উত্তরে ৪টি এবং মাঝের প্রধান মিহরাব- দ্রুতগতিতে ক্ষয়ে পড়ছে।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, জরুরি ভিত্তিতে সংরক্ষণ কাজ শুরু না হলে মিহরাবগুলো যে কোনো সময় ধসে পড়তে পারে, এতে পুরো স্থাপনাটির মূল কাঠামো হুমকির মুখে পড়বে।
চুনসুরকি, পোড়ামাটির ইট ও বেলে পাথরের সমন্বয়ে নির্মিত এ স্থাপনাটির নিচের অংশে নোনা পানি শুকিয়ে জমছে লবণের স্ফটিক। এসব স্ফটিক ইট-পাথরের বন্ধন দুর্বল করছে দ্রুত। দেয়ালে দেখা যাচ্ বাকি অংশ পড়ুন...
উত্তর কুয়েতের সুবিয়া এলাকার ঐতিহাসিক বাহরা-১ প্রতœতাত্ত্বিক স্থানে মিলেছে যুগান্তকারী আবিষ্কার। জাতীয় সংস্কৃতি, শিল্প ও পত্র পরিষদ (এনসিসিএএল) জানায়-এ স্থানে পাওয়া গেছে ৭,৭০০ বছরেরও বেশি পুরনো ২০টির বেশি প্রাচীন ভাটি এবং বহু দুষ্প্রাপ্য নিদর্শন, যা আরব উপদ্বীপের প্রাচীন জীবনযাত্রার ওপর নতুন আলোকপাত করছে।
সাম্প্রতিক খননে বেরিয়ে এসেছে ডানাওয়ালা পেঁচার অর্ধেক মডেল, স্থানীয়ভাবে জন্মানো প্রায় ৭,৫০০ বছর পুরনো বার্লির অবশেষ, ভাঙা মৃৎপাত্র, ছোট আকৃতির মানবমাথার মডেল, প্রাচীন জাহাজের মডেল এবং খাদ্য প্রস্তুতির মাটির পাত্রসহ বেশ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ইসলামী সভ্যতায় হাসপাতাল বা বিমারিস্তান তৈরি মুসলমানদের অনন্য কীর্তি। স্থায়ী হাসপাতালের পাশাপাশি অস্থায়ী হাসপাতাল নির্মাণেও মুসলমানরা নজীর সৃষ্টি করেছিলেন।
তবে অস্থায়ী হাসপাতাল নির্মাণ সর্বপ্রথম নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশ মুবারকে খন্দকের যুদ্ধের সময় তৈরি করা হয়েছিলো। সেই বিশেষ অস্থায়ী হাসপাতালের নাম ছিলো ‘খিমাতু রুফাইদা’। আজকের পৃথিবীর ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল ও চিকিৎসার ধারণাটি এখান থেকেই মানুষ নিয়েছে।
পরবর্তীতে হযরত খুলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম বাকি অংশ পড়ুন...
প্রায় ৬ শ বছরের পুরানো মাচাইন জামে মসজিদটি কালের সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে। মসজিদটি ‘মাচাই মসজিদ ও মাজার’ নামেও পরিচিত। ত্রি-গম্বুজ বিশিষ্ট ও আকর্ষণীয় শিল্পমন্ডিত এই মসজিদটি দেশের অন্যতম পুরাকীর্তির একটি।
শিলালিপি অনুযায়ী, মসজিদটি ১৫০১ সালে হোসেন শাহ্ কর্তৃক নির্মিত হয়েছিলো।
মসজিদটির অবস্থান মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায় মাচাইন গ্রামে।
জেলা সদর থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে মূল অংশের ওপর রয়েছে তিনটি গম্বুজ। মূল অংশের উত্তর ও দক্ষিণ পাশের গম্বুজের চেয়ে মাঝের গম্বুজটি একটু বড়। মসজিদটির মূল অংশের ওপর রয়েছে নিখুঁত খাঁজকাটা ক বাকি অংশ পড়ুন...
হারিয়ে যাচ্ছে আভিজাত্যের ঐতিহাসিক ঘোড়ার গাড়ি। এক সময় ঘোড়া বা ঘোড়ার গাড়িতে কেবল রাজা-জমিদাররাই চড়তে পারতো। এটি ছিলো মূলত ধনাঢ্য পরিবারের মানুষের বাহন। এ প্রজন্মের কেউ বাস্তবে রাজা-বা রাজকুমারকে ঘোড়ায় চড়ে ছুটে চলার দৃশ্য দেখেনি। ঘোড়ায় চড়ে যুদ্ধে যাওয়ার দৃশ্য বাস্তবে এ প্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা না দেখলেও, কিছু ঘোড়ার গাড়ির আধুনিক সংস্করণ এখনো দেখা যায়। ডিজেল-তেল মবিলের গাড়ির আধিক্যে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী সেই সুন্নতি বাহন ঘোড়ার গাড়ি।
ইতিহাস:
জানা যায় ১৮৩০ সালে পুরান ঢাকায় সর্বপ্রথম ঘোড়ার গাড়ির প্রচলন শুরু হয়। এই বাহনটি ছি বাকি অংশ পড়ুন...












