অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার বিশুদ্ধ তাফসীর বা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ:
(৩৬১)
{وَلْتَكُن مِّنْكُمْ} لا تزل منكم {أُمَّةٌ} جماعة {يَدْعُونَ إِلَى الخير} إلى الصلح والإحسان {وَيَأْمُرُونَ بالمعروف} بالتوحيد واتباع محمد صلى الله عليه وسلم {وَيَنْهَوْنَ عَنِ المنكر} عن الكفر والشرك وترك اتباع الرسول صلى الله عليه وسلم {وأولئك هُمُ المفلحون} الناجون من السخطة والعذاب.
অর্থ: (তোমাদের মধ্যে থাকা উচিত) তোমাদের মধ্যে সর্বদাই থাকা উচিত (এমন একটি উম্মাহ বা মাযহাব) জামায়াত বা দল (যাঁরা আহবান করবেন নেক কাজের প্রতি,) ইছলাহ ও কল্যাণের প্রতি (ভালো কাজের নির্দেশ দিবেন) তাওহীদ ও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র জানাযার নামাযের নিয়মঃ
জানাযার নামায পড়ার পূর্বে মাইয়্যিতের ওলী বা অভিভাবককে জিজ্ঞাসা করতে হবে যে, মাইয়্যিতের কোন ঋণ আছে কি-না? যদি থাকে তাহলে সেগুলো কে এবং কিভাবে পরিশোধ করবে তা জানতে হবে। নামায ও রোযা কাযা আছে কি-না? যদি থাকে তাহলে তার কাফফারা দিতে হবে। সেটা কে বা কিভাবে আদায় করবে তা জানতে হবে।
(বিতরসহ দৈনিক ছয় ওয়াক্ত নামাযের কাফ্ফারা দিতে হবে। যত ওয়াক্ত নামায কাযা থাকবে তার প্রতি ওয়াক্তের জন্য এক ফিতরা পরিমাণ কাফফারা দিতে হবে। একইভাবে প্রতিটি রোযার জন্য এক ফিতরা। তবে প্রতি রোযা বা নামাযের জন্য ২ কেজি আটা বা ময়দা কিংবা ত বাকি অংশ পড়ুন...
খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম-মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হজ্জ পালন করার প্রস্তুতি গ্রহণের মাস হচ্ছেন পবিত্র যিলক্বদ শরীফ মাস। সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার বিগত আরবী মাসগুলো যেভাবে শুরু করেছে তাতে এটা নিশ্চিত বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ই’তিকাফ উনার গুরুত্ব এবং তা শেষ দশকেই করার দলীল:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রতি বছর পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার শেষ দশকে সম্মানিত ই’তিকাফ মুবারক করেছেন।
এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে -
عَنْ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَعْتَكِفُ الْعَشْرَ الْاَوَاخِرَ مِنْ رَمَضَانَ.
অর্থ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার শেষ দশ দিন ই’তিকাফ করতঃ বেজোড় রা বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
পবিত্র রমাদ্বান শরীফের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল ‘ছলাতুত তারাবীহ’ আদায়। এই নামায নিয়ে সমাজে ব্যাপক ইখতিলাফ দেখা যায়, অনেক নামধারী মালানা-মুফতী সাহেবরা তারাবীহ নামায ৮ রাকায়াত অথবা ১২ রাকায়াত বলে থাকে। আবার অনেক মসজিদে ৮ রাকায়াত বা ১২ রাকায়াত তারাবীহ আদায়ও করে।
সুওয়াল হলো- ছলাতুত তারাবীহ সংশ্লিষ্ট মাসয়ালা-মাসায়িল ও তারাবীহ নামায কত রাকায়াত এই বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া দরকার।
জাওয়াব: (১ম অংশ)
পবিত্র ছলাতুত তারাবীহ উনার আহকাম:
‘তারাবীহ’ শব্দটি বহুবচন। একবচনে ‘তারবীহাতুন’। এর অর্থ হচ্ছে বিশ্রাম নেয়া বা আরাম করা। পাঁচ তারবী বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ আসলে অধিকাংশ মসজিদগুলোতে খতম তারাবীহ হোক অথবা সূরা তারাবীহ হোক ইমাম ছাহেব এতো দ্রুতগতিতে তিলাওয়াত করেন যা পিছনে ইক্তিদাকারীগণ কিছুই বুঝেন না। আবার রুকু, সিজদাও এতো দ্রুতগতিতে করেন যাতে মুছল্লীগণ কেউ রুকুতে, কেউ সিজদায়, কেউ কওমায় থাকেন।
সুওয়াল হলো- ওয়াক্তিয়া নামাযের যে নিয়ম অর্থাৎ যেভাবে নিয়ত করতে হয়, তাকবীরে তাহরীমা বাঁধতে হয়, ধীর গতিতে পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করতে হয়, ক্বওমা-জলসা ঠিক মতো আদায় করতে হবে, তাশাহহুদ শরীফ, দুরূদ শরীফ ও দোয়ায়ে মা’ছূরা শরীফ পাঠ করতে হয়, তারপর সালাম ফিরানোর মাধ্যমে না বাকি অংশ পড়ুন...
মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حضرت عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ الشَّهْرُ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ لَيْلَةً فَلاَ تَصُومُوا حَتَّى تَرَوْهُ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَأَكْمِلُوا الْعِدَّةَ ثَلاَثِينَ.
অর্থ: হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মাস ঊনত্রিশ রাত বিশিষ্ট হয়। তাই তোমরা চাঁদ না দেখে পবিত্র রোযা শুরু করবে না। যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার কারণে চাঁদ দেখা না যায় তাহলে তোমরা ত্র বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস হচ্ছেন শাহরুন আ’যীম অর্থাৎ মহাসম্মানিত মহান মাস। এ মহাসম্মানিত মহান মাসে রয়েছে ফরয রোযা ও লাইলাতুল ক্বদরস বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র রোযার পরিচয় :
সাধারণত সম্মানিত রোযা বলতে ছুবহি ছাদিক্ব থেকে শুরু করে সূর্যাস্ত পর্যন্ত নির্জন অবস্থান ও পানাহার থেকে বিরত থাকাকে বুঝায়। তবে এর সাথে সাথে মিথ্যা, গীবত, চোগলখোরী, ঝগড়া-বিবাদ, মারামারি-কাটাকাটি, গালি-গালাজ, অশ্লীল-অশালীন, ফাসিক্বী ও নাফরমানিমূলক কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার মধ্যে খারাপ কাজ করে, শরাব পান করে, বাকি অংশ পড়ুন...












