আল ইহসান ডেস্ক:
সন্ত্রাসী যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর বিরামহীনভাবে পাল্টা আক্রমণ চালাচ্ছে ইরান। তবে তেহরানের একেকটি সস্তা ড্রোন ঠেকাতে পশ্চিমাদের যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে, তাতে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তাদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থার (ক্ষেপণাস্ত্র) মজুত ফুরিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধা বাকি অংশ পড়ুন...
নেপালও একসময় মুসলিম শাসনের অধীনেই ছিলো। আর এ বিজয়টি করেছিলো সুলতানে বাঙ্গালাহ এবং স্বাধীন বাংলার নির্মাতা শামসউদ্দিন ইলিয়াস শাহ্ বাঙ্গালাহ্। পূর্বে কেউই সম্পূর্ণ নেপাল বিজয় করতে পারেনি। এর কারণ ছিলো- প্রতিকূল আবহাওয়া এবং হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত হওয়া।
নেপালের ক্ষমতায় তখন মল্ল শাসকরা। নেপালের বিস্তৃতি তখন বর্তমান ভারতের উত্তরাখন্ড প্রদেশেও ছিলো। দ্বাদশ শতকে মল্ল শাসকরা ত্রিহুতও শাসন করতো। ত্রিহুতে নেপালি মল্ল শাসনের অবসান ঘটিয়েছিলেন গৌড়ের সুলতান গিয়াস উদ্দীন ইয়াজ শাহ খিলজী।
১৩৫০ খ্রি:। গৌড়ের সুলতান শামসউদ্দিন ইলি বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
কথিত সুশীল সমাজের প্রতিনিধি আহসান এইচ মনসুর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হওয়ার পর থেকে সুন্দর সুন্দর কথা বলেছেন। কিন্তু কাজ করেছে ঠিক উল্টো। অর্থ পাচার নিয়ে রীতিমতো যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলো, কিন্তু স্বীকৃত অর্থ পাচারকারীদের সঙ্গে গোপন সমঝোতা করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তৎকালীন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর এদের সঙ্গে গোপন এবং অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে অর্থ পাচারের ইস্যু ধামাচাপা দেয়। প্রতিটি ঘটনায় সে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা। বাং বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সন্ত্রাসী ইসরায়েলের আগ্রাসনের জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে ইরান। পাল্টা আঘাতের এই সক্ষমতা ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, তেহরানের হাতে ঠিক কি ধরনের অস্ত্রভান্ডার রয়েছে এবং তা কতটা কার্যকর। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের আলোচনায় উঠে আসছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও নৌ-সামরিক সক্ষমতার নানা দিক।
সবচেয়ে বড় ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডার:
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বড় ও বৈচিত্র্যময় ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডারগুলোর একটি র বাকি অংশ পড়ুন...
বিএনপি তার ৩১ দফা ও নির্বাচনী ইশতেহারে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও ক্ষমতা গ্রহণের পর কিছুটা ব্যত্যয় দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি জ্বালানি মন্ত্রণালয় ১০০ দিনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। তাতে দেখা যায়- আওয়ামী লীগের মতোই বিএনপি আরও বেশি এলএনজি আমদানি সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। এজন্য কক্সবাজারে আরও একাধিক এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, তবে কি একটি ব্যয়বহুল আমদানি নির্ভরতার চক্রে আটকে যাচ্ছে এই খাত?
এল বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
লন্ডনভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের তথ্য অনুসারে, পাকিস্তানের সামরিক শক্তি আফগানিস্তানের তুলনায় কতটা বিশাল, তার একটি তুলনামূলক চিত্র নিচে দেওয়া হলো।
পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী ভালো নিয়োগ ও তাদের ধরে রাখার হার ভালো। তাদের রয়েছে প্রধান প্রতিরক্ষা অংশীদার চীনের কাছ থেকে পাওয়া উন্নত সরঞ্জাম। ইসলামাবাদ তার সামরিক পারমাণবিক কর্মসূচিতে বিনিয়োগ চালিয়ে যাচ্ছে এবং নৌ ও বিমান বাহিনীকেও আধুনিকীকরণ করছে।
এদিকে আফগান তালেবানের সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে।
২০২১ সালে ক্ষম বাকি অংশ পড়ুন...
. ভূ-রাজনৈতিক আগ্রাসন এবং সন্ত্রাসী ইহুদীদের প্রতিপত্তি বিস্তার
“মুসলিম উম্মাহর এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বন্দর দখলদার, নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, বিশ্ব সন্ত্রাসী ইহুদী দস্যুদের দোসর ডিপি ওয়ার্ল্ড কতটা ভয়াবহ: একটি দ্বীনী সমঝ এবং ঈমানী দৃষ্টিভঙ্গি”
উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব:
ইহা কোনো কাল্পনিক তত্ত্ব নয়; বরং একটি তথ্যনির্ভর, বিশ্লেষণাত্মক ও ঐতিহাসিক অনুসন্ধান- যেখানে কর্পোরেট সাম্রাজ্যবাদের এক বাস্তব ও অন্ধকার চিত্র উন্মোচিত হয়েছে। ডিপি ওয়ার্ল্ডের প্রতিটি পদক্ষেপ, চুক্তি ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখা হয়েছে মানবাধিক বাকি অংশ পড়ুন...
আমির বিন তুফাইল ও আরবাদ বিন ক্বাইস:
তারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে শহীদ করার যে ষড়যন্ত্র করেছিলো, সেটা বাস্তবায়ন করার কোনো সুযোগ না পেয়ে হুমকি দিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। হযরত মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং হযরত উসাইদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনারা তাদের ধাওয়া করেন। এক পর্যায়ে হযরত উসাইদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি তাদেরকে লক্ষ্য করে বলেন, ‘ওরে মহান আল্লাহ পাক উনার দুশমনরা! তোদের উপর মহান আল্লাহ পাক উনার অভিশাপ বর্ষিত হোক।’
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্ল বাকি অংশ পড়ুন...












