সীমান্তে শত্রুর সামরিক বিন্যাস ও মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ:
বাংলাদেশের ভূ-কৌশলগত প্রতিরক্ষা কৌশলের জরুরি রূপরেখা (পর্ব-১)
, ১৫ মুহররম শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ০২ ছানী, ১৩৯৪ শামসী সন , ০১ জুলাই, ২০২৬ খ্রি:, ১৭ আষাঢ়, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মন্তব্য কলাম
এর পাশাপাশি, গত বছর (২০২৫ সালে) বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে মাত্র ১১৮ কিলোমিটার দূরে পশ্চিমবঙ্গের পানাগড় এয়ারফোর্স স্টেশনকে যেভাবে সংস্কার করে ঝঁ-৩০গকও (ফ্ল্যানকার) যুদ্ধবিমান মোতায়েনের উপযোগী হেভি শেল্টার ও হ্যাঙ্গার তৈরি করা হয়েছে, তা আমাদের রংপুর ও লালমনিরহাট ফ্রন্টকে সরাসরি কৌশলগত চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই মুভমেন্টগুলো প্রথাগত সরাসরি আক্রমণের উদ্দেশ্যে নয়, বরং এটি ‘হাইব্রিড ওয়ারফেয়ার’ বা ছদ্মযুদ্ধের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের ওপর একটি স্থায়ী মনস্তাত্ত্বিক চাপ বজায় রাখার কৌশল।
মূল পরিকল্পনাটি হলো- ভবিষ্যতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে তাদের মদদপুষ্ট ছদ্মবেশী বা অন্তর্ঘাতমূলক শক্তির মাধ্যমে যদি কোনো অভ্যন্তরীণ গোলযোগ চরম পর্যায়ে পৌঁছানো যায়, তখন সীমান্তের ওপারে ওত পেতে থাকা এই ‘কাইনেটিক ফোর্স’ বা সামরিক শক্তিকে চূড়ান্ত লিভারেজ হিসেবে ব্যবহার করা হবে।
এই জটিল ও দ্বিমুখী নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলায় বাংলাদেশকে কেবল কূটনৈতিক আলোচনার ওপর নির্ভর করলে চলবে না; বরং অবিলম্বে সুনির্দিষ্ট কিছু সামরিক ও কৌশলগত কাউন্টার-মেজারস বা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে:
১. থ্রি-লেয়ার্ড এয়ার ডিফেন্স এবং অ্যান্টি-অ্যাক্সেস/এরিয়া ডিনায়াল (এ২/এডি) জোন তৈরি :
ডিগারুর ব্রাহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র এবং পানাগড়ের দূরপাল্লার ফাইটার জেটের হুমকি নস্যাৎ করতে বাংলাদেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলীয় আকাশসীমাকে একটি অভেদ্য ‘এয়ার ডিফেন্স বাবল’ দ্বারা আবৃত করতে হবে।
- দূরপাল্লার স্যাম (এসএএম) সিস্টেম মোতায়েন: সিলেট এবং রংপুর-লালমনিরহাট অঞ্চলে অবিলম্বে দূরপাল্লার আধুনিক সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম (যেমন আধুনিক মজিদ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, এস-৪০০ বা সমমানের প্রযুক্তি) মোতায়েন করতে হবে, যা সীমান্তের ওপারেই শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্র ও যুদ্ধবিমানকে লকঅন করার ক্ষমতা রাখে।
- মিডিয়াম ও শর্ট-রেঞ্জ ইন্টিগ্রেশন: দূরপাল্লার ব্যবস্থার পাশাপাশি মোবাইল অটোনোমাস লঞ্চারগুলোর কাউন্টার হিসেবে মাঝারি পাল্লার মিসাইল এবং সি-র্যাম প্রযুক্তি যুক্ত করতে হবে, যাতে যেকোনো আকস্মিক ‘স্যাচুরেশন অ্যাটাক’ প্রতিহত করা যায়।
-মুহম্মদ কুররাতুল আইন হায়দার।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
অন্তর্জালে আম্রিকার সাথে বাংলাদেশের গোপন সমঝোতা- নিয়ে তুমুল প্রতিবাদ ও সমালোচনা।
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষাধিক সদস্য সম্পন্ন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ন্যানোটেকনোলজির কৌশলগত উপযোগিতা (পর্ব-১০)
৩০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলমানদের সাথে রাশিয়ার মুনাফেকী নূতনভাবে প্রকাশ পাচ্ছে। মুসলিম বিশ্বের জাগরণ দরকার।
৩০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বাংলাদেশের ভূ-কৌশলগত প্রতিরক্ষা কৌশলের জরুরি রূপরেখা (পর্ব-২)
২৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নওমুসলিমদের আইনি সুরক্ষা ও তথাকথিত ‘ডিটেনশন সেল’ উচ্ছেদের দাবি
২৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
৫০ লক্ষাধিক সেনাবাহিনীর জন্য বাংলাদেশের বাংকার নেটওয়ার্কের রূপরেখা (পর্ব ৯)
২৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সম্পোর্কোন্নয়ন কেন শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তিতে? অনন্য উচ্চতায় উঠা এ সম্পর্ক কেন ইসলামী মূল্যবোধ ও মুসলিম ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে উজ্জীবিত হবে না? (১ম পর্ব)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও কৌশলগত স্বনির্ভরতা: বাংলাদেশের ৫০ লক্ষ পদাতিক বাহিনীর জন্য ৩য় প্রজন্মের এটিজিএম রোডম্যাপ (পর্ব ৭)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই অথচ ১৬৫০ থেকে ১৭৫০-এই ১০০ বছরে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোই বাংলা থেকেই ৩ লাখ গজ থেকে ৩ কোটি গজ কাপড় রপ্তানি করেছে। এই বিপুল উৎপাদনে এই বাংলাদেশই কীভাবে তুলার যোগান দিল?
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দেশের ৪ কোটি মানুষ না খেয়ে থাকে। অথচ বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার শস্য নষ্ট হয় খাদ্য অপচয় রোধ করতে ‘নিশ্চয়ই অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই’- পবিত্র কুরআন শরীফ উনার এই নির্দেশ সমাজের সর্বাত্মক প্রতিফলন ব্যতীত কোনো বিকল্প নেই।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
অলস জমিদারের কায়দায় বসে বসে তালুক বিক্রী করে খাওয়ার মতই জ্যামিতিক হারে ঋণ বাড়িয়ে চলছে সরকার ২০২৮-২৯ অর্থবছর ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৩ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকায়। দুর্নীতি বন্ধের পাশাপাশি উৎপাদন বাড়ানো রফতানী বৃদ্ধি ও বহুর্মুখীকরণ করার উদ্যম নেই সরকারের দেশ জাতিকে করে যাচ্ছে সুদী মহাজনদের কাছে জিম্মি ও বিক্রী।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












