SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%উসমানীয়%' OR titleBn LIKE '%উসমানীয়%' OR descriptionEn LIKE '%উসমানীয়%' OR descriptionBn LIKE '%উসমানীয়%' OR slug LIKE '%উসমানীয়%' OR metaTag LIKE '%উসমানীয়%' OR metaDescription LIKE '%উসমানীয়%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি ইহুদীদের আদি বিদ্বেষ ও শত্রুতার প্রকাশ:
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ সৃষ্টি
পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি ইহুদীদের আদি বিদ্বেষ ও কাট্টা মুনাফিক, নিকৃষ্ট কাফির ইহুদীদের পুরাতন খাছলত মুসলিম শত্রুতার প্রকাশ: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ (League of Nations) সৃষ্টি।
ইহুদীদের কূটকৌশলে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মুসলমানদেরকে বিশ বাকি অংশ পড়ুন...
পারস্যের কার্পেটকে সাধারণত ঐতিহ্য, কারুশিল্প, সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার এবং পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। যদিও এসব বৈশিষ্ট্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তবুও এগুলো পুরোপুরি ব্যাখ্যা করতে পারে না কেন এই কার্পেটগুলো আজও মানুষের হৃদয়ে সাড়া জাগায়, বিশেষ করে এমন এক বৈশ্বিক সমসাময়িক দর্শকের কাছে, যারা কালজয়ী শিল্পের প্রতি ক্রমেই বেশি আকৃষ্ট হচ্ছে।
হাতে বোনা পারস্যের কার্পেটকে বিশেষ করে তোলে শুধু এটি তৈরিতে দীর্ঘ সময় লাগার কারণে নয়; বরং সময় নিজেই এর গঠনপ্রক্রিয়ার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। শিল্পোৎপাদিত পণ্যের বিপরীতে, কার্ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ঐতিহাসিক হিজাজ রেলপথ আধুনিকায়ন করে সেটি ওমান পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে তুরস্ক।
তুরস্কের পরিবহন ও অবকাঠামোমন্ত্রী আব্দুল কাদের উরালওলু বলেন, তুরস্ক ঐতিহাসিক এই রেললাইনকে পুনরুজ্জীবিত করতে চায়, যা পর্যটন এবং আধুনিক পরিবহন উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হবে।
তিনি জানান, প্রকল্পের প্রথম ধাপে তুরস্ককে আলেপ্পোর সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। এজন্য বিদ্যমান আলেপ্পো-দামেস্ক-জর্ডান রেল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হবে। একই সঙ্গে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো রেলপথটি ওম বাকি অংশ পড়ুন...
দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল আজহা। বিশ্বব্যাপী পালিত হবে পবিত্র কুরবানীর ঈদ। মুসলমানরা এই দিনে পশু কুরবানী করবেন মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক অর্জনের জন্য। পাশাপাশি, সম্মানিত শরীয়ত উনার রীতিনীতি পালনের মাধ্যমে এই দিনে মুসলমানগণ খুশি প্রকাশ করে থাকেন। পূর্বের মুসলমান শাসনগুলোতেও পবিত্র কুরবানীর ঈদ বিশেষ রীতিনীতির সাথে পালিত হতো। বিশেষ করে পবিত্র এই দিবস উনার সাথে ঐতিহ্যবাহী উসমানীয় সালতানাতের বিশেষ কিছু তাহযীব জড়িত রয়েছে।
তুরস্কে পবিত্র কুরবানীর ঈদ ‘কুরবান বাইরাম’ নামে পরিচিত। উসমানীয়রা পবিত্র কুরবানীর ঈদ অত্যন্ত বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
জেরুজালেমের ওল্ড সিটি বা প্রাচীন শহরের ঐতিহাসিক আল-আকসা মসজিদের নিকটবর্তী ফিলিস্তিনি মালিকানাধীন সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া জোরালো করেছে ইসরায়েলি ইসলামবিদ্বেষী সরকার। ফিলিস্তিনিরা এই পদক্ষেপকে পবিত্র শহরটিকে ‘ইহুদীকরণ’ করার একটি সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন।
ইসরায়েলি মন্ত্রিসভা সম্প্রতি একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠনের অনুমোদন দিয়েছে। এই কমিটির মূল কাজ হবে আল-আকসা মসজিদে প্রবেশের অন্যতম প্রধান পথ ‘বাব আল-সিলসিলা’ (চেইন গেট) এলাকার পুরনো বা ঐতিহাসিক সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ আদেশগুলো বাকি অংশ পড়ুন...
ইতিহাসের সত্য কখনো কখনো কল্পকাহিনীর চেয়েও ভয়ঙ্কর হয়। গত কয়েক দশক ধরে মুসলিম বিশে^র অনৈক্য, চরমপন্থা এবং ভ্রাতৃঘাতী দাঙ্গার মূলে যে মতবাদটি সবচেয়ে বেশি সক্রিয় রয়েছে, তা হলো নজদ থেকে উদ্ভূত ‘ওহাবি’ মতবাদ। অভিশপ্ত দেওহিন্দু কর্তৃক সুদীর্ঘকাল ধরে এই মতবাদকে দ্বীন ইসলাম উনার একটি সংস্কারপন্থী ধারা হিসেবে অপপ্রচার করা হলেও, ইরাকি গোয়েন্দা সংস্থার এক টপ সিক্রেট প্রতিবেদন ভয়াবহ সত্য প্রকাশ করেছে। ২০০২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সাদ্দাম এর শাসনামলে ইরাকের জেনারেল মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স ডিরেক্টরেট কর্তৃক প্রণীত একটি অতি গোপনীয় নথিত বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতবর্ষে সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশরা যখন তাদের ঔপনিবেশিক শাসন কায়েম করে তখন স্থানীয় মুসলিম যুবকরা শক্তিশালী ও কর্মঠ হওয়ায় তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বৃটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হতো। যোগ না দিলে গোপনে হত্যা কিংবা পরিবারসহ উচ্ছেদ হতে হতো তাদের। তাই বাধ্য হয়েই তারা বৃটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিতো।
সে সময় সিন্ধ, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি এবং উত্তরপ্রদেশ থেকে কিছু মুসলমানকে ব্রিটিশদের পঞ্চম পদাতিক বাহিনীতে যোগ করা হয়। তাদের সবারই ভারতের ভেতরেই দায়িত্ব পড়ার কথা ছিলো। কিন্তু ১৯১৪ সালের ১০ অক্টোবর হঠাৎ করেই পঞ্চম পদাদিক সেনাদের বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক কসতুনতুনিয়া অর্থাৎ ইস্তানবুল বিজয় করে ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন উসমানীয় সুলতান মুহম্মদ আল ফাতিহ রহমতুল্লাহি আলাইহি। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইস্তানবুল বিজয়ের যে ভবিষ্যৎবাণী মুবারক প্রদান করেছিলেন তার বাস্তবায়ন করেছিলেন সুলতান মুহম্মদ আল ফাতিহ রহমতুল্লাহি আলাইহি। আর উনার এই অসামান্য বিজয়ের পেছনে অন্যতম অবদান হলো উনারই সম্মানিত শায়েখ হযরত আক শামসুদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি।
উনার পুরো নাম মুহম্মদ শামসুদ্দীন ইবনে হামজা রহমতুল্লাহি আলাইহি। তবে তিনি ‘শায়েখ আক শামস বাকি অংশ পড়ুন...
রহমত, বরকত, সাকীনা এবং মাগফিরাতের মাস পবিত্র রমাদ্বান শরীফ। ইবাদত-বন্দেগীর পাশাপাশি ইতিহাসের দিকে যদি আমরা লক্ষ্য করি, তবে মুসলিম উম্মাহর গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের অনেক ঘটনার সাক্ষী পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস। এই পবিত্র মাসেই এমন অনেক বিজয় অভিযান সম্পন্ন হয়েছে যা মুসলিম উম্মাহর ইতিহাসের গতিধারাকে পরিবর্তিত করেছে।
মহাপবিত্র বদর জিহাদ
সম্মানিত ২য় হিজরী শরীফ উনার ১৭ই রমাদ্বান শরীফ পবিত্র মদীনা শরীফ উনার দক্ষিণ-পশ্চিমে বদর প্রান্তরে পবিত্র বদর জিহাদ সংঘঠিত হয়। সম্মানিত জিহাদ মুবারকে মুসলমান উনাদের সংখ্যা ছিলেন ৩১৩ জন। বিপরীতে বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস বিশেষ তাৎপর্যমন্ডিত। পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে লাখো কোটি ঘটনা সংগঠিত হয়েছে। আবার পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস ঘিরে মুসলিম বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে প্রচলিত রয়েছে অত্যন্ত ইতমিনানী বিভিন্ন তর্জ-তরীকা। বিশেষ করে মুসলিম সালতানাতগুলোতে সে সময় বিভিন্ন নিয়ম প্রচলিত ছিলো। আজকের পর্বে আমরা জানবো পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস ঘিরে উসমানীয় সালতানাতে কি কি রীতির প্রচলন ছিলো।
উসমানীয় সালতানাতে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসের আগমন বিশেষ উৎসবমুখর পরি বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমান দেশে দেশে সাম্রাজ্যবাদী অপশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনে মুসলমানরা নিদারুণ নির্যাতন-নিপীড়নের মধ্যে অতিবাহিত করছে। কোটি কোটি মুসলমানকে নির্মমভাবে শহীদ করা হচ্ছে জুলুমবাজ আমেরিকার পৃষ্ঠপোষকতায়। পাশাপাশি, বিশ্বব্যাপী মুসলমানরা যাতে মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারেন, পূর্বের সেই স্বর্ণালী যুগে ফিরে যেতে না পারেন এজন্য অর্থ ও শ্রম দিয়ে সর্বাত্মকভাবে ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত বাস্তবায়ন করছে তারা। মুসলমান বিশ্বের কতিপয় মুসলমান নামধারী শাসককেও ইদানিং দেখা যায়, আমেরিকার প্রশংসা এবং লেজুরবৃত্তিতে লম্ফঝম্ফ করতে। অথচ আপ বাকি অংশ পড়ুন...
১৫৬৬ খৃষ্টাব্দে সুলতান প্রথম সুলাইমানের ইন্তিকালের পর তার পুত্র দ্বিতীয় সেলিম মসনদে বসেন। ফলে মিমার সিনান পাশার সামনে আরেকটি সুযোগ আসে। পিতার মত সুলতান দ্বিতীয় সেলিমও চাইছিলেন আরেকটি স্মরণীয় স্থাপনা নির্মিত হোক। এ কাজের দায়িত্ব অবধারিতভাবে মিমার সিনান পাশার উপর ন্যস্ত হয়। তবে এটি নির্মিত হবে ইস্তাম্বুল থেকে ২০০ কিমি দূরের এডিরনে। মিমার সিনান পাশার বয়স তখন মধ্য সত্তর। এই প্রবীণ বয়সে এসেও তার কর্মস্পৃহা এতটুকু কমেনি। ১৫৬৯ খৃ: উনার প্রবল উৎসাহে ‘সেলিমিয়া মসজিদ কমপ্লেক্স’ নির্মাণের কাজে হাত দেন এবং মনের মাধুরী মিশিয়ে বির বাকি অংশ পড়ুন...












