SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%উজানের%' OR titleBn LIKE '%উজানের%' OR descriptionEn LIKE '%উজানের%' OR descriptionBn LIKE '%উজানের%' OR slug LIKE '%উজানের%' OR metaTag LIKE '%উজানের%' OR metaDescription LIKE '%উজানের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
উজানে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নীলফামারীতে তিস্তা নদীর পানি বাড়ছে। রোববার সন্ধ্যা ছয়টায় লালমনিরহাটের দোয়ানীতে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।তিস্তায় পানি বাড়ায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, পশ্চিম ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, গয়াবাড়ি, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও জলঢাকা উপজেলার ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নের ১৫টি চর ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করেনি।ডিমলায় পাউব বাকি অংশ পড়ুন...
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা:
বছরের একমাত্র স্বপ্ন বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছিল। শুরুটা ভালো হওয়ায় কৃষকের চোখে মুখেও ছিল খুশির আমেজ। কিন্তু হঠাৎ কৃষকের স্বপ্নে নজর লাগে প্রকৃতির। বৃষ্টি আর উজানের ঢলে তলিয়ে যায় প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান। নষ্ট হয় কিশোরগঞ্জের হাজার হাজার কৃষকের স্বপ্ন। ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৬০ কোটি টাকা। এনজিও ও মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে বোরো আবাদ করে তা হারিয়ে ফেলেছেন কৃষকরা। এ অবস্থায় কীভাবে ঋণ পরিশোধ করবেন, তা নিয়ে দিশেহারা তারা।
এমন সময়ে সরকারের পক্ষ থেকে মিলেছে কিছুটা স্বস্তির আশ^াস বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
এক ক্ষেতে দুই রকমের ধান। কোনোটি পাকা, কোনোটি কাঁচা। কোনো গাছে শীষই বের হয়নি। ফলে অন্য বছরের তুলনায় ধান কাটতে বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয় কৃষককে। এর মধ্যে অতিবৃষ্টি ও উজানের পানি ঢ়ুকে পড়ে হাওরে। ডুবে যায় ধানক্ষেত। এই দুইয়ে মিলে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে কৃষক।
গত সপ্তাহে এ প্রতিবেদক সরেজমিন কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ ও ইটনা, সমকালের স্থানীয় প্রতিনিধিরা সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা ও মধ্যনগর ঘুরে কৃষি কর্মকর্তা, বীজ পরিবেশক ও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পান। ধানের বীজ সরবরাহ করেছিল বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)।
এ বাকি অংশ পড়ুন...
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা:
টানা বৃষ্টিতে আবারও বাড়তে শুরু করেছে সুনামগঞ্জের নদ-নদী ও হাওরের পানি। এতে নতুন করে বিপাকে পড়েছেন হাওরের কৃষকরা। অবশিষ্ট বোরো ধান কাটা, মাড়াই ও শুকানো নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে তাদের মধ্যে।
আবহাওয়া অধিদফতর ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) পূর্বাভাস বলছে, আগামী কয়েক দিনও ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। উজানে ভারতের চেরাপুঞ্জিতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় পাহাড়ি ঢল নেমে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সুনামগঞ্জ পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, সুনামগঞ্জ ও উজানে চেরাপুঞ্জিতে ভারী বৃষ্টি বাকি অংশ পড়ুন...
আন্তর্জাতিক নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ভারত একতরফাভাবে নদীশাসন করছে। ফারাক্কার ভয়াবহ প্রভাবের কথা আমরা জানি। তিস্তা বা ফেনী নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা বাংলাদেশের মানুষ এখনও পাননি। বরাক নদী উজানে টিপাই বাঁধ সুরমা-কুশিয়ারা-মেঘনার প্রবাহকে শুকিয়ে দিচ্ছে। ভারত থেকে প্রায় ৫৪টি নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এ সকল নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ নষ্ট করে ভারত বাংলাদেশের সমূহ ক্ষতি করছে। পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় নদীতে সাগর থেকে নোনা পানি প্রবেশ করছে। স্বাভাবিকভাবেই নোনা পানিতে স্বাদু পানির মাছ, পানিজ উদ্ভিদ কিছুই বাঁচতে পারে না। ফলে কমছে বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জের হাওরে বোরো ধান ডুবে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কৃষকরা। দুই জেলায় অন্তত এক লাখ ১২ হাজারের বেশি কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সুনামগঞ্জে ১৬ হাজার হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে অন্তত ৩০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। আর কিশোরগঞ্জে নয় হাজার ৪৯ হেক্টর জমির ধান ডুবে অন্তত ২০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে কৃষকদের।
পাকা ধান নষ্ট হওয়ায় এসব কৃষকের পথে বসার উপক্রম হয়েছে। বিশেষ করে হাওরে এখন শুধুই হাহাকার। চোখের সামনে তলিয়ে গেছে কষ্টের ফসল। কীভাবে সংসার চালাবেন আর ঋণ পরিশো বাকি অংশ পড়ুন...
লালমনিরহাট সংবাদদাতা:
কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা ঢলে তিস্তা নদীর পানি কিছুটা বেড়েছে। ফলে তিস্তার চরের অনেক ফসল ডুবে গেছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর লালমনিরহাটের উপপরিচালক সাইফুল আরেফিন বলেন, পানি বৃদ্ধির কারণে লালমনিরহাটের ৫ উপজেলার তিস্তার চরের প্রায় ২'শ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল তলিয়ে গেছে। তবে এতে তেমন ক্ষতি হবে না। কারণ তিস্তার পানি খুব দ্রুত নেমে যায়।
লালমনিরহাটের পাঁচটি উপজেলার ওপর দিয়ে তিস্তা নদী বয়ে যাওয়ায় নদীতে সামান্য পানি বাড়লে গোটা জেলার সব উপজেলার নদী তীরবর্তী এলাকা প্ল বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
টানা বর্ষণে দেশের হাওরাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান তলিয়ে গেছে। যারা জমি থেকে ফসল কাটতে পেরেছেন, তাদের ধানও মাঠে ভিজছে। রোদ না থাকায় শুকিয়ে গোলায় তুলতে পারছেন না কৃষক। এ অবস্থায় বছরের একমাত্র ফসল হারিয়ে কৃষক অসহায় হয়ে পড়েছেন।
তারা বলছেন, শুধু বৃষ্টির পানি নয়, নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় এ অবস্থা দাঁড়িয়েছে। আরও দুয়েক দিন গেলে এই পাকা ধানে পচন ধরবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২৬ এপ্রিল থেকে মেঘালয় চেরাপুঞ্জিতে হওয়া বৃষ্টির পানির ঢলে সুনামগঞ্জে পাহাড়ি নদীসহ ছোট-বড় ৯৭ নদীতে বাকি অংশ পড়ুন...
মৌলভীবাজার সংবাদদাতা:
দুই দিনের টানা বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের বিভিন্ন উপজেলার নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। একইসঙ্গে জেলার চারটি নদ-নদীতে বেড়েছে পানি। জেলার জুড়ী নদে পনি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া, কুশিয়ারা, মনু ও ধলাই নদেও পানি বেড়েছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে বন্যা হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
জেলার বিভিন্ন উপজেলায় খোঁজ নিয়ে জানা গেচে, জেলার মনু, ধলাই, কুশিয়ারা ও জুড়ী নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এখনো বিপৎসীমার বাকি অংশ পড়ুন...
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা:
সুনামগঞ্জে গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) সকাল থেকে বজ্রসহ ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে নদ-নদীর পানি বাড়ছে। বন্যার আশঙ্কায় কৃষকেরা হাওরে যে যেভাবে পারছেন ধান কাটছেন। জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে জরুরি সভা করেছে।
সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রশাসন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্মকর্তা, সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবিসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সু বাকি অংশ পড়ুন...












