SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%উওয়াইস%' OR titleBn LIKE '%উওয়াইস%' OR descriptionEn LIKE '%উওয়াইস%' OR descriptionBn LIKE '%উওয়াইস%' OR slug LIKE '%উওয়াইস%' OR metaTag LIKE '%উওয়াইস%' OR metaDescription LIKE '%উওয়াইস%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
বিছাল শরীফ:
হযরত আছবাগ বিন নুবাতাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি, যিনি একজন তাবেঈ এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার ছাত্রদের একজন ছিলেন, তিনি বর্ণনা করেন, আমি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার সাথে ছিফফীনের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। যুদ্ধের প্রাক্কালে তিনি ঘোষণা করলেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হয়ে কে কে আমার হাতে বাইয়াত গ্রহণ করবে? অতঃপর ৯৯ জন লোক উনার হাতে বাইয়াত গ্রহণ করেন। অতঃপর সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম বললেন বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাদের সাথে সাক্ষাত:
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, আপনি এ স্থানে অবস্থান করুন, আমি পবিত্র মক্কা শরীফে গিয়ে আপনার খরচের জন্য কিছু নিয়ে আসছি। আর আমার এই কাপড়খানা আপনার নিকট রেখে যাচ্ছি, আমার ও আপনার মধ্যে ওয়াদার সাক্ষ্য হিসাবে। তিনি বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আমার ও আপনার মধ্যে কোন ওয়াদার প্রয়োজন নেই। আমার মনে হয় না, আজকে দিনের পর আমাকে আবার পাবেন। খরচা দিয়ে আমার কি হবে? কাপড় দিয়েই বা আম বাকি অংশ পড়ুন...
উনার জীবনের অন্যান্য ঘটনা:
তাযকিরাতুল আওলিয়া কিতাবে উল্লেখ আছে, এক বর্ণনাকারী বলেন, আমি একদিন হযরত উওয়াইস রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাথে সাক্ষাত লাভের আশায় উনার খিদমতে হাযির হয়ে দেখলাম, তিনি ফজরের নামায পড়ছেন। নামায শেষে তছবীহ পড়তে লাগলেন ও যোহরের সময় পর্যন্ত তা পড়লেন। যোহরের নামাযের পর থেকে আছর পর্যন্ত তছবীহ পাঠ করে সে নামাযও শেষ করলেন। এভাবে তিনি তিনদিন পর্যন্ত কিছুই খেলেন না এবং শয়নও করলেন না। চতুর্থ রাত্রিতে দেখলাম, তিনি সামান্য কিছু সময় ঘুমালেন। ঘুম ভাঙ্গার পর মুনাজাত করতে লাগলেন, আয় বারে ইলাহী! তৃপ্তির ঘুম এবং পেট পুরে খ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত হারাম বিন হায়্যান রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাথে সাক্ষাত:
হযরত উওয়াইস রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার প্রতি আমার বিশেষ শ্রদ্ধা ও মুহব্বতের দরুণ উনার দীনতা দেখে আমি কেঁদে ফেললাম। হযরত উওয়াইস রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিও কেঁদে বললেন, হে হারাম বিন হায়্যান! মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনার হায়াত দারাজ করুন। আপনি কি জন্য এখানে এসেছেন এবং কে আপনাকে আমার সন্ধান দিয়েছে? আমি বললাম, আপনি আমার ও আমার পিতার নাম কি করে জানলেন? তিনি বললেন: نَبَّانِىَ الْعَلِيْمُ الْخَبِيْرُ (যাঁর জ্ঞানের অগোচর কিছুই নেই, তিনি আমাকে আপনার সন্ধান জানিয়েছেন)। আমার রূহ আপনার রূহকে চিন বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত
ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাদের সাথে সাক্ষাত:
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, আমার জন্য আপনি দোয়া করুন। হযরত উওয়াইস রহমতুল্লাহি আলাইহি বললেন, আমি প্রত্যেক নামাযে তাশাহ্হুদে এই দোয়াই করে থাকি, আয় বারে ইলাহী! মু’মিন নর-নারীকে ক্ষমা করুন! হে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম! যদি কেউ ঈমান নিয়ে কবরে যেতে পারেন, তখন দোয়া উনাকে তালাশ করবে।
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, আমাকে আরো নছ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত
ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাদের সাথে সাক্ষাত:
অতঃপর হযরত উওয়াইস রহমতুল্লাহি আলাইহি বললেন, আগে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিরকা মুবারকটি দিন, তারপর দোয়া করবো। সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র খিরকা মুবারকটি প্রদান করলে হযরত উওয়াইস রহমতুল্লাহি আলাইহি তা গ্রহণ করে বললেন, একটু অপেক্ষা করুন। এই বলে তিনি সিজদায় গিয়ে বললেন, আয় বারে ইলাহী! যেহেতু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত
ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাদের সাথে সাক্ষাত:
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, আপনি এ স্থানে অবস্থান করুন, আমি পবিত্র মক্কা শরীফে গিয়ে আপনার খরচের জন্য কিছু নিয়ে আসছি। আর আমার এই কাপড়খানা আপনার নিকট রেখে যাচ্ছি, আমার ও আপনার মধ্যে ওয়াদার সাক্ষ্য হিসাবে। তিনি বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আমার ও আপনার মধ্যে কোন ওয়াদার প্রয়োজন নেই। আমার মনে হয় না, আজকে দিনের পর আমাকে আবার পাবেন। খরচা দিয়ে আমার কি হবে? কাপড় দিয়েই বা আমা বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত
ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাদের সাথে সাক্ষাত:
পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত আছে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাদেরকে লক্ষ্য করে ইরশাদ মুবারক করেন, আপনারা উভয়ে উওয়ায়েস ক্বারানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাক্ষাত পাবেন। যখন আপনারা উনার সাক্ষাত পাবেন, তখন আপনারা উনাকে বলবে বাকি অংশ পড়ুন...
পরবর্তী জীবন:
তাযকিরাতুল আওলিয়া কিতাবে উনার সম্পর্কে এইরূপ উল্লেখ করা হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-
التابعين أويس القرنى خير
(উওয়াইস ক্বারানী তাবে‘ঈদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ)।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
إنى لإجد نفس الرحمة من قبل اليمن
(আমি বাস্তবিকই মহান আল্লাহ পাক উনার রহমতের সুগন্ধযুক্ত হাওয়া ইয়েমেনের দিক থেকে পাচ্ছি)।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো ইরশ বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি:
নাম মুবারক: হযরত উওয়াইস রহমতুল্লাহি আলাইহি।
পিতার নাম: ‘আমির বিন জায্।
ইয়ামান দেশের মুরাদ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত আল-ক্বারান উপগোত্রে উনার বিলাদত শরীফ। সে জন্যই উনাকে আল-ক্বারানী বলা হয়ে থাকে। (তাবাকাত)
কেউ কেউ মনে করে থাকেন, তিনি ক্বারান নামক স্থানের লোক বিধায় উনাকে আল-ক্বারানী বলা হয়, তা ঠিক নয়। গোত্রের নাম অনুসারেই উনাকে আল-ক্বারানী বলা হয়ে থাকে, যা উনার নসবনামা থেকে স্পষ্ট।
প্রাথমিক জীবন:
উনার প্রাথমিক জীবন সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানা যায় না। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দা বাকি অংশ পড়ুন...
বিছাল শরীফ:
হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার “আত-তারীখ” গ্রন্থে উল্লেখ করেন, আমার নিকট আল-উওয়াইসি বর্ণনা করেছেন যে, উনার নিকট হযরত মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি বর্ণনা করেছেন; হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বয়স মুবারক ৮৭ বছরে পৌঁছেছিল। হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি ব্যতীত অন্যান্যদের মতে তিনি ৮৪ বছর বয়সে বিছাল শরীফ প্রাপ্ত হয়েছিলেন। হযরত ইবনে হাজার আসকালানী রহমতুল্লাহি আলাইহি প্রথম বর্ণনাকেই অধিকতর সঠিক বলে মন্তব্য করেছেন। (ইছাবা)
হাজ্জাজের সময় আরাফাত হতে ফিরবার সময় হাজ্জাজের একজন সিপাহী তার বিষ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ইজমা’ শরীফ এবং মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ
(১১)
বিশিষ্ট ফক্বীহ, ইমাম, শাইখুল মাদীনাহ, ক্বাযীউল মাদীনাহ হযরত ইমাম আবূ মুছ‘আব আহমাদ ইবনে আবূ বকর ক্বাসিম ইবনে হারিছ ইবনে যুরারাহ ইবনে মুছ‘আব ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে ‘আউফ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু আল কুরাইশী আয যুহ্রী আল মাদানী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত শরীফ ১৫০ হিজরী শরীফ : বিছাল শরীফ ২৪২ হিজরী শরীফ) তিনি এবং হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ভাগিনা, বিশিষ্ট ফক্বীহ, ইমাম, মুহাদ্দিছ হযরত আবূ আব্দুল্লাহ ইসমাঈল ইবনে আবূ উওয়াইস রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ২২৬ হিজ বাকি অংশ পড়ুন...












