SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ইস্তেঞ্জা%' OR titleBn LIKE '%ইস্তেঞ্জা%' OR descriptionEn LIKE '%ইস্তেঞ্জা%' OR descriptionBn LIKE '%ইস্তেঞ্জা%' OR slug LIKE '%ইস্তেঞ্জা%' OR metaTag LIKE '%ইস্তেঞ্জা%' OR metaDescription LIKE '%ইস্তেঞ্জা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা সবাই আল্লাহওয়ালা বা ওলীআল্লাহ হয়ে যাও।” এ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার দ্বারা সাবেত হয় যে, প্রতিটি জিন-ইনসানেরই ওলীআল্লাহ হওয়ার যোগ্যতা রয়েছে। তবে তার জন্য প্রয়োজন একজন হক বাকি অংশ পড়ুন...
(৬ষ্ঠ পর্ব)
আবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাঠানো হইছে-
لِتُؤْمِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ
যেন তোমরা ঈমান আনতে পারো যিনি খলিক, যিনি মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি এবং যিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি। ঈমান আনাটা, উনার খেদমত মুবারক আনজাম দেয়া, ছানা-ছিফত করা, তা’যীম তাকরীম মুবারক করা, সবটাই। আর উনার যে বিষয়গুলি, এ বিষয়গুলি সব সময় আনজাম দেয়া।
এখন আমাদেরকে শ্রেষ্ঠ উম্মত করা হইছে-
كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْ বাকি অংশ পড়ুন...
(৩য় পর্ব)
আর দরুদ শরীফের যে বিষয়টা, এটাতো আমরা সবসময় বলে থাকি, অনেক ফযীলত। চারজন ফেরেশতা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে এসেছিলেন, উনারা চারটা বিষয় আরজু নিয়ে, যে কুরআন শরীফে আল্লাহ পাক নাযিল করেছেন-
وَاللهُ وَرَسُولُهُ أَحَقُّ أَنْ يُرْضُوهُ إِنْ كَانُوا مُؤْمِنِينَ
এখানে যিনি খালিক, যিনি মালিক, যিনি রব, মহান আল্লাহ পাক তিনি স্পষ্ট্য বলে দিচ্ছেন; ইরশাদ মুবারক করেন, যারা মো’মেন দাবি করে তাদের জন্য দায়িত্ব হচ্ছে, কর্তব্য হচ্ছে, হক হচ্ছে- যিনি খালিক, যিনি মালিক, যিনি রব, মহান আল্লাহ পাক যিনি নূরে মুজাসসাম হাবী বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার গুরুত্ব-ফযীলত ও মাক্বাম মুবারক সর্বোচ্চ। সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার গুরুত্ব-ফযীলত মুবারক সম্পর্কে মহাসম্মানিত নছীহত মুবারক করার সময় প্রায় ইরশাদ মুবারক করেন যে, সৃষ্টির শুরু থেকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত সমস্ত আমল যদি একপাল্লায় রাখা হয় আর মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত একখানা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক যদি আরেক পাল্লায় রাখা হয় তাহলে মহাসম্মানিত সুন্নত মুবà বাকি অংশ পড়ুন...
উনার কতিপয় কারামত মুবারক:
(৬)
“তাওয়ারীখে আযীবা” কিতাবের ৫০ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, একবার হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “কুএল” নামক স্থানে ছিলেন। এমতাবস্থায় আকবর আলী খাঁ নামক একজন লোক উনাকে শহীদ করার ইচ্ছায় অস্ত্রসহ সেখানে উপস্থিত হলো। হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ইলহাম কর্তৃক অবগত হয়ে উনার মুরীদদেরকে বললেন, ‘এমন নামধারী এক ব্যক্তি আমার নিকট আসতেছে তাকে ভিতরে আসতে বাধা দিও না।’ একটু পরে সেই অস্ত্রধারী লোকটি উনার সামনে এসে বসে গেলো এবং বললো, ‘আপনার নিকট আমার কিছু জিজ্ঞাসা করঠবাকি অংশ পড়ুন...
ইস্তেঞ্জার (প্রস্রাবের) সাথে দেহের ভেতরের বর্জ্যপদার্থ বের হয়। পাশাপাশি অনেক রোগের নীরব বার্তাও প্রদান করতে পারে। ইস্তেঞ্জার (প্রস্রাব) সাথে ফেনা দেখা দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। এ ফেনা কখনো কখনো কিডনী রোগের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবেও ধরা হয়।
সাধারণত স্বাভাবিক ইস্তেঞ্জায় অল্প সময়ের জন্য ফেনা দেখা যায়। কিন্তু যদি ফেনা বারবার হয় এবং অনেক্ষণ স্থায়ী এবং বারবার দেখা যায় তা কিডনী রোগের সংকেত হিসেবে ধরা যায়।
সাধারণ কারণ:
দ্রুত বা জোরে ইস্তেঞ্জা বের হলে পানিতে বাতাস মিশে ফেনা তৈরী হয়, যা অল্প সময়েই মিলিয়ে যায়।
দীর্ঘক্ষণ জমে থাকা ঠবাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَاللهُ يَـخْتَصُّ بِرَحْـمَتِهٖ مَنْ يَّشَآءُ
“মহান আল্লাহ পাক তিনি যাঁকে ইচ্ছা স্বীয় রহমত মুবারক দ্বারা খাছ করে নেন।” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: ১০৫)
কাজেই, মহান আল্লাহ পাক তিনি যাঁকে চান, উনাকে খাছ করে এই বুঝগুলো দেন। সবাই বুঝে না এগুলি। বুঝবে না। এটা কোনো দিন বুঝা সম্ভব না।
তারপর যেমন- মুসলিম শরীফসহ আরো অন্যান্য কিতাবে রয়েছে,
مَا مِنْكُمْ مِنْ اَحَدٍ اِلَّا وَقَدْ وُكِّلَ بِهٖ قَرِيْنُهٗ مِنَ الْجِنِّ وَقَرِيْنُهٗ বাকি অংশ পড়ুন...
এ পর্যন্ত আলোচনায় তাহলে আমরা যে ধারণা পেলাম তা হচ্ছে-
১. ইনজেকশন কত প্রকার এবং কত রকম পদ্ধতিতে দেয়া হয়।
২. তা কিভাবে রক্ত স্রোতের মাধ্যমে শরীরের সর্বাংশে ছড়ায়।
৩. বিশেষত মগজের অভ্যন্তরে কি করে ইনজেকশনের পর ওষুধ প্রবেশ করে।
এতক্ষণের আলোচনায় এটাই দেখা যাচ্ছে যে, যত প্রকারের ইনজেকশন হোক না কেন, তা এক সময় রক্ত স্রোতে মিশবে এবং মগজে পৌঁছে যাবে।
অতএব চিকিৎসা বিজ্ঞানের তথ্যবহুল আলোচনা দ্বারা স্পষ্টই প্রমাণিত হলো যে, ইনজেকশন ইত্যাদি মগজে পৌঁছে। সুতরাং রোযা অবস্থায় ইনজেকশন নিলে রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে। কারণ, ফিক্বাহের কিতাবে উল্লেখ রয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلاةِ فاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى الْمَرَافِقِ وَامْسَحُوا بِرُؤُوسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى الْكَعْبَيْنِ وَإِنْ كُنتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُوا
প্রথমে বললেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلاةِ فاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى الْمَرَافِقِ وَامْسَحُوا بِرُؤُوسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى الْكَعْبَينِ
হে ঈমানদারগণ! তোমরা যখন নামাযে দাঁড়াবে তখন ধৌত করবে অর্থাৎ ওযূ করবে, তোমাদের মুখমন্ডল ধৌত করবে, হাত কনুইসহ ধুবে, মাথা মাছেহ করবে এবং পায়ের গিরা পর্যন্ত ধৌত করবে বাকি অংশ পড়ুন...
কোনো রাবী সম্পর্কে জারাহ করলেই কি সেই রাবী বাতিল হয়ে যান?
উল্লেখ্য যে, কোন রাবীকে প্রত্যাখ্যাত করতে হলে তার কারণও স্পষ্ট উল্লেখ থাকতে হবে। রাবী নির্ভরযোগ্য নয় এটুকু বললেই হবে না। কেন গ্রহণযোগ্য নয় তার উপযুক্ত ও গ্রহণযোগ্য কারণ বলতে হবে। হযরত মুহাদ্দিছীনে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উছূল বর্ণনা করেছেন, ব্যাখ্যাহীন জারাহ গ্রহণযোগ্য নয়। মতভেদ, ভুলবশত মতপার্থক্য হতে পারে। কারো কারো কাছে একজন রাবী ছিক্বাহ অপর জনের কাছে ছিক্বাহ নয়। এ কারণে জারাহ করা হলে তার কারণ উল্লেখ করা আবশ্যক।
হযরত ইমাম শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জী বাকি অংশ পড়ুন...












