SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ইস্তেগফার%' OR titleBn LIKE '%ইস্তেগফার%' OR descriptionEn LIKE '%ইস্তেগফার%' OR descriptionBn LIKE '%ইস্তেগফার%' OR slug LIKE '%ইস্তেগফার%' OR metaTag LIKE '%ইস্তেগফার%' OR metaDescription LIKE '%ইস্তেগফার%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ৯ তারিখ পবিত্র ফজর থেকে ১৩ তারিখ পবিত্র আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামায উনার পর তাকবীরে তাশরীক পাঠ করা সম্মানিত শরীয়ত উনার ন বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন, ইবলিস ওয়াসওয়াসা দিয়ে থাকে। কিন্তু ইবলিস সবচাইতে বেশী খুশি হয় কিসে জানা আছে? ইবলিসের মজলিশ বসে প্রতিদিন। যেমন- আলিম-ওলামাদের মজলিশ বসে থাকে। ঠিক তদ্রুপ ইবলিসের মজলিশ বসে থাকে পানির উপরে। প্রতিদিন দিনের শেষে বসে ইবলিসের মজলিশ। সে বসে তাদের সকলকে নিয়ে, যারা তার খাছ শারগেদ রয়েছে, অর্থাৎ বিশিষ্ট শয়তান যারা রয়েছে, তারা তার মজলিশে হাজিরা দেয়, উপস্থিত হয়। সেখানে উপস্থিত হওয়ার পরে ইবলিস সবাইকে জিজ্ঞ বাকি অংশ পড়ুন...
শয়তান নিজে বিভ্রান্ত এবং সে মানুষকেও বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা হিজর শরীফ উনার ৩৯ ও ৪০ নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
قَالَ رَبِّ بِمَا اَغْوَيْتَنِىْ لَاُزَيِّنَنَّ لَهُمْ فِىْ الْاَرْضِ وَلَاُغْوِيَنَّهُمْ اَجْمَعِيْنَ اِلاَّ عِبَادَكَ مِنْهُمُ الْمُخْلِصِيْنَ.
অর্থ: শয়তান বলে, হে আমার রব! যেহেতু আমি গোমরাহ হয়ে গিয়েছি সেহেতু আমি অবশ্যই দুনিয়াতে মানুষের জন্য মন্দ কাজগুলোকে সৌন্দর্যম-িত করবো এবং অবশ্যই তাদের সকলকে বিভ্রান্ত করবো। আপনার মুখলিছ বান্দাগণ ব্যতীত বাকী সবাইকে বিভ্রান্ত করবো। নাঊযুবিল্লাহ!
এখানে ফি বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَذَكِّرْهُمْ بِاَيَّامِ اللهِ اِنَّ فِـىْ ذٰلِكَ لَاٰيٰتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُوْرٍ
অর্থ: “আর আপনি তাদেরকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিশেষ বিশেষ দিন মুবারক সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দিন, জানিয়ে দিন। নিশ্চয়ই এই বিশেষ বিশেষ দিন মুবারকসমূহ উনাদের মধ্যে প্রত্যেক ধৈর্যশীল ও শুকুরগুজার বান্দা-বান্দী, উম্মত উনাদের জন্য সম্মানিত আয়াত অর্থাৎ নিদর্শন মুবারক, উপদেশ মুবারক, মুহব্বত-মা’রিফাত, নিসবত-কুরবত, রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক নিহিত রয়েছেন।” সুবহ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের মধ্যে ওই ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট অধিক সম্মানিত যে ব্যক্তি অধিক মুত্তাক্বী বাকি অংশ পড়ুন...
এটাতো উনার জানা নেই।
كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأْنٍ
একেক দিন তিনি একেক শান মুবারকে থাকেন তাহলে আজকে, এখন তিনি কোন শান মুবারকে আছেন? আপনি এতো বড় আলিম, ফক্বীহ, সারা পৃথিবীর সবচাইতে বড় আলিম আপনি। আপনার তাফসীর মাত্র শুরু হলো, দু’বছর ধরে তাফসীর করছেন আরো অনেক বাকি রয়ে গেল। আপনার ইলিমের অভাব নেই। তাহলে এখন বলুন যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কোন শান মুবারকে আছেন? সমস্ত শ্রোতা, হাজার হাজার শ্রোতা, সবাইতো লা-জাওয়াব হয়ে গেল, চুপ হয়ে গেল। ইবনে জাওযী তাহলে মাসয়ালা জানে না দেখা যায়। তিনি চুপ হয়ে গেলেন, লজ্জিত হয়ে গেলেন। সে ব্যক্তি কিছু বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা মু’মিনূন শরীফ উনার ৯৯, ১০০নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন,
حَتّٰى إِذَا جَاءَ أَحَدَهُمُ الْمَوْتُ قَالَ رَبِّ ارْجِعُوْنِ ﴿٩٩﴾ لَعَلِّيْ أَعْمَلُ صَالِحًا فِيْمَا تَرَكْتُ ۚ كَلَّا ۚ إِنَّهَا كَلِمَةٌ هُوَ قَائِلُهَا ۖ وَمِنْ وَرَائِهِمْ بَرْزَخٌ إِلٰى يَوْمِ يُبْعَثُوْنَ
অর্থ: যখন তাদের কারো মৃত্যু আসে তখন তারা বলে, হে আমাদের রব! আমাদেরকে পুনরায় পাঠিয়ে দিন আমরা সেই আমলই করবো যা দুনিয়াতে ছেড়ে দিয়েছি বা তরক করেছি। মহান আল্লাহ পাক বলেন, কখনই নয়, এটা কথার কথা। পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত তার পিছনে একটা পর্দা দেয়া হবে।
অর্থাৎ যারা দুনিয়ার ধোঁকায় পরে নেক আম বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত রমাদ্বান শরীফ হচ্ছে শাহরুন আযীম’ অর্থাৎ সম্মানিত মহান মাস। এই সম্মানিত মাসে মহান আল্লাহ পাক তিনি আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেন, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেন, জাহান্নামের আযাব বন্ধ করে দেন, রহমতের দরজাসমূহ খুলে দেন এবং শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে দেন। সুবহানাল্লাহ!
এই সম্মানিত মাস হচ্ছে তাক্বওয়া (আল্লাহ ভীতি) হাছিলের মাস। মহান আল্লাহ পাক তিনি এই সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদাররা! তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে। যেরূপ ফরয করা হয়েছিলো তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতদের উপর। এর মাধ্যমে তোমরা অবশ্যই তাক্বওয়া (আল্লাহভী বাকি অংশ পড়ুন...
একমাত্র মহান আল্লাহ পাক আপনার সন্তুষ্টি ও রেজামন্দি মুবারকের জন্য। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
وَاللهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ক্ষমাশীল ও দয়ালু। কার জন্য? যাদের আক্বীদাতে ক্রটি আছে, অন্তরে অপরিচ্ছন্নতা আছে তারা বলে থাকে, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ কাজটা ভুল করার কারণে উনাকে তাওবা করতে বলা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! এখানে বলা হচ্ছে যারা চূ-চেরা, কীল-কাল করবে, পবিত্র আয়াত শরীফ উনার অপব্যাখ্যা করব বাকি অংশ পড়ুন...
এখানে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কাদের ক্ষমা করবেন?
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللهُ لَكَ تَبْتَغِي مَرْضَاتَ أَزْوَاجِكَ
অত্যন্ত মহব্বত মুবারকের সাথে বললেন। মহাসম্মানিত নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি কেন হারাম করলেন, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সন্তুষ্টির জন্য, না। আমার সন্তুষ্টি রেজামন্দি সন্তুষ্টির জন্য। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
وَاللهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
সাবধান হয়ে যাও! সমস্ত সৃষ্টি, জিন-ইনসান, তোমরা মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহ বাকি অংশ পড়ুন...












