ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (১১৭)
, ২৯ রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৯ আশির, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৯ মার্চ, ২০২৬ খ্রি:, ০৫ চৈত্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
এটাতো উনার জানা নেই।
كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأْنٍ
একেক দিন তিনি একেক শান মুবারকে থাকেন তাহলে আজকে, এখন তিনি কোন শান মুবারকে আছেন? আপনি এতো বড় আলিম, ফক্বীহ, সারা পৃথিবীর সবচাইতে বড় আলিম আপনি। আপনার তাফসীর মাত্র শুরু হলো, দু’বছর ধরে তাফসীর করছেন আরো অনেক বাকি রয়ে গেল। আপনার ইলিমের অভাব নেই। তাহলে এখন বলুন যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কোন শান মুবারকে আছেন? সমস্ত শ্রোতা, হাজার হাজার শ্রোতা, সবাইতো লা-জাওয়াব হয়ে গেল, চুপ হয়ে গেল। ইবনে জাওযী তাহলে মাসয়ালা জানে না দেখা যায়। তিনি চুপ হয়ে গেলেন, লজ্জিত হয়ে গেলেন। সে ব্যক্তি কিছুক্ষন দাঁড়িয়ে থেকে তিনি চলে গেলেন। একদিন, দুইদিন, তিনদিন। প্রতিদিন লজ্জিত হচ্ছেন, হাজার হাজার লোক তায়াজ্জুব হয়ে গেল। আমরা জানতাম, ইবনে জাওযী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আলিম, তিনি সব জানেন। আজকে দেখা যাচ্ছে এই মাসয়ালা তিনি জানেন না।
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এখন কোন শান মুবারকে আছেন? তাহলে তিনি কি জানেন? পুঁথিগত বিদ্যা মুখস্থ করেছেন, হাক্বীক্বততো জানা নেই। তিনি রাত্রে গিয়ে অনেক কান্না-কাটি করলেন, ইস্তেগফার তাওবা করলেন যে, আয় আল্লাহ পাক, প্রকৃতপক্ষে ইবনে জাওযী মুর্খ। তিনি স্বীকার করলেন, ইয়া বারে ইলাহী! প্রকৃতপক্ষে ইবনে জাওযী একটা মূর্খ, গন্ড মূর্খ। সে মূর্খ না হলে সে এটা জানে না কেন? সে পুঁথিগত বিদ্যা মুখস্থ করে মানুষের মধ্যে জজবা সৃষ্টি করেছে। আসলে ইলিম-কালাম নেই। তিনি অনেক কান্না-কাটি করলেন, ইস্তেগফার করলেন, রোনাজারী করলেন যে আমার ভুলই হয়েছে আসলে। ঐ রাত্রিতে তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে স্বপ্নে দেখলেন। তিনি খালিছ ইস্তেগফার তাওবা করার পর স্বপ্নে দেখলেন। মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাশরীফ মুবারকে এনেছেন। তিনি বললেন, হে ইবনে জাওযী! তোমার কি হয়েছে, এতো কান্না-কাটি করতেছ কেন? কি হয়েছে তোমার, এতো কান্না-কাটি কেন করতেছ? হযরত ইবনে জাওযী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! প্রকৃতপক্ষে ইবনে জাওযী একটা মুর্খ লোক। আমিতো মনে করেছিলাম আমি অনেক ইলিম কালাম শিখেছি, আসলে আমার কোন কিছুই শিখা হয়নি। একটা লোক আমাকে তিনদিন ধরে একটা প্রশ্ন করতেছে, আমি জাওয়াব দিতে পারছি না।
كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأْنٍ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি একেক দিন একেক শান মুবারকে থাকেন। তিনি এখন কোন শান মুবারকে আছেন এই প্রশ্নের জাওয়াব আমার জানা নেই। এইজন্য আমি লজ্জিত হচ্ছি প্রতিদিন। তিনদিন ধরে আমি লজ্জিত হচ্ছি মানুষের কাছে, আমি জাওয়াব দিতে পারছিনা। তখন মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, তুমি কি তাকে চিন? না, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তিনি হচ্ছেন, হযরত খিজির আলাইহিস সালাম, তোমাকে নছীহত করার জন্য, হিদায়াত করার জন্য এসেছেন। তোমার অন্তরে যে ফখর পয়দা হয়ে গেছে তা দূর করার জন্য এসেছেন। সে আজকেও আসবেন। তুমি যখন ওয়াজ করবে তখন আবার আসবেন। তুমি জাওয়াব দিয়ে দিও, কি জাওয়াব দিবে? জাওয়াব দিবে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি হাদেছ না, সৃষ্টি না। তিনি ক্বদীম, আজালী। তিনি শুরুতে ছিলেন, আছেন, অনন্তকাল তিনি থাকবেন, তিনি ক্বদীম। তিনি নতুন করে কোন কাজ শুরু করেন না, শুরুতে যা করেছেন এখনও তাই করছেন, অনন্তকাল তা করতে থাকবেন। তবে উনার কোন কোন শান মুবারক কখনও কখনও প্রকাশ পায়। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুর্শিদ ক্বিবলা ও মুরীদের সম্পর্ক (৫৯) কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়কে সর্বশ্রেষ্ঠ ও বরকতময় মনে করে যথাযথ তা’যীম-তাকরীম করার গুরুত্ব
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
১৩টি গুরুত্বপূর্ণ সুওয়াল ও তার জাওয়াব (৬)
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ঐতিহাসিক সম্মানিত খন্দকের জিহাদ (১৪)
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (১৫৭)
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মু’মিনের সিনায় হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের অবস্থান
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা হারাম ও নাজায়িজ
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ছহিবে নিসাব প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য পবিত্র কুরবানী দেয়া ওয়াজিব (৫)
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পর্দা রক্ষা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া ব্যভিচারের সমতুল্য
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (১৫৬)
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রসঙ্গ: পবিত্র কুরবানী সংশ্লিষ্ট মাসায়িল
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা বেমেছাল ফযীলত মুবারকের অধিকারী
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
গাযওয়াতুল হুদায়বিয়াহ বা হুদায়বিয়ার জিহাদ (১৩)
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












