SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%আঞ্জাম%' OR titleBn LIKE '%আঞ্জাম%' OR descriptionEn LIKE '%আঞ্জাম%' OR descriptionBn LIKE '%আঞ্জাম%' OR slug LIKE '%আঞ্জাম%' OR metaTag LIKE '%আঞ্জাম%' OR metaDescription LIKE '%আঞ্জাম%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেছেন যে, বর্তমান যামানায় মানুষ পবিত্র কুরআন শরীফ শুনবে এবং আমল করবে।
তবে তিনটা আয়াত শরীফ আমল তারা ছেড়ে দিয়েছে এবং তার গুরুত্ব অনুধাবনে মানুষ অক্ষম হয়েছে। তারমধ্যে প্রথম হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হে মানুষেরা! আমি তোমাদেরকে একজন পুরুষ ও একজন মহিলা থেকে সৃষ্টি করেছি। অর্থাৎ হযরত আদম ছফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম ও হযরত উম্মুল বাশার হাওয়া আলাইহাস সালাম উনাদের থেকে সৃষ্টি করেছি।
তবে গোত্রে গোত্রে সম্প্রদায়ে সম্প্রদায়ে বিভক্ত করেছি। যাতে একজন আরেকজনের পরিচয় পেত বাকি অংশ পড়ুন...
জীবন চরিত ও ইতিহাস গ্রন্থ যারা অধ্যয়ন করেছেন, তারা খুব ভালোভাবেই জানেন যে, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার কার্যাবলী অত্যন্ত চমৎকারভাবে আঞ্জাম দিয়েছেন। হযরত হাসান বসরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার ঘোষককে এ ঘোষণা করতে শুনেছি, হে লোক সকল! তোমাদের দৈনিক ভাতা সকালে এসে নিয়ে যাও। লোকেরা দলে দলে এসে প্রচুর পরিমাণ সম্পদ নিয়ে যেত। খোদার ক্বসম! আমি নিজ কানে শুনেছি, ঘোষক কখনো ডেকে বলতো, তোমাদের কাপড়-চোপড় নিতে আসো। তারা গিয়ে দামী পোশাক-পরিচ্ছ বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তাদের কাছে যে কিতাব আছে তার সত্যায়ণকারী স্বরূপ আমি আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছি হিফাযতকারীরূপে। অতঃপর আপনি তাদের মাঝে মহান আল্লাহ পাক উনার কিতাব অনুসারে ফায়ছালা করুন। আপনার কাছ বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার সূরা মারইয়াম শরীফ উনার ৩৬নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তিনি এমন একজন সম্মানিতা মহিলা উনার সমকক্ষ কোন পুরুষও নেই।” এই আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তি বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: রাজারবাগ শরীফ সিলসিলা ভুক্তদেরকে সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠকালে ছলাত শরীফ বলার সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক না বলে লক্বব মুবারক যথা রসূলিল্লাহ ও হাবীবিল্লাহ বলে থাকেন। আর অন্য যারা মীলাদ শরীফ পড়েন উনারা সরাসরি নাম মুবারক বলেন।
আবার সালাম পেশ করার সময় আপনারা আসসালামু আলাইকুম ইয়া রসূলাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া হাবীবাল্লাহ বলেন। আর অন্যরা ইয়া নাবী সালামু আলাইকা, ইয়া রসূল সালামু আলাইকা, ইয়া হাবীব সালামু আলাইকা বলে থাকেন।
স বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা ছিলেন মোট ১৩ জন। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাব বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে অনন্য ফাযায়িল-ফযীলত, অকল্পনীয় শান মান মুবারক উনাদের অধিকারী হচ্ছেন পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নির্দেশিত মহাসম্মানিত হযরত বারো ইমাম আলা বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আশির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আহলে বাইত শরীফ উনার দশম ইমাম। উনার মূল ন বাকি অংশ পড়ুন...
বোরকা পরিধান করে হাত ও মুখ খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া হারাম ও কুফরী (৩য় অংশ) :
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ صَفِيَّةَ بنت شَيْبَة رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْها قَالَتْ: رَأَيْتُ حَضْرَتْ اُمّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَة الصِّدِّيْقَة عَلَيْهَا السَّلَامُ طَافَتْ بالبيت وهي منتقبة-
অর্থ: হযরত ছফিয়্যাহ বিনতে শাইবা রহমতুল্লাহি আলাইহা উনার থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনাকে নিক্বাব পরিহিতা অবস্থায় পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফ তাওয়াফ করতে দেখেছি। (আত্ব-ত্ববাকাতুল কুবরা লি-ইবনি স বাকি অংশ পড়ুন...
৩৭. মালঊন পালামলের করুণ পরিণতি:
পালামল। পেশায় একজন স্বর্ণকার। তার পিছনে হিন্দু ব্যবসায়ীদের বিশাল সমর্থন ছিলো। যার কারণে প্রথমে সে মুসলমানদের অর্থনৈতিক দুর্বলতা নিয়ে উপহাস করতো। সে প্রায়ই অসচ্ছল মুসলমানদের ব্যাপারে এই কথা বলতো যে, ‘ঋণ ফেরত দেয় না আবার মুসলমান হয়ে ঘুরে’। একবার বললো, ‘মুসলমানদের খোদা মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার বান্দাদের কাছ থেকে যাকাত চান। অথচ তাদের নিজেদেরই রুটি-রুজির ব্যবস্থা নেই। নাউযুবিল্লাহ! মুসলমানদেরকে সাদাসিধে এবং চুপ থাকতে দেখে দিন দিন তার স্পর্ধা আরো বেড়ে গেলো।
এক পর্যায়ে আল্লাহওয়ালাগণ উনাদেরকে গ বাকি অংশ পড়ুন...
তিনি পবিত্র কালিমা শরীফ পাঠ করতে পারতেছিলেন না। উনাকে যতই বলা হচ্ছে তিনি বলতে পারতেছিলেন না। সে বিষয়টা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে জানানো হলো। তখন তিনি দয়া করে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে, হযরত বিলাল রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে, হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে, হযরত আম্মার রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাদের চার জনকে পাঠালেন যে, আপনারা দেখেন কি হয়েছে?
হযরত আলকামা রদ্বিয়াল্লাহু ত বাকি অংশ পড়ুন...
সেটাই হচ্ছে إِحْسَانًا ইহসানের অনেক অর্থ। একটা সন্তানের যত প্রকার শরাফত আছে, ভদ্রতা আছে, সাধ্য সামর্থ, সচ্ছলতা, আক্বল-বুদ্ধি, ইলিম-কালাম, ছমঝ সব দিয়ে পিতা-মাতা উনাদের প্রতি ইহসান, খিদমত করতে হবে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
إِمَّا يَبْلُغَنَّ عِندَكَ الْكِبَرَ أَحَدُهُمَا أَوْ كِلَاهُمَا
যদি উনাদের মধ্যে দু’জন অথবা দু’জনের একজন বৃদ্ধ অথবা বৃদ্ধা বয়সে পৌঁছে যান
فَلَا تَقُل لَّهُمَا أُفٍّ وَلَا تَنْهَرْهُمَا
তাহলে কি করতে হবে? কখনও তাদের কোন কাজে উহ্ বল না। এটা দুই দিকে। উফ্ বলবে না, ধমক দিও না। আবার এমন কাজ করো না যে, তোমাদের পিতা-মাত বাকি অংশ পড়ুন...












