আজ বিশেষ সম্মানিত, ফযীলত এবং রহমত, বরকতযুক্ত তথা ঐতিহাসিক ৬ই ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
তেরো হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
এ দিবসটির তাৎপর্য অনুধাবন গোটা মুসলিম উম্মাহর জন্য ফরয-ওয়াজিব।
, ০৬ ছফর শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ২২ ছানী, ১৩৯৪ শামসী সন , ২১ জুলাই, ২০২৬ খ্রি:, ০৬ শ্রাবণ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
পাক ভারত উপমহাদেশেও খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। খলীফা ছিলেন সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সমধিক পরিচিতি, সুখ্যাতি, অবদান এ উপমহাদেশে বুনিয়াদীভাবে প্রতিষ্ঠিত। সর্ব মহলে বহুল আলোচিত শ্রদ্ধাভরে অনুসৃত।
তাছাউফের তরীকা এবং সুন্নাহ পালনের অধিকতর জজবায় তিনি ছিলেন আলাদাভাবে সুষমামন্ডিত। স্বীয় ক্বওল শরীফে, তিনি মাটি কাটায় সুন্নত, জিহাদ করার সুন্নত, মূলত সব সুন্নতের সমাহারে স্বীয় তরীকায় উন্নত সোপানের কথা ব্যক্ত করেছেন। আলাদাভাবে নামকরণ করেছেন ‘মুহাম্মদিয়া তরীকা’। সুবহানাল্লাহ!
সেই থেকে উপমহাদেশের সব হক্ব সিলসিলাই এ তরীকার সমর্থন, মূল্যায়ন এবং পরিচর্যা করে থাকেন। সুবহানাল্লাহ!
(২)
১৮২১ সালে হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি হজ্জ করতে যান। দুই বছর পর ফিরে এসে তিনি আবার দ্বীন কায়িমের স্বপ্নে মাঠে নেমে পড়েন। মারাঠা শক্তি তখন হিসাবের ভেতরেই ছিল না। অপরদিকে ইংরেজরা ছিল ধারণার চেয়েও বড় শক্তি। হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তৎকালীন ভারতের অভ্যন্তরে যুদ্ধ পরিচালনার কেন্দ্র স্থাপন করেননি। এটি উনার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও বিচক্ষণতার পরিচায়ক। তিনি উনার কৌশলকে খানিকটা পরিবর্তন করে পাঞ্জাবকে উনার লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করেন।
হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আট হাজার মুজাহিদ সঙ্গে নিয়ে পাঞ্জাবের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। তবে তিনি সরাসরি পাঞ্জাব যাননি। বর্তমান ভারত ও পাকিস্তান পুরোটা ঘুরে লোকবল সংগ্রহ এবং জিহাদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য প্রচার করে করে তিনি আফগানিস্তানে পৌঁছান। কান্দাহার, কাবুল অতিক্রম করে নওশহরে অবস্থান গ্রহণ করেন। সেখানে শিখ রাজা বুখ্য সিং-এর বিরুদ্ধে তিনি যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নেন। সে যুদ্ধ জয়ের মধ্য দিয়ে মুসলমানদের সাহস, আগ্রহ-উদ্দীপনা শতগুণে বেড়ে যায়। ১৮২৬ সালে তিনি পাখতুন জাতিগোষ্ঠীর বাসস্থান পেশাওয়ারে পৌঁছান। পাখতুনদের নেতৃত্ব ছিল পাঠানদের হাতে। হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি সেখানে গিয়েই ইসলামী অনুশাসন বাস্তবায়ন করেন।
১৮৩০ সাল পর্যন্ত হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি পুরো পেশাওয়ারের নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়েছিলেন। তখন মুসলমানরা উনাকে ‘আমীরুল মু’মিনীন’ খেতাবে ভূষিত করে।
(৩)
মাত্র ৪৫ বছরের জীবনে হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি যে তুলনাবিহীন কাজ সম্পন্ন করে দেখিয়েছেন, তার প্রভাব কল্পনার চেয়েও সুদূরপ্রসারী। হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার তাজদীদ, উনার জিহাদ, উনার তরীকায়ে মুহাম্মদিয়া যুগ যুগ ধরে উপমহাদেশের মুসলিম সমাজে ইসলামের প্রচার-প্রসার, শিরিক-বিদআতের অপসারণ ও আত্মশুদ্ধির মূল অনুপ্রেরণা হয়ে আসছে। হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার প্রধান দুই খলীফা হযরত মাওলানা নূর মুহাম্মদ নিযামপুরী রহমতুল্লাহি আলাইহি ও হযরত মাওলানা কারামত আলী জৌনপুরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাদের সিলসিলাহ বৃহত্তর বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা ও আসাম এলাকায় ইংরেজদের প্রতিরোধ, স্বাধীনতা আন্দোলন, ইসলাম প্রচার, হিন্দুয়ানি রসম-রেওয়াজ অপসারণ, মুসলমানদের আত্মশুদ্ধি, ইলমে দ্বীন চর্চা, বাতিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদসহ সর্বোপরি ইসলামের যে পরিমাণ খিদমাত আঞ্জাম দিয়েছে, তা অনন্য।
(৪)
তাছাউফের অধিষ্ঠানে ‘হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তের’শ হিজরী সনের মহান মুজাদ্দিদ’। সুবহানাল্লাহ!
কিন্তু একটি মহল তারা পূর্ণমাত্রায় হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নামে হিংসা-বিদ্বেষও প্রকাশ করে। অথচ তাদের নিজস্ব লিখিত কিতাবে পাওয়া যায় তারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মাটির তৈরী বলেছে। নাউযুবিল্লাহ! এ ধরনের ভ্রান্ত আকিদার লোক হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্পর্কেও অপপ্রচার করবে, ভুল বুঝাবে, ভুল ফতওয়া দিবে, সমাজে বিভ্রান্তি ছড়াবে এবং বিভক্ত করবে- এটা তো খুবই স্বাভাবিক।
(৫)
ব্রিটিশ ঐতিহাসিক হান্টার তথা ব্রিটিশ লেখকের অনুকরণে ভারতের অধিকাংশ ঐতিহাসিক হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে ‘ওহাবী নেতা’ বলে চিহ্নিত করেছে। উনাকে তথা উনার দলবলকে ‘ওহাবী’ রুপে চিহ্নিত করে হান্টার তথা ইংরেজ লেখকদের কি লাভ হয়েছিল? এতে তাদের স্বার্থই বা কি ছিল? উত্তর একটাই, ইংরেজরা উরারফব ধহফ জঁষব ঢ়ড়ষরপু নীতিতে বিশ্বাসী ছিল।
জিহাদী আন্দোলনকে ইংরেজরা ‘ওহাবী’ বলে আখ্যায়িত করেছে পাক ভারতীয় মুসলমানদের সহানুভূতি নষ্ট করে তাদের প্রতি বিতৃষ্ণা ও বিদ্বেষ জাগাবার দূরভিসন্ধি মূলে। এবং ইংরেজরা এ প্রয়াসে এক শ্রেণীর মোল্লা-মওলবীকে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করেছিল প্রচারণা কার্যে।” (ওহাবী আন্দোলন, পৃষ্ঠা-১৪৬)
ঐতিহাসিকগণ বলেছেন, ‘ওহাবী’ কথাটি একটি ভুল প্রয়োগ। অনেক মুসলমান এদের অমুসলমান বলে গণ্য করেন। আসলে বৃটিশরাই তাদের দূরভিসন্ধি চরিতার্থ করার জন্য উনাদের ‘ওহাবী’ বলে যেমন তারা পরবর্তীকালে সন্ত্রাসবাদীদের সম্পর্কে বলত।” (ভারতের মুক্তি আন্দোলনে মুসলমানদের অবদান, পৃষ্ঠা-৪)
বিখ্যাত ইতিহাসবিদ গোলাম মর্তুজা তার কলকাতা থেকে প্রকাশিত “চেপে রাখা ইতিহাস”- কিতাবের ২০৯ পৃষ্ঠায় বর্ণনা করেন, “হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ওফাত হওয়ার পর যেসব আন্দোলন, বিদ্রোহ বা সংগ্রাম সংগঠিত হয়েছিলো, সেগুলোকে বিকৃত করে (বৃটিশ রাজশক্তি) তাদের নাম পাল্টে কোনটাকে ‘সিপাহী বিদ্রোহ’ কোনটাকে ‘ওহাবী আন্দোলন’ বলেছে।”
উক্ত কিতাবের ২০৫ পৃষ্ঠায় আরো বর্ণিত আছে, “আলিগড়ের সৈয়দ আহমদ ও বেরেলীর হযরত সাইয়্যিদ শহীদ আহমদ রহমতুল্লাহি আলাইহি দু’জনই ইতিহাস প্রসিদ্ধ মানুষ। তবে আলিগড়ের আহমদ সাহেব ইংরেজদের দালালী করে তাদের পক্ষ থেকে পেয়েছে ‘স্যার’ উপাধী, প্রচুর সম্মান, চাকরীর পদন্নতি প্রভৃতি। আর বেরেলীর হযরত সাইয়্যিদ শহীদ আহমদ রহমতুল্লাহি আলাইহি ইংরেজদের পক্ষ থেকে পেয়েছেন অত্যাচার ও আহত হওয়ার উপহার। আর সব শেষে শত্রুদের চরম আঘাতে উনাকে শহীদ হতে হয়েছে।
(৬)
হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে শহীদ হতে হয়েছে আরো অনেক ক্ষেত্রে। উনার ইলমে লাদুন্নী, উনার নিসবত, কারামত সব অনন্য মর্যাদার হলেও রেযাখানীরা সেসব তথ্যকে শহীদ করেছে ও করছে। কেবলমাত্র যামানার মহান মুজাদ্দিদ, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, কুতুবুল আলম, মুহ্ইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি গাযীর ভূমিকায়, মুজাদ্দিদে যামানের ভূমিকায়, ছাহিবে ইলমে লাদুন্নী, ছাহিবে কারামতের অধিষ্ঠানে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন।
যামানার তাজদীদী মুখপত্র মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ ৮২তম সংখ্যায় ফতওয়া দিয়েছেন। আরো অনেক সংখ্যায় এবং দৈনিক আল ইহসানে বিরোধীদের কঠিনভাবে ভুল ও বাতিল প্রমাণ করেছেন।
বিশেষ করে আজ তেরো শতকের মহান মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি যে-
১২০১ হিজরী সনে পবিত্র ৬ই ছফর শরীফ ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) ভারতের উত্তর প্রদেশের রায় বেরেলী শহরের বিখ্যাত সম্ভ্রান্ত সাইয়্যিদ পরিবারে বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন-
সেদিনটিকে আইয়্যামুল্লাহ শরীফ হিসেবে কবুল করেছেন এবং পালনের বিশেষ ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার এই নেক অবদান-
আরেকটি অভূতপূর্ব, ঐতিহাসিক তাজদীদ, যার শুকরিয়া জ্ঞাপনে সবারই অগ্রণী হওয়া উচিত ইনশাআল্লাহ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাধারণ প্রসব প্রক্রিয়ায় সরকারের শুভবুদ্ধি তখন শুদ্ধ হবে যখন সিজার সিন্ডিকেটকে সরকার শক্ত হাতে নির্মূল করতে পারবে
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
৬০ হাজার কোটিতেও ঢুকছে বন্যার পানি বছরে ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের রফতানির সম্ভাবনার সব বাধা দূর করে সোনালী সমৃদ্ধি এনে সর্বনাশা ঋণের খপ্পর থেকে দেশকে বাচাতে সরকারকে সক্রিয় হতে হবে।
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সব সরকারের আমলেই নেয়া পানিবদ্ধতা নিরসনের সব টাকা পানিতেই যায়।
১৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়ার হালাল পণ্যের বাণিজ্য সম্প্রসারণে সর্বোচ্চ সাড়া দিতে হবে
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
চায়ের কাঙ্খিত উৎপাদন বৃদ্ধিতে অন্য সব ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সমতলেও চায়ের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে।
১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
কিন্তু বর্তমান সরকার জনগণের মালিকানা থেকে অন্যায্যভাবে সেবককে বাড়তি অর্থ দিচ্ছে। বেতন-ভাতা বাড়াচ্ছে ১৪০%। এই বৈষম্য ও অন্যায় সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বিরোধী।
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু শাবাবী আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আশিরাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! ও সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাদিসাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুর রবি মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক তথা পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এবং মুজাদ্দিদে যামান সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্বী ফুরফুরাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ব্যর্থ ও.আই.সির বিপরীতে মুসলিম দেশগুলো নিয়ে সামরিক জোট গঠনের জন্য ইরানের আহবানকে গুরুত্বের সাথে সাড়া দিতে হবে।
১০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মসজিদুল আকসাকে পুরো মুসলমান শূন্য করতে চাচ্ছে ইহুদী-খ্রীষ্টানরা
১০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












