SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%আখির%' OR titleBn LIKE '%আখির%' OR descriptionEn LIKE '%আখির%' OR descriptionBn LIKE '%আখির%' OR slug LIKE '%আখির%' OR metaTag LIKE '%আখির%' OR metaDescription LIKE '%আখির%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
একজন তরীক্বতপন্থীর নিকট ‘শাজরা শরীফ’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর দ্বারা প্রত্যেক মুরীদ তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সিলসিলা কিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছলো তা জানতে পারে।
‘শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ
যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বতগণ উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনা বাকি অংশ পড়ুন...
يَوْمَ الْأَضْحَى وَيَوْمَ الْفِطْرِ
একটা হচ্ছে কুরবানীর দিন আরেকটা হচ্ছে ফিতরের দিন বা ইফতারির দিন। সেখানে কিন্তু ঈদ বলা হয়নি। এই দু’দিন তোমাদের জন্য নির্দিষ্ট করে দেয়া হলো। এখন এই দু’দিন নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। কে নির্দিষ্ট করে দিলেন? আখিরী নবী, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। এখন এটা হিজরতের পরে রোযার ঈদ এবং কুরবানীর ঈদ সাব্যস্ত হয়েছে, নির্দিষ্ট হয়েছে। এবং এ হাদীছ শরীফের দ্বারাই মূল বিষয়টা সাব্যস্ত হয়েছে। কিন্তু এর পক্ষে কুরআন শরীফের আয়াত শরীফও দলীল দেয়া হয়ে থাকে, ইমাম-মুজতাহিদ যারা অতীত হয়েছেন, উনারাও দলী বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীন ইসলামে আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের বিভিন্ন জায়গায় আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করার মহাসম্মানিত নির্দেশ মুবারক দেওয়া হয়েছে। আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারীদের নিন্দা করা হয়েছে।
আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করার অনেক গুরুত্ব ও ফযীলত মুবারক রয়েছে। যা দুনিয়া ও আখিরাত অর্থাৎ উভয় জাহানের কল্যাণকেই শামিল করে; যা সম্মানিত শরীয়ত উনার আলোকে বিভিন্ন দলীল-আদিল্লাহর দ্বারা সাব্যস্ত।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّا خَلَقْنَاكُم مّ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি হচ্ছেন ‘আলিমুল গইব’। অর্থাৎ সর্বপ্রকার গইব বা অদৃশ্য বস্তু বা বিষয়ের ইলম মহান আল্লাহ পাক উনার রয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
আজকের ওয়াজ আখিরী নবী, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ বা নূরুত তাশরীফ মুবারক সম্পর্কে অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ সম্পর্কে। মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত হাবীব, আখিরী নবী, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যে মর্যাদা-মর্তবা দিয়েছেন, ফযীলত দিয়েছেন, বুযূর্গী দিয়েছেন, কালামুল্লাহ শরীফে সেটা বর্ণনা করেছেন। আর স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, আখিরী নবী, হ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: ক্বওমী মাদরাসার মুখপত্রের জুমাদাল উখরা ১৪৪৬ হিজরী সংখ্যায় এক সুওয়ালের জাওয়াবে বলা হয়েছে, কদমবুছি নিষেধ হওয়ার পক্ষে শরীয়তে কোন নস তথা প্রমাণ নেই। তবে সেজদার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ যেনো না হয়ে যায় সেজন্য সতর্কতা হলো- কদমবুছি থেকে বিরত থাকা।
জাওয়াব:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বহু সংখ্যক বর্ণনার মধ্যে রয়েছে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কদমবুছি করেছেন। আর তিনি উনাদের কদমবুছী গ্রহন করেছেন। অনুরূপভাবে একজন ছাহাবী আরেকজন ছাহাবী র বাকি অংশ পড়ুন...
فَحَمِدَ اللهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ وَوَعَظَ وَذَكَّرَ ثُمَّ قَالَ: " أمَّا بعدُ أَلَا أيُّها النَّاسُ
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার প্রসংশা মুবারক করলেন অতঃপর ছানা-ছিফত মুবারক করলেন এবং কিছু ওয়াজ ও নছীহত মুবারক করলেন। এবং তিনি বললেন হে মানুষেরা তোমরা যেনে রাখ,
فَإِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ أَنْ يَّأْتِيَنِي رَسُولُ رَبِّي فَأُجِيبَ
আমি হচ্ছি মহাসম্মানিত আখিরী রসূল, আমি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিইয়ীন ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। বাকি অংশ পড়ুন...
বাবুল হাওয়ায়িজ, যাইনুল মুতাহাজ্জিদীন, আল ওয়াফী, আত ত্বহির, মালিকুল জান্নাহ্, মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ্, মালিকুল কায়িনাত সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক হলেন তিনি হচ্ছেন- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিম বাকি অংশ পড়ুন...












