SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%আওরঙ্গজেব%' OR titleBn LIKE '%আওরঙ্গজেব%' OR descriptionEn LIKE '%আওরঙ্গজেব%' OR descriptionBn LIKE '%আওরঙ্গজেব%' OR slug LIKE '%আওরঙ্গজেব%' OR metaTag LIKE '%আওরঙ্গজেব%' OR metaDescription LIKE '%আওরঙ্গজেব%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
দেড়শ বছর আগের ইতিহাসও সাক্ষ্য দেয় যে, গ্রিক কিংবা রোমানদের থেকে এই ভূখ-ের বিচার ব্যবস্থা রূপ লাভ করেনি
ইতিহাস অনুযায়ী, এ অঞ্চলে সভ্য জাতি ছিলো মুসলমানগণ। যে কারণে ব্রিটিশরা পলাশীর যুদ্ধে ক্ষমতা দখলের পরও এ অঞ্চলে ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থা ও বিচার ব্যবস্থা বিদ্যমান ছিলো। ব্রিটিশদের আমলেও এ অঞ্চলের বিচারব্যবস্থার ভিত্তি ছিলো শরীয়াহ আইন। এ প্রসঙ্গে গবেষক ড. ওয়াকিল আহমদ তার ‘বাংলার মুসলিম বুদ্ধিজীবী’ বইয়ের ১০৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন-
“হযরত আওরঙ্গজেব রহমতুল্লাহি আলাইহি যে শরীয়তী আইন প্রবর্তন করেন যার ফল “ফতোয়া ই আলমগীরী” নামক বà বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদের যে সমস্ত জায়গা তিনি যিয়ারত করেন তা হচ্ছে- জান্নাতুল মুয়াল্লা, আকাবার প্রান্তর, হুদাইবিয়া, জান্নাতুল বাকী, উহুদ প্রান্তর, মসজিদে কুবা, মসজিদে কিবলাতাইন, মসজিদে খায়েফ, বাইয়াতে রিদওয়ান, ওয়াদীয়ে ছোগরা (যেখানে বদরী ছাহাবী, হযরত আবূ উবাইদা বিন হারিস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার পবিত্র মাজার শরীফ রয়েছে)। তিনি এ সমস্ত বরকতময় ও পবিত্র জায়গা জিয়ারত মুবারক করেন।
তরীকায়ে মুহম্মদিয়া বা আওর মুহম্মদিয়া তরীকার সংস্কার:
ত্বরীকায়ে মুহম্মদিয়া বা আওর মুহম্মদিয়া ত্বরীকাহ কোন নতুন তরীকাহ নয়। বরং ঠবাকি অংশ পড়ুন...
সব থেকে সমৃদ্ধ সংগ্রহটি রয়েছে কলকাতার জাতীয় গ্রন্থাগারে। আওরঙ্গজেবের (বাদশাহ আলমগীর রহমতুল্লাহি আলাইহি) শাসনকাল সংক্রান্ত নথিগুলো ২১টি খণ্ডে সংরক্ষিত হয়েছে সেখানে।
প্রথম নজরে এসব নথির বড় অংশ নিতান্তই সাধারণ বলে মনে হতে পারে, যেখানে নিয়োগ, বিবাদ, সেনাবাহিনীর চলাচল, উপহার, অসুস্থতা এবং অজস্র প্রশাসনিক খুঁটিনাটি তথ্যে ভরা।
কিন্তু ফারুকির মতে, সবগুলো নথি একসাথে বিবেচনা করলে প্রায় অবিচ্ছিন্ন একটি প্রতিচ্ছবি পাওয়া যায়, যেগুলো থেকে বোঝা যায় কীভাবে একটি সাম্রাজ্য নিজের কর্মকাণ্ডের ওপরে নজর রাখতো।
আওরঙ্গজেবের সিংহাসনে আরোহণে বাকি অংশ পড়ুন...
ইউরোপে তখনো খবরের কাগজের চল হয়নি, কিন্তু মোঘল শাসনাধীন ভারতে গড়ে উঠেছিলো খবর আদান-প্রদানের এক বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
ষোড়শ শতাব্দীর শেষভাগ থেকে লিপিকার, গুপ্তচর আর সচিবদের লেখা সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন নিয়ে গড়ে উঠেছিলো ‘আখবারাত’ নামের এক বিশাল সংকলন। ওইসব প্রতিবেদনে লেখা থাকতো দরবারের নানা অন্তর্দ্বন্দ্ব, সামরিক অভিযান, নিয়োগ, আর্থিক বিষয়াদি আর নানা গুঞ্জনের খবর।
ফারসি ভাষায়, কাগজে বেশ তাড়াহুড়ো করে লেখা এইসব দলিল ছিলো মোঘল সাম্রাজ্যের খবরাখবর আদান-প্রদানের প্রধান মাধ্যম, যেগুলোর মাধ্যমে গোপন তথ্য দেয়া-নেয়া যেমন হতো, তেমনই আনুষ্ঠ বাকি অংশ পড়ুন...
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় গ্রাম এবং সংলগ্ন সিন্ধিয়াঘাট এলাকায় সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর দ্বীনি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ এবং কুরবানির পশু বা সাধারণ সময়ে গরু জবাইয়ের ওপর অন্যায্য বাধা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। গণমাধ্যমে আসা তথ্য অনুযায়ী, সিন্ধিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার আওরঙ্গজেব এর পক্ষ থেকে স্থানীয় মুসলিম বাসিন্দা ও গোশত বিক্রেতাদের ওপর নানা ধরনের ভয়ভীতি, হুমকি এবং আইনি হয়রানির ভয় দেখানো হয়েছে, যা স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান এবং মৌলিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।
খবরে প্রকাশ, বাকি অংশ পড়ুন...
মোঘল স্থাপত্যশৈলীর অন্যতম এক নিদর্শন যশোরের শেখপুর জামে মসজিদ। নয়নাভিরাম তিন গম্বুজবিশিষ্ট এ জামে মসজিদটি আজও ছড়াচ্ছে শিক্ষার আলো।
মসজিদটির পাঠশালায় ৪০০ বছর ধরে স্থানীয়রা পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন। পাশাপাশি ইসলামী বিভিন্ন বিষয়ে চর্চা এবং কুরআন শরীফ শিক্ষার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে এই পাঠশালায়।
এ মসজিদকে ঘিরে মানুষের আগ্রহ রয়েছে। শত শত বছর ধরে ইসলামের প্রচার প্রসারের কেন্দ্রবিন্দু মসজিদটি। এ যাত্রা অব্যাহত রাখতে মসজিদটির সংস্কার প্রয়োজন।
মোঘল স্থাপত্যরীতিতে নির্মিত শেখপুর জামে মসজিদটি যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়িতà বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে শনিবার থেকে বাজার মনিটরিং করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
গতকাল জুমুয়াবার রেসিডেন্সিয়াল কলেজ সংলগ্ন আওরঙ্গজেব রোডে অবস্থিত নানক চত্বরকে ‘জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ফারহান ফাইয়াজ সরণি’ নামকরণ করে নামফলক উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় তিনি বলেন, কোনো কাজই পিছিয়ে থাকবে না। জনগণ আমাদের যে দায়িত্ব দিয়েছে, প্রত্যেকটি দায়িত্ব আমরা পালন করব। আমরা ম্যাজিস্ট্রেট অফিসের সঙ্গে আলোচনা করেছি। আগামী শনিবার থেকে বাজার মনিটরিং করব, যাতে মূল্য নিয়ন বাকি অংশ পড়ুন...
একথা সবারই জানা রয়েছে, একটি গোঁড়া বর্বর প্রথার নাম হচ্ছে ‘সতীদাহ প্রথা’। এ বর্বর নির্মম প্রথা অনুসারে স্বামীর মৃত্যুর পর চিতায় মৃত স্বামীর সাথে জীবন্ত স্ত্রীকেও পুড়িয়ে হত্যা করা হতো। মহিলাটি পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করলে, হিন্দুরা তাকে টেনে-হেঁচড়ে, পিটিয়ে এরপর অগ্নিকুন্ডের মধ্যে নিক্ষেপ করতো।
এটা বন্ধের ইতিহাস নিয়ে অনেকে দাবি করে থাকে যে- চোর রামমোহন হিন্দুদের সতীদাহ প্রথা বন্ধ করেছিলো। অনেকে দাবি করে, ব্রিটিশ বেনিয়া উইলিয়াম আইন করে সতীদাহ বন্ধ করেছিলো। আসলে প্রকৃতসত্য হচ্ছে, এর বহু আগেই মুসলিম শাসকরা বিভিন্ন সময় আইন করে এ বর বাকি অংশ পড়ুন...
সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার প্রাচীন এবং প্রতœতাত্ত্বিক স্থাপনা প্রবাজপুর শাহী জামে মসজিদ। মসজিদটি নির্মিত হয় ১৬৯৩ সালে। শাসক আওরঙ্গজেবের সময় তার ফৌজদার নবাব নুরুল্লাহ খাঁ এ মসজিদের নামে লাখেরাজে ৫০ বিঘা জমি দান করেন। জনশ্রুতি আছে, জিনেরা জঙ্গল কেটে পরিষ্কার করে রাতারাতি মসজিদটি তৈরি করেছিলো। প্রতœতত্ত্ববিদদের মতে, ১১০৪ হিজরী, ১৬৯৩ সালের ২৪ মে শাসক আওরঙ্গজেব এ এলাকায় তার রক্ষিত মুসলমান সেনাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার জন্য সুবাদার প্রবাজ খাঁ’কে একটি মসজিদ নির্মাণ করতে নির্দেশ দেন। নির্দেশ পাওয়ার পর তিনি এক গম্বুজ বিশিষ্ঠবাকি অংশ পড়ুন...
মুন্সীগঞ্জ শহরের দক্ষিণ প্রান্তে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অবস্থিত ইদ্রাকপুর দুর্গ।
মোঘল স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন এটি। যা কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের ইতিহাস এবং মোঘল আমলের স্থাপত্য কলাকৌশল। দীর্ঘ ৪০০ বছরে ধ্বংস হয়ে গেছে এর অনেক অংশ।
সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে মোঘল বাদশাহ আওরঙ্গজেবের শাসনামলে (১৬৫৮-১৭০৭) বাংলার সুবেদার মীর জুমলার সময়ে ১৬৬০ সালে এ দুর্গটি নির্মাণ করা হয়। ঢাকার লালবাগ কেল্লার আদলে দুর্গটি নির্মিত হয়। উত্তর দক্ষিণে প্রসারিত দুর্গটির দৈর্ঘ্য ৮৬.৮৭ মিটার এবং প্রস্থ ৫৯.৬০ মিটার।
রক্ষিত দু বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতবর্ষে মুসলমান শাসনের সুদীর্ঘ সময়ের একটি বড় অংশ মোঘল সালতানাতের। মোঘল সালতানাতের ব্যপ্তি ছিলো পুরো ভারতবর্ষ তো অবশ্যই পাশাপাশি আফগানিস্তান পর্যন্ত এর বিস্তৃতি ছিলো। সুবিশাল এই সালতানাতের বিস্তৃতির পেছনে বড় ভূমিকা পালন করেছে সেনাবাহিনী। যা ইতিহাসে মোঘল সেনাবাহিনী হিসেবে পরিচিত।
মোঘল সেনাবাহিনীর এমন কিছু ইউনিট ছিলো যা সালতানাতের বিস্তৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতো। মোঘল সেনাবাহিনীর একটি শক্তিশালী শাখা ছিলো আর্টিলারি বা গোলন্দাজ বাহিনী। মোঘল সেনাবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধগুলোতে অগ্রবর্তী বাহিনীà বাকি অংশ পড়ুন...












