SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%আইয়ুবী%' OR titleBn LIKE '%আইয়ুবী%' OR descriptionEn LIKE '%আইয়ুবী%' OR descriptionBn LIKE '%আইয়ুবী%' OR slug LIKE '%আইয়ুবী%' OR metaTag LIKE '%আইয়ুবী%' OR metaDescription LIKE '%আইয়ুবী%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
৩২. কির্কের শাসক রেজিনাল্ড:
‘আল বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ’ কিতাবে বর্ণিত রয়েছে- হযরত সুলতান সালাহউদ্দীন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তাকে সম্মানিত দ্বীন ইসলামে প্রবেশের আহ্বান জানান। কিন্তু রেজিনাল্ড উনার আহবানে সাড়া না দিয়ে অস্বীকার করে। তখন হযরত সালাহউদ্দীন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
نَعَمْ، أَنَا أَنُوْبُ عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الِانْتِصَارِ لِأُمَّتِهِ
‘হ্যাঁ, আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে উনার উম্মতের সাহায্যার্থে প্রতিনিধি হিসেবে এসেছি।’
এরপর বাকি অংশ পড়ুন...
৩২. কির্কের শাসক রেজিনাল্ড:
অতঃপর যখন তাকে হযরত সালাহউদ্দীন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সামনে উপস্থিত করা হলো, তখন সুলতান তাকে শাসক গাই-এর পাশে বসালেন। তারপর সুলতান তাকে ভৎর্সনা করলেন, তার অজুহাতকে তিরস্কার করলেন এবং তার অপরাধগুলো স্মরণ করিয়ে দিলেন। তিনি বললেন-
“তুমি কতবার শপথ করো এবং তা ভঙ্গ করো!
অঙ্গীকার করো, আবার ভেঙে ফেলো!
চুক্তি দৃঢ় করো, আবার তা লঙ্ঘন করো!
সমঝোতার দিকে এগিয়ে আসো, তারপর তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও!”
তখন তার পক্ষ থেকে দোভাষী বললো-
‘সে বলছে, রাজাদের তো এমনই অভ্যাস, আর আমি প্রচলিত সঠিক পথ অনুসরণ করিনি।’ অর্থাৎ সে ত বাকি অংশ পড়ুন...
৩১. হাদী আল-মুস্তাজিবীন:
অবশেষে যখন আমীর আবুল ফুতূহ এই ঘটনা দেখলো, তখন সে ‘হাদী আল-মুস্তাজিবীন’ এবং তার সাথে থাকা এক মাগরিবী সহযোগীকে ‘বাবুল উমরা’ নামক দরজার কাছে নিয়ে গিয়ে তাদের উভয়ের শিরচ্ছেদ করার আদেশ দেয় এবং তাদেরকে শূলবিদ্ধ করা হয়।
এরপর লোকেরা তাদেরকে পাথর নিক্ষেপ করতে থাকে, যতক্ষণ না তারা মাটিতে পড়ে যায়। তারপর তাদেরকে একত্রিত করা হয়। অতঃপর তাদের জন্য কাঠ ও হাড় জমা করে তাদের উভয়কে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।
এই খবর সংক্রান্ত ছূফী আবুল ওয়াফা উনার প্রেরিত চিঠিটি ৪১১ হিজরীতে বাগদাদের হাদীছ শরীফ বিশারদ হযরত আবুল ফাতহ ইবনে আবিল ফাওয় বাকি অংশ পড়ুন...
বাগদাদ হতে প্রায় ৪০০ কিঃমিঃ দূরে দজলা নদীর তীরে অবস্থিত একটি শহর মসুল। ত্রয়োদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ের ঘটনা। মসুল শহরে সে সময়ে ছিলো হাজার হাজার দক্ষ কারিগর। তৎকালীন সময়ে জুতোর ফিতা থেকে শুরু করে বড় বড় সিজ ইঞ্জিনও এখানে তৈরি করা হতো।
এই মসুলের আমীর বদরুদ্দীনের কাছে দুটো চিঠি এসেছে। একটা বাগদাদের শাসক আল মুস্তাসিমের কাছ থেকে, অন্যটা মোঙ্গল শাসক ইলখানের কাছ থেকে। মসুলের আমির চিঠি দুটি পড়লেন। বাগদাদের শাসক তাকে কিছু উন্নত মানের বাদ্যযন্ত্র সেতারা আর বেহালা পাঠাতে অনুরোধ করেছে। আর মোঙ্গল শাসক ইলখান চেয়েছে সিজ ইঞ্জিন। যেটি যুদ বাকি অংশ পড়ুন...
বর্ণিত আছে- “যে জাতি তার ইতিহাস জানে না, সে জাতি কখনো উন্নতি লাভ করতে পারে না। ” আজকের মুসলমানদের হীনম্মন্যতার একটা কারণ হচ্ছে, মুসলমান তাদের ইতিহাস সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নয়, এমনকি কাফির-মুশরিকদের দ্বারা প্রভাবিত কোনো মুসলিম দেশেই শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে মুসলমানদের ইতিহাস নিয়ে অধ্যায়ন করার ভালো কোনো সুযোগ নেই। ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত আমাদের এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায়ও ইসলামী সঠিক ইতিহাস সিলেবাসে নেই। কোনো সন্দেহ নেই, এটা মুসলমানদের উত্থান ঠেকানোর জন্য কাফির মুশরিকদের মাস্টার প্ল্যান (প্রধান পরিকল্পনা) সমূহের মধ্যে একটি গুরুত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কা’বা শরীফ উনার গিলাফ মুবারকে ঝুলে থেকেও শেষ রক্ষা হলো না:
ইবনে খ্বাতাল নামক এক ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে কটূক্তি করতো। পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ের দিন এ কারণেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাকে হত্যা করার নির্দেশ মুবারক দেন। এ বিষয়ে পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে। হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন-
أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ عَامَ الْفَتْحِ وَعَلَى رَأْسِهِ الْمِغْفَرُ فَلَمَّا نَزَع বাকি অংশ পড়ুন...
১৭৫৭ সালে বিশ্বাসঘাতকদের ষড়যন্ত্রে পলাশীর প্রান্তরে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের পর বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়। এরপর ইংরেজদের থেকে বাংলাকে মুক্ত করতে অনেক বীর শহীদ হওয়ার আগ পর্যন্ত লড়াই করে গেছেন। যাদের কথা ইতিহাসে খুব কমই আলোচিত হয়। তাদেরই মধ্যে একজন মুহম্মদ তকী খাঁ। আজকের পর্বে তার বীরত্বের ইতিহাসই আমরা জানবো।
নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় এবং ইন্তেকালের পর ক্ষমতায় আসে মীর জাফর। তবে যে সিংহাসনের জন্য বেনিয়া ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলিয়েছিলো মীর জাফর সেই সিংহাসনের স্থায়ীত্ব হলো মাত্র চার বছর। এরপর তাকে জোর করে ক্ষ বাকি অংশ পড়ুন...
আইয়ুবীয় সালতানাতের সময়:
আল-মুফাদ্দালের মতে সুলতান সালাহউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার শাসনামলে নির্মিত হয়েছিল মসজিদের একটি মিনার।
আইয়ুবীয় সুলতানরা আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়ত মতাদর্শের উপর পৃষ্ঠপোষকতা করতেন এবং তারা কায়রোজুড়ে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়ত মতাদর্শের মাদরাসা স্থাপন করেছেন।
একটি মতানুযায়ী একজন শিক্ষক (সম্ভবত আবদুল লতিফ আল-বাগদাদি) মসজিদে আইন ও চিকিৎসাসহ বেশ কিছু বিষয়ে শিক্ষা প্রদান করতেন। সালাহউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্পর্কে মত রয়েছে যে তিনি আল-বাগদাদিকে ৩০ দিনার বেতন হিসেবে প্রদান করত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মহাসম্মানিত আনুষ্ঠানিক সূচনাপর্ব থেকেই জাকজমকের সাথে পালিত হয়ে আসছে। যার দলীল ইতিহাসের বাকে বাকে বিদ্যমান। প্রবন্ধটির মাধ্যমে আমরা সেই স্বর্ণালী ইতিহাসই জানবো-
* আল্লামা হযরত মোল্লা আলী ক্বারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন- পবিত্র মদীনা শরীফবাসী উনারা পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ খুবই আগ্রহ, উৎসাহ ও আনন্দের সহিত এ দিবস মুবারক উদযাপন করতেন। (মাওরিদ আর রাওয়ী ফি মাওলিদ আন নাবী, পৃষ্ঠা-২৯)
* হযরত ইবনে যাওজী রহমতুল্লাহি বাকি অংশ পড়ুন...
৬৪২ খ্রিস্টাব্দে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক খিলাফতকালে সাইয়্যিদুনা হযরত আমর বিন আস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সেনাপতিত্বে আরব মুসলমানরা মিশর বিজয় করেন। মিসরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত নীলনদের প্রতি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক নির্দেশ এই সময়ই অনুষ্ঠিত হয়। যার কারণে তখন থেকেই কাফিরদের কু-প্রথা নীলনদে বলিদানের মত কুফরী রেওয়াজ রহিত হয়ে যায়। সুবহানাল্লাহ! যা সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল রোব মুবারক উনার বহিঃপ্রকাশ।
সেই সময় থেকেই মিশর একটি আরব বাকি অংশ পড়ুন...












