হাঁচি দেয়ার সময় চোখ খোলা রাখা কি সম্ভব?
, ০২ জুমাদাল ঊলা শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৬ খমীছ, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৫ অক্টোবর, ২০২৫ খ্রি:, ০৯ কার্তিক, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) পাঁচ মিশালী
হাঁচি দেওয়ার সময় চোখ খোলা রাখার চেষ্টা করলে ব্যর্থ হতে হবে। এটি এমন একটি অদ্ভুত শারীরিক প্রক্রিয়া যা প্রায় সব মানুষের ক্ষেত্রেই ঘটে। কিন্তু কেন? কেন আমরা হাঁচি দেওয়ার সময় চোখ বন্ধ করতে বাধ্য হই? এর পেছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হাঁচি দেওয়ার সময় চোখ বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি স্বয়ংক্রিয় প্রতিবর্তী ক্রিয়া। এর মানে হলো, এই কাজটি করার জন্য কাউকে সচেতনভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হয় না, মস্তিষ্ক স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই নির্দেশ পাঠায়।
যখন আমাদের নাকের ভেতরে কোনো অস্বস্তিকর কণা বা জীবাণু প্রবেশ করে, তখন মস্তিষ্ক সেটিকে সজোরে বের করে দেওয়ার জন্য ফুসফুস, বুক, গলা এবং মুখের পেশীগুলোকে সংকুচিত হওয়ার সংকেত পাঠায়। এই সমন্বিত সংকেতটি এতই শক্তিশালী যে এটি একই সাথে চোখের পাতা বন্ধ করার জন্য দায়ী পেশীগুলোকেও সংকুচিত করে ফেলে। ফলে, আপনি চাইলেও চোখ খোলা রাখতে পারবেন না।
অনেকের মধ্যে একটি ধারণা প্রচলিত আছে যে, হাঁচির প্রচ- চাপে চোখ খোলা রাখলে তা অক্ষিকোটর থেকে বেরিয়ে আসতে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে- এই ধারণা পুরোপুরি ভিত্তিহীন। মূলত, হাঁচির চাপ মূলত নাক ও মুখ দিয়েই নির্গত হয়। চোখের পেছনের অংশের সাথে এই চাপের সরাসরি কোনো শক্তিশালী সংযোগ নেই। চোখগুলো তাদের কোটরে পেশী এবং টিস্যু দ্বারা খুব শক্তভাবে সুরক্ষিত থাকে।
যদিও চোখ বেরিয়ে আসার ভয়টি কাল্পনিক, বিজ্ঞানীরা মনে করে, চোখ বন্ধ করার এই প্রক্রিয়ার একটি বাস্তবসম্মত কারণ থাকতে পারে। হাঁচির মাধ্যমে শরীর নাক থেকে জীবাণু, ধূলিকণা এবং অন্যান্য কণাগুলোকে ঘণ্টায় প্রায় ১০০ মাইল বেগে বের করে দেয়। স্বয়ংক্রিয়ভাবে চোখ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে সেই ক্ষতিকারক কণাগুলো আবার চোখে প্রবেশ করতে পারে না। এটি শরীরের একটি প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
যদিও এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী স্বয়ংক্রিয় প্রতিবর্তী ক্রিয়া, কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, প্রচ- চেষ্টা করলে বা বিশেষ উপায়ে কেউ কেউ হয়তো চোখ খোলা রাখতেও পারেন। তবে এটি অত্যন্ত কঠিন এবং স্বাভাবিক কোনো ঘটনা নয়। ৯৯.৯% মানুষের ক্ষেত্রেই এটি প্রায় অসম্ভব একটি কাজ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ঘরোয়া মসলায় লুকিয়ে থাকা চিকিৎসাগুণ সম্পর্কে জানেন?
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আমে কীটনাশক রয়েছে কিনা? পরীক্ষা করুন পাঁচ পদ্ধতিতে
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহাবিশ্ব দ্রুত গতিতে সম্প্রসারিত হচ্ছে: নতুন গবেষণা
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
কাচারি ঘরের ইতিকথা
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
কদম মুবারকে কদম রসূল
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইন্দোনেশিয়ায় আন্তর্জাতিক উদ্ভাবন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থীর সাফল্য
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
জামের বীজের গোপন গুণ, যা অনেকেরই অজানা
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
এই চার পানীয় শরীর থেকে ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দেয়
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ভুট্টায় প্রোটিন বাড়ানোর নতুন জিন আবিষ্কার
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাহারা মরুভূমির উল্কাপিন্ডে মিললো হারিয়ে যাওয়া গ্রহের প্রমাণ
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ছায়াপথের কেন্দ্রে বিরল দৃশ্য, নতুন রহস্যের সূত্র পাওয়ার দাবি বিজ্ঞানীদের
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












