পূর্ব তিমুর কেনো মুসলমানদের হারানো ভূমি? পূর্ব তিমুরের ঘটনা কী শিক্ষা দেয়। উপজাতিরা কেনো খ্রীস্টান হয়? উপজাতিরা কেনো মুসলমান হয় না? কেনো কঠিন হয়রানির মুখোমুখি হয়। স্বাধীন জুমল্যান্ড তথা খ্রীস্টান রাজ্য বানানোর বিপরীতে ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানকে গর্জে উঠতে হবে ইনশাআল্লাহ।
, ০৭ মে, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মন্তব্য কলাম
পূর্ব তিমুরে ইসলামের আগমন হয়েছিল আরব বণিকদের মাধ্যমে। খ্রিস্টীয় ১৩ থেকে ১৫ শতকে মুসলিম আরব ব্যবসায়ীরা ভারত সাগর পাড়ি দিয়ে জাভা হয়ে এই অঞ্চলে আগমন করেছিলেন।
ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি সুফি আলেম ও প্রতিবেশী মুসলমানরাও এখানে ইসলাম প্রচারে অবদান রাখেন।
পূর্ব তিমুর ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী খ্রিস্টশক্তির ষড়যন্ত্র ও মুনাফিকির নিকটতম উদাহরণ। মিশনারীরা সেখানের স্থানীয় মুসলমান ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষকে খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত করে এবং পরবর্তীতে পশ্চিমা শক্তি এক ধাক্কায় পূর্ব তিমুরকে স্বাধীন খ্রিস্টান রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ ও দৈনিক আল ইহসান শরীফে প্রায় দুই যুগ আগ থেকেই পার্বত্য চট্টগ্রামে খ্রিষ্টান মিশনারীদের অপতৎপরতা এবং আলাদা খ্রিষ্টান রাজ্য বানানোর গভীর ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সতর্কতামূলক বিশেষ লেখা অনেকবার পত্রস্থ হয়েছে। সে একই কথা সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মুখে উচ্চারিত হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ভাষায় যখন ‘বাংলাদেশ-মিয়ানমার ভেঙে পূর্ব তিমুরের মতো খ্রিস্টান দেশ তৈরির চেষ্টা চলছে’ উচ্চারিত হয় তখন তা কত ভয়াবহ; দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য এবং মুসলমানের জন্য কত বিপর্যয়ের বিষয় তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
বাংলাদেশের পার্বত্য জেলাগুলোকে নিয়ে এমন একটি ষড়যন্ত্রের হুঁশিয়ারি কিছুদিন পূর্বে সেনাদপ্তর থেকে দেওয়া হয়েছিল। গত বছরের আগস্ট মাসের বিভিন্ন তারিখে বেশ কয়েকটি দৈনিক পত্রিকাতে এ বিষয়ক প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। উপজাতিদের সাথে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী ছাড়া আর কেউ থাকে না। তাদের অভিজ্ঞতাই বাস্তব অভিজ্ঞতা। এরই সাথে দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা খ্রিস্টানদেরকে পার্বত্য জেলাগুলোতে নিয়ে সংখ্যাগুরু বানানো হচ্ছে, যা পূর্ব তিমুরে হয়েছিল। এভাবে গণভোটে বিজয়ের ক্ষেত্রও তৈরি করা হচ্ছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামে খ্রীস্টান মিশনারীর সাথে জড়িত ডিপ স্টেট এবং তাদের মিডিয়া ও প্রশাসন।
তাদের কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামে কোন উপজাতি মুসলমান হলে তারা চরম হয়রানির স্বীকার হয়।
২০১৩ সালের ৮ ও ১০ জানুয়ারি গণমাধ্যমে দুরবস্থার কথা প্রথমে সংবাদপত্র-পাঠকদের সামনে আসে। ওই খবরে বলা হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে নির্মম নির্যাতনের শিকার ক্ষুদ্রজাতি গোষ্ঠীর (উপজাতীয়) মুসলমানরা ঢাকায় এসে বিভিন্ন মসজিদ ও মাদরাসায় আশ্রয় নিয়েও রেহাই পাচ্ছেন না। পার্বত্য অঞ্চলের খিস্টান মিশনারীদের সরবরাহ করা তালিকা অনুযায়ী রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও মাদরাসা কমপ্লেক্সে হানা দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর খ্রিস্টান সদস্যরা। গত ২ জানুয়ারি বাসাবো এলাকার একটি মাদরাসায় হানা দিয়ে পুলিশ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ৫ মুসলিম এবং তাদের ১১ সন্তানকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে। আরও ৫ জনকে আটক করে তেজগাঁও থানা ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে পাঠিয়ে দিয়েছে। এর আগে গত জুলাই মাসে গাজীপুরের একটি মাদরাসা থেকে ৮ জন ও ঢাকার অপর একটি মাদরাসা থেকে ৩ মুসলিম ছাত্রকে আটক করে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ। এ ঘটনার কয়েক দিন পর ইসলাম গ্রহণের এফিডেভিটের কাগজপত্র দেখে ১১ সন্তানসহ ৫ অভিভাবককে থানা থেকে ছাড়া হলেও অপর ৫ জনের বন্দিদশা চলতে থাকে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে। পরবর্তীতে সুদূর পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে তাদের অভিভাবকরা এলে ক্লান্তিকর টানাহেঁচড়ার পর প্রথমে তাদের তুলে দেওয়া হয়, ‘ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ’ নামের খ্রিস্টান একটি সংস্থার কাছে। সেখান থেকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে ও হুমকি-ধমকি দিয়ে তাদের গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়।
এরই মধ্যে আটক এসব নওমুসলিম শিশু ও তাদের অভিভাবকদের নিয়ে একটি ‘এক্সক্লুসিভ’ রিপোর্ট সম্প্রচার করে ঢাকার একটি টিভি চ্যানেল। চরম বিদ্বেষপূর্ণ, নেতিবাচক ও মিথ্যাচারের ধোঁয়াশা সৃষ্টিকারী ওই রিপোর্টটি কিছু ফলোআপসহ একাধিক দিন সম্প্রচার করা হয়। জনসাধারণের হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাটের অপরাধে ব্যাপক আলোচিত একটি এমএলএম কোম্পানির মালিকানাধীন ওই চ্যানেলের খবরে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারের মধ্য দিয়ে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয় যে, উপজাতীয় এসব মুসলিম পরিবারের শিশুদেরকে ঢাকার বিভিন্ন মাদরাসায় এনে জঙ্গি বানানো হচ্ছে। খিস্টান মিশনারি সমর্থিত ‘ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ’ নামীয় প্রতিষ্ঠানের উপজাতীয় কয়েকজন নেতা টিভি ক্যামেরার সামনে এসে ‘জঙ্গি প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে’ বলে বার বার অভিযোগ করতে থাকে। নিষ্পাপ ওই শিশুদের মাথায় ‘জঙ্গিবাদের অভিযোগ’ তুলে দিয়ে সরলপ্রাণ-উপজাতীয় মুসলিম ভাই- বোনদের মাঝে ভীতি ও অনীহা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এসব ঘটনায় উপজাতীয় মুসলমানদের স্পষ্টতই বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, হলে খ্রিস্টান হও, মুসলমান হলে রক্ষা নেই। থানা-পুলিশ তো হবেই, সাত বছরের শিশুকেও জঙ্গি বানিয়ে ছেড়ে দেওয়া হবে। থানা-পুলিশ, মিডিয়া, মুসলমানদের পাশে দাঁড়াবে না। তারা চলবে ক্যাথলিক চার্চের কথায়। চলবে মিশনারী সংস্থাগুলোর ইশারায়।
অথচ এদেশে গত অর্ধ শতাব্দীকাল যাবত খ্রিস্টান মিশনারি সংস্থাগুলো নির্বিঘেœ কাজ করছে। বিভিন্ন সীমান্ত অঞ্চলে মিশনারীদের এক রকম রাজত্বই চলছে।
এরই মধ্যে উপজাতীয় ও অনগ্রসর মানুষকে তারা খ্রিস্টান ধর্মে দীক্ষিত করেছে। বিভিন্ন শহরে এনে তাদেরকে খ্রিস্টান মেস ও কলোনিতে জায়গা করে দিচ্ছে। উঁচু প্রাচীরে ঘেরা দুর্গের মতো চার্চ ও গির্জায় নিয়ে নবদীক্ষিত খ্রিস্টান তরুণদের
নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণও দিচ্ছে। কেউ কোনো প্রশ্ন তুলছে না। কোথাও কোনো তল্লাশি ও অনুসন্ধান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে না। নবী দীক্ষিত খ্রিস্টান চাকমা, গারো, হাজং, ত্রিপুরা, খাসিয়া, মার্মা তরুণদের তারা কোনো মারমুখি, আগ্রাসী কিংবা সশস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে কি না সেটাও তলিয়ে দেখা হচ্ছে না। অথচ একজন-দুজন ইসলাম গ্রহণ করে মক্তব-মাদরাসায় পড়তে এলেই তাকে টেনে নেওয়া হচ্ছে হাজতখানায়।
ব্রিটিশ আইসিএস অফিসার মি. কুপল্যান্ড পার্বত্য চট্রগ্রাম নিয়ে একটা প্রকল্প দাঁড় করিয়েছিলো। যাকে ‘কুপল্যান্ড প্ল্যান’ বলা হয়। সে সময় প্ল্যানটা বাস্তবায়ন না হলেও এনজিওদের মাধ্যমে খ্রিস্টান বানানো হচ্ছে। খ্রিস্টান কমিশন ফর ডেভলপমেন্ট বাংলাদেশ (সিসিডিবি), অ্যাডভানটেজ ক্রুশ অব বাংলাদেশ, হিউম্যানিট্রেইন ফাউন্ডেশন, গ্রিন হিল, গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থা (গ্রাউস), ইভানজেলিক্যাল খ্রিস্টান ক্রুশ, শান্তিরাণী ক্যাথলিক চার্চ, জাইনপাড়া আশ্রম, তৈদান, আশার আলো, মহামনি শিশু সদন, কৈনানিয়া, তৈমু প্রভৃতি এনজিওর বিরুদ্ধে তিন পার্বত্য জেলায় খ্রিস্ট ধর্মে ধর্মান্তরিতকরণ প্রক্রিয়ার সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
বলার অপেক্ষা রাখে না, দেশের রাজনৈতিক বিষয়ে যত মতপার্থক্যই থাকুক না কেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে দেশবাসী মুসলমান তথা ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী আপোসহীন। আমাদের দেশের এক ইঞ্চি জমির ওপরেও যদি কোনো দেশের কু-নজর থাকে তাহলে আমরা তা বরদাশত করবো না ইনশাআল্লাহ। তবে তার জন্য এখন থেকেই সজাগ ও সক্রিয় থাকতে হবে ইনশাআল্লাহ।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোপনীয় বাণিজ্য চুক্তি: জনগণের অজান্তে জিএমও খাদ্য অর্থাৎ বিষ ও রোগ জীবাণু ঢোকানোর ষড়যন্ত্র
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
“সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস” ব্যক্ত করার সরকারকে অবিলম্বে কুরআন শরীফে হারাম ঘোষিত শুকরের গোশত আমদানীর বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
দেশি আম বাজারে আসার আগেই শুরু হয়েছে কথিত কেমিক্যাল অপপ্রচার : দেশীয় ফলের বিরুদ্ধে বিদেশী দালাল চক্রের এই অপপ্রচার রুখতে হবে।
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘ইউনিসেফ’ এর ভয়ংকর তৎপরতা। বাংলাদেশের শিশু ও শিক্ষার্থীদের পশ্চিমা দাস বানানোর প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ইউনিসেফ। (১)
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
উচ্চ আদালতে ‘ডেড ল’ বা অকার্যকর ঘোষিত ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি ১৯০০’ পুণঃবহালের অপচেষ্ঠা চলছে। উচ্চ আদালত, সেনাবাহিনী এবং সরকারের উচিত দেশবিরোধী এই চক্রান্ত ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া। (৩)
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
৭১ এ তারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধীতার নামে। তবে তারা ২০২৬- এ আমেরিকার আধিপত্যবাদী বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় নামছে না কেন?
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মৃত আইন- “পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি-১৯০০”: অখ-তার পথে এক ঔপনিবেশিক কাঁটা
১০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার বরকতে- দেশের বুকে স্থলে, নদীতে, পাহাড়ে, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে, বঙ্গোপসাগরে রয়েছে বিপুল পরিমাণ মহামূল্যবান ইউরেনিয়াম। বাংলাদেশের ইউরেনিয়াম অনেক বেশী গুণগত মান সম্পন্ন ভারতসহ দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের কারণেই তা উত্তোলন হচ্ছে না। হিন্দুস্থান টাইমস ও কুখ্যাত প্রথম আলো তথা ভারত আমেরিকার কুচক্রীরা একযোগে ষড়যন্ত্র করছে। জনগণকে জনসচেতন হতে হবে ইনশাআল্লাহ। (৩য় পর্ব)
০৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
প্রধানমন্ত্রীকে সাবধান থাকতে হবে- তার মন্ত্রী বা উপদেষ্টাদের দ্বারা যেনো দেশের ভাবমর্যাদা নষ্ট না হয়! বি.এন.পি ক্ষমতায় আসলেই দেশ, সন্ত্রাসবাদের ঝুকিতে পড়ে এই ধরণের প্রচারণার জন্য তথ্য উপদেষ্টার, ‘দেশে সন্ত্রাসবাদ আছে’- এই মিথ্যা উক্তিই কী যথেষ্ট নয়?
০৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আত্মঘাতী ঋণের কঠিন শর্তের বেড়াজালে আটকে যাচ্ছে সরকার। দেশবাসী কেনো নির্বিকার?
০৮ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
ইউনুসের দেশদ্রোহীতার বয়ান : এক সাংবাদিকের জবানবন্দি (৩)
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার বরকতে- দেশের বুকে স্থলে, নদীতে, পাহাড়ে, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে, বঙ্গোপসাগরে রয়েছে বিপুল পরিমাণ মহামূল্যবান ইউরেনিয়াম। বাংলাদেশের ইউরেনিয়াম অনেক বেশী গুণগত মান সম্পন্ন ভারতসহ দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের কারণেই তা উত্তোলন হচ্ছে না।
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












