সারাদেশে চলছে ভুয়া প্রকল্প ও ভুয়া বিলের ছড়াছড়ি তথা সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে হাজার রকমের দুর্নীতি (৪৩৯)
, ২৬ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ১৭ আউওয়াল, ১৩৯১ শামসী সন , ১৬ জুন, ২০২৩ খ্রি:, ০১ আষাঢ়, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মন্তব্য কলাম
দুর্নীতি ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা: ঝুড়িতে উঠছে না বিনিয়োগের সুফল
বাংলাদেশে বিনিয়োগে ব্যাপক ঝোঁক রয়েছে বিদেশিদের। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য-উপাত্ত বলছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসে দেশে নিট ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট (এফডিআই) বেড়েছে ৫ শতাংশ। দেশের শেয়ারবাজারে গত মার্চে বিদেশি বিনিয়োগের টার্নওভার ছিল ৮৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা, যা গত এপ্রিলে বেড়ে দাঁড়ায় ১৮২ কোটি টাকায়।
বিডা (বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) জানিয়েছে, গত জানুয়ারি থেকে মার্চে দেশে বিদেশি বিনিয়োগ প্রস্তাব গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২৬ শতাংশ বেড়েছে। তবে অর্থনীতি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এফডিআইয়ের এসব পরিসংখ্যানে ফাঁক রয়েছে। বাংলাদেশের বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের যে পরিমাণ সক্ষমতা রয়েছে, দুর্নীতি-আমলাতান্ত্রিক জটিলতাসহ নানা কারণে তা ঝুড়িতে তোলা যাচ্ছে না। বিশ্বব্যাপী ডলার সংকটের কারণে দেশের এফডিআই খাতে নতুন বিনিয়োগ হয়নি, এগুলো সব পুনঃবিনিয়োগ।
অর্থনীতি বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের বাজার, কোভিড-১৯-এর মতো দুর্দিনেও অর্থনৈতিক উন্নতি অব্যাহত থাকা, দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবস্থানসহ একাধিক কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের ঝোঁক রয়েছে। এ কারণে প্রধানমন্ত্রী যে দেশেই সফরে যান এবং দেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে ওইসব দেশ থেকে সাড়া পান। তবে নিজেদের ব্যর্থতার কারণে এসব সাড়া শতভাগ কাজে লাগাতে পারছে না বাংলাদেশ।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ২০১৪ সালে তার টোকিও সফরের সময় জাপানের ইন্দো-প্যাসিফিক ভিশন ‘বিগ-বি ইনিশিয়েটিভ’-এ যুক্ত হয় বাংলাদেশ। ওই সময় থেকে মাতারবাড়ীকে আঞ্চলিক ‘কানেক্টিভিটি হাব’ হিসেবে বিবেচনা করে দক্ষিণ চট্টগ্রামকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে সহায়তা করছে জাপান। এনার্জি ও লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি মাতারবাড়ীতে রোড, রেল ও মেরিটাইম কানেক্টিভিটি বৃদ্ধির জন্য বৃহৎ পরিকল্পনা নিয়েছে দেশটি। এ জন্য ২ হাজার কোটি ডলারের বৃহৎ মহেশখালী-মাতারবাড়ী ইন্টিগ্রেটেড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ নিয়ে কাজ করছে দুই দেশের সরকার। এটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে যৌথ বিবৃতিতে জোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কাতার সফরে সৌদি আরবের বিনিয়োগ বিষয়কমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশে বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছেন। এর আগে গত মার্চে সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী মাজেদ বিন আবদুল্লাহ আল কাসাবির নেতৃত্বে ৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল গণভবনে শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক শফিকুর রহমান বলেন, সৌদি আরবের বেশ কিছু বিনিয়োগ প্রস্তাব আমাদের হাতে এসেছে। দেশের বিনিয়োগ বাজারে সৌদি আরব নিউ প্লেয়ার। ইউরোপ-আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় সৌদির যে বিনিয়োগ ও উৎপাদন ছিল সেগুলো তারা স্থানান্তর করছে। সে ক্ষেত্রে তারা বাংলাদেশ, ভিয়েতনামসহ একাধিক নতুন গন্তব্য বেছে নিয়েছে। যেমন আমাদের এখানকার বন্দরগুলোর ব্যবস্থাপনা অংশ বা লজিস্টিক পার্টসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাদের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে এবং অবকাঠামো খাতে আমাদের শীতলক্ষ্যাসহ একাধিক সেতু নির্মাণে অংশ নিচ্ছে দেশটি। গত ১১ মার্চ ঢাকায় সৌদি আরব ৬.৭৫ বিলিয়নের ৪টি বিনিয়োগ প্রস্তাব জমা দিয়েছে। প্রস্তাবগুলো প্রসেস হচ্ছে এবং এগুলো নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে জাপান, কোরিয়া, আমেরিকার যে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে সেখানে প্রকল্প প্রস্তাব প্রস্তুতসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে সৌদি আরব নতুন। দেশটির যে কৌশল তা খাপ খাইয়ে নিতে একটু সময় লাগবে। তবে তাদের বিনিয়োগ প্রস্তাব নিয়ে আমরা আশাবাদী।
ঢাকা-বেইজিং কূটনৈতিক সূত্রগুলো সম্প্রতি ঢাকা সফর করে যাওয়া চীনের ভাইস মিনিস্টারের বরাতে জানিয়েছে, চট্টগ্রামে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ করবেন দেশটির বিনিয়োগকারীরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য-উপাত্ত বলছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি প্রথম ৮ মাসে দেশে এফডিআই বেড়েছে ১১.৯১ শতাংশ। এ সময়ে দেশে মোট এফডিআই এসেছে ৩৫০ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৩১৩ কোটি ডলার। বর্তমানে দেশে নিট এফডিআই বৃদ্ধির পরিমাণ ৫ শতাংশ।
শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, দেশের শেয়ারবাজারে গত মার্চের তুলনায় এপ্রিল মাসে দিগুণ পরিমাণ বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে। শেয়ারবাজারে গত মার্চে বিদেশি বিনিয়োগের টার্নওভার ছিল ৮৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা, যা গত এপ্রিলে বেড়ে দাঁড়ায় ১৮২ কোটি টাকায়। বিডা (বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) জানিয়েছে, গত জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত দেশে এফডিআই প্রস্তাব গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২৬ শতাংশ বেড়েছে। উল্লিখিত সময়ে বস্ত্র, রাসায়নিক ও কৃষি খাতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে বলে বিডা জানাচ্ছে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত আইওয়ামা কিমিনোরি গত ৩ মে কূটনৈতিক বিটের প্রতিবেদকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ পরিবেশ ব্যবসাবান্ধব নয়। জাপানি বিনিয়োগকারীদের মতে, বাংলাদেশের করনীতিসহ ব্যবসা করার সঠিক পরিবেশ নেই। এফডিআই ইস্যুতে এ অঞ্চলে বাংলাদেশ অন্যদের চেয়ে পিছিয়ে আছে।
অর্থনীতি বিশ্লেষক সাব্বির আহমেদ, এফসিএ বলেন, এফডিআইয়ের জন্য আমাদের পরিবেশ উপযুক্ত নয়। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রয়েছে। এর পাশাপাশি বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস সহজলভ্য নয়। ফলে আমরা এফডিআইয়ের শতভাগ সুযোগ কাজে লাগাতে পারছি না। যেমন আইফোন ভিয়েতনামে প্লান্ট খুলেছে, কিন্তু জটিলতার কারণে আমাদের দেশে আসেনি। এখানে বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো সহজলভ্য না হওয়ায় আমরা এ ধরনের ভালো বিনিয়োগগুলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। আমাদের দেশে এফডিআই খাতে যা-ই হচ্ছে সেটা তেল-গ্যাস খাতের জন্য, যা বিগ শট এবং এটির কথা আলাদা। আরেকটি হচ্ছে আমাদের তৈরি পোশাক। এর বাইরে অন্য কোনো বড় শিল্পখাতে দেশে বিনিয়োগ হয়নি। দেশে এখন ভারী শিল্প কারখানা হওয়া প্রয়োজন, যা যন্ত্রপাতি উৎপাদন করবে। কিন্তু এগুলো তত দিন হবে না যত দিন আমাদের অবকাঠামোসহ আনুষঙ্গিক বিষয় পুরোপুরি প্রস্তুত না হবে, যত দিন আমলাতান্ত্রিক জটিলতাগুলো দূর না হবে। আমাদের দেশে প্রতি বছর ব্যবসা খাতের নিয়ম এত বদলায়, যা খুবই নেতিবাচক।
তিনি বলেন, সরকারি একাধিক তথ্য-উপাত্ত এফডিআই খাতে ইতিবাচক ট্রেন্ড প্রদর্শন করছে। কিন্তু প্রকৃত অর্থে আমাদের অর্থনীতি যতটুকু উন্নতি করেছে সেই তুলনায় এফডিআইর উন্নতি কিছুই না। যেমন ১০ বছর আগে আমাদের বার্ষিক এফডিআই আসত ৬০০ মিলিয়ন বা ৫০০ মিলিয়ন ডলার। আর এখন আসে ২ থেকে আড়াই বিলিয়ন। এটাকে আমি কোনো উন্নতি মনে করি না।
এই অর্থনীতিবিদ আরও বলেন, আমাদের দেশ থেকে অর্থ পাচার হয় মূলত ট্যাক্স ফাঁকি দিতে। আর পাচার করা অর্থ আবার ঘুরেফিরে দেশে বিনিয়োগ করা হয়। কিন্তু অর্থনীতির মারপ্যাঁচে তা ধরা যায় না। ২০১৮-১৯ সালে বৈশি^ক সংস্থা থেকে বাংলাদেশের অর্থ পাচারের বিষয়টি জানানো হলেও এ ইস্যুতে আর কেউ মাথা ঘামায়নি। এসব কারণে একটা মেজর বিষয় আউট অব ফোকাস রয়ে যাচ্ছে। আর এটাকে আমি এফডিআই বলতে চাই না। যদি দেখি নতুন নতুন ফ্যাক্টরি হচ্ছে, বিজনেস লাইন ওপেন হচ্ছে সেটাকেই আমি এফডিআই বলব। আমাদের এখানে এফডিআইয়ের পরিসংখ্যানে একটা ফাঁক রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী যে তন্ত্রের উপর নির্ভর করে, যে প্রশাসনের উপর নির্ভর করে, যে আর্থ-সামাজিক আবহের উপর নির্ভর করে দুর্নীতি বন্ধ করতে চায় তাতে রয়েছে গলদ, অপূর্ণতা ও ভ্রান্তি।
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যমীনে এবং পানিতে যা ফিতনা-ফাসাদ রয়েছে সবই মানুষের হাতের কামাই।” অপরদিকে সবকিছুর সমাধান সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই এই পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে আমি সবকিছু বর্ণনা করেছি।”
অর্থাৎ কেবলমাত্র পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের মধ্যস্থিত হুকুম-আহকাম মুতাবিক চললেই দেশ থেকে দুর্নীতি নির্মূল সম্পূর্ণ সম্ভব। কিন্তু দেশের সরকার তা কবে বুঝবে? জনগণই বা কবে উপলব্ধি করবে? (ইনশাআল্লাহ চলবে)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোপনীয় বাণিজ্য চুক্তি: জনগণের অজান্তে জিএমও খাদ্য অর্থাৎ বিষ ও রোগ জীবাণু ঢোকানোর ষড়যন্ত্র
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
“সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস” ব্যক্ত করার সরকারকে অবিলম্বে কুরআন শরীফে হারাম ঘোষিত শুকরের গোশত আমদানীর বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
দেশি আম বাজারে আসার আগেই শুরু হয়েছে কথিত কেমিক্যাল অপপ্রচার : দেশীয় ফলের বিরুদ্ধে বিদেশী দালাল চক্রের এই অপপ্রচার রুখতে হবে।
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘ইউনিসেফ’ এর ভয়ংকর তৎপরতা। বাংলাদেশের শিশু ও শিক্ষার্থীদের পশ্চিমা দাস বানানোর প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ইউনিসেফ। (১)
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
উচ্চ আদালতে ‘ডেড ল’ বা অকার্যকর ঘোষিত ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি ১৯০০’ পুণঃবহালের অপচেষ্ঠা চলছে। উচ্চ আদালত, সেনাবাহিনী এবং সরকারের উচিত দেশবিরোধী এই চক্রান্ত ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া। (৩)
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
৭১ এ তারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধীতার নামে। তবে তারা ২০২৬- এ আমেরিকার আধিপত্যবাদী বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় নামছে না কেন?
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মৃত আইন- “পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি-১৯০০”: অখ-তার পথে এক ঔপনিবেশিক কাঁটা
১০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার বরকতে- দেশের বুকে স্থলে, নদীতে, পাহাড়ে, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে, বঙ্গোপসাগরে রয়েছে বিপুল পরিমাণ মহামূল্যবান ইউরেনিয়াম। বাংলাদেশের ইউরেনিয়াম অনেক বেশী গুণগত মান সম্পন্ন ভারতসহ দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের কারণেই তা উত্তোলন হচ্ছে না। হিন্দুস্থান টাইমস ও কুখ্যাত প্রথম আলো তথা ভারত আমেরিকার কুচক্রীরা একযোগে ষড়যন্ত্র করছে। জনগণকে জনসচেতন হতে হবে ইনশাআল্লাহ। (৩য় পর্ব)
০৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
প্রধানমন্ত্রীকে সাবধান থাকতে হবে- তার মন্ত্রী বা উপদেষ্টাদের দ্বারা যেনো দেশের ভাবমর্যাদা নষ্ট না হয়! বি.এন.পি ক্ষমতায় আসলেই দেশ, সন্ত্রাসবাদের ঝুকিতে পড়ে এই ধরণের প্রচারণার জন্য তথ্য উপদেষ্টার, ‘দেশে সন্ত্রাসবাদ আছে’- এই মিথ্যা উক্তিই কী যথেষ্ট নয়?
০৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আত্মঘাতী ঋণের কঠিন শর্তের বেড়াজালে আটকে যাচ্ছে সরকার। দেশবাসী কেনো নির্বিকার?
০৮ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পূর্ব তিমুর কেনো মুসলমানদের হারানো ভূমি? পূর্ব তিমুরের ঘটনা কী শিক্ষা দেয়। উপজাতিরা কেনো খ্রীস্টান হয়? উপজাতিরা কেনো মুসলমান হয় না? কেনো কঠিন হয়রানির মুখোমুখি হয়। স্বাধীন জুমল্যান্ড তথা খ্রীস্টান রাজ্য বানানোর বিপরীতে ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানকে গর্জে উঠতে হবে ইনশাআল্লাহ।
০৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইউনুসের দেশদ্রোহীতার বয়ান : এক সাংবাদিকের জবানবন্দি (৩)
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












