মন্তব্য কলাম
সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার রোবে, দোয়ার বরকতে- কুদরতীভাবে কমে যাচ্ছে ডলারের আধিপত্য বাংলাদেশের রিজার্ভ ডলারে রাখা উচিৎ নয়- এতে লাভ আমেরিকার মুসলিম বিশ্বে অভিন্ন মুদ্রা ব্যবস্থা বিশেষত মূল্যহীন কাগজী মুদ্রা বাদ দিয়ে সুন্নতী দিনার-দিরহাম মুদ্রা চালু করা দরকার ইনশাআল্লাহ (প্রথম পর্ব)
, ১০ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১৫ সাবি’, ১৩৯২ শামসী সন , ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪ খ্রি:, ২৮ অগ্রহায়ণ, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মন্তব্য কলাম
১৯৪৪ সালে ৪৪টি দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার অঙ্গরাজ্যের ব্রেটন উডস শহরে একটি চুক্তি করে। সিদ্ধান্ত হয়, এসব দেশের মুদ্রার বিনিময়মূল্য মার্কিন ডলারের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হবে। আর ডলারের মূল্য নির্ধারিত হবে স্বর্ণমানের ভিত্তিতে। ১৯৪৭ সালে বিশ্বের মোট মজুত স্বর্ণের ৭০ শতাংশই ছিল যুক্তরাষ্ট্রের হাতে। স্বর্ণের মজুত এবং ডলারের স্থিতিশীল মূল্যের কারণে সেসব দেশ রিজার্ভ কারেন্সি (মুদ্রা) হিসেবে ডলার রাখতে একমত হয়। মূলত ডলারের আধিপত্য তখন থেকে শুরু।
এই ব্রেটন উডস চুক্তির মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক। ঐতিহ্যগতভাবে আইএমএফের প্রধান নির্বাচিত হয় ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে আর বিশ্বব্যাংকের প্রধান নির্বাচিত হয় যুক্তরাষ্ট্র থেকে। ১৯৫০ ও ৬০-এর দশকে পশ্চিম ইউরোপের দেশের এবং জাপানের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। তারা ডলার দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সোনা কিনতে থাকে। এতে কমতে থাকে যুক্তরাষ্ট্রের সোনার মজুত।
আবার ভিয়েতনাম যুদ্ধের ব্যয় মেটাতে ওয়াশিংটন বিপুল পরিমাণ মুদ্রা ছাপায়। ফলে ডলারের সঙ্গে সোনার সংযোগ বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
ডলারের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার আরেক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ১৯৭১ সাল। তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড ঘোষণা দেয়, স্বর্ণমানের ভিত্তিতে ডলারের মূল্য আর নির্ধারিত হবে না, বিশ্ব অর্থনীতিতে যা ‘নিক্সন শক’ নামে পরিচিত। তবে এরপর ডলারের গুরুত্ব কিন্তু কমেনি।
বিশ্বজুড়ে ডলারের কর্তৃত্ব ধরে রাখতে ১৯৭৩ সালে মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরবের সঙ্গে কালো চুক্তি করে যুক্তরাষ্ট্র। এতে বলা হয়, সৌদি আরব থেকে জ্বালানি তেল কিনলে যেকোনো দেশকে মার্কিন ডলারে মূল্য পরিশোধ করতে হবে।
বিনিময়ে সৌদি আরবকে বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে রক্ষা করবে যুক্তরাষ্ট্র। দুই বছর পর ১৯৭৫ সালে তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জোট ওপেক সৌদি আরবের মতোই সিদ্ধান্ত নেয়। এভাবে দিনে দিনে বিশ্বব্যাপী ডলারের আধিপত্য বাড়তে থাকে।
বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের অনেক দেশই ডলারের স্থলে স্থানীয় অথবা অন্য কোনো দেশের মুদ্রা ব্যবহারে আগ্রহী। আমেরিকা ডলারকে নিজের অর্থনৈতিক স্বার্থ হাসিলের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামরিক স্বার্থ হাসিলের জন্যও ব্যবহার করছে যা এখন সব দেশের কাছেই স্পষ্ট। আমেরিকার এই আধিপত্যকামী নীতি ডলারের প্রতি বিভিন্ন দেশের আগ্রহকে কমিয়ে দিয়েছে। এছাড়া, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জোরদার করেছে আমেরিকা, আর এই পদক্ষেপও ডলার বাদ দেওয়ার আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারের কবল থেকে মুক্ত হতে ইতোমধ্যে নানা অর্থনৈতিক সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ইউরেশিয়ান ইকোনমিক ইউনিয়নের কথা উল্লেখ করা যায়। মোলদোভা ও কিউবা এরইমধ্যে এই সংস্থার পর্যবেক্ষক সদস্য হয়েছে। বিশ্ব অর্থনীতির ওপর পাশ্চাত্যের একচ্ছত্র আধিপত্য মোকাবেলা করার লক্ষ্যে রাশিয়ার নেতৃত্বে যেসব অর্থনৈতিক সংস্থা গঠিত হয়েছে এটি তার অন্যতম।
এছাড়া আরও দু'টি গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন হলো সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা ও ব্রিকস। বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের প্রভাব খর্ব করার লক্ষ্যে বর্তমানে একটি অভিন্ন মুদ্রা চালু করার বিষয়টি বিবেচনা করছে ব্রিকস। বর্তমানে রাশিয়া এবং চীন তাদের বাণিজ্যিক লেনদেনের প্রায় ৭০ শতাংশই সম্পন্ন করছে নিজেদের মুদ্রার মাধ্যমে। লাতিন আমেরিকায় ব্রাজিল এবং আফ্রিকা মহাদেশে দক্ষিণ আফ্রিকা ডলারের বিকল্প মুদ্রায় বাণিজ্যিক লেনদেনের পক্ষে। এসব দেশও ডলার মুক্ত বাণিজ্যিক লেনদেন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় এরইমধ্যে রাশিয়া ও ইরান বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ডলারকে বাদ দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বে ডলার রিজার্ভ রাখার প্রবণতা কমছে। ২০০৩ সালে এটি ছিল ৬৬ শতাংশ, আর সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তা কমে ৫৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আইএমএফ প্রধান ক্রিস্টালিনা বলেছে, ডলারের উপর নির্ভরশীলতা কমানোর তৎপরতা আগের চেয়ে বেড়েছে। কারণ বিভিন্ন দেশ মার্কিন ডলারের উপর তাদের অর্থনৈতিক নির্ভরতার ইতি টানতে চায়। বিভিন্ন দেশের ওপর আর্থিক ও রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের মার্কিন নীতি এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে। আমেরিকার ব্যাংকিং বিষয়ক বিশেষজ্ঞ মাইকেল সম্প্রতি সতর্ক করে বলেছে, ডলারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের পরিণতি ভালো হবে না। সম্প্রতি ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্র বলেছে, ডলারকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা হিসেবে ধরে নিয়ে এর ওপর ইউরোপের নির্ভরশীল থাকা উচিত হবে না এবং কৌশলগত স্বাধীনতা না থাকলে ইউরোপ ইতিহাস থেকে মুছে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।
রুশ বার্তা সংস্থা স্পুতনিক জানিয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাশিয়ার এবং চীনের মধ্যে বাণিজ্যিক লেনদেন ৯২ শতাংশ বেড়েছে এবং এসব লেনদেনে রুশ মুদ্রা রুবল ও চীনা মুদ্রা ইউয়ান ব্যবহৃত হচ্ছে। বাণিজ্য বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালে দুই দেশের বাণিজ্যিক লেনদেনের পরিমাণ ২৪ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছেছে। এই বিষয়ে, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক বিশেষজ্ঞ লি টি ওয়ান বলেছে, আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির সূচকগুলোর একটি হচ্ছে জাতীয় মুদ্রার ব্যবহার। জাতীয় মুদ্রা ব্যবহারে চীন অনেক বেশি অগ্রগামী এবং চীন একশ'রও বেশি দেশের সঙ্গে জাতীয় মুদ্রায় লেনদেনের বিষয়ে চুক্তি করেছে।
আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অধ্যাপক নিল র্ফাগুসন বলেছে, আমেরিকা বিশ্বে নিজের কর্তৃত্ব হারাতে বসেছে যেমনিভাবে এক সময় স্পেন, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড তাদের আধিপত্য হারিয়েছে।
গত বছরের শেষ দিকে ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী আধিপত্য বজায় রাখতে ডলারকে বড় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র। ডলারকে ব্যবহার করে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে বহু দেশকে কাবু করছে ওয়াশিংটন। এতে অনেক দেশ অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে। তবে ডলারের আধিপত্য রুখে দেওয়ার জন্য চীন, রাশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, ইরান, ভারতসহ অনেক দেশ চেষ্টা চালাচ্ছে।
ডলারের মুখ্য ভূমিকা যুক্তরাষ্ট্রের একটি অতিরিক্ত বিশেষাধিকার। এটি যুক্তরাষ্ট্রকে সহজেই তার বাণিজ্য এবং বাজেট ঘাটতির অর্থায়ন করার সুযোগ করে দেয়। দেশটি তাই কখনও লেনদেনের ভারসাম্য সংকটে পড়ে না। কারণ তারা নিজস্ব মুদ্রায় আমদানি এবং পরিষেবা বিল পরিশোধ করে থাকে। তারা আর্থিক প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা পেতে ডলারের দামকে প্রভাবিত করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক অর্থমন্ত্রী জন কনালি ১৯৭১ সালে বলেছিল- ডলার হলো ‘আমাদের মুদ্রা, কিন্তু আপনার সমস্যা। ’
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ব্যক্তি, সংস্থা, সরকার বা সমগ্র দেশকে দেওয়া হয়। যেমন ইরান, কিউবা ও সুদানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের জন্য বিএনপি পারিবাস নামের একটি ব্যাংক যুক্তরাষ্ট্রকে ৯ বিলিয়ন ডলার জরিমানা দিয়েছে এবং এক বছরের জন্য ব্যাংকটির ডলার ক্লিয়ারিং স্থগিত করা হয়েছে। এইচএসবিসি, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডসহ আরও কয়েকটি ব্যাংক অনুরূপ বড় জরিমানা প্রদান করেছে যুক্তরাষ্ট্রকে। এ কারণে বিশ্বব্যাপী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক এবং এক্সচেঞ্জগুলো রাশিয়ার কোম্পানির সঙ্গে লেনদেন বন্ধ করতে বাধ্য হয়।
১৯৯৯ সালে সারা বিশ্বের ৭০ শতাংশের বেশি রিজার্ভ ছিল মার্কিন ডলারে, ২০২১ সালে যা নেমে এসেছে ৫৯ শতাংশে। ২১ শতাংশের মতো বৈশ্বিক রিজার্ভ রয়েছে ইউরোতে। ডলারের প্রতিস্থাপনের জায়গায় অন্যান্য ট্র্যাডিশনাল রিজার্ভ মুদ্রা যেমন ইউরো, ইয়েন, পাউন্ড ইত্যাদির হার বাড়ছে না। দেশগুলো রিজার্ভে বৈচিত্র্য আনতে বাড়াচ্ছে অস্ট্রেলিয়ান ডলার, কানাডিয়ান ডলার, চীনা রেনমিনবি ইত্যাদি মুদ্রার মজুদ। ডলারের এ প্রতিস্থাপনের এক-চতুর্থাংশ মাত্র হয়েছে রেনমিনবিতে, বাকিটুকু অন্য কয়েকটি মুদ্রায়!
কেন এসব ‘নন-ট্র্যাডিশনাল’ মুদ্রায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রাখার হার বাড়ছে সে সম্পর্কে গবেষকরা বলছেন যে এ মুদ্রাগুলোর অন্তর্ভুক্তীকরণ রিজার্ভের বিনিয়োগে উচ্চতর রিটার্ন আনছে, ঝুঁকি হ্রাস করছে। এছাড়া নতুন ফাইন্যান্সিয়াল টেকনোলজি (ফিনটেক) যেমন অটোমেটিক মার্কেট মেকিং, অটোমেটেড লিকুইডিটি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ইত্যাদির সুবিধা বিভিন্ন মুদ্রায় বাণিজ্যের মূল্য পরিশোধের খরচ হ্রাস ও সহজতর করেছে, যা গত দশকেও এতটা সহজলভ্য ছিল না।
ডলার প্রতিস্থাপন ছাড়াও নিজস্ব মুদ্রায় আন্তর্জাতিক লেনদেন করে সংকট মেটাচ্ছে অনেক দেশ। ইতোমধ্যেই চীন এবং ব্রাজিল তাদের নিজস্ব মুদ্রায় ১৬ লাখ কোটি টাকার আন্তর্জাতিক লেনদেন করেছে। ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকও রাশিয়ার সাথে একই পথে অগ্রসর হচ্ছে।
চীনের নেতৃত্বে অর্থনৈতিক জোট ব্রিকসের সদস্যদের মধ্যে আছে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত এবং সাউথ আফ্রিকা। সৌদি আরব, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া ও আর্জেন্টিনাসহ বেশ কয়েকটি দেশ এই জোটে যোগ দেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে। আন্তর্জাতিক লেনদেনে ডলারের পরিবর্তে কোনো স্বর্ণ-মানের মুদ্রা অথবা ডিজিটাল মুদ্রা ব্যবহারের চিন্তা করেছে এই জোট। (ইনশাআল্লাহ চলবে)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
“বিশ্বের সব মুসলমান একটি দেহের ন্যায়”- এ হাদীছ শরীফের শিক্ষা মুসলমানেরা নেয়নি। কিন্তু কাফিররা এ হাদীছ শরীফের ফায়দা নিয়ে এত শক্তিশালী।
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আপনারা যুক্তরাষ্ট্রের দম্ভকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দেবেন: ইরানের জনগণকে উদ্দেশ্য করে ইয়েমেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সবেমাত্র আগ্রাসী ইসরায়েলকে শাস্তি দেয়া শুরু করেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইরানই ঠিক করবে যুদ্ধ কখন শেষ হবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে পরাজিত করেছে: খামেনি ২ সপ্তাহের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে পরাজিত করেছে ইরান
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বহুমুখী সমস্যায় পতিত দেশের আগর-আতর শিল্প পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে আতর শিল্পে নেই আধুনিক প্রযুক্তির সন্নিবেশ সঙ্কট ও সমস্যা সমাধান করে আগর-আতর শিল্প থেকে ইনশাআল্লাহ রফতানি হতে পারে ৩৫ হাজার কোটি টাকা।
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
অন্তর্বর্তী সরকারের আঠারো মাসে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট বলছে, ২০২৬ সালের প্রথম দেড় মাসে, অর্থাৎ ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৪৫ দিনে সরকার ৩৬টি অধ্যাদেশ জারি করে।
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মুশরিক ভারতের প্রতি লা’নত ওদের জনসংখ্যা দিন দিন নিম্নমুখী পক্ষান্তরে ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের দেশ বাংলাদেশে খোদায়ী রহমত। (সুবহানাল্লাহ) বাংলাদেশে জনসংখ্যার এখন ৬৫ ভাগই কর্মক্ষম এবং জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার উর্ধ্বগামী বাংলাদেশ ভোগ করছে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের নিয়ামত। সুবহানাল্লাহ!
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আফ্রিকার দৈত্য মুসলিম প্রধান দেশ- ‘নাইজেরিয়ায়’ আছে- ‘অফুরন্ত তেলের উৎস’ আছে- সবচেয়ে দামী খনিজ ‘লিথিয়াম’, ‘উচ্চ মানের লৌহ আকরিক’ সহ দুর্লভ সব খনিজ। বিশ্ব লুটেরা, হায়েনা, আমেরিকার- লোলুপ দৃষ্টি এখন ‘নাইজেরিয়ার’ উপর খ্রিস্টান নিধন চলছে এই মিথ্যা অজুহাতে- নাইজেরিয়া আক্রমনের ঘোষণা দিয়েছে, বিশ্ব ডাকাত সর্দার- ট্রাম্প।
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সুলতানুন নাছীর হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বদ দোয়ার কারণে আমেরিকা এখন চরমভাবে ক্ষতবিক্ষত, বিপর্যস্ত, ধ্বংসপ্রাপ্ত এবং মৃত আমেরিকা শুধু দাফন করা বাকি কিন্তু ভোগবাদে মক্ত চরম চরিত্রহীণ, পশ্বাধম আমেরিকাবাসী টালমাটাল হওয়ার কারণেই এখনো তা উপলব্ধি করতে পারছে না
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সুলতানুন নাছীর হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বদ দোয়ার কারণে আমেরিকা এখন চরমভাবে ক্ষতবিক্ষত, বিপর্যস্ত, ধ্বংসপ্রাপ্ত এবং মৃত আমেরিকা শুধু দাফন করা বাকি কিন্তু ভোগবাদে মক্ত চরম চরিত্রহীণ, পশ্বাধম আমেরিকাবাসী তালমাতাল হওয়ার কারণেই এখনো তা উপলব্ধি করতে পারছে না
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সুলতানুন নাছীর হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বদ দোয়ার কারণে আমেরিকা এখন চরমভাবে ক্ষতবিক্ষত, বিপর্যস্ত, ধ্বংসপ্রাপ্ত এবং মৃত আমেরিকা শুধু দাফন করা বাকি কিন্তু ভোগবাদে মক্ত চরম চরিত্রহীণ, পশ্বাধম আমেরিকাবাসী তালমাতাল হওয়ার কারণেই এখনো তা উপলব্ধি করতে পারছে না
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
এক কেজি আলু বেচে এক কাপ চা হয় না আলুর কেজি ৮ টাকা, লোকসানে কাঁদছে কৃষক ও ব্যবসায়ী ২৫০ মিলি লিটার পানির দামে এক কেজি আলু, আলুচাষির কান্নার আওয়াজ কে শুনবে? তিন মাসেও মেলেনি প্রণোদনা, লোকসানের চক্রে আলুচাষি আলু প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের উদ্যোগ জরুরি
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিভিন্ন দেশে দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের নেয়া ঋণকে ‘অডিয়াস ডেট’ বিবেচনা করে মওকুফ বা ঋণ পুনর্গঠনের উদাহরণ রয়েছে এ মুহূর্তে এমন ঋণ নিয়ে প্রক্রিয়া চালাচ্ছে লেবানন, গ্রিস, জাম্বিয়া, শ্রীলংকাসহ বেশ কয়েকটি দেশ কিন্তু দুর্নীতির মা- শেখ হাসিনার আমলে দুর্নীতিগ্রস্থ বিদেশী ঋণ নিয়ে প্রথমে অভিযোগ করলেও এখন নীরব সম্মতিতে, নিস্ক্রিয় হয়ে শেখ হাসিনার পক্ষেই হাটছে সরকার
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বাংলাদেশকে সুদী ইউনুস কতটা ঘৃণা করে এবং বাংলাদেশের চূড়ান্ত ক্ষতি ও সার্বভৌমত্ব বিক্রী কত বেশী পছন্দ করে; তার সাক্ষাত প্রমাণ আমেরিকার সাথে তার সরকারের বাণিজ্য চুক্তি
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












