সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে ফানা ও বাক্বা সারা কায়িনাত (১৯)
, ২৯ মুহররম শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১৬ ছানী, ১৩৯৪ শামসী সন , ১৫ জুলাই, ২০২৬ খ্রি:, ৩১ আষাঢ়, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
হযরত সুমাইয়্যাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা উনার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
হযরত ইবনে ইসহাক্ব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন,
أَنَّ سيدتنا حضرت سُمَيَّةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهَا أُمَّ حضرت عَمَّارٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَذَّبَهَا هَذَا الْحَيُّ مِنْ بَنِي الْمُغِيرَةِ عَلَى الْإِسْلَامِ وَهِيَ تَأْبَى حَتَّى قَتَلُوهَا وَكَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَمُرُّ بحَضْرَتْ عَمَّارٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ وَأُمِّهِ وَأَبِيهِ وَهُمْ يُعَذِّبُونَ بِالْأَبْطَحِ فِي رَمْضَاءِ مَكَّةَ فَيَقُولُ صَبْرًا يَا آلَ يَاسِرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ فَإِنَّ مَوْعِدَكُمُ الْجَنَّهُ
অর্থ: “সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করার কারণে উম্মু আম্মার সাইয়্যিদাতুনা হযরত সুমাইয়্যাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা উনাকে মুগীরাহ্ গোত্র বিভিন্নভাবে কষ্ট দিয়েছে। কিন্তু তিনি সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম ত্যাগ করতে অস্বীকার করেছেন। যার কারণে উনাকে তারা শহীদ করেছে। যখন হযরত আম্মার রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে এবং উনার সম্মানিত পিতা-মাতা উনাদেরকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্কা শরীফ উনার উত্তপ্ত উপত্যকায় কষ্ট দেয়া হচ্ছিলো, তখন উনাদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করার সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাদেরকে উদ্দেশ্য করে ইরশাদ মুবারক করতেন- ‘হে হযরত ইয়াসির রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার পরিবারগণ! আপনারা ধৈর্য ধারণ করুন। নিশ্চয়ই আপনাদের স্থায়ী ঠিকানা হচ্ছেন সম্মানিত জান্নাত মুবারক। অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা আপনাদের প্রতি সন্তুষ্টি মুবারক প্রকাশ করছেন’।” সুবহানাল্লাহ! (শু‘আবুল ঈমান ৩/১৭২)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عن سَيِّدِنَا حَضْرَتْ ذى النورين عَلَيْهِ السَّلَامُ (سَيِّدِنَا حَضْرَتْ عثمان عَلَيْهِ السَّلَامُ) قال بينما أنا أمشي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بالبطحاء إِذ بحَضْرَتْ عَمَّارٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ وأبيه وأمه يعذبون في الشمس ليرتدّوا عن الإِسلام فقال سَيِّدِنَا حَضْرَتْ أبو عمّار رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ يا رسول الله صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الدهرَ هكذا فقال صبراً يا آل ياسر رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ اللَّهمَّ إغفر لآل ياسر رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ
অর্থ: “সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে আমি (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্কা শরীফ উনার) একটি উপত্যকায় হাঁটছিলাম। তখন দেখলাম- হযরত আম্মার রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে এবং উনার সম্মানিত পিতা-মাতা উনাদেরকে সূর্যের উত্তপ্ত রৌদ্রের মধ্যে কঠিন যুলুম-নির্যাতন করা হচ্ছে যেন উনারা সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম থেকে ফিরে আসেন। না‘ঊযুবিল্লাহ! তখন সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ আম্মার রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বললেন, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সারাজীবন কি আমাদের অবস্থা এভাবেই থাকবে?’ জবাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে হযরত ইয়াসির রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার পরিবারগণ! আপনারা ধৈর্য ধারণ করুন। (তারপর তিনি উনাদের জন্য মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দো‘আ মুবারক করেন,) আয় বারে এলাহী, মহান আল্লাহ পাক! আপনি হযরত ইয়াসির রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার পরিবার-পরিজন উনাদের মর্যাদা মুবারক বৃদ্ধি করে দিন’।” সুবহানাল্লাহ! (কানযুল উম্মাল)
কিন্তু দিনের পর দিন অকথ্য নির্যাতন ও সীমাহীন নিপীড়নের পরেও উনাদেরকে পবিত্র ঈমান থেকে বিন্দুমাত্র বিচ্যুত করা যায়নি। বরং প্রতিটি নির্যাতনের সাথে সাথে উনাদের ঈমান, ইস্তিকামাত ও দৃঢ়তা আরও বৃদ্ধি পেতে থাকেন। সুবহানাল্লাহ! আর এটিই কাট্টা কাফির আবূ জেহেলকে ক্রমশ ক্ষিপ্ত, অপদস্থ ও হতাশ করে তোলে। একবার কাফিররা সারাদিন উত্তপ্ত রৌদ্রে কঠিন যুলুম-নির্যাতন করার পর সাইয়্যিদাতুনা হযরত সুমাইয়্যাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা তিনি প্রতিদিনের ন্যায় সন্ধ্যায় বাড়িতে গেলেন। তখন উনাকে কাট্টা কাফির আবূ জাহিল কঠিন অশ্লীল-অশালীন ভাষায় গালি-গালাজ করতে থাকে। এক পর্যায়ে সাইয়্যিদাতুনা হযরত সুমাইয়্যাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা উনার লজ্জাস্থানের দিকে সে বর্শা নিক্ষেপ করে উনাকে শহীদ করে। না‘ঊযুবিল্লাহ!
এ সম্পর্কে কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
أَنَّ أَبَا جَهْلٍ طَعَنَهَا فِي قُبْلِهَا بِحَرْبَةٍ فِي يَدِهِ فَقَتَلَهَا فَهِيَ أَوَّلُ شَهِيدٌ فِي الإسْلامِ وَكَانَ قَتْلُهَا قَبْلَ الهِجْرَةِ وَكَانَتْ مِمَّنْ أَظْهَرَ الإِسْلَامَ بِمَكَّةَ فِي أَوَّلِ الإسلام
অর্থ: “কাট্টা কাফির আবূ জাহিল স্বহস্তে উনার সম্মুখভাগে বর্শা নিক্ষেপ করে উনাকে শহীদ করে। না‘ঊযুবিল্লাহ! তিনিই হচ্ছেন সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রথম শহীদ। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হিজরত মুবারক উনার পূর্বেই উনাকে শহীদ করা হয়েছে। আর তিনিই হচ্ছেন সেই সম্মানিতা হযরত মহিলা ছাহাবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা যিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্কা শরীফ-এ থাকা অবস্থায় প্রকাশ্যে সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করার বিষয়টি ঘোষণা করেন।” সুবহানাল্লাহ! (উসদুল গ¦াবাহ্ ৩/৩৬৯)
হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার সূত্রে বর্ণিত রয়েছেন যে, সাইয়্যিদাতুনা হযরত সুমাইয়্যাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা উনাকে আবূ জাহিল বল্লম মেরে শহীদ করে। কঠিন যুলুম-অত্যাচারের কারণে সাইয়্যিদুনা হযরত ইয়াসির রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনিও শাহাদাত মুবারক গ্রহণ করেন। আর হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াসির রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকেও তীরবিদ্ধ করে শহীদ করা হয়। না‘ঊযুবিল্লাহ!
হযরত মুজাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
أول شهيد في الإسلام سيدتنا حضرت سمية رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهَا والدة حضرت عمار بن ياسر رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ وكانت عجوزا كبيرة ضعيفة ولما قتل أبو جهل يوم بدر قال النبيّ صلّى اللَّه عليه وسلّم لحضرتْ عَمَّارٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قتل اللَّه قاتل أمّك
অর্থ: “সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রথম শহীদ হচ্ছেন হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসির রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার সম্মানিতা মাতা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু আম্মার রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা তিনি। উনি ছিলেন খুবই বয়স্কা দুর্বলা। সম্মানিত বদর জিহাদ মুবারক-এ যখন কাট্টা কাফির আবূ জাহিলকে হত্যা করা হয়, তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি (অত্যন্ত খুশি মুবারক প্রকাশ করেন এবং) হযরত আম্মার রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে উদ্দেশ্য করে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনার সম্মানিতা মাতা উনার শহীদকারীকে হত্যা করেছেন’।” সুবহানাল্লাহ! (আল ইছাবাহ্ ৮/১৯০, ইবনে সা’দ)
তাহলে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে কতটুকু ফানা ও বাক্বা ছিলেন? তাহলে সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সবাইকে উনার মাঝে কতটুকু ফানা ও বাক্বা হতে হবে? তাহলে উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক কত বেমেছাল? এক কথায় তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন; এছাড়া সব। সুবহানাল্লাহ!
মূলত, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারাই হাক্বীক্বীভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত বুলন্দী শান মুবারক উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। যার কারণে উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে হাক্বীক্বীভাবে ফানা ও বাক্বা হয়ে উনার জন্য উনাদের ধন-সম্পদ সমস্ত কিছু তো বিসর্জন দিয়েছেনই; এমনকি শেষ পর্যন্ত উনাদের জানটুকুও কুরবান করে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
তাই, সমস্ত উম্মতের জন্য ফরযে আইন হচ্ছে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের অনুসরণে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে হাক্বীক্বীভাবে ফানা ও বাক্বা হয়ে উনার জন্য তাদের ধন-সম্পদ তো অবশ্যই; এমনকি নিজেদের জানটুকুও কুরবান করে দেয়া। সুবহানাল্লাহ! তাহলেই তারা ইহকাল ও পরকালে হাক্বীক্বী কামিয়াবী লাভ করতে পারবে।
উল্লেখ্য যে, পরবর্তী উম্মত যদি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে হাক্বীক্বী ফানা ও বাক্বা হতে চায়, তাহলে অবশ্যই আগে স্বীয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শায়েখ আলাইহিস সালাম উনার মাঝে হাক্বীক্বী ফানা ও বাক্বা হতে হবে। উনার মাঝে হাক্বীক্বী ফানা ও বাক্বা হতে পারলে আপসেআপ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে হাক্বীক্বী ফানা ও বাক্বা হতে পারবে। সুবহানাল্লাহ! অন্যথায় কস্মিনকালেও সম্ভব নয়।
(অপেক্ষায় থাকুন)
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিজেদের মতো ‘বাশার’ বা মানুষ বলা কাট্টা কুফরী
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে ফানা ও বাক্বা সারা কায়িনাত (১৮)
১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রসঙ্গ: খাতামুন নাবিয়্যীন শান মুবারক নিয়ে দেওবন্দীদের মনগড়া বক্তব্য ও লেখনীর দলীলভিত্তিক জবাব
১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ইসমে যাত বা নাম মুবারক বারবার বলা ও লেখা সম্পূর্ণ আদবের খিলাফ (২য় পর্ব)
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (২৩)
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, আল হাদ্বির ওয়ান নাযির, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র জীবনী মুবারক
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার চার খানা বিশেষ খুছূছিয়ত মুবারক (২)
০৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (২১)
০৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (২০)
০৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












