মন্তব্য কলাম
শতবর্ষ আগের ঐতিহ্যবাহী হেজাজ রেলওয়ে এখনও টিকে আছে জর্ডানে বিশ্বের মুসলমানদের একত্রিত করার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছিলো ‘দ্য হেজাজ রেলওয়ে’ নামে এই রেলপথ হেজাজ রেলওয়ে পূণর্জ্জীবিত করলে এর মাধ্যমে মুসলিম বিশ্বকে এক সূতায় বাঁধা সম্ভব সম্ভব মুসলিম বিশ্বের নিজস্ব বাণিজ্য, অর্থনীতি, সমরনীতি সমৃদ্ধ করে নতুন সোনালী অধ্যায়ের সূচনা ইনশাআল্লাহ!
, ২৩ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৫ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ২৯ পৌষ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মন্তব্য কলাম
মক্কা শরীফ উনার নগরীতে সহজে এবং নিরাপদে সফর করার উদ্দেশ্যে ১৯০০ সালে ‘দ্য হেজাজ রেলওয়ে’ প্রকল্প শুরু করেছিলেন দ্বিতীয় আবদুল হামিদ, যিনি ওসমানিয়া সালতানাতের (বর্তমান তুরস্ক) সুলতান ছিলেন।
তার আগ পর্যন্ত উটের কাফেলায় কয়েক সপ্তাহ ধরে মক্কা শরীফে সফর করতেন মুসলিম ব্যবসায়ী ও হজ্জযাত্রীরা।
সে সময় দামেস্ক থেকে মক্কা শরীফে পৌঁছাতে অন্তত ৪০ দিন সময় লাগতো। যাত্রা পথে শুষ্ক মরুভূমি আর পাহাড়ি পথ পাড়ি দিতে গিয়ে কাফেলার বহু যাত্রীর মৃত্যু হত।
রেলওয়ে প্রতিষ্ঠার পরে এই ৪০ দিনের যাত্রা নেমে আসে মাত্র পাঁচ দিনে।
এই প্রকল্পের অধীনে রেলওয়ে লাইনের দামেস্ক-মদিনা অংশ তৈরি হয়ে যাওয়ার পর তৎকালীন কনস্টান্টিনোপোল পর্যন্ত রেল লাইন তৈরির কাজ শুরু হয়, যা উত্তরে উসমানীয় সাম্রাজ্যের রাজধানী থেকে দক্ষিণে মক্কা শরীফ উনার নগর পর্যন্ত যোগাযোগের রাস্তা তৈরি করে।
তবে এই রেল প্রকল্পের তাৎপর্য কিন্তু স্রেফ এতটুকুই নয়।
এই প্রকল্পটি যখন বাস্তবায়ন করা হচ্ছিলো, তখন এটি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের পুরোটাই জোগাড় হয় বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের মুসলিমদের অর্থে, উসমানীয় সালতানাতের আয় ও নাগরিকদের করের টাকায়। প্রকল্পটি তৈরির সময় বিদেশি কোনো বিনিয়োগ বা সহায়তা নেয়া হয়নি।
আর এই কারণেই আজ পর্যন্ত এই রেলপথটিকে ‘ওয়াকফ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ‘ওয়াকফ’ এমন সম্পত্তি যেটিতে বিশ্বের সব মুসলমানের অধিকার আছে।
জর্দানে হেজাজ রেলওয়ের মহাপরিচালক জেনারেল উজমা নালশিক বলেন, “এটি কোনো দেশ বা কোনো ব্যক্তির সম্পদ নয়। এটি বিশ্বের প্রত্যেক মুসলিমের সম্পদ। এটি মসজিদের মত এমন এক সম্পদ যা বিক্রি করা যায় না।”
“বিশ্বের যে কোনো দেশের মুসলমান এখানে এসে দাবি করতে পারেন যে এই সম্পদে তার অংশ রয়েছে”, বলেন উজমা নালশিক।
সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদ, যিনি ১৯০০ সালে ‘দ্য হেজাজ রেলওয়ে’ প্রকল্প শুরু করেছিলেন।
হেজাজ রেলওয়ের গুরুত্ব:
হেজাজ রেলওয়ে প্রকল্প ধর্মীয় দিক থেকে যেমন গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তেমনি এর রাজনৈতিক গুরুত্ব ও সুফলও ছিল ব্যাপক। এ প্রকল্প শুরুর কয়েক দশক আগে থেকেই প্রতিপক্ষরা উসমানীয় সালতানাতে ভাঙন ধরাতে শুরু করেছিল।
উসমানীয় সালতানাতের অন্তর্ভুক্ত তিউনিসিয়ার দখল নিয়েছিল ফ্রান্স, ব্রিটিশরা আগ্রাসন চালিয়েছিল মিশরে। রোমানিয়া, সার্বিয়া ও মন্টেনিগ্রোও উসমানীয় সাম্রাজ্য থেকে স্বাধীন হয়ে যায়।
উসমানীয় সালতানাতের সব মানুষকে একত্রিত করে শুধু বিশ্বের মুসলিমদেরই নয়, নিজ সালতানাতকেও এক সুতায় বাঁধতে চেয়েছিলেন সুলতান দ্বিতীয় আব্দুল হামিদ।
তবে তার সেই প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত করতে দেয়নি কাফিররা। ১৯০৮ সালে হেজাজ রেলপথে দামেস্ক থেকে মদিনা শরীফে প্রথম ট্রেনযাত্রা শুরু হওয়ার পরের বছরই ক্ষমতাচ্যুত হন দ্বিতীয় আব্দুল হামিদ। তারপর তো কালের পরিক্রমায় উসমানীয় সাম্রাজ্যই ইতিহাসের গর্ভে হারিয়ে গেল।
উসমানীয় সাম্রাজ্য যেভাবে ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেছে, তেমনি হেজাজ রেলপথটিও এখন হয়ে গেছে পাঁচটি দেশের অংশ। রেলপথটি এখন তুরস্ক, সিরিয়া, জর্ডান, সৌদি আরব ও ফিলিস্তিনের বুক চিরে চলে গেছে।
১৯১৪ সাল পর্যন্ত বছরে ৩ লাখ যাত্রীকে সেবা দেওয়া হেজাজ রেলওয়ে নির্মাণের পর এক দশক পর্যন্ত নিজের গুরুত্ব ধরে রাখে। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে এ রেলওয়েকে বলা হতো ‘দি আয়রন সিল্ক রোড’। ওই অঞ্চলের মানুষের সমন্বিত উদ্যোগের সর্বশেষ উদাহরণ হেজাজ রেলওয়ে প্রকল্প।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় তুরস্কের সেনাবাহিনী এই রেলপথ ব্যবহার করা শুরু করলে ‘লরেন্স অভ অ্যারাবিয়া’ খ্যাত ব্রিটিশ অফিসার টিই লরেন্স ও বিদ্রোহী আরব যোদ্ধারা এর ওপর উপর্যুপরি হামলা চালায়।
যুদ্ধের পর ব্রিটিশ ও ফরাসিরা পূর্ব ভূমধ্যসাগরের লেভান্ত অঞ্চলের পুনর্দখল নেয়। সে সময় তারা গুরুত্ব দিয়ে এই ক্ষতিগ্রস্ত রেললাইনের পুনঃসংস্কার করে।
হেজাজ রেলওয়ের বর্তমান হাল-হাক্বীক্বত:
বর্তমানে আম্মানের মূল স্টেশনে অলস দাঁড়িয়ে থাকে ‘রঙিন’, ‘নীরব’ বাষ্পীয় রেল ইঞ্জিন। স্টেশনের জাদুঘরে এই রেলওয়ে-সংক্রান্ত নানা জিনিস-পুরনো টিকিট, ছবি, লন্ঠন-সাজিয়ে রাখা হয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য। একটি বগি সংস্কার করা হয়েছে। বিলাসবহুল ভেলভেট চেয়ার আর সোনালি রঙের বাতিতে সজ্জিত সেই বগি দাঁড়িয়ে আছে শতবর্ষ আগের ঐশ্বর্যের সাক্ষী হয়ে।
এই রেললাইন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর গবেষক শেখ আলী আতানতাভি লিখেছিলেন; ‘হেজাজ রেলওয়ের ঘটনাটা সত্যিই মর্মান্তিক। লাইন আছে কিন্তু ট্রেন চলে না। স্টেশন আছে কিন্তু যাত্রী নেই।’
তবে হেজাজ রেলওয়ের ঘটনা শুধু ভুল আর দীর্ঘশ্বাসেই আটকে নেই। বিগত বছরগুলোতে রেলওয়েটির কিছু অংশ সংস্কার করা হয়েছে। ২০১৬ সালে হেজাজ রেলওয়ের হাইফা থেকে বেইত শিয়ন পর্যন্ত অংশ পুনর্নির্মিত করে সেই অংশে ট্রেন চলাচল শুরু করে ফিলিস্তিনের ভূমি দখল করে থাকা সন্ত্রাসী ইসরায়েল।
২০১১ সালে আম্মান থেকে দামেস্ক পর্যন্ত এই লাইনে ট্রেন চলত। লাইনটি তখন স্থানীয়দের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ওই সময় আম্মানের লোকজন এই রেলে চেপে ‘সাপ্তাহিক ছুটি কাটাতে’ সিরিয়া চলে যেত।
জর্ডানের নাগরিকরা এখনও এই রেলপথের দুটি অংশ ব্যবহার করতে পারে। এখন অবশ্য গ্রীষ্মের সময় মরুর বুক চিরে বাষ্পীয় ইঞ্জিনচালিত একটি ট্রেন চলে। এটি চলে মূলত পর্যটকদের জন্য।
এছাড়াও আম্মান থেকে আল জাজ্জাহ স্টেশন পর্যন্ত সপ্তাহে একদিন ট্রেন চলে। এই সাপ্তাহিক ট্রেনটি সারা বছরই চলে। কিছু কিছু অংশে এই ঐতিহাসিক ট্রেন আধুনিক রেললাইনের পাশ দিয়ে যায়।
বস্তুত স্থানীয়রা এই রেলওয়েকে এখন অনেকটাই চিত্তবিনোদনের জন্য ব্যবহার করেন।
মরে যায়নি পুনর্জীবিত করার আশা:
বর্তমানে মূলত পর্যটন ও চিত্তবিনোদনের জন্য ব্যবহৃত হলেও হেজাজ রেলওয়েকে ট্র্যাককে ফের জীবিত করে তোলার আশা মরে যায়নি। সংশ্লিষ্টদের আশা, এই রেলওয়ে আবারও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
উজমা নালশিক জানান, এই রেলপথটির ব্যবহারিক গুরুত্ব রয়েছে। প্রতিদিন ৬ লাখ মানুষ প্রতিদিন যারকা থেকে আম্মানে যাতায়াত করেন। শহর দুটির দূরত্ব ৩০ কিলোমিটার। মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্য এই দুই শহরে ফের হেজাজ রেলওয়ে চালু করা যায় কি না, তা নিয়ে গবেষণা চলছে।
নালশিক বলেন, ‘হেজাজ রেলওয়ের ইতিহাসের সঙ্গে মানুষকে পরিচিত করানোও একটি উদ্দেশ্য। অনেক মানুষই এখান দিয়ে যায়, কিন্তু জানে না যে ১১০ বছরের পুরনো একটি স্টেশন এখানে এখনও চালু রয়েছে। আমি একে জর্ডানের টুরিস্ট ম্যাপে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করছি।’
এছাড়াও এই রেলওয়েকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যও রয়েছে।
২০১৫ সালে সৌদি আরব একে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রাখে। যদিও সৌদি আরব জর্ডানের মতো তাদের অংশের রেললাইন সংস্কার করে চালু করেনি।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে সিরিয়া থেকে যাত্রী নিয়ে সৌদি আরবে কোন ট্রেন যাবে, এই চিন্তাই কেউ করছে না। কিন্তু মুসলিম বিশ্বের জন্য হেজাজ রেলওয়ের ঐতিহ্য ও ইতিহাস এখনও অক্ষুন্ন আছে ইনশাআল্লাহ! তাই রেলওয়ে নতুন করে চালু হওয়ার সম্ভাবনাও উজ্জল। মুসলিম বিশ্ব এই রেল সংযোগে এক সূতোয় আবদ্ধ হতে পারে। এতে যোগাযোগের পাশাপাশি বাড়বে মুসলিম বিশ্বের বাণিজ্য অর্থনীতি। অবিশাস্ব সোনালী যুগের হাতছানী। ইনশাআল্লাহ!
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোপনীয় বাণিজ্য চুক্তি: জনগণের অজান্তে জিএমও খাদ্য অর্থাৎ বিষ ও রোগ জীবাণু ঢোকানোর ষড়যন্ত্র
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
“সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস” ব্যক্ত করার সরকারকে অবিলম্বে কুরআন শরীফে হারাম ঘোষিত শুকরের গোশত আমদানীর বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
দেশি আম বাজারে আসার আগেই শুরু হয়েছে কথিত কেমিক্যাল অপপ্রচার : দেশীয় ফলের বিরুদ্ধে বিদেশী দালাল চক্রের এই অপপ্রচার রুখতে হবে।
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘ইউনিসেফ’ এর ভয়ংকর তৎপরতা। বাংলাদেশের শিশু ও শিক্ষার্থীদের পশ্চিমা দাস বানানোর প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ইউনিসেফ। (১)
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
উচ্চ আদালতে ‘ডেড ল’ বা অকার্যকর ঘোষিত ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি ১৯০০’ পুণঃবহালের অপচেষ্ঠা চলছে। উচ্চ আদালত, সেনাবাহিনী এবং সরকারের উচিত দেশবিরোধী এই চক্রান্ত ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া। (৩)
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
৭১ এ তারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধীতার নামে। তবে তারা ২০২৬- এ আমেরিকার আধিপত্যবাদী বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় নামছে না কেন?
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মৃত আইন- “পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি-১৯০০”: অখ-তার পথে এক ঔপনিবেশিক কাঁটা
১০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার বরকতে- দেশের বুকে স্থলে, নদীতে, পাহাড়ে, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে, বঙ্গোপসাগরে রয়েছে বিপুল পরিমাণ মহামূল্যবান ইউরেনিয়াম। বাংলাদেশের ইউরেনিয়াম অনেক বেশী গুণগত মান সম্পন্ন ভারতসহ দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের কারণেই তা উত্তোলন হচ্ছে না। হিন্দুস্থান টাইমস ও কুখ্যাত প্রথম আলো তথা ভারত আমেরিকার কুচক্রীরা একযোগে ষড়যন্ত্র করছে। জনগণকে জনসচেতন হতে হবে ইনশাআল্লাহ। (৩য় পর্ব)
০৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
প্রধানমন্ত্রীকে সাবধান থাকতে হবে- তার মন্ত্রী বা উপদেষ্টাদের দ্বারা যেনো দেশের ভাবমর্যাদা নষ্ট না হয়! বি.এন.পি ক্ষমতায় আসলেই দেশ, সন্ত্রাসবাদের ঝুকিতে পড়ে এই ধরণের প্রচারণার জন্য তথ্য উপদেষ্টার, ‘দেশে সন্ত্রাসবাদ আছে’- এই মিথ্যা উক্তিই কী যথেষ্ট নয়?
০৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আত্মঘাতী ঋণের কঠিন শর্তের বেড়াজালে আটকে যাচ্ছে সরকার। দেশবাসী কেনো নির্বিকার?
০৮ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পূর্ব তিমুর কেনো মুসলমানদের হারানো ভূমি? পূর্ব তিমুরের ঘটনা কী শিক্ষা দেয়। উপজাতিরা কেনো খ্রীস্টান হয়? উপজাতিরা কেনো মুসলমান হয় না? কেনো কঠিন হয়রানির মুখোমুখি হয়। স্বাধীন জুমল্যান্ড তথা খ্রীস্টান রাজ্য বানানোর বিপরীতে ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানকে গর্জে উঠতে হবে ইনশাআল্লাহ।
০৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইউনুসের দেশদ্রোহীতার বয়ান : এক সাংবাদিকের জবানবন্দি (৩)
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












