মন্তব্য কলাম
প্রশাসন খবর না রাখলেও প্রচ- শীতে মারা যায় হাজার হাজার লোক। চরম ভোগান্তিতে পড়ে কোটি কোটি লোক। সরকারি সাহায্যের হাত এখনও না বাড়ানো মর্মান্তিক। তবে শুধু লোক দেখানো উদ্যোগ গ্রহণই নয়; প্রকৃত সমাধানে চাই সম্মানিত ইসলামী চেতনার বিস্তার। তাহলে ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এদেশে কোনো আর্তেরই আহাজারি উচ্চারণ হবার নয়।
, ২১ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৪ সাবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ২৮ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মন্তব্য কলাম
শীতকালের অন্যতম আলোচিত শব্দ ‘শৈত্যপ্রবাহ’। শীত আসি আসি করতেই আবহাওয়া অধিদপ্তর ব্যস্ত হয়ে পড়ে শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস নিয়ে।
বাংলাদেশে সাধারণত ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে শুরু করে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত শীতকাল থাকে। এ সময় হিমালয়ের পাদদেশ থেকে ঠা-া বাতাস উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিক দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়; ফলে শীত অনুভূত হয়।
এই তাপমাত্রা কমতে কমতে একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় পৌঁছালে শৈত্যপ্রবাহ চলছে বলে ধরে নেয়া হয়। আবহাওয়াবিদদের মতে, সমতল অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে এবং স্বাভাবিক থেকে তার পার্থক্য ন্যূনতম ৫ ডিগ্রি হলে আবহাওয়ার সেই পরিস্থিতিকে শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।
বাংলাদেশের তাপমাত্রা ভেদে শৈত্যপ্রবাহকে চারটি স্তরে ভাগ করা হয়। তাপমাত্রা সাধারণত ১০ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে। তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রিতে নেমে এলে মাঝারি এবং ৬ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামলে তাকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। আবার তাপমাত্রা যদি ৪ ডিগ্রির নিচে নেমে যায়, সেটা হয় অতি শৈত্যপ্রবাহ।
২০১৮ সালের জানুয়ারিতে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় দেশের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহের উদাহরণ। ৫০ বছরের মধ্যে দেশের ইতিহাসে সেটিই ছিল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
এর আগে ১৯৬৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
শৈত্যপ্রবাহের সময় মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়। বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠী পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে তীব্র কষ্টে থাকেন এ সময়। ফলে হাইপোথার্মিয়া এবং শ্বাসযন্ত্রজনিত রোগের প্রকোপ বেড়ে যায় এ সময়। কৃষিক্ষেত্রে শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব পড়ে। শৈত্যপ্রবাহের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে আলু, সরিষা এবং গমের মতো শীতকালীন ফসল। এ ছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিশেষ করে সড়ক, নৌ ও বিমানপথে যাতায়াত কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয় ঘন কুয়াশার কারণে।
রংপুর জেলাসহ বিভাগের আট জেলায় চলতি মৌসুমের প্রথম মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে
হিমেল হাওয়া, ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে কাবু উত্তরের জনপদ। রংপুর জেলাসহ বিভাগের আট জেলায় চলতি মৌসুমের প্রথম মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে দেশের সর্বোত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে দিন দিন নামছে তাপমাত্রার পারদ, জেঁকে বসেছে শীত। শীত বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্বাসতন্ত্রের রোগ, ডায়রিয়া ও অন্য কিছু রোগের প্রকোপ বাড়ছে। প্রতিদিন হাসপাতালে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সারা দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এর মাধ্যমে এলাকাটিতে চলতি মৌসুমের প্রথম মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়।
যশোরে শীতের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া ও সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। দুই মাস বয়সী আহনাফ এবং ছয় বছর বয়সী আরিয়ান সহ শতাধিক শিশু হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। বহির্বিভাগে চার শতাধিক শিশু চিকিৎসা নিয়েছে, অথচ শিশু ওয়ার্ডের সিট সংখ্যা অপ্রতুল।
আবহাওয়ার এই পরিসংখ্যান বলছে যতই দিন যাচ্ছে তাপমাত্রার পারদ কেবলই নিচের দিকে নামছে। মধ্য পৌষে যেন হামলে পড়েছে শীত। ভোরে ঘন কুয়াশা আর দিনভর ঠা-া বাতাসে কাবু হয়ে পড়েছে ছিন্নমূল মানুষগুলো। রাতে তা আরও অসহনীয় হয়ে উঠছে। গাছপালা বেশি থাকায় শহর-নগরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে শীতের কাঁপুনি বেশি। কষ্ট ও দুর্ভোগ। হিমেল বাতাস আর তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে উত্তর জনপদের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষগুলো পড়েছেন বিপাকে।
কৃষি বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, কুয়াশার কারণে সরিষা ক্ষেতের ফুল ঝরে পড়েছে এবং বীজতলায় বোরো ধানের চারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য রবি ফসলও ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আশংকা করছে কৃষিবিভাগ। জেলার তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীপথে নৌ চলাচল বিঘিœত হওয়ায় চরাঞ্চলের মানুষ বিপাকে পড়ছে।
এদিকে জেলার গ্রামীণ জনপদ এবং যমুনা, ব্রহ্মপুত্র ও নদী তীরবর্তী এলাকার দুঃস্থ পরিবারগুলো গরম কাপড়ের অভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েছে। জেলা উপজেলা সদরে গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে শীতার্ত মানুষদের গরম কাপড় সংগ্রহে উপচে পড়া ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার সুযোগে ব্যবসায়ীরা গরম কাপড়ের অস্বাভাবিক মূল্যও বৃদ্ধি করে দিয়েছ। ফলে দরিদ্র মানুষের পক্ষে শীতবস্ত্র সংগ্রহ করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে।
দেশের উত্তরাঞ্চলে শীতের কারণে ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। চিকিৎসকদের মতে, প্রচ- ঠা-ায় নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, সর্দি, কাশিসহ ভাইরাসজনিত রোগ বেড়ে যায়। এ অবস্থায় ঠা-া থেকে শিশু ও বয়স্কদের সুরক্ষার ব্যবস্থা নিতে হবে। ঠা-ার কারণে শিশু ও বয়স্কদের হালকা গরম পানি সেবন করানো উচিত। শীতকালে ফুসফুসে জীবাণু সংক্রমণের হার বেড়ে যায়। ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার পাশাপাশি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সৃষ্টি হয়। শীতে বয়োজ্যেষ্ঠ ও শিশুরা বেশি আক্রান্ত হয়। আগে থেকে যারা অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস শ্বাসরোগে ভুগছেন তাদের রোগ শীতে জটিল হয়ে ওঠে। শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত ও জীবাণু বহনকারী রোগীদের যত্রতত্র কাশি না দেয়াই উচিত। উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় প্রচ- শীতে প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে গরিব-দুঃখী মানুষের জীবনযাত্রা। খুব প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না মানুষ। শীতে প্রতিবারের মতো এবারও গরম কাপড়ের অভাবে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে হতদরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষ। শীতার্তদের জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে কম্বল ও শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু হয়েছে সরকারি উদ্যোগে। তবে চাহিদার তুলনায় কম হওয়ায় তা সব গরিব-দুঃখী মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। এ বাস্তবতা মনে রেখে শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে সমাজের সম্পন্ন মানুষদেরও এগিয়ে আসতে হবে।
বলাবাহুল্য, প্রতিবছরই শীতে এরূপ হাজার হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে। কষ্ট পাচ্ছে লাখ লাখ লোক। রোগ-শোকসহ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি হচ্ছে। কিন্তু কোনো সরকারই এর কোন পরিবর্তন হচ্ছে না। এমনকি দিন বদলের সরকারেরও কোন বদল হলো না যা গভীর আক্ষেপজনক।
বলার অপেক্ষা রাখেনা, শীতবস্ত্রের অভাবে প্রাণহানি ঘটা খুবই মর্মান্তিক। এটা সরকার মেনে নিচ্ছে কী করে? চুপ থাকছে কীভাবে? সরকার যদি যথাযথভাবে তৎপর হয় পাশাপাশি দেশের অবস্থাসম্পন্নরা যদি একটু মানবিক হন, তাহলে শীতের কারণে কোনো মানুষের মৃত্যু ঘটতে পারে না। শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে অবিলম্বে সরকারকে তৎপর হতে হবে। পাশাপাশি এনজিও বা বেসরকারি সংস্থা, সামাজিক ও সমাজের বিত্তবান গোষ্ঠীসহ সকলের মানবিক ভূমিকাও এ ক্ষেত্রে বলার অপেক্ষা রাখেনা। বলাবাহুল্য সরকারসহ সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা থাকলে শীতজনিত কারণে কোনো দুর্ভোগ পোহাতে হবে না কাউকে।
মূলত, এটা তখনই সম্ভব যখন জনগণের মাঝে সম্মানিত ইসলামী চেতনার প্রসার ঘটবে। এছাড়া কেউ শীতবস্ত্র প্রদান করলে তা হয় শুধু লোক-দেখানো বা ছবি তোলা ভিত্তিক কার্যক্রম। উল্লেখ্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বস্থহীন (শীত বস্ত্র হীনও এক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত) বস্ত্র দানের অনেক ফযীলত বর্ণনা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে আমাদের নামধারী আলিমদের কোন ভূমিকা নেই বললেই চলে। অথচ পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আবেদন অনেক।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা মুবারক করেন। আমি মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলতে শুনিছি, যে কোনো মুসলমান কোনো মুসলমানকে একটি কাপড় পরাবে, সে মহান আল্লাহ পাক উনার হিফাযত মুবারকে থাকবে, যে পর্যন্ত কাপড়ের একটি টুকরাও তার গায়ে থাকবে। (আহমদ ও তিরমিযী)
হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে কোনো মুসলমান কোনো মুসলমানকে তাহার বস্ত্রহীনতায় কাপড় পরাবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে বেহেশতী সবুজ পোশাক মুবারক পরিধান করাবেন। (আবু দাউদ ও তিরমিযী)
বলাবাহুল্য, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের মধ্যে বস্ত্রহীন তথা শীতার্তকে শীতবস্ত্র দানের এরূপ ফযীলতের কথা বহু প্রসঙ্গে বহুবার বলা হয়েছে। যার চেতনা শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমানের এদেশে সব আহাজারিই দূর করতে পারে।
মূলত, এসব বিষয় বাস্তবায়নের অনুভূতি ও দায়িত্ববোধ আসে পবিত্র ঈমান ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাদের অনুভূতি ও প্রজ্ঞা থেকে। এই অনুভূতি ও প্রজ্ঞা আসে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ অনন্তকালব্যাপী পালন করার ইলম ও জজবা থেকে। আর তার জন্য চাই নেক ছোহবত মুবারক তথা মুবারক ফয়েয-তাওয়াজ্জুহ।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
আপনারা যুক্তরাষ্ট্রের দম্ভকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দেবেন: ইরানের জনগণকে উদ্দেশ্য করে ইয়েমেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সবেমাত্র আগ্রাসী ইসরায়েলকে শাস্তি দেয়া শুরু করেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইরানই ঠিক করবে যুদ্ধ কখন শেষ হবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে পরাজিত করেছে: খামেনি ২ সপ্তাহের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে পরাজিত করেছে ইরান
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বহুমুখী সমস্যায় পতিত দেশের আগর-আতর শিল্প পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে আতর শিল্পে নেই আধুনিক প্রযুক্তির সন্নিবেশ সঙ্কট ও সমস্যা সমাধান করে আগর-আতর শিল্প থেকে ইনশাআল্লাহ রফতানি হতে পারে ৩৫ হাজার কোটি টাকা।
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
অন্তর্বর্তী সরকারের আঠারো মাসে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট বলছে, ২০২৬ সালের প্রথম দেড় মাসে, অর্থাৎ ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৪৫ দিনে সরকার ৩৬টি অধ্যাদেশ জারি করে।
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মুশরিক ভারতের প্রতি লা’নত ওদের জনসংখ্যা দিন দিন নিম্নমুখী পক্ষান্তরে ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের দেশ বাংলাদেশে খোদায়ী রহমত। (সুবহানাল্লাহ) বাংলাদেশে জনসংখ্যার এখন ৬৫ ভাগই কর্মক্ষম এবং জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার উর্ধ্বগামী বাংলাদেশ ভোগ করছে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের নিয়ামত। সুবহানাল্লাহ!
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আফ্রিকার দৈত্য মুসলিম প্রধান দেশ- ‘নাইজেরিয়ায়’ আছে- ‘অফুরন্ত তেলের উৎস’ আছে- সবচেয়ে দামী খনিজ ‘লিথিয়াম’, ‘উচ্চ মানের লৌহ আকরিক’ সহ দুর্লভ সব খনিজ। বিশ্ব লুটেরা, হায়েনা, আমেরিকার- লোলুপ দৃষ্টি এখন ‘নাইজেরিয়ার’ উপর খ্রিস্টান নিধন চলছে এই মিথ্যা অজুহাতে- নাইজেরিয়া আক্রমনের ঘোষণা দিয়েছে, বিশ্ব ডাকাত সর্দার- ট্রাম্প।
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সুলতানুন নাছীর হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বদ দোয়ার কারণে আমেরিকা এখন চরমভাবে ক্ষতবিক্ষত, বিপর্যস্ত, ধ্বংসপ্রাপ্ত এবং মৃত আমেরিকা শুধু দাফন করা বাকি কিন্তু ভোগবাদে মক্ত চরম চরিত্রহীণ, পশ্বাধম আমেরিকাবাসী টালমাটাল হওয়ার কারণেই এখনো তা উপলব্ধি করতে পারছে না
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সুলতানুন নাছীর হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বদ দোয়ার কারণে আমেরিকা এখন চরমভাবে ক্ষতবিক্ষত, বিপর্যস্ত, ধ্বংসপ্রাপ্ত এবং মৃত আমেরিকা শুধু দাফন করা বাকি কিন্তু ভোগবাদে মক্ত চরম চরিত্রহীণ, পশ্বাধম আমেরিকাবাসী তালমাতাল হওয়ার কারণেই এখনো তা উপলব্ধি করতে পারছে না
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সুলতানুন নাছীর হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বদ দোয়ার কারণে আমেরিকা এখন চরমভাবে ক্ষতবিক্ষত, বিপর্যস্ত, ধ্বংসপ্রাপ্ত এবং মৃত আমেরিকা শুধু দাফন করা বাকি কিন্তু ভোগবাদে মক্ত চরম চরিত্রহীণ, পশ্বাধম আমেরিকাবাসী তালমাতাল হওয়ার কারণেই এখনো তা উপলব্ধি করতে পারছে না
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
এক কেজি আলু বেচে এক কাপ চা হয় না আলুর কেজি ৮ টাকা, লোকসানে কাঁদছে কৃষক ও ব্যবসায়ী ২৫০ মিলি লিটার পানির দামে এক কেজি আলু, আলুচাষির কান্নার আওয়াজ কে শুনবে? তিন মাসেও মেলেনি প্রণোদনা, লোকসানের চক্রে আলুচাষি আলু প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের উদ্যোগ জরুরি
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিভিন্ন দেশে দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের নেয়া ঋণকে ‘অডিয়াস ডেট’ বিবেচনা করে মওকুফ বা ঋণ পুনর্গঠনের উদাহরণ রয়েছে এ মুহূর্তে এমন ঋণ নিয়ে প্রক্রিয়া চালাচ্ছে লেবানন, গ্রিস, জাম্বিয়া, শ্রীলংকাসহ বেশ কয়েকটি দেশ কিন্তু দুর্নীতির মা- শেখ হাসিনার আমলে দুর্নীতিগ্রস্থ বিদেশী ঋণ নিয়ে প্রথমে অভিযোগ করলেও এখন নীরব সম্মতিতে, নিস্ক্রিয় হয়ে শেখ হাসিনার পক্ষেই হাটছে সরকার
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বাংলাদেশকে সুদী ইউনুস কতটা ঘৃণা করে এবং বাংলাদেশের চূড়ান্ত ক্ষতি ও সার্বভৌমত্ব বিক্রী কত বেশী পছন্দ করে; তার সাক্ষাত প্রমাণ আমেরিকার সাথে তার সরকারের বাণিজ্য চুক্তি
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিশ্লেষকদের অভিমত: এলএনজি আমদানিতে বিপর্যস্ত হবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। দেশে উৎপাদিত গ্যাসের চেয়ে ২৪ গুণ বেশি দামে এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে। এলএনজির ভর্তুকি পোষাতে বার বার গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। জ্বালানি খাতে আর কত শোষিত হবে দেশের জনগণ?
০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












