মন্তব্য কলাম
প্রতিবছর ২৫ লাখ বাংলাদেশী রোগী ভারতে গিয়ে ৬০ হাজার কোটি টাকা অপচয় করে এর পেছনে রয়েছে ভারতের মেডিক্যাল টুরিজমের ফাঁদ, এদেশের হাসপাতালের হিন্দুবাদী ডাক্তারদের ষড়যন্ত্র এবং কিছু লোকের অজ্ঞতা ও তথাকথিত স্ট্যাটাস প্রবণতা এবং হিন্দু বিদ্বেষী ঈমানী চেতনা না থাকা
ভারতের সেবাদাস- পতিত সরকার ভারতের কুপরামর্শে- দেশের চিকিৎসাকে স্বয়ংসম্পূর্ণ, স্বচ্ছ ও সমৃদ্ধ হতে দেয়নি অবিলম্বে চিকিৎসা খাতকে সমৃদ্ধ করার সব ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে ইনশাআল্লাহ (দ্বিতীয় পর্ব)
, ১৭ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ২২ সাবি’, ১৩৯২ শামসী সন , ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪ খ্রি:, ০৫ পৌষ , ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মন্তব্য কলাম
চিকিৎসার জন্য অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে দেশের অনেক মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে। অন্যদিকে সরকারি হাসপাতালগুলোতে যথাযথ চিকিৎসা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে রোগীরা। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও জেলা পর্যায়ের জেনারেল হাসপাতালের মতো চিকিৎসার প্রতিটি পর্যায়ে জনবলের সংকটের কারণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। গড় আয়ু বাড়লেও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা না পাওয়ায় দেশের বয়স্ক ব্যক্তিরা জীবনের শেষ ভাগে বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছেন। তাই স্বাস্থ্য কমিশন গঠন জরুরি। দেশে কার্যকর কোনো স্বাস্থ্যনীতি নেই। এখন আমাদের আগামী ৫০ বছরের জন্য স্বাস্থ্য খাতের রূপরেখা নিয়ে ভাবতে হবে। বৈষম্যমুক্ত সমাজ গঠনের অন্যতম প্রধান কাজ হলো বৈষম্যমুক্ত স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা। আমাদের সংবিধানেও বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
জানা যায়, বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি হাসপাতাল রয়েছে ৬৫৪টি এবং এসব হাসপাতালে মোট শয্যার সংখ্যা ৫১ হাজার ৩১৬। এদিকে বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে ৫ হাজার ৫৫টি, যেখানে মোট শয্যার সংখ্যা ১ লাখ ৫ হাজার ১৮৩। সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে মোট আইসিইউ শয্যা রয়েছে মাত্র ১ হাজার ১৬৯টি। সরকারি হাসপাতাল ৪৩২টির মধ্যে ঢাকায় রয়েছে ৩২২টি এবং ঢাকার বাইরে ১১০টি হাসপাতাল রয়েছে। এসবের মধ্যে সরকারি হাসপাতালগুলোয় ধারণক্ষমতার তিন গুণ বেশি রোগীর সেবা দেয়া হয়। এত সংখ্যক রোগীদের ভীড় থাকলেও স্বাস্থ্যসেবা খাতে বরাদ্দ দেশের মোট জিডিপির ৫ শতাংশেরও কম।
স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের বরাদ্দ দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের বিশেষায়িত সব সরকারি হাসপাতালে শয্যার চেয়ে ৫৩ শতাংশ রোগী বেশি ভর্তি হয়। এতেই বোঝা যায় আমাদের এখনো রোগীদের সেবা দেয়ার মতো পর্যাপ্ত সরকারি হাসপাতাল নেই। জেলা ও মেডিকেল কলেজে রোগী ভর্তির হার যথাক্রমে ১৩৭ ও ১৫২ শতাংশ। দেশের অধিকাংশ মানুষ জেলা শহরে বাস করলেও জেলা পর্যায়ে সব রোগের চিকিৎসা নিশ্চিত করা যায়নি এখন পর্যন্ত। গুরুত্বপূর্ণ অনেক পরীক্ষার ব্যবস্থা নেই। যার ফলে বিশেষায়িত হাসপাতালে রোগীর চাপ বাড়ে। এতে স্বাভাবিক চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হয়।
অন্যদিকে আরেক পরিসংখ্যানে দেখাচ্ছে বর্তমানে স্বাস্থ্যসেবার প্রায় ৬৩ শতাংশ চিকিৎসা বেসরকারি স্বাস্থ্য খাত প্রদান করছে। সরকারি হাসপাতালে শয্যা সংকট, জনবলের অপ্রতুলতার কারণে মানুষ বেসরকারি হাসপাতালের দিকে এগিয়েছে। আর সেজন্যই বেড়েছে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংখ্যা। কিন্তু এতে করে সমস্যার সমাধান আসেনি। বেশির ভাগ বেসরকারি হাসপাতাল সাধারণ মানুষের জন্য ব্যয়বহুল এবং এদের অনেকের মান নিয়ে প্রশ্ন আছে।
আমাদের দেশের রোগীদের চিকিৎসা ব্যয়ের প্রায় ৭০ ভাগ নিজের থেকে ব্যয় করতে হচ্ছে। যেহেতু আমাদের স্বাস্থ্য খাতে বাজেট কম। আর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিওএইচও) মতে, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বাজেটের ৬০ শতাংশ অর্থ ব্যয় হয় মূলত ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ, পরিচালনা খাত ও বেতন-ভাতা প্রদানে। ১৪ ভাগ মানুষ তাদের মোট আয়ের ১০ ভাগ স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করছে। প্রাইমারি হেলথ কেয়ার, কমিউনিটি হেলথ কেয়ার এবং মাতৃত্বকালীন মৃত্যুহার কমাতে আমরা সফল হয়েছি। তবে এগুলো সব বিক্ষিপ্ত অর্জন।
সাংবিধানিক অধিকার হিসেবে দেশের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার কথা। তবে সে অধিকার যখন কারো ব্যবসা-বাণিজ্যের পথ হয়ে যায় তখন বিষয়টা বড় উদ্বেগের হয়ে দাঁড়ায়।
দেশের স্বাস্থ্য খাতে প্রধান সমস্যাগুলোর অন্যতম হচ্ছে স্বাস্থ্য খাতে যথাযথ বাজেট বরাদ্দ না থাকা। আর এ সমস্যা নিরসনে জাতীয় বাজেটে খুব একটা প্রাধান্য পায় না। তাছাড়া নিজেদের সার্বিকভাবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা মানসম্পন্ন ও উন্নত করতে না পারা এবং জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার ক্ষেত্রে দাতাদের নির্দেশিত উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রভাব থাকায় স্বাস্থ্যের মতো সেবা খাত বেসরকারীকরণ প্রক্রিয়ায় যেতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে বাড়ছে অর্থনৈতিক বৈষম্য। দেশের স্বাস্থ্য খাতকে বেসরকারীকরণ স্বাস্থ্যসেবাকে পণ্যে পরিণত করেছে। সাধারণ মানুষ সরকারি স্বাস্থ্যসেবা যথাযথভাবে পাচ্ছে না বলেই বাধ্য হয়ে অনেকেই বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে যেখানে চিকিৎসাসেবা প্রত্যাশীরা চিকিৎসার নামে তাদের কাছে জিম্মি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক জরিপ অনুযায়ী, আমাদের দেশের প্রায় ৫২ লাখ মানুষ প্রতি বছর নিজ পকেট থেকে স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় নির্বাহ করতে গিয়ে দরিদ্র হচ্ছে। আর বড় ধরনের আকস্মিক স্বাস্থ্য ব্যয়ের মুখোমুখি হচ্ছে প্রায় সোয়া দুই কোটি মানুষ। প্রতিদিন বাড়ছে ডাক্তারি পরামর্শের ফি, চিকিৎসা ও ওষুধের খরচ।
চিকিৎসাসেবায় লাগামহীন ব্যয়ের বৃদ্ধির চিত্র দেখায় দেশের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের গবেষণা তথ্য। সেখানে বলা হচ্ছে, দেশে চিকিৎসা খাতে মানুষের ব্যয় ৪৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। বর্তমানে একজন রোগীর পেছনে যে ব্যয় হয়, তার ৭৩ শতাংশই সেবাগ্রহীতা ব্যক্তিকে বহন করতে হয়। চিকিৎসার এ ব্যয়ভার বহন করতে গিয়ে প্রতি বছর দেশে ৮৬ লাখ মানুষ আর্থিক সমস্যায় পড়ে। আর ব্যয় বেশি হওয়ার কারণে ১৬ শতাংশ মানুষ স্বাস্থ্যসেবা নেয়া থেকে বিরত থাকে। বিশ্লেষকদের মতে, কভিড-পরবর্তী দুই বছরে এ ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ৫০ হাজার কোটি টাকার ওপরে।
আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় পদ সৃষ্টির কথা বলা হলেও বাস্তবতা ভিন্ন। দেশে ১ হাজার ৫৮১ জনের জন্য মাত্র এক জন নিবন্ধিত চিকিৎসক রয়েছেন। গ্রামীণ, প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকায় চিকিৎসকের অনুপস্থিতি আরো বেশি।
প্রশিক্ষিত নার্সের সমস্যাও রয়েছে। অনেক হাসপাতালে চিকিৎসা সরঞ্জাম থাকলেও সেখানে টেকনোলজিস্টের পদ শূন্য রয়েছে। জনবল নিয়োগের ব্যবস্থাপনা (ডাক্তার, নার্স, প্যারামেডিক, ল্যাব-টেকনিশিয়ান) বিকেন্দ্রীকরণ না হলে এ ধরনের অব্যবস্থাপনার কোনো সমাধান হবে না। শুধু চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে সমাধান হবে না, তাদের নিজ নিজ কর্মস্থলে ধরে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়াটাও জরুরি। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। দেখা গেছে, যোগ্য কর্মীর অভাবে আধুনিক স্বাস্থ্য সরঞ্জামের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ধীরে ধীরে এজাতীয় সরঞ্জাম অকেজো হয়ে যায় এবং রোগীরা অবহেলায় মারা যায়।
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধিকারী স্বাস্থ্যসেবা স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ। আফসোস করে বলা যায়, আমাদের দেশে এখনো এ ধরনের স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। তাই চিকিৎসায় শিক্ষাব্যবস্থাকে চারটি ধাপে শ্রেণিবদ্ধ করা উচিত যেমন :চিকিৎসক, শিক্ষক, প্রশাসন ও রোগ প্রতিরোধ। এ ধরনের চার স্তরের স্বাস্থ্যব্যবস্থা থেকে একজন শিক্ষার্থী তার ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নির্ধারণ করবে এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় অংশগ্রহণ করবে। হাসপাতালের পরিবেশের উন্নতির জন্য পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা অপরিহার্য। হাসপাতাল ও তত্ত্বাবধানে প্রদত্ত পরিষেবা সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার জন্য মানবিক বোধসম্পন্ন জনবল নিয়োগ করা উচিত। অব্যবস্থাপনা এমন একটি বিষয়, যা গত ৫০ বছরে দেশের স্বাস্থ্য খাতের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ। প্রকৃত অর্থে দেশে এখনো পেশাদার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে ওঠেনি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বাংলাদেশের মতো দেশগুলোকে তাদের জিডিপির ৫ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ করার পরামর্শ দিয়েছে। গত ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ১ শতাংশেরও কম বরাদ্দ করা হয়েছে। বরাদ্দকৃত অর্থের প্রায় ৭০ শতাংশ ব্যয় হয় বেতন-ভাতা বাবদ, বাকি অর্থ ব্যয় হয় স্বাস্থ্যসেবার জন্য, যা খুবই অপর্যাপ্ত।
স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক উন্নয়নের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এই খাতে আর্থিক বরাদ্দ বাড়াতে হবে। এই খাতকে দুর্নীতিমুক্ত রেখে বর্ধিত বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। তাই নিয়মিত গবেষণা, সঠিক কর্মপরিকল্পনা এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। আমাদের জনগণের সর্বাত্মক স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার ত্রুটিগুলো দূর করে স্বচ্ছতার সঙ্গে সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং এর বাস্তবায়ন সময়ের প্রয়োজন।
ভারতেও হাহাকার শুরু হয়েছে। রোগী না পেয়ে ভারতের বেশ কিছু বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে। একই সাথে বাংলাদেশি রোগী না যাওয়ায় ভারতের আবাসিক ও খাবারের হোটেল ব্যবসায়ও ধস নেমেছে।
ভারতের এ অবস্থাকে দেশের স্বাস্থ্যখাতের বিকাশের সুযোগ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
যদি এটি কাজে লাগানো সম্ভব হয় তাহলে ভারতে চিকিৎসা নিতে গিয়ে যে হাজার হাজার কোটি টাকার অর্থ ব্যয় হতো তা দেশেই থাকবে। (ইনশাআল্লাহ চলবে)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
কুরবানী আসে-যায় মৌসুমী কসাইরা অরক্ষা আর অবহেলাতেই থেকে যায়। তাদের অনেকে আহত হয়, পঙ্গু হয়, আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যায়- মৌসুমী কসাইদের প্রশিক্ষণ ও পৃষ্টপোষকতার পাশাপাশি ঈদুল আদ্বহায় বিশেষ স্বাস্থসেবা চালু করা দরকার।
০৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
‘দ্যা গ্রেট রিসেট’ ও নমরুদী মশার প্রতিশোধের এক চরম ইহুদী-নাসারায়ী নীলনকশা!
২৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিদ্যুতের বিল বার বার বাড়ানো শোষক জমিদারি কায়দায় চক্র বৃদ্ধি হারে খাজনার চাবুক মারা অথচ বিদ্যুতে শুধু চুরি নয়, সব দিক থেকে সাগর চুরি হচ্ছে। সে চুরির ক্ষত পোষাতে জনগণের উপর খাজনা বৃদ্ধি করে চোরদের উৎসাহ ও প্রনোদনা এবং নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে।
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সে যুগেও হুসাইন আহমদকে ইহুদীদের দালাল, হিন্দুদের কংগ্রেসের পা চাটা- গোলাম প্রচারণা করা হলেও থানভী গংরা তা বুঝতে পারলো কৈ? আজকে পশ্চিমবঙ্গে হাজার হাজার মসজিদ ভাঙ্গা ও লাখ লাখ মুসলমানদের বাড়ী-ঘর ধ্বংস, হিন্দুত্ববাদ গ্রহণে বাধ্য করার মত মহা জুলুমের মূলে হোসেন আহমদের সর্ব ভারতীয় জাতীয়বাদ।
২৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আকাশের অতন্দ্র প্রহরী: বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ও আবহাওয়া রাডার অবকাঠামোর মহাপরিকল্পনা কেন জরুরি? (১ম পর্ব)
২৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর ২০২৫) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ জসীম উদ্দিনের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
কিন্তু গতকাল গুগল, ফেইসবুকে অসংখ্য আইডি থেকে প্রচারিত- ‘তারেক রমমান নারিকেল দ্বীপ (সেন্টমার্টিন দ্বীপ) আমেরিকাকে দিয়ে দিয়েছেন নারিকেল দ্বীপ এখন মার্কিন ঘাটি হবে’- ইত্যকার প্রচারণা দেশবাসীকে হতভম্ব করছে। সর্বপোরি সরকারের দলীয় বা প্রশাসনের তরফ থেকে এটাকে গুজব না বলায়- হতাশা চরম আকার ধারণ করেছে।
২২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বর্বর আম্রিকা আর সন্ত্রাসী ইসরাইলের সাথে সু-সম্পর্ক বজায় রাখছে সংযুক্ত আরব আমিরাত কিন্তু মুসলিম দেশ ইয়েমেন থেকে শুরু করে সোমালিয়া-লিবিয়া হতে সুদানে ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ চালিয়ে রাখছে আরব-আমিরাত ভয়াবহ মানবেতর সংকটে সুদান, সহিংসতা-রোগ-দুর্ভিক্ষে দিশাহারা মানুষ সুদানের রক্তপাত বন্ধে মুসলিম বিশ্বকে সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে এক্ষুনি
২১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সার্বভৌমত্বের বিনিময়ে এক শতাংশ ছাড়! এ কেমন কালোচুক্তি? প্রকৃতপক্ষে গোলামীর চুক্তি
২০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
৭১ এ তারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধীতার নামে। তবে তারা ২০২৬- এ আমেরিকার আধিপত্যবাদী বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় নামছে না কেন? ভারত বাংলাদেশ চুক্তিকে তারা গোলামীর চুক্তি বলে কঠিন আওয়াজ তুলেছিলো!
১৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলমানদের পবিত্র কুরবানী আয়োজনে নগর ব্যবস্থাপনা সমন্বয়ের অভাব কোথায়? পশু কুরবানির হাট বসানোর অবৈধ তকমার আড়ালে এক নীরব সংকট!
১৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
কাফির মুশরিকদের এজেন্টরা চাচ্ছে ছলে বলে কৌশলে এদেশের মুসলমানদেরকে হারাম শুকরের গোশত, হিমায়িত গোশত খাওয়াতে। এদের এজেন্ট রয়েছে মন্ত্রনালয়ে, ব্যবসায়ীদের মাঝে এমনকী হোটেল- রেস্তোরা মালিকদের মাঝেও। সবার আগে বাংলাদেশ দাবীদার সরকার- কোনোমতেই গোশত আমদানীর অনুমতি দিয়ে দেশীয় খামার ও খামারীদের ধ্বংস করতে পারে না।
১৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












