খোলা চিঠি ও উদাত্ত আহ্বান
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ”, “পবিত্র সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম”, “পবিত্র সাইয়্যিদে ঈদে আকবর” “পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম” উনার শামসী তারিখ- ৩০ র’বি আর ঈসায়ী তারিখ- ২৮ সেপ্টেম্বর; রোজ ইয়াওমুল খমীস।
দিনটির যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ভাবমর্যাদা রক্ষার্থে বৎসরের সর্বশ্রেষ্ঠ এ মুবারক দিনটি সর্বোত্তমভাবে পালনের জন্য সর্বোচ্চ তৎপর এবং সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সব বিভাগীয় কমিশনার সাহেব এবং সব জেলার ডিসি সাহেব এবং এসপি সাহেবদের প্রতি উদাত্ত আহবান
, ১০ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ২৮ রবি’ ১৩৯১ শামসী সন , ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ খ্রি:, ১১ আশ্বিন, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মন্তব্য কলাম
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অভ্যুদয়ের সঙ্গে যাদের কথা অনিবার্যভাবে আসে তারা হলেন, ত্রিশ লাখ শহীদ।
প্রসঙ্গত এ ‘শহীদ’ শব্দটি সর্বোতভাবেই পবিত্র দ্বীন ইসলাম সম্পর্কীয় বিশ্বাস, অনুভূতি ও আবেগ থেকে উৎসারিত। অর্থাৎ এদেশের উৎপত্তির সাথে পরিপূর্ণভাবে জড়িয়ে আছে সম্মানিত ইসলামী বিশ্বাস ও অনুষঙ্গ। এদেশের স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট সম্মানিত ইসলামী অনুভূতি ও চেতনা।
যে ১৯৭০ সালের নির্বাচনের রায় যালিম পাকীরা প্রত্যাখ্যান করেছিলো; যে ’৭০-এর নির্বাচনে এদেশের প্রায় ৯৯ ভাগ জনগণ বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগকে সমর্থন দিয়েছিলো- সে নির্বাচনের অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিলো, “পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের বিরোধী কোনো আইন পাস হবে না।” অর্থাৎ ঐতিহাসিকভাবেই ‘পবিত্র দ্বীন ইসলাম’ এদেশের জন্য এক অনিবার্য ও অবিচ্ছেদ্য বিষয়।
আর পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে বৎসরের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোচ্চ ফযীলতযুক্ত এবং মহা গুরুত্ববহ ও ধর্মীয় ভাবমর্যাদার দিন হচ্ছে- “পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ”, “পবিত্র সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম”, “পবিত্র সাইয়্যিদে ঈদে আকবর” “পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম” উনার শামসী তারিখ- ৩০ র’বি আর ঈসায়ী তারিখ- ২৮ সেপ্টেম্বর; রোজ ইয়াওমুল খমীস।
মুহতারাম,
দিবস পালনের ঐতিহ্য ও রীতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে বিশেষভাবে রয়েছে। ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস, ১০ ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস, ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস, ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু দিবসসহ অনেক দিবসই রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যাপকপালন করা হয়। সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করা হয়।
সঙ্গতকারণেই এতসব দিবস পালনের অভিজ্ঞতার আলোকে, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোচ্চ ফযীলতযুক্ত দিন- পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, প্রাধান্য, ভাবযর্মাদা এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার সাথে পালনের দাবি রাখে।
মুহতারাম,
আপনারা অবগত আছেন, জেলা প্রশাসন তথা পুলিশ প্রশাসন হিসেবে আপনাদের কর্তব্য হলো, ভালো লোক খুঁজে বের করা। ভালো লোক তৈরি করা এবং তাদেরকে হাইলাইট করা। আর সেক্ষেত্রে অনিবার্য হলো, তাদের মধ্যে সম্মানিত ইসলামী মূল্যবোধ সঞ্চার করা।
প্রসঙ্গত, সম্মানিত ইসলামী মূল্যবোধের মূল হলো- অত্যন্ত জওক-শওক, মুহব্বত, আবেগ, অনুভূতির সাথে পবিত্র সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা।
মুহতারাম,
আপনারা অবগত আছে যে, প্রশাসন স্বতঃস্ফূর্ত গতিতে চলে; যদি জনগণ সচেতন হয়। জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। আর একইভাবে এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সুফল পাওয়া যাবে যদি জনগণের মধ্যে সম্মানিত ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিফলিত করা যায়। আবারো বলতে হয়, এটা তখনই সার্থক হবে; যখন জনগণের মাঝে অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে, প্রগাঢ় মুহব্বত, গভীর আবেগের সাথে পবিত্র সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের চেতনা ও প্রবণতা তৈরি করা যাবে।
মুহতারাম,
আপনারা জানেন, জেলা প্রশাসন চালাতে আপনাদের জনবল, লজিস্টিক সাপোর্ট কত কম। পুলিশ প্রশাসনেও একই কথা। দেশের প্রায় পনেরশ’ লোকের জন্য মাত্র একজন পুলিশ। আর এ অবস্থায়ও দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ইউরোপ-আমেরিকার তুলনায় অনেক ভালো। মূলত মুসলমান দেশ হিসেবে মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত এবং আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার রহমতই এর পেছনে একমাত্র কারণ।
সঙ্গতকারণেই আবারো বলতে হয় যে, এ রহমত আরো লক্ষ-কোটিগুণ বৃদ্ধি পাবে; যদি যথাযথ মর্যাদা শান-শওকত, জওক-শওক, মুহব্বতের সাথে তথা বিপুল ব্যয় করে পবিত্র সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা হয়।
মুহতারাম,
জেলা প্রশাসন অথবা পুলিশ প্রশাসন হিসেবে সরকারি প্রতিষ্ঠান ছাড়াও আপনারা প্রায় পাঁচশত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি অথবা সহসভাপতি।
অপরদিকে ডিসি সাহেব হিসেবে সরাসরি আপনার তত্ত্ববধায়নে রয়েছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, জেলা পশু সম্পদ কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা আনসার এ্যাডজুটেন্ট, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, জেলা সঞ্চয় অফিসার, জেলা সমবায় অফিসার, জেলা কাস্টম সুপারিনটেনডেন্ট, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, জেলা দুর্নীতি দমন অফিসার, জেলা পরিষদ সচিব, জেলা পরিষদ ইঞ্জিনিয়ার, জেলা নির্বাচন অফিসার, নির্বাহী প্রকৌশলী গণপুর্ত বিভাগ, নির্বাহী প্রকৌশলী সড়ক ও জনপথ, নির্বাহী প্রকৌশলী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল, নির্বাহী প্রকৌশলী এলজিইডি, জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার, এলজিইডি, নির্বাহী প্রকৌশলী পানি উন্নয়ন বোর্ড, সিভিল সার্জন, ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা, উপকর কমিশন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, উপ-পরিচালক স্বাস্থ্য পরিকল্পনা, জেলা সমাজ সেবার অফিসার, সেরেস্তাদার জেলা জজ, জেলা ক্রীড়া অফিসার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, চেয়ারম্যান জেলা পরিষদ, জেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা, চীফ জুট পরিদর্শন, প্রজেক্ট ডাইরেক্টর বি আর ডিবি, জেলা রেজিস্ট্রার, সাধারণ সম্পাদক (জেলা ক্রীড়া), জেলা সংগঠন, শিশু একাডেমি, প্রকল্প ব্যবস্থাপক মাঝারী শহর সমিতি, সহকারী কমিশনার (সাধারণ শাখা), আলিয়া মাদরাসা, শিশু একাডেমী, প্রাথমিক গণশিক্ষা ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণ।
মুহতারাম,
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, ‘প্রত্যেকেই রক্ষক। এবং তাকে তার রক্ষিত বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।’ এ আলোকে সঙ্গতকারণেই বলতে হয়, আপনাদের সরাসরি নির্দেশে, সক্রিয় সহযোগিতায়, বিশেষ পৃষ্ঠপোষকতায় উপরোক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো বিপুল খরচ করে, ব্যাপক জাঁকজমক করে যথাযথভাবে পবিত্র সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করতে পারে।
একইভাবে প্রত্যেক ইউএনও, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সব সামাজিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদির মাধ্যমে গোটা জেলাবাসীকে আপনারা যথাযথ আদব, মুহব্বত-এর সাথে পবিত্র সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সার্থকভাবে পালন করতে পারেন।
মুহতারাম,
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উপলক্ষে সরকারের প্রতিও আপনাদের মাঝে কিছু করণীয় রয়েছে।
মুহতারাম,
সরকারের প্রতি আপনাদের কর্তব্য, আসন্ন পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ দিবসটি যথাযথভাবে পালনের জন্য সর্বোচ্চ সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় সর্বাধিক আয়োজনের জন্য বিশেষ দাবি পেশ করা।
মুহতারাম,
আপনারা অবগত আছেন, আ’লীগ নেতৃত্বধীন মহাজোট সরকারের এবং বর্তমান আ’লীগ সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি [২৩(১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত] ছিলো, “পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের বিরোধী কোনো আইন পাস হবে না”। পাশাপাশি আরো উল্লেখ ছিলো, “সব ধর্মের শিক্ষা ও মূল্যবোধের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা হবে।”
মুহতারাম,
যদি তাই হয়ে থাকে, তাহলে উল্লেখ্য যে- এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান উনাদের ধর্ম বা দ্বীন- পবিত্র দ্বীন ‘ইসলাম’ উনার শিক্ষা ও মূল্যবোধ হলো- সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা, আবেগ ও অনুভূতি দিয়ে সর্বাধিক ব্যয় করে সবচেয়ে প্রাধান্য ও গুরুত্ব এবং মহা আড়ম্বর ও জাঁকজমকের সাথে “সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ” সরকারি ও বেসরকারিভাবে পালন করা।
সঙ্গতকারণেই সরকারের উচিত- এ বিষয়ে যথাযথ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূর্ণভাবে পূরণ করা। এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান উনাদের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করা। ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা। ধর্মীয় অধিকার সংরক্ষণ করা। মহান আল্লাহ পাক তিনি কবুল করুন। তাওফীক দান করুন। গায়েবী মদদ করুন। (আমীন)
: নিবেদক :
আন্তর্জাতিক সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উদযাপন কমিটি
রাজারবাগ শরীফ, ঢাকা।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোপনীয় বাণিজ্য চুক্তি: জনগণের অজান্তে জিএমও খাদ্য অর্থাৎ বিষ ও রোগ জীবাণু ঢোকানোর ষড়যন্ত্র
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
“সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস” ব্যক্ত করার সরকারকে অবিলম্বে কুরআন শরীফে হারাম ঘোষিত শুকরের গোশত আমদানীর বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
দেশি আম বাজারে আসার আগেই শুরু হয়েছে কথিত কেমিক্যাল অপপ্রচার : দেশীয় ফলের বিরুদ্ধে বিদেশী দালাল চক্রের এই অপপ্রচার রুখতে হবে।
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘ইউনিসেফ’ এর ভয়ংকর তৎপরতা। বাংলাদেশের শিশু ও শিক্ষার্থীদের পশ্চিমা দাস বানানোর প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ইউনিসেফ। (১)
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
উচ্চ আদালতে ‘ডেড ল’ বা অকার্যকর ঘোষিত ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি ১৯০০’ পুণঃবহালের অপচেষ্ঠা চলছে। উচ্চ আদালত, সেনাবাহিনী এবং সরকারের উচিত দেশবিরোধী এই চক্রান্ত ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া। (৩)
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
৭১ এ তারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধীতার নামে। তবে তারা ২০২৬- এ আমেরিকার আধিপত্যবাদী বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় নামছে না কেন?
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মৃত আইন- “পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি-১৯০০”: অখ-তার পথে এক ঔপনিবেশিক কাঁটা
১০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার বরকতে- দেশের বুকে স্থলে, নদীতে, পাহাড়ে, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে, বঙ্গোপসাগরে রয়েছে বিপুল পরিমাণ মহামূল্যবান ইউরেনিয়াম। বাংলাদেশের ইউরেনিয়াম অনেক বেশী গুণগত মান সম্পন্ন ভারতসহ দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের কারণেই তা উত্তোলন হচ্ছে না। হিন্দুস্থান টাইমস ও কুখ্যাত প্রথম আলো তথা ভারত আমেরিকার কুচক্রীরা একযোগে ষড়যন্ত্র করছে। জনগণকে জনসচেতন হতে হবে ইনশাআল্লাহ। (৩য় পর্ব)
০৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
প্রধানমন্ত্রীকে সাবধান থাকতে হবে- তার মন্ত্রী বা উপদেষ্টাদের দ্বারা যেনো দেশের ভাবমর্যাদা নষ্ট না হয়! বি.এন.পি ক্ষমতায় আসলেই দেশ, সন্ত্রাসবাদের ঝুকিতে পড়ে এই ধরণের প্রচারণার জন্য তথ্য উপদেষ্টার, ‘দেশে সন্ত্রাসবাদ আছে’- এই মিথ্যা উক্তিই কী যথেষ্ট নয়?
০৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আত্মঘাতী ঋণের কঠিন শর্তের বেড়াজালে আটকে যাচ্ছে সরকার। দেশবাসী কেনো নির্বিকার?
০৮ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পূর্ব তিমুর কেনো মুসলমানদের হারানো ভূমি? পূর্ব তিমুরের ঘটনা কী শিক্ষা দেয়। উপজাতিরা কেনো খ্রীস্টান হয়? উপজাতিরা কেনো মুসলমান হয় না? কেনো কঠিন হয়রানির মুখোমুখি হয়। স্বাধীন জুমল্যান্ড তথা খ্রীস্টান রাজ্য বানানোর বিপরীতে ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানকে গর্জে উঠতে হবে ইনশাআল্লাহ।
০৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইউনুসের দেশদ্রোহীতার বয়ান : এক সাংবাদিকের জবানবন্দি (৩)
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












