ফতওয়া
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৭৪)
, ২৬ ছফর শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১১ ছালিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ১০ আগস্ট, ২০২৬ খ্রি:, ২৬ শ্রাবণ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) ফতওয়া বিভাগ
(৪১০)
والرد إلى كتاب الله وسنة رسوله صلّى الله عليه وسلّم واجب ان وجد ذلك الحكم في كتاب الله اخذ به فان لم يوجد في كتاب الله ففي سنة رسوله صلّى الله عليه وسلّم فان لم يوجد فى السنة فسبيله الاجتهاد.
অর্থ: পবিত্র কুরআন শরীফ, সুন্নাহ শরীফ উনাদের দিকে প্রত্যাবর্তন করা ফরয। কোন বিষয়ে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে দলীল থাকলে তাই অনুসরণ করতে হবে। যদি না থাকে তাহলে সুন্নাহ শরীফ উনার দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। আর যদি সুন্নাহ শরীফ উনার মধ্যেও পাওয়া না যায় তাহলে ইজতিহাদ তথা কিয়াস উনার পথ অনুসরণ করতে হবে। (লুবাবুত তা’বীল ফী মায়ানিত তানযীল অর্থাৎ তাফসীরুল খাযিন, লেখক: হযরত আলাউদ্দীন আলী বিন মুহম্মদ বিন ইবরাহীম বাগদাদী শাফিয়ী খাযিন রহমতুল্লাহি আলাইহি, ওফাত: ৭৪১ হিজরী, পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: ৫৯)
(৪১১)
وعن عبد الله رضى الله عنه ومجاهد رحمة الله عليهما وجماعة: أولو الأمر: أهل القرآن والعلم، فالأمرعلى هذا التأويل أشار إلى القران والشريعة.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত মুজাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহি ও একদল মুফাসসিরীনে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা বলেন, উলুল আমর হচ্ছেন আহলুল কুরআন ও বিজ্ঞ আলিম উনারা। আমর উনার ব্যাখ্যায় এটাই ইঙ্গিত বহন করে যে, তা হচ্ছে পবিত্র কুরআন শরীফ ও সম্মানিত দ্বীনী শরীয়ত। (আল মুহাররারুল ওয়াজীয অর্থাৎ তাফসীরু ইবনি আতিয়্যাহ, লেখক: হযরত আবূ মুহম্মদ আব্দুল হক বিন গালিব বিন আব্দুর রহমান বিন তাম্মাম বিন আতিয়্যাহ আন্দালুসী মাহারিবী রহমতুল্লাহি আলাইহি, ওফাত: ৫৪২ হিজরী, পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: ৫৯)
(৪১২)
والرد إلى الله: هو النظر في كتابه العزيز، والرد إلى الرسول: هو سؤاله فى حياته والنظر فى سنته بعد وفاته عليه الصلوة والسلام هذا قول مجاهد والأعمش وقتادة والسدي رحمة الله عليهم، وهو الصحيح.
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক উনার দিকে প্রত্যাবর্তন দ্বারা মহিমান্বিত কিতাব তথা পবিত্র কুরআন শরীফ উদ্দেশ্য। আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিকে প্রত্যাবর্তন দ্বারা উনার যমীনে অবস্থার মুবারককালে উনাকে জিজ্ঞাসা করা আর উনার পবিত্র দীদার মুবারকে যাওয়ার পর উনার পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনার আনুগত্য করা উদ্দেশ্য। ইহা হযরত মুজাহিদ, আ’মাশ, কাতাদাহ ও সুদ্দী রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের মত। এ মতটি ছহীহ বা বিশুদ্ধ। (আল মুহাররারুল ওয়াজীয অর্থাৎ তাফসীরু ইবনি আতিয়্যাহ, লেখক: হযরত আবূ মুহম্মদ আব্দুল হক বিন গালিব বিন আব্দুর রহমান বিন তাম্মাম বিন আতিয়্যাহ আন্দালুসী মাহারিবী রহমতুল্লাহি আলাইহি, ওফাত: ৫৪২ হিজরী, পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: ৫৯)
(৪১৩)
(وَأُوْلِي الأمر) هم: الولاة، وقيل: العلماء نزلت في عبد الله بن حذافة رضى الله عنه بعثه رسول الله صلى الله عليه وسلم في سرية.
অর্থ: (উলিল আমর) উনারা হলেন, রাজা-বাদশাহগণ। কেউ বলেন, হযরত উলামায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা উদ্দেশ্য। পবিত্র আয়াত শরীফখানা হযরত আব্দুল্লাহ বিন হুযাফাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার শানে নাযিল হয়, যখন উনাকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জিহাদে প্রেরণ করেছিলেন। (আত তাসহীল লি উলূমিত তানযীল অর্থাৎ তাফসীরু ইবনি জুযী, লেখক: হযরত মুহম্মদ বিন আহমদ বিন মুহম্মদ বিন জুযী কালবী গারনাতী মালিকী রহমতুল্লাহি আলাইহি, বিলাদত: ৬৯৩ হিজরী, ওফাত: ৭৪১ হিজরী, পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: ৫৯)
(৪১৪)
{وأولي الأمر منكم} أولوا الأمر: هم الأمراء والعلماء من المسلمين.
অর্থ: (তোমরা উলিল আমর উনাদের অনুসরণ করো) উলুল আমর হলেন: মুসলমানদের মধ্যে আমীর-উমারা ও হযরত উলামায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। (আইসারুত তাফসীর, লেখক: হযরত আবূ বকর জাযায়িরী রহমতুল্লাহি আলাইহি: পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: ৫৯) (মাসিক আল বাইয়্যিনাত থেকে সংকলিত।) (চলবে)
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৭৩)
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৭২)
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মূর্তি নির্মাণ করা এবং নির্মাণে সমর্থন করা ও এর সাথে সশ্লিষ্টতা হারাম ও কুফরী (৪)
২৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৭১)
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মূর্তি নির্মাণ করা এবং নির্মাণে সমর্থন করা ও এর সাথে সশ্লিষ্টতা হারাম ও কুফরী (৩)
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৭০)
২০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৬৯)
১৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মূর্তি নির্মাণ করা এবং নির্মাণে সমর্থন করা ও এর সাথে সশ্লিষ্টতা হারাম ও কুফরী (২)
১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৬৮)
১২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৬৭)
০৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মূর্তি নির্মাণ করা এবং নির্মাণে সমর্থন করা ও এর সাথে সশ্লিষ্টতা হারাম ও কুফরী (১)
০৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৬৬)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












