SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ফরয%' OR titleBn LIKE '%ফরয%' OR descriptionEn LIKE '%ফরয%' OR descriptionBn LIKE '%ফরয%' OR slug LIKE '%ফরয%' OR metaTag LIKE '%ফরয%' OR metaDescription LIKE '%ফরয%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘পবিত্র সূরা কাওছার শরীফ” উনার মধ্যে সামর্থ্যবান বান্দা-বান্দীকে উনার সন্তুষ্টি মুবারক অর্জনের লক্ষ্যে পবিত্ বাকি অংশ পড়ুন...
সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কেউ যদি এই পবিত্র কালিমা শরীফ পাঠ না করে-
لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
অর্থ মুবারক : যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।” এই পবিত্র কালিমা শরীফ পাঠ না করবে কোন দিন সে ঈমানদার হতে পারবে না। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সেই সম্মানে সম বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
খ্বাালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّ اللهَ وَمَلٰٓئِكَتَهٗ يُصَلُّوْنَ عَلَى النَّبِـىِّ يٰآَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا صَلُّوْا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوْا تَسْلِيْمًا
“নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার সকল সম্মানিত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি দায়িমীভাবে মহাসম্মানিত ছলাত মুবারক পাঠ করে যাচ্ছেন অর্থাৎ উনার সম্মানার্থে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরী বাকি অংশ পড়ুন...
ইয়াহুদীরা পৃথিবীর সবচেয়ে ধূর্ত ও অভিশপ্ত জাতি। তাদের এই ন্যাক্কারজনক অবস্থার মূল ভিত্তি হলো, তাদের ধর্মীয় আক্বীদা-বিশ্বাস। ইহুদীরা যেই কিতাব এর দোহাই দিয়ে চলে তার নাম হলো তালমুদ। তালমুদের বর্তমান কপিগুলোতে কিছু জঘন্য আক্বীদা-বিশ্বাসের কথা পাওয়া যায়। যথা-
(১) ইয়াহুদীরা আল্লাহ তায়ালা উনার কাছে সমস্ত ফেরেশতা অপেক্ষা প্রিয়। আল্লাহ তায়ালা উনার সাথে তাদের সম্পর্ক, পিতা-পুত্রের সম্পর্ক। নাঊযুবিল্লাহ!
(২) যদি দুনিয়াতে ইয়াহুদীদের অস্তিত্ব না হতো তবে সূর্যের উদয় হতো না এবং পৃথিবীতে বৃষ্টি বর্ষণ হতো না। নাঊযুবিল্লাহ!
(৩) আল্লাহ তায়া বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
দিনের শুরুটা হয় সূর্যের আলো দ্বারা। রাতের শুরুটা হয় চাঁদ উঠার দ্বারা। চাঁদ ও সূর্য উভয়ের অবস্থানই আসমানে। আসমান থেকেই বৃষ্টি হয়। কি পার্থিব জীবনে কী মানবীয় জীবনে, আসমানের গুরুত্ব অত্যাধিক। আসমান ছাড়া জীবন অকল্পনী বাকি অংশ পড়ুন...
৩য় দলীল
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন, একবার সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি একখানা ফলক উনার মধ্যে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার কিছু সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ এবং কিছু মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ লিখে টাঙ্গিয়ে দিলেন; যার শিরোনামে লিখা ছিলো- ‘মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালাম মুবারক’। ঐ ফলকখানা দেখে একজন হাফেযে কুরআন বিশিষ্ট তাবেয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি যে এখানে শিরোনাম লিখে বাকি অংশ পড়ুন...
১) পবিত্র হারাম মাসসমূহ উনাদেরকে।
২) পবিত্র কুরবানী উনার পশুগুলোকে।
৩) পবিত্র হজ্জ সম্পাদনকারীগণ উনাদেরকে।
বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
তাকবীরে তাশরীক কাকে বলে এবং কতবার বলতে হয়?
জাওয়াব:
পবিত্র যিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর যে তাকবীর পাঠ করা হয় তাকেই তাকবীরে তাশরীক বলে। জামায়াতে বা একাকী, মুসাফির অথবা মুকীম, শহর অথবা গ্রামে প্রত্যেককেই প্রতি ফরয নামাযের পর উক্ত তাকবীর পাঠ করতে হবে।
“দুররুল মুখতার” কিতাবে উল্লেখ আছে যে, “তাকবীরে তাশরীক” একবার বলা ওয়াজিব, তবে যদি (কেউ) একাধিকবার বলে, তাহলে তা ফযীলতের কারণ হবে। আর “ফতওয়ায়ে শামী” কিতাবে উল্লেখ আছে-
وقيل ثلاث مرات
অর্থ: কেউ কেউ বলেছেন (তাকবীরে তাশ্রীক) তিনবার।” “গ বাকি অংশ পড়ুন...
বোরকা পরিধান করে হাত ও মুখ খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া হারাম ও কুফরী (৩য় অংশ) :
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ صَفِيَّةَ بنت شَيْبَة رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْها قَالَتْ: رَأَيْتُ حَضْرَتْ اُمّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَة الصِّدِّيْقَة عَلَيْهَا السَّلَامُ طَافَتْ بالبيت وهي منتقبة-
অর্থ: হযরত ছফিয়্যাহ বিনতে শাইবা রহমতুল্লাহি আলাইহা উনার থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনাকে নিক্বাব পরিহিতা অবস্থায় পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফ তাওয়াফ করতে দেখেছি। (আত্ব-ত্ববাকাতুল কুবরা লি-ইবনি স বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ৯ তারিখ পবিত্র ফজর থেকে ১৩ তারিখ পবিত্র আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামায উনার পর তাকবীরে তাশরীক পাঠ করা সম্মানিত শরীয়ত উনার ন বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে দশ বছর অবস্থান মুবারক করেছেন। প্রতি বছরই তিনি পবিত্র কুরবানী মুবারক করেছেন; কখনও তা ছাড়েননি এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারাও পবিত্র কুরবানী করার ব্যাপারে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ اَقَامَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْمَدِيْنَةِ عَشْرَ سِنِيْنَ ي বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামাযের সুন্নতসমূহ
মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রতিটি ফরযকে সুন্নত মুবারক দ্বারা সৌন্দর্যম-িত করেছেন এবং সুন্নতসমূহ ফরযের পরিপূরকও। এমন কোনো ইবাদত নেই, যা সুন্নত দ্বারা প্রতিষ্ঠিত নয়। তাই এখানে নামাযের সুন্নতসমূহ সবিস্তারে আলোচনা করা হলো।
ক্বিয়াম বা দাঁড়ানোর সুন্নতসমূহ:
১. নামায আদায়ের জন্য সোজা হয়ে দাঁড়ানো।
২. নামায আদায়ার্থে দাঁড়ানোর সময় পাদ্বয়ের মাঝখানে চার অঙ্গুলি হতে এক বিঘত পরিমাণ ফাঁক রেখে দাঁড়ানো। স্বাস্থ্যের কারণে এক বিঘত ব্যবধানের মধ্যে দাঁড়ানো সম্ভব না হলে যেভাবে দাঁড়ালে আসান বা সহজ হয়, সেভাবে দাঁড়াবে।
৩. বাকি অংশ পড়ুন...












