মন্তব্য কলাম
খোলা চিঠি ও উদাত্ত আহ্বান “পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ”, “পবিত্র সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম শরীফ”, “পবিত্র সাইয়্যিদে ঈদে আকবর শরীফ” “পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম” উনার শামসী তারিখ- ০৮ র’বি আর খৃঃ তারিখ- ০৬ সেপ্টেম্বর; রোজ ইয়াওমুস সাবত (শনিবার)।
দিনটির যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ভাবমর্যাদা রক্ষার্থে বৎসরের সর্বশ্রেষ্ঠ এ মুবারক দিনটি সর্বোত্তমভাবে পালনের জন্য সর্বোচ্চ তৎপর এবং সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সব বিভাগীয় কমিশনার সাহেব এবং সব জেলার ডিসি সাহেব এবং এসপি সাহেবদের প্রতি উদাত্ত আহবান
, ০৬ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০২ রবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ৩১ আগস্ট, ২০২৫ খ্রি:, ১৬ ভাদ্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মন্তব্য কলাম
মুহতারাম,
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অভ্যুদয়ের সঙ্গে যাদের কথা অনিবার্যভাবে আসে তারা হলেন, ত্রিশ লাখ শহীদ।
প্রসঙ্গত এ ‘শহীদ’ শব্দটি সর্বোতভাবেই পবিত্র দ্বীন ইসলাম সম্পর্কীয় বিশ্বাস, অনুভূতি ও আবেগ থেকে উৎসারিত। অর্থাৎ এদেশের উৎপত্তির সাথে পরিপূর্ণভাবে জড়িয়ে আছে সম্মানিত ইসলামী বিশ্বাস ও অনুষঙ্গ। এদেশের স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট সম্মানিত ইসলামী অনুভূতি ও চেতনা।
যে ১৯৭০ সালের নির্বাচনের রায় যালিম পাকীরা প্রত্যাখ্যান করেছিলো; যে ’৭০-এর নির্বাচনে এদেশের প্রায় ৯৯ ভাগ সমর্থন দিয়েছিলো- সে নির্বাচনের অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিলো, “পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের বিরোধী কোনো আইন পাস হবে না। ” অর্থাৎ ঐতিহাসিকভাবেই ‘পবিত্র দ্বীন ইসলাম’ এদেশের জন্য এক অনিবার্য ও অবিচ্ছেদ্য বিষয়।
আর পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে বৎসরের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোচ্চ ফযীলতযুক্ত এবং মহাগুরুত্ববহ ও দ্বীনি ভাবমর্যাদার দিন হচ্ছে- “পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ”, “পবিত্র সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম শরীফ”, “পবিত্র সাইয়্যিদে ঈদে আকবর শরীফ” “পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম” উনার শামসী তারিখ- ০৮ র’বি আর খৃঃ তারিখ- ০৬ সেপ্টেম্বর; রোজ ইয়াওমুস সাবত (শনিবার)।
মুহতারাম,
দিবস পালনের ঐতিহ্য ও রীতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে বিশেষভাবে রয়েছে। ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস, ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস, ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবসসহ অনেক দিবসই রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যাপক পালন করা হয়। সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করা হয়।
সঙ্গতকারণেই এতসব দিবস পালনের অভিজ্ঞতার আলোকে, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোচ্চ ফযীলতযুক্ত দিন- পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর শরীফ পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব, প্রাধান্য, ভাবযর্মাদা এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার সাথে পালনের দাবি রাখে।
মুহতারাম,
আপনারা অবগত আছেন, জেলা প্রশাসন তথা পুলিশ প্রশাসন হিসেবে আপনাদের কর্তব্য হলো, ভালো লোক খুঁজে বের করা। ভালো লোক তৈরি করা এবং তাদেরকে হাইলাইট করা। আর সেক্ষেত্রে অনিবার্য হলো, তাদের মধ্যে সম্মানিত ইসলামী মূল্যবোধ সঞ্চার করা।
প্রসঙ্গত, সম্মানিত ইসলামী মূল্যবোধের মূল হলো- অত্যন্ত জওক-শওক, মুহব্বত, আবেগ, অনুভূতির সাথে পবিত্র সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম শরীফ, ঈদে আকবর শরীফ পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা।
মুহতারাম,
আপনারা অবগত আছেন যে, প্রশাসন স্বতঃস্ফূর্ত গতিতে চলে; যদি জনগণ সচেতন হয়। জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। আর একইভাবে এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সুফল পাওয়া যাবে যদি জনগণের মধ্যে সম্মানিত ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিফলিত করা যায়। আবারো বলতে হয়, এটা তখনই সার্থক হবে; যখন জনগণের মাঝে অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে, প্রগাঢ় মুহব্বত, গভীর আবেগের সাথে পবিত্র সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম শরীফ, ঈদে আকবর শরীফ পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের চেতনা ও প্রবণতা তৈরি করা যায়।
মুহতারাম,
আপনারা জানেন, জেলা প্রশাসন চালাতে আপনাদের জনবল, লজিস্টিক সাপোর্ট কত কম। পুলিশ প্রশাসনেও একই কথা। দেশের প্রায় পনেরশ’ লোকের জন্য মাত্র একজন পুলিশ। আর এ অবস্থায়ও দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ইউরোপ-আমেরিকার তুলনায় অনেক ভালো। মূলত মুসলমান দেশ হিসেবে মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত এবং আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার রহমত মুবারকই এর পেছনে একমাত্র কারণ।
সঙ্গতকারণেই আবারো বলতে হয় যে, এ রহমত আরো লক্ষ-কোটিগুণ বৃদ্ধি পাবে; যদি যথাযথ মর্যাদা শান-শওকত, জওক-শওক, মুহব্বতের সাথে তথা বিপুল ব্যয় করে পবিত্র সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা হয়।
মুহতারাম,
জেলা প্রশাসন অথবা পুলিশ প্রশাসন হিসেবে সরকারি প্রতিষ্ঠান ছাড়াও আপনারা প্রায় পাঁচশত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি অথবা সহসভাপতি।
অপরদিকে ডিসি সাহেব হিসেবে সরাসরি আপনার তত্ত্ববধায়নে রয়েছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, জেলা পশু সম্পদ কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা আনসার এ্যাডজুটেন্ট, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, জেলা সঞ্চয় অফিসার, জেলা সমবায় অফিসার, জেলা কাস্টম সুপারিনটেনডেন্ট, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, জেলা দুর্নীতি দমন অফিসার, জেলা পরিষদ সচিব, জেলা পরিষদ ইঞ্জিনিয়ার, জেলা নির্বাচন অফিসার, নির্বাহী প্রকৌশলী গণপুর্ত বিভাগ, নির্বাহী প্রকৌশলী সড়ক ও জনপথ, নির্বাহী প্রকৌশলী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল, নির্বাহী প্রকৌশলী এলজিইডি, জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার, এলজিইডি, নির্বাহী প্রকৌশলী পানি উন্নয়ন বোর্ড, সিভিল সার্জন, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা, উপকর কমিশন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, উপ-পরিচালক স্বাস্থ্য পরিকল্পনা, জেলা সমাজ সেবার অফিসার, সেরেস্তাদার জেলা জজ, জেলা ক্রীড়া অফিসার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, চেয়ারম্যান জেলা পরিষদ, জেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা, চীফ জুট পরিদর্শন, প্রজেক্ট ডাইরেক্টর বি আর ডিবি, জেলা রেজিস্ট্রার, সাধারণ সম্পাদক (জেলা ক্রীড়া), জেলা সংগঠন, শিশু একাডেমি, প্রকল্প ব্যবস্থাপক মাঝারী শহর সমিতি, সহকারী কমিশনার (সাধারণ শাখা), আলিয়া মাদরাসা, শিশু একাডেমী, প্রাথমিক গণশিক্ষা ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণ।
মুহতারাম,
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, ‘প্রত্যেকেই রক্ষক। এবং তাকে তার রক্ষিত বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। ’ এ আলোকে সঙ্গতকারণেই বলতে হয়, আপনাদের সরাসরি নির্দেশে, সক্রিয় সহযোগিতায়, বিশেষ পৃষ্ঠপোষকতায় উপরোক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো বিপুল খরচ করে, ব্যাপক জাঁকজমক করে যথাযথভাবে পবিত্র সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর শরীফ পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করতে পারে।
একইভাবে প্রত্যেক ইউএনও, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সব সামাজিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদির মাধ্যমে গোটা জেলাবাসীকে আপনারা যথাযথ আদব, মুহব্বত-এর সাথে পবিত্র সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর শরীফ পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সার্থকভাবে পালন করাতে পারেন।
মুহতারাম,
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর শরীফ পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উপলক্ষে সরকারের প্রতিও আপনাদের মাঝে কিছু করণীয় রয়েছে।
মুহতারাম,
সরকারের প্রতি আপনাদের কর্তব্য, আসন্ন পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর শরীফ পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ দিবসটি যথাযথভাবে পালনের জন্য সর্বোচ্চ সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় সর্বাধিক আয়োজনের জন্য বিশেষ দাবি পেশ করা।
মুহতারাম,
যদি তাই হয়ে থাকে, তাহলে উল্লেখ্য যে- এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান উনাদের দ্বীন- পবিত্র দ্বীন ‘ইসলাম’ উনার শিক্ষা ও মূল্যবোধ হলো- সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা, আবেগ ও অনুভূতি দিয়ে সর্বাধিক ব্যয় করে সবচেয়ে প্রাধান্য ও গুরুত্ব এবং মহা আড়ম্বর ও জাঁকজমকের সাথে “সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম শরীফ, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর শরীফ পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ” সরকারি ও বেসরকারিভাবে পালন করা।
সঙ্গতকারণেই সরকারের উচিত- এ বিষয়ে যথাযথ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূর্ণভাবে পূরণ করা। এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানদের দ্বীনি অনুভূতির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করা। দ্বীনি মূল্যবোধের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা। দ্বীনি অধিকার সংরক্ষণ করা। মহান আল্লাহ পাক তিনি কবুল করুন। তাওফীক দান করুন। গায়েবী মদদ করুন। আমীন।
: নিবেদক :
আন্তর্জাতিক সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উদযাপন কমিটি
রাজারবাগ শরীফ, ঢাকা।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সম্পোর্কোন্নয়ন কেন শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তিতে? অনন্য উচ্চতায় উঠা এ সম্পর্ক কেন ইসলামী মূল্যবোধ ও মুসলিম ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে উজ্জীবিত হবে না? (১ম পর্ব)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও কৌশলগত স্বনির্ভরতা: বাংলাদেশের ৫০ লক্ষ পদাতিক বাহিনীর জন্য ৩য় প্রজন্মের এটিজিএম রোডম্যাপ (পর্ব ৭)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই অথচ ১৬৫০ থেকে ১৭৫০-এই ১০০ বছরে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোই বাংলা থেকেই ৩ লাখ গজ থেকে ৩ কোটি গজ কাপড় রপ্তানি করেছে। এই বিপুল উৎপাদনে এই বাংলাদেশই কীভাবে তুলার যোগান দিল?
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দেশের ৪ কোটি মানুষ না খেয়ে থাকে। অথচ বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার শস্য নষ্ট হয় খাদ্য অপচয় রোধ করতে ‘নিশ্চয়ই অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই’- পবিত্র কুরআন শরীফ উনার এই নির্দেশ সমাজের সর্বাত্মক প্রতিফলন ব্যতীত কোনো বিকল্প নেই।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
অলস জমিদারের কায়দায় বসে বসে তালুক বিক্রী করে খাওয়ার মতই জ্যামিতিক হারে ঋণ বাড়িয়ে চলছে সরকার ২০২৮-২৯ অর্থবছর ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৩ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকায়। দুর্নীতি বন্ধের পাশাপাশি উৎপাদন বাড়ানো রফতানী বৃদ্ধি ও বহুর্মুখীকরণ করার উদ্যম নেই সরকারের দেশ জাতিকে করে যাচ্ছে সুদী মহাজনদের কাছে জিম্মি ও বিক্রী।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১৩)
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ঋণ নির্ভর বাজেট প্রণয়ন না করে রফতানী বহুর্মুখীকরণের দ্বারা সমৃদ্ধ বাজেট প্রণয়ন খুব সহজেই সম্ভব। কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথম হলেও রফতানীতে তলানীতে। কাঁঠাল রফতানী করেও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব।
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব ৬)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব- ৫)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (২য় পর্ব)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বাংলাদেশের মহাকাশ প্রতিরক্ষা কৌশল: ৫০ লক্ষাধিক বহরের সমন্বিত বাহিনীর জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তির রূপরেখা (পর্ব-৪)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












