মন্তব্য কলাম
কুরবানী আসে-যায় মৌসুমী কসাইরা অরক্ষা আর অবহেলাতেই থেকে যায়। তাদের অনেকে আহত হয়, পঙ্গু হয়, আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যায়- মৌসুমী কসাইদের প্রশিক্ষণ ও পৃষ্টপোষকতার পাশাপাশি ঈদুল আদ্বহায় বিশেষ স্বাস্থসেবা চালু করা দরকার।
, ১৫ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১২ আউওয়াল, ১৩৯৩ শামসী সন , ১১ জুন, ২০২৫ খ্রি:, ২৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মন্তব্য কলাম
পবিত্র ঈদুল আদ্বহায় কুরবানী দিতে গিয়ে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৯৪২ জন এবং ভর্তি আছেন ৩২৪ জন।
সোমবার (৯ জুন) রাজধানীর শের-ই-বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চিকিৎসক জানান, কুরবানীর দিনে সারাদিনে ভাঙা ও কাটা-ছেড়া রোগী চিকিৎসা নিতে এসেছেন ৩২৫ জন। তাদের মধ্যে জরুরি অপারেশন লেগেছে ১০২ জনের। একই দিনে গুরুতর আহত হয়ে আসা মোট ভর্তি রোগীর সংখা ১২২ জন।
এছাড়াও ঈদের দ্বিতীয় দিন রবিবার (৮ জুন) আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন ৩০১ জন। তাদের মধ্যে জরুরি অপারেশন লেগেছে ৮৩ জনের। আর ভর্তি হতে হয়েছে ১১৭ জনকে।
কুরবানীর ঈদ এলেই বেড়ে যায় কসাইদের কদর। এ সময় পেশাদার কসাইয়ের পাশাপাশি মৌসুমি কসাইদের কদরও বেড়ে যায়। অনেকে ভালো কসাই না পেয়ে মৌসুমি কসাইদের কাজে নিতে বাধ্য হন।
জানা যায়, কুরবানী ঈদে রাজধানীতেই গরু-ছাগল মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি পশু জবাই হয়। ঈদের সময় এত বিপুল সংখ্যক পশু জবাই হওয়ায় পেশাদার কসাইদের দিয়ে পশুর চামড়া ছাড়ানো সম্ভব হয় না। ফলে এসময় বেড়ে যায় মৌসুমি কসাইদের চাহিদা।
গাজীপুরের রিকশাচালক আবু মিয়া বলেন, আমাদের গ্রামে সমাজ থেকে দুই থেকে তিন কেজি গোশতের বেশি পাই না। তাই গত কয়েক বছর ধরে কুরবানীর দিন কসাইয়ের কাজ করতে শহরে চলে আসি।
তিনি বলেন, সারাদিন কসাইয়ের কাজ করে পারিশ্রমিক ছাড়াও যে গোশতটুকু পাই, তা আমার এক আত্মীয়ের বাসায় নিয়ে ফ্রিজে রাখি। পরদিন গোশত নিয়ে বাড়ি যাই। বাড়ি দূরে হওয়ায় গোশতটা বরফ করে নিয়ে যাই।
এদিকে কুরবানীর দিন যেখানে পেশাদার কসাই একটি কুরবানীর গরু কাটতে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা নেন, সেখানে মৌসুমি কসাইদের চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা দিলেই কাজ করে দিচ্ছেন। তবে পেশাদার কসাইরা গরুর দামের ওপর তাদের রেট নির্ধারণ করেছেন। সে ক্ষেত্রে হাজারে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা দাবি করেছেন।
ঈদের ছুটিতে সবাই যখন রাজধানী ছেড়ে বাড়ি যাচ্ছেন, তখন এসব কসাই ছুটে আসছেন ঢাকায়। তাদের কারণে দিন দিন নগরবাসীর ভোগান্তি দূর হচ্ছে বলে মনে করেন সেন্ট্রাল রোডের বাসিন্দা করিম শেখ। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন জেলা থেকে আসা কসাইদের কারণে আমরা দ্রুত পশু কুরবানীর কাজ শেষ করতে পারছি। এসব কাজে তারা নিজেরাও কুরবানীর আনন্দ পেয়ে থাকেন। পাশাপাশি পান পারিশ্রমিক এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে গোশতও। ’
রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় কসাইয়ের কাজ করতে সিরাজগঞ্জ থেকে এসেছেন ফরিদ ও তার তিন সহযোগী। সার্বিক বিষয়ের বর্ণনা দিয়ে ফরিদ বলেন, ঈদের দিন এবং পরের দিন কাজ পাওয়া যায় ঢাকায়। তাই, আমরা প্রতি বছর ঈদে ঢাকায় চলে আসি। দুই দিন কাজ করে ভালোই আয় হয়। অনেকে আগের দিন এসে বাসায় বাসায় গিয়ে কসাইয়ের কাজ করার প্রস্তাব দেয়। কসাইয়ের সঙ্কট থাকার কারণে অনেকেই রাজি হয়ে যায়। তখন রেট নিয়ে আলোচনা হয়। ওই কাজটা মূল হিসেবে ধরে আমরা কাজ করি। এছাড়া, ঈদের পরের দিনেও গোশত কাটার কাজ পাওয়া যায়।
লালু মিয়া ঢাকার বাড্ডায় একটি চায়ের দোকান পরিচালনা করেন। কুরবানী ঈদের সময়টাতে তিনি আশপাশের বাসাগুলোতে কুরবানীর গোশতের কাজ করানোর জন্য কসাই সাপ্লাই দেন। এটা তার মৌসুমি ব্যবসা।
রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মোজাম্মেল হক। তিনি এ বছর দুটি গরু কুরবানী দিচ্ছেন। তিনি বলেন, ঈদের আগের দিন চারজন লোক এসেছে আমার বাসায়। তারা রংপুর থেকে ঢাকায় কসাইয়ের কাজ করতে এসেছে। দুই গরু ২০ হাজার টাকায় তাদের সঙ্গে আমার চুক্তি হয়েছে। আমার কাজ শেষে তারা আরও অন্যান্য কাজ করবে। এরা মূলত মৌসুমি কসাই। ঈদের সময় শুধু ঢাকাতেই কাজ করতে আসে। বাকি সময় নিজ এলাকায় অন্যান্য পেশায় তারা নিয়োজিত থাকে। আমাদের ঢাকায় যেহেতু কসাই সঙ্কট থাকে ঈদের সময়, তাই মৌসুমি কসাই আসায় আমাদের উপকার হয়েছে। কুরবানীর কাজ দ্রুত আমরা শেষ করতে পারছি। তারাও একটা মৌসুমি ব্যবসা থেকে ভালো আয় করে নিচ্ছে এই দুই দিনে।
রাজধানীর প্রেসক্লাব এলাকায় দেখা মিলল একদল মৌসুমী কসাইয়ের। তারা এসেছেন উত্তরের জেলা রংপুর থেকে। এই দলের নেতা তহুর আলী বলেন, রংপুর থেকে এবার ঢাকায় প্রায় ৩০০ কসাই ঢাকায় এসেছে। ঈদের দিন সন্ধ্যায় আবার রংপুর চলে গেছে।
তবে এসব খবরের পাশাপাশি মৌসুমী কসাইদের ভিন্ন দিকও রয়েছে। আছে দুঃখ-বেদনার নানা কাহিনী। আহত হওয়ার, হাসপাতালে যাওয়ার ভাগে টাকা কম পাওয়ার কথা।
ঈদুল আদ্বহা উপলক্ষে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কুরবানী দিতে গিয়ে গরুর লাথি, শিংয়ের গুঁতা ও ছুরির আঘাতে অন্তত ১৫০০ জন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
পঙ্গু হাসপাতাল নামে পরিচিত নিটোরের জরুরি বিভাগের তথ্য বলছে, ঈদের ছুটির তিন দিনে দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২৯৫ জন আহত রোগী হাসপাতালটির জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছে। এটি বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় ১৫ শতাংশ বেশি।
ঈদের তিন দিনে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছে ৮৮৪ জন।
অর্থাৎ প্রতি পাঁচ মিনিটের কম সময়ে একজন আহত রোগী এসেছে চিকিৎসার জন্য।
কিছু রোগীকে সাধারণ চিকিৎসা দিলেই হয়। কাউকে কাউকে অস্ত্রোপচারও করতে হয়। জানা যায়, ঈদের ছুটিতে প্রতি শিফটে চারজন চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করেছেন জরুরি বিভাগে। আরো চারজন জরুরি বিভাগের অপারেশন থিয়েটারে দায়িত্ব পালন করেছেন। অ্যানেসথেসিয়ার চিকিৎসক, নার্সসহ অন্য স্বাস্থ্যকর্মীরাও দায়িত্ব পালন করেছেন। বলার অপেক্ষা রাখেনা প্রয়োজনের তুলনায় এ সংখ্যা খুবই তুচ্ছ।
সরেজমিনে জানা যায়, জরুরি এক্স-রে ও বিভিন্ন পরীক্ষা করাতে গিয়ে রোগীর স্বজনদের দীর্ঘ অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে। শয্যা না পেয়ে অনেক রোগীর হাসপাতালের মেঝেতে ঠাঁই হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, এক হাজার শয্যার হাসপাতালে কোনো শয্যা খালি থাকছে না। পুরো হাসপাতাল রোগীতে ঠাসা। প্রতিবার কুরবানীর ঈদে রোগীর সংখ্যা যেন বেড়ে যায়। হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদের সময়ও হাসপাতালে সারা দেশ থেকেই রোগী আসে। রোগীর চাপ কমে না।
ঈদে বাড়তি রোগীর চাপ সামলাতে হাসপাতালে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
সরেজমিন দেখা গেছে, জরুরি বিভাগের মধ্যে একের পর এক রোগী আসছেন। যাদের অধিকাংশই হাত-পা কাটা রোগী। কারও হাতের অঙুল কাটা পড়েছে। কারও আবার পা কেটে গেছে। জরুরি বিভাগের মধ্যে রোগীর চাপ এত বেশি যে, রোগীর স্বজনকে ভেতরে থাকতে দিতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। এসব রোগীদের কারও অস্ত্রোপচার করা লাগছে। কারও আবার হাত-পায়ের রক্ত পরিষ্কার করে ব্যান্ডেজ দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।
রাজধানীর ধানম-ি থেকে চিকিৎসা নিতে আসা সবুজ হোসেন বলেন, গরু কাটা প্রায় শেষ। দা দিয়ে কোপ দিয়েছি হাড়ে। হঠাৎ হাত থেকে দা সরে সিøপ করেই পায়ের ওপর এসে পড়েছে।
রাজধানীর পুরান ঢাকা থেকে চিকিৎসা নিতে গিয়েছেন নাজমুল আলম। গরুর লাথিতে তার পা ভেঙেছে। তিনি বলেন, গরু জবাই করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম আমরা। এমন সময় খুব জোরে গরু লাথি মারে। এতে আমার পা ভেঙেছে।
ঈদুল আদ্বহায় দুইদিনে গরুর লাথি, গুঁতা ও ছুরিতে কেটে আহত হয়েছেন অন্তত ৪০০ মৌসুমি কসাই। এদের মধ্যে অনেকের শরীরের হাড় ভেঙেছে, কেটেছে হাত-পায়ের রগও। আহতের সংখ্যা বেড়েছে সড়ক দুর্ঘটনায়ও। এজন্য পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উপলক্ষে সরকারের বর্তমান কঞ্জুসী স্বাস্থ্য সেবার পরিবর্তে পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য সেবা চালু রাখা দরকার।
এদিকে অদক্ষ কসাইয়ের কারণে প্রতি বছর ১০ থেকে ১৫ শতাংশ চামড়া নষ্ট হয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, দক্ষ কসাই দিয়ে গরু বানানো উচিত। এতে বিপুল পরিমাণ ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবে চামড়া শিল্প।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব ৬)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব- ৫)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (২য় পর্ব)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বাংলাদেশের মহাকাশ প্রতিরক্ষা কৌশল: ৫০ লক্ষাধিক বহরের সমন্বিত বাহিনীর জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তির রূপরেখা (পর্ব-৪)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১১)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বর্তমান জ্বালানী সংকটে অনেক দেশই এখন কয়লার দিকে ঝুকছে। কয়লার উপর নির্ভরতা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। দেশে বিপুল পরিমাণ কয়লার মজুদ থাকার পরও রহস্যজনকভাবে তা উত্তোলনে আগ্রহ নেই সরকারের। ৭ হাজার ৮০০ মিলিয়ন টন কয়লা মজুদের দেশে কয়লার ঘাটতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ কেন?
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা: ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১০)
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (৯)
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম মিয়াজাকি, পুষ্টিগুণেও ভরপুর
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (১ম পর্ব)
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
শুধু একটি মৃত্যুর খবর, নাকি একটি সমাজের ভবিষ্যৎ?
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সস্তা জনপ্রিয়তার বিপরীতে সস্তা জনরোষের পথেই কী হাটতে চায় সরকার? মাত্র ১০/১৫ হাজার কোটি টাকার জন্য ওয়াদা খেলাফ করে বিদ্যুতের দাম আবার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতির আগুনে আরো ঘি ঢালছে সরকার। জনভোগান্তির জুলুম থেকে সরে আসতে হবে সরকারকে।
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












