প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নারিকেল দ্বীপের অসহায়দের পাশে দাড়িয়েছেন- অনলাইন বা অন্তর্জালের এ শিরোনাম দেশবাসীকে আশান্বিত করেছিল।
কিন্তু গতকাল গুগল, ফেইসবুকে অসংখ্য আইডি থেকে প্রচারিত- ‘তারেক রমমান নারিকেল দ্বীপ (সেন্টমার্টিন দ্বীপ) আমেরিকাকে দিয়ে দিয়েছেন নারিকেল দ্বীপ এখন মার্কিন ঘাটি হবে’- ইত্যকার প্রচারণা দেশবাসীকে হতভম্ব করছে। সর্বপোরি সরকারের দলীয় বা প্রশাসনের তরফ থেকে এটাকে গুজব না বলায়- হতাশা চরম আকার ধারণ করেছে।
, ০৫ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৩ ছানী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৩ মে, ২০২৬ খ্রি:, ০৯ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মন্তব্য কলাম
বাসস খবর শিরোনাম করেছিলো- ‘নারিকেল দ্বীপে (সেন্টমার্টিনে) অসহায় জেলে পরিবারের পাশে তারেক রহমান’। খবরে বলা হয়- ঢাকা, ২৩ অক্টোবর ২০২৫ (বাসস) : কক্সবাজারের নারিকেল দ্বীপ (সেন্টমার্টিন দ্বীপ) দ্বীপের জেলে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার অসহায় ১৮টি পরিবারের মধ্যে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে পরিবারগুলোর প্রতি সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন। তিনি অভুক্ত পরিবারগুলোর মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।
বলাবাহুল নারিকেল দ্বীপবাসির প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এ মানবিক সম্পৃক্ততার খবরটি এখনও অনলাইনে বা অন্তর্জালে জ্বলজ্বল করছে। যা দেশবাসীকে করেছে আশান্বিত।
কিন্তু ১৯শে মে ২০২৬,গুগুলে ‘বিডি টুডেস জাতীয়’ শীর্ষক লিংক থেকে শিরোনাম হয়েছে- ‘তারেক রহমানের সম্মতিতে নারিকেল দ্বীপ (সেন্টমার্টিন দ্বীপ) বিক্রী চুড়ান্ত হয়ে গেছে’। বলাবাহুল্য ফেইসবুকে একই ধরনের লিংকটি শেয়ার করেছেন বহুজন। লেখাটির সংক্ষিপ্ত ভাষ্য হলো।
তারেক রহমানের সম্মতিতে নারিকেল দ্বীপ (সেন্টমার্টিন) বিক্রি চুড়ান্ত হয়ে গেছে। ইতিমধ্যে আমেরিকা সেই অঞ্চলে আংশিক দখল নিয়েছে। রাশিয়াকে কোনঠাসা করতে নারিকেল দ্বীপে (সেন্টমার্টিনে) আমেরিকার প্রভাবকে ব্যবহার করে ইউক্রেন যুদ্ধে জেতার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশের পত্রিকাগুলো বিষয়টি কাভার না করলেও ইতিমধ্যে ইউক্রেনের পত্রিকাতে বিষয়টি ঊঠে এসেছে। নিচে সেই প্রতিবেদনটি বাংলায় অনুবাদ করে তুলে ধরা হলো আর ইংরেজিতে হওয়া আসল নিউজের লিংক প্রথম কমেন্টে দেওয়া আছে-
২০২৬ সালের ৫-৭ মে, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির দপ্তরের (ট.ঝ. ঞৎধফব জবঢ়ৎবংবহঃধঃরাব) একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফরে ঢাকায় আসে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল ২০২৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত “অমৎববসবহঃ ড়হ জবপরঢ়ৎড়পধষ ঞৎধফব (অজঞ)” বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা করা। এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ তার বন্দর অবকাঠামো ব্যবহারের সুযোগ যুক্তরাষ্ট্রকে দিচ্ছে এবং একই সঙ্গে মার্কিন বৃহৎ প্রযুক্তি কোম্পানি, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও জ্বালানি সরবরাহকারীদের জন্য বাজার উন্মুক্ত করছে। বিনিময়ে বাংলাদেশি টেক্সটাইল পণ্যের ওপর শুল্ক কমিয়ে ১৯ শতাংশ করা হবে এবং কিছু নির্দিষ্ট পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়া হবে।
নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে পাঠানো এক ব্যক্তিগত চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানায়, বাংলাদেশের বাণিজ্য সুবিধা বহাল রাখতে হলে দুটি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে হবে। ২০১৯ সাল থেকে ওয়াশিংটন ও ঢাকা এ নিয়ে আলোচনা করছে এবং বর্তমানে তা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
প্রথম চুক্তি “এবহবৎধষ ঝবপঁৎরঃু ড়ভ গরষরঃধৎু ওহভড়ৎসধঃরড়হ অমৎববসবহঃ (এঝঙগওঅ)” দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের সুযোগ তৈরি করবে এবং কিয়াউকফিউ (কুধঁশঢ়ুঁ) অঞ্চলের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ আরও জোরদার করবে।
দ্বিতীয় চুক্তি “অপয়ঁরংরঃরড়হ ধহফ ঈৎড়ংং-ঝবৎারপরহম অমৎববসবহঃ (অঈঝঅ)” অনুযায়ী বাংলাদেশের বন্দর ও বিমানঘাঁটি মার্কিন জাহাজ ও বিমানকে জ্বালানি, রসদ ও রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা দিতে ব্যবহৃত হবে।
২০২৬ সালের ১৩-১৫ মে ট্রাম্প-শি জিনপিং বৈঠকের আগে বাংলাদেশকে ঘিরে বাণিজ্য ও সামরিক সহযোগিতা বাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র চীনকে একটি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে- মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মাধ্যমে মালাক্কা প্রণালী এড়িয়ে চীনের যে স্থলপথ তৈরি হচ্ছে, সেটিও এখন মার্কিন সামরিক উপস্থিতির আওতায় চলে আসছে।
বাংলাদেশের লজিস্টিক অবকাঠামোয় মার্কিন অবস্থান শক্তিশালী করতে ওয়াশিংটন তাদের আঞ্চলিক মিত্র- ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়াকে- সম্পৃক্ত করছে। এই দেশগুলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের প্রভাব ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অংশীদার এবং বন্দর ও শিল্প অবকাঠামোয় বিনিয়োগের সক্ষমতাও তাদের রয়েছে।
“ছঁধফ চড়ৎঃং ড়ভ ঃযব ঋঁঃঁৎব” উদ্যোগের আওতায় যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশে সমান্তরাল বন্দর অবকাঠামো গড়ে তুলছে। এটি চট্টগ্রামে চীনের উপস্থিতিকে সরাসরি সরিয়ে না দিয়েই বিকল্প প্রভাব বলয় তৈরি করছে।
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি বন্দরগুলোতে বিনিয়োগের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু করেছে। অন্যদিকে জাপান চট্টগ্রামের দক্ষিণে মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করছে, যা বড় জাহাজের জন্য আঞ্চলিক ট্রান্সশিপমেন্ট ও শিল্পকেন্দ্র হবে। এটি চট্টগ্রাম বন্দরের বিকল্প নয়, বরং একই ধরনের কার্যক্রমের সমান্তরাল কেন্দ্র।
মার্কিন বিনিয়োগের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে মিত্রদেশগুলোর বহুজাতিক কোম্পানিও। ২০২৬ সালের শুরুতে জাপানের মিৎসুই বাংলাদেশের বৃহত্তম সুপারশপ চেইন “স্বপ্ন”-কে রূপান্তরযোগ্য ঋণ দেয়। একই সময়ে ইন্দোনেশিয়ার আলফামার্ট, মিতসুবিশির অংশীদারিত্বে, ঢাকায় তাদের প্রথম স্টোর চালু করে।
প্রসঙ্গত, গণমাধ্যমে গত ১৪ই মে ২০২৬ খবর শিরোনাম হয়- ‘গুজব মোকাবিলা ও তৃণমূলকে সক্রিয় করতে বিএনপির মাসব্যাপী কর্মসূচি শুরু’
এর আগে গত ১১ই মে ২০২৫ খবর শিরোনাম হয়- “গুজব প্রতিরোধে বিশেষায়িত ‘সাইবার পুলিশ ইউনিট’ গঠন করবে সরকার”
এরও আগে গত ১৯ শে ডিসেম্বর ২০২৫ খবর শিরোনাম হয়- ‘গুজব প্রতিরোধে সরকারের বিশেষ সাইবার সেল’
খবরে বলা হয়- ভুয়া তথ্য, বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট ও গুজব প্রতিরোধে একটি বিশেষ সেল গঠন করেছে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি (এনসিএসএ)।
এই সেল সার্বক্ষণিকভাবে অনলাইন ও সামাজিকযোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণ, তথ্য যাচাই-বাছাই এবং সত্যতা নিশ্চিতকরণের কাজ করছে।
বলাবাহুল্য গুজব ঠেকাতে সরকারের দলীয়; প্রশাসন এবং বিশেষ সাইবার সেল থাকার পরও তাদের তরফ থেকে তারেক রহমানের নারিকেল দ্বীপ দেওয়া বা সেখানে মার্কিন ঘাটি স্থাপনের বিষয়ে কোন জবাব আসছে না কেন?
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা: ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১০)
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (৯)
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম মিয়াজাকি, পুষ্টিগুণেও ভরপুর
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (১ম পর্ব)
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
শুধু একটি মৃত্যুর খবর, নাকি একটি সমাজের ভবিষ্যৎ?
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সস্তা জনপ্রিয়তার বিপরীতে সস্তা জনরোষের পথেই কী হাটতে চায় সরকার? মাত্র ১০/১৫ হাজার কোটি টাকার জন্য ওয়াদা খেলাফ করে বিদ্যুতের দাম আবার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতির আগুনে আরো ঘি ঢালছে সরকার। জনভোগান্তির জুলুম থেকে সরে আসতে হবে সরকারকে।
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (৮)
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
১৯৯০ সালে কাঁচা চামড়া রফতানীর নিষিদ্ধ করণের প্রেক্ষাপট বর্তমানে নেই। এ মুহুর্তে কাঁচা চামড়া রফতানীর অনুমোদন বর্তমান সংকটকে অনেকটাই কমাতে পারে।
০৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
কুরবানী আসে-যায় মৌসুমী কসাইরা অরক্ষা আর অবহেলাতেই থেকে যায়। তাদের অনেকে আহত হয়, পঙ্গু হয়, আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যায়- মৌসুমী কসাইদের প্রশিক্ষণ ও পৃষ্টপোষকতার পাশাপাশি ঈদুল আদ্বহায় বিশেষ স্বাস্থসেবা চালু করা দরকার।
০৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
‘দ্যা গ্রেট রিসেট’ ও নমরুদী মশার প্রতিশোধের এক চরম ইহুদী-নাসারায়ী নীলনকশা!
২৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিদ্যুতের বিল বার বার বাড়ানো শোষক জমিদারি কায়দায় চক্র বৃদ্ধি হারে খাজনার চাবুক মারা অথচ বিদ্যুতে শুধু চুরি নয়, সব দিক থেকে সাগর চুরি হচ্ছে। সে চুরির ক্ষত পোষাতে জনগণের উপর খাজনা বৃদ্ধি করে চোরদের উৎসাহ ও প্রনোদনা এবং নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে।
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সে যুগেও হুসাইন আহমদকে ইহুদীদের দালাল, হিন্দুদের কংগ্রেসের পা চাটা- গোলাম প্রচারণা করা হলেও থানভী গংরা তা বুঝতে পারলো কৈ? আজকে পশ্চিমবঙ্গে হাজার হাজার মসজিদ ভাঙ্গা ও লাখ লাখ মুসলমানদের বাড়ী-ঘর ধ্বংস, হিন্দুত্ববাদ গ্রহণে বাধ্য করার মত মহা জুলুমের মূলে হোসেন আহমদের সর্ব ভারতীয় জাতীয়বাদ।
২৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












