মন্তব্য কলাম
ইরান ফিলিস্তিনে ইসরাইলী হামলার জন্য বিশেষভাবে দায়ী সালাফী-লা মাযহাবী ওহাবী মালানারা কারণ তারাই সৌদি ইহুদী শাসকদের প্রশংসা করে, পৃষ্ঠপোষকতা করে তাদের দোষ-ত্রুটি এবং মুসলমান বিদ্বেষী ও ইসলাম বিরোধী কাজ চুপিয়ে রাখে বাংলাদেশসহ অন্যান্য মুসলিম দেশে তাদের কুফরী আক্বীদা প্রচার করে
, ১৭ই রবিউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১১ খমীছ, ১৩৯৩ শামসী সন , ১০ অক্টোবর, ২০২৫ খ্রি:, ২৬ আশ্বিন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মন্তব্য কলাম
অথচ সৌদি তথা আরব শাসকরাই ট্রাম্পকে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে।
আর তা দিয়েই ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণী দেশ- আমেরিকা নিজে বাঁচে
কুখ্যাত ট্রাম্প মুসলমানদের শহীদ করার অস্ত্র নিজে বানায় আর ইসরাইলকেও দেয়
বিশ্ব মুসলমানের তাই শুধু কুখ্যাত ট্রাম্প আর নিয়াহুর বিদ্বেষী হলেই হবে না
পাশাপাশি সৌদি তথা আরবের ইহুদী শাসক সহ
সালাফী লা মাযহাবী, ওহাবী মালানাদেরও মূলোৎপাটন করতে হবে ইনশাআল্লাহ
ইরান, ইসরাইলের সাথে যুদ্ধ স্থগিতে- যেন হাফ ছেড়ে বেঁচেছে বিশ্ব মুসলিম। কিছু দিন পূর্বে পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধ বন্ধেও মুসলমান যেন স্বস্তির নিস্বাস ফেলেছিলো। বিষয়টা কি তাই?
মুহাক্বিকগণ মনে করেন, এক্ষেত্রে অনুশোচনা বা তওবার দিকটি বহুমাত্রিক।
ভারতের সাথে যুদ্ধ বন্ধে এবং ইসরাইলের সাথেও যুদ্ধ স্থগিতে পাকিস্তান এবং ইরান (মিশর মুসলিম রাষ্ট্র) দুটি রাষ্ট্রই কিন্তু বিশ্বসন্ত্রাসী, ইসলাম ও মুসলমান বিদ্বেষী আমেরিকা মোড়লী পানায়ই প্রভাবিত হয়। অপরদিকে মুসলিম উম্মাহর প্রাণ কেন্দ্র সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান ৩০শে মে ২০২৫ (সৌদি রাজ পরিবারের কোন প্রভাবশালী সদস্য হিসাবে দুই দশকেরও বেশী সময় পর যিনি সফর করেন) ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনীকে সতর্ক করে বলেন, ট্রাম্পের সাথে চুক্তি করুন নইলে ইসরাইলী হামলার ঝুকি নেন।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কাছে এই বিশেষ বার্তা পৌঁছে দিতে সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ ছেলে প্রিন্স খালিদ বিন সালমানকে তেহরান সফরে পাঠান।
ট্রাম্পকে সিজদা দিয়ে (নাউযুবিল্লাহ) ক্ষমতায় থাকতে হবে- এ শিরকী চেতনা বাস্তবেই যে মধ্যপ্রাচ্যের আমীর-বাদশাহর মধ্যে প্রবলভাবে বিরাজমান তা ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সফরেও খুব কলঙ্কজনক নির্লজ্জতার মাঝে প্রকাশ পেয়েছে। (নাউযুবিল্লাহ)
বার্তাসংস্থা বলছে, ট্রাম্পের বিমান যখন সৌদির আকাশসীমায় প্রবেশ করে ঠিক তারপরই দেশটির বিমানবাহিনীর এফ-১৫ যুদ্ধবিমান তার বিমানকে এস্কোর্ট দিয়ে রিয়াদ বিমানবন্দর পর্যন্ত নিয়ে আসে। শুরুতে তাকে সাদা আরব ঘোড়ার মাধ্যমে অভ্যর্থনা জানানো হয় এবং তার চলার পথে বিছানো হয় বিখ্যাত বেগুনি গালিচা।
চুক্তির অর্থসীমা ৬০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার আহ্বান জানায় ট্রাম্প। সৌদি তা গ্রহণ করে।
ট্রাম্পের সাথে চুক্তির মধ্যে রয়েছে সৌদি মহাকাশ সংস্থা এবং নাসার মধ্যে এবং আরব চিতাবাঘের জন্য একটি নিবেদিত প্রদর্শনী স্থাপনের জন্য চুক্তি এবং ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য ৪ বিলিয়ন ডলারের মত সব ফালতু ও হারাম কাজের চুক্তি।
সৌদি আরব থেকে কাতার গিয়েছে ট্রাম্প। হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, ট্রাম্প ও কাতারের আমির শেখ তামিমের মধ্যে অন্তত ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক বিনিময়ের চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
এছাড়া কাতার সরকারের পক্ষ থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের একটি বোয়িং-৭৪৭ বিমান উপহার দেওয়া হয়েছে।
এরপর বড় ধরনের চমক দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। যুক্তরাষ্ট্রে ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছে দেশটির প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।
ট্রাম্প সংযুক্ত আরব আমিরাতে পৌঁছার পর দুই সারিতে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েরা তাদের লম্বা চুল দুলিয়ে তাকে স্বাগত জানায় ও সে মাঝখান দিয়ে হেঁটে যায়।
প্রশ্ন উঠে আরব ভূমির মত পবিত্র স্থানে মেয়েদের চুল নাচিয়ে, এফ ১৫ যুদ্ধবিমান দিয়ে অভ্যর্থনা, ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বিমান উপহার দেয়া এবং ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশী বিনিয়োগ দেয়া। এই শীর্ষ সন্ত্রাসী ট্রাম্প যে কত নিষ্ঠুর, নির্মম, নির্দয় মুসলমান ও ইসলাম বিদ্বেষী তা কী সারা বিশ্বে সবচেয়ে বেশী প্রচারিত নয়? পাখির মত গুলি করে শহীদ করছে, ক্ষুধায় শহীদ করছে, ইতিহাসের নিষ্ঠুর নিপীড়ন করছে, তাও কী সৌদি শাসকরা অবগত নয়?
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বুশ বলেছে, নানা ত্রুটি সত্ত্বেও মুসলিম বিশ্বের মোকাবেলায় ট্রাম্প হচ্ছে সেরা প্রেসিডেন্ট।
উল্লেখ্য, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আমেরিকায় কথিত সন্ত্রাসী হামলার পর সে বলেছিলো, ‘ক্রুসেড শুরু হয়ে গেছে। ’ এরপর সে তালেবান উৎখাতের নামে আফগানিস্তানে হামলা চালায় এবং ২০০৩ সালে সন্ত্রাসবাদের অজুহাত তুলে ইরাকে সামরিক আগ্রাসন চালায়। এসব আগ্রাসনে লাখ লাখ মুসলমান নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে অগণিত মানুষ।
এছাড়া, এ দুটি দেশ অনেকটা চিরতরে পঙ্গু হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থায় পড়েছে। পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নামে সারাবিশ্বকে অস্থির করে তুলেছিলো বুশ। এরপরও সে ট্রাম্পকে মুসলমানদের মোকাবেলায় সেরা প্রেসিডেন্ট মনে করছে! প্রশ্ন উঠছে তাহলে ট্রাম্পের নেয়া পদক্ষেপগুলো কতটা ভয়াবহ ও ঘৃণিত?
নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালীন এই ট্রাম্পই বলেছিলো- ‘পৃথিবীতে শান্তি ফিরিয়ে আনতে মুসলিম সম্প্রদায়কে মঙ্গল গ্রহে পাঠিয়ে দেয়া উচিত’।
প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরেই ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশ জারি করে সাতটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের নাগরিকদের আমেরিকাতে প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছে।
চরম দু:খজনক বিষয় যে শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ইসলাম বিদ্বেষী ট্রাম্প কেন মধ্যপ্রাচ্য সফরে আসলো তাও বাদশাহ আমীররা অনুধাবনে ব্যার্থ।
বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ঋণগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র। তাদের স্বীকৃত সংবাদ সংস্থা মতে, দেশটির জাতীয় ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৬.২ ট্রিলিয়ন (৩৬ হাজার ২০০ বিলিয়ন) ডলারে, যা প্রতি তিন মাসে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলার করে বাড়ছে। কিন্তু প্রকৃত হিসেব এর চেয়ে অনেক বেশী।
এমন অবস্থায় সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসের একটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটি ট্রাম্পের ২০১৭ সালের করছাড় বিল দীর্ঘায়নের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এতে করে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণে আরও ৫ ট্রিলিয়ন ডলার যুক্ত হতে পারে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে।
বিবিসির উত্তর আমেরিকা বিষয়ক সংবাদদাতা অ্যান্থনি তার প্রতিবেদনে লেখে, ট্রাম্প বাঁচার জন্য নতুন অর্থনৈতিক চুক্তির দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। যদিও তার প্রশাসনে জাতীয় এবং ব্যক্তিগত চুক্তির মধ্যে সীমারেখা কিছুটা অস্পষ্ট, তবুও সে সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরের মাধ্যমে মার্কিন অর্থনীতিতে আরব বিনিয়োগ আরও বাড়াতে চায়।
মূলত: নিজের দেশকে বাঁচাতে মুসলিম দেশ থেকে অর্থ লুটতেই মূলত: ট্রাম্পের এ সফর।
৩ ট্রিলিয়ন ডলারে হয় ৩ কোটি ৬৪ লাখ, ৭৪ হাজার, ৯০০ কোটি টাকা মাত্র! এক কোটি- দুই কোটি- একশো কোটি এভাবে যেতে যেতে ৩ কোটি কোটি!
আমাদের বর্তমান রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন এর মতো। সে হিসাবে ধরলে আমাদের দেশের ১৫০ গুণ রিজার্ভের সমান!
এতগুলো টাকার বিনিময়ে, ট্রাম্পের রিকন্ডিশন অস্ত্র ক্রয়ের বিপরীতে কাতার, আমিরাত এবং সৌদির একটাই শান্তি- নিরাপত্তা।
অথচ পবিত্র কুরআন শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি মক্কা শরীফ, মদীনা শরীফ বলাদুল আমীন বা নিরাপদ নগরী বর্ণনা করেছেন।
কিন্তু আরব শাসকদের মহান আল্লাহ পাক ও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের প্রতি ঈমান নেই। সেদিকে মনোনিবেশ ও তাওয়াক্কুল নেই।
আসলে ওরা ইহুদীদের বংশধর। কাজেই ইসরাইলের সাথে ওদের সখ্যতা এবং ওদের গুরু ট্রাম্পের প্রতিই ওদের নির্ভরতা। (নাউযুবিল্লাহ)
কাজেই মুসলিম বিশ্বকে শুধু ট্রাম্প আর নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধেই গর্জে উঠলে হবে না। সৌদি শাসক এবং তাদের পৃষ্ঠপোষক সালাফী লা-মাযহাবীদের মালানাদের বিরুদ্ধেও চরম প্রতিবাদ ও প্রতিহতের প্রত্যয় প্রকাশ করতে হবে ইনশাআল্লাহ। কারণ তারাই এদেশে সৌদি আরবের প্রশংসা, সৌদি শাসকের গুণগাথা প্রচারে এবং প্রতিষ্ঠায় আকণ্ঠ নিমজ্জিত। যে কারণে সৌদি তথা আরব শাসকরা যে নাটের গুরু সে চেতনা সাধারণ মুসলমানের কম। এর পরিবর্তন করতে হবে। এই অপরাধীদের চিহ্নিত করতে হবে।
পাশাপাশি বলার অপেক্ষা রাখে না- বাংলাদেশ, সৌদি আরব, ইরান, মিসর, তুরস্ক, পাকিস্তান এই দেশগুলো যদি মুসলিম বিশ্বের সমস্যা সমাধানে এক সাথে কাজ করে তাহলে কাফের বিশ্বের সব শক্তি চূর্ণ বিচূর্ণ হবে অর্থাৎ তারা পূর্ণ মাত্রায় নাস্তানুবাদ হবে ইনশাআল্লাহ।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সুলতানুন নাছীর হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বদ দোয়ার কারণে আমেরিকা এখন চরমভাবে ক্ষতবিক্ষত, বিপর্যস্ত, ধ্বংসপ্রাপ্ত এবং মৃত আমেরিকা শুধু দাফন করা বাকি কিন্তু ভোগবাদে মক্ত চরম চরিত্রহীণ, পশ্বাধম আমেরিকাবাসী তালমাতাল হওয়ার কারণেই এখনো তা উপলব্ধি করতে পারছে না
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সুলতানুন নাছীর হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বদ দোয়ার কারণে আমেরিকা এখন চরমভাবে ক্ষতবিক্ষত, বিপর্যস্ত, ধ্বংসপ্রাপ্ত এবং মৃত আমেরিকা শুধু দাফন করা বাকি কিন্তু ভোগবাদে মক্ত চরম চরিত্রহীণ, পশ্বাধম আমেরিকাবাসী তালমাতাল হওয়ার কারণেই এখনো তা উপলব্ধি করতে পারছে না
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
এক কেজি আলু বেচে এক কাপ চা হয় না আলুর কেজি ৮ টাকা, লোকসানে কাঁদছে কৃষক ও ব্যবসায়ী ২৫০ মিলি লিটার পানির দামে এক কেজি আলু, আলুচাষির কান্নার আওয়াজ কে শুনবে? তিন মাসেও মেলেনি প্রণোদনা, লোকসানের চক্রে আলুচাষি আলু প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের উদ্যোগ জরুরি
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিভিন্ন দেশে দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের নেয়া ঋণকে ‘অডিয়াস ডেট’ বিবেচনা করে মওকুফ বা ঋণ পুনর্গঠনের উদাহরণ রয়েছে এ মুহূর্তে এমন ঋণ নিয়ে প্রক্রিয়া চালাচ্ছে লেবানন, গ্রিস, জাম্বিয়া, শ্রীলংকাসহ বেশ কয়েকটি দেশ কিন্তু দুর্নীতির মা- শেখ হাসিনার আমলে দুর্নীতিগ্রস্থ বিদেশী ঋণ নিয়ে প্রথমে অভিযোগ করলেও এখন নীরব সম্মতিতে, নিস্ক্রিয় হয়ে শেখ হাসিনার পক্ষেই হাটছে সরকার
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বাংলাদেশকে সুদী ইউনুস কতটা ঘৃণা করে এবং বাংলাদেশের চূড়ান্ত ক্ষতি ও সার্বভৌমত্ব বিক্রী কত বেশী পছন্দ করে; তার সাক্ষাত প্রমাণ আমেরিকার সাথে তার সরকারের বাণিজ্য চুক্তি
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিশ্লেষকদের অভিমত: এলএনজি আমদানিতে বিপর্যস্ত হবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। দেশে উৎপাদিত গ্যাসের চেয়ে ২৪ গুণ বেশি দামে এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে। এলএনজির ভর্তুকি পোষাতে বার বার গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। জ্বালানি খাতে আর কত শোষিত হবে দেশের জনগণ?
০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র যাকাত সঠিকভাবে আদায় না করায় দেশবাসী আক্রান্ত হচ্ছে অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, খরা, বন্যাসহ নানা দুর্যোগে। সঠিকভাবে পবিত্র যাকাত আদায় এবং সঠিক জায়গায় পৌঁছানোই এসব দুর্যোগ থেকে পরিত্রাণের একমাত্র উপায়।
০১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বছরে অর্থনৈতিক অপচয় ৩০ হাজার কোটি টাকা, রোগাক্রান্ত হচ্ছে যুবসমাজ, ধানী জমিতে চাষ হচ্ছে তামাক। অন্য পদক্ষেপের পাশাপাশি ইসলামী মূল্যবোধের আলোকেই সরকারকে তামাক নিয়ন্ত্রণ সক্রিয় ও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি এবং উনার অনবদ্য তাজদীদ ‘আত-তাক্বউইমুশ শামসী’ সম্পর্কে জানা ও পালন করা এবং শুকরিয়া আদায় করা মুসলমানদের জন্য ফরয। মুসলমান আর কতকাল গাফিল ও জাহিল থাকবে?
২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বাংলাদেশকে সুদী ইউনুস কতটা ঘৃণা করে এবং বাংলাদেশের চূড়ান্ত ক্ষতি ও সার্বভৌমত্ব বিক্রী কত বেশী পছন্দ করে; তার সাক্ষাত প্রমাণ আমেরিকার সাথে তার সরকারের বাণিজ্য চুক্তি এই তথাকথিত বাণিজ্যচুক্তির মাধ্যমে কার্যত বাংলাদেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য, এমনকি পররাষ্ট্রনীতির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিরঙ্কুশ আধিপত্য প্রতিষ্ঠার আয়োজন করা হয়েছে।
২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
কথিত স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা রোযার উপর গবেষনা করে রোযার মাহাত্ম স্বীকার করে তথাকথিত নোবেল পুরষ্কার পায়! কিন্তু মুসলমান দ্বীন ইসলাম উনার আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় লজ্জাকরভাবে ব্যার্থ হয়। কথিত বিজ্ঞান ও কথিত স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে রোযার উপকারিতা অপরিসীম।
২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
কথিত স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা রোযার উপর গবেষনা করে রোযার মাহাত্ম স্বীকার করে তথাকথিত নোবেল পুরষ্কার পায়! কিন্তু মুসলমান দ্বীন ইসলাম উনার আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় লজ্জাকরভাবে ব্যার্থ হয়। কথিত বিজ্ঞান ও কথিত স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে রোযার উপকারিতা অপরিসীম। (পর্ব-১)
২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












