সম্পাদকীয়-২
ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নতুন সামরিক মেরুকরণ- সব মিলিয়ে ভূরাজনৈতিকভাবে চ্যালেঞ্জিং ও উত্তপ্ত অবস্থানে বাংলাদেশ। কিন্তু ফ্যাসিস্ট সরকার গত ১৬ বছরে ধারাবাহিকভাবে কমিয়েছে সমরাস্ত্র ব্যায় অন্তবর্তী সরকারও কেনো ফ্যাসিস্ট সরকারকেই অনুসরণ করছে?
, ২১ মুহররমুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৮ ছানী, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৭ জুলাই, ২০২৫ খ্রি:, ০২ শ্রাবণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
বিশ্বের সামরিক শক্তির সূচক গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স ২০২৫-এ বাংলাদেশ ১৪৫টি দেশের মধ্যে ৩৫তম স্থানে উঠে এসেছে।
মিয়ানমারে যুদ্ধ পরিস্থিতি, সীমান্তবর্তী ভারতীয় রাজ্যগুলোয় বাড়ছে বিচ্ছিন্নতাবাদ, ভারত মহাসাগর ঘিরে সামরিক উপস্থিতি, এমনকি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নতুন সামরিক মেরুকরণ-সব মিলিয়ে ভূরাজনৈতিকভাবে চ্যালেঞ্জিং ও উত্তপ্ত অবস্থানে বাংলাদেশ। এ বাস্তবতায় প্রায় প্রতিটি প্রতিবেশী রাষ্ট্রই সমরাস্ত্র তৈরি কিংবা কেনার ক্ষেত্রে ব্যয় বাড়িয়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। যদিও বাংলাদেশ চলছে উল্টো পথে। টাকার অংকে নিট প্রতিরক্ষা বাজেটে বরাদ্দ বাড়লেও কমেছে ডলারের হিসাবে। আবার বাজেটের বেশির ভাগই চলে যাচ্ছে পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়নে। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় নতুন ক্যান্টনমেন্ট, আধুনিক প্রশিক্ষণ ভবন, সেনাপ্রাঙ্গণ, অডিটোরিয়াম ও স্বাস্থ্য সুবিধা স্থাপনের মতো অবকাঠামোগত বেশ উন্নয়ন হয়েছে। বিপরীতে ব্যয় কমেছে সমরাস্ত্র কেনায়।
আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এসআইপিআরআই) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮-২২ সময়কালে অস্ত্র আমদানি আগের পাঁচ বছরের তুলনায় কমেছে প্রায় ৪৮ শতাংশ।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে নিট প্রতিরক্ষা ব্যয় আরো কমে দাঁড়ায় ২৯ হাজার ১৮৮ কোটি টাকায়। ডলারের হিসাবে ২ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন (তৎকালীন বিনিময় মূল্য ১১১ টাকা ৬ পয়সা ধরে)। নিট প্রতিরক্ষা ব্যয় টাকার হিসেবে কিছুটা বাড়ানো হয় সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে, ৩২ হাজার ৫৬৬ কোটি টাকা। তবে বাজার অনুযায়ী বিনিময় হার ১২১ টাকা ধরে হিসাব করলে ডলারে প্রায় একই থাকে। অর্থাৎ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে নিট প্রতিরক্ষা ব্যয় হয়েছে ২ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ডলার। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ১৫৭ কোটি টাকা বা ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার।
সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে গত ১৬ বছর ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে তেমন প্রয়াস দেখা যায়নি, ‘সামরিক বাহিনীতে মিনিমাম ক্রেডিবল ডেটরেন্স রাখার যে প্রয়োজনীয়তা আছে, তার সঠিক লক্ষ্য ছিল না।
ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কূটনৈতিকভাবে এগিয়ে থাকতে সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। ‘কূটনীতিতে যতই পারদর্শী হই না কেন মিলিটারি ডেটরেন্স না থাকলে আন্তর্জাতিক ময়দানে সম্মান আসে না। কূটনৈতিকভাবেও শক্তিশালী হওয়া যায় না। আমরা শুধু অবকাঠামোয় ব্যয় করেছি, অস্ত্রায়ণে করিনি। ১৯৯১ ও ১৯৯২ সালে যখন রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে তখন শক্ত পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল। জেনারেল জিয়ার সময়েও কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে প্রতিরক্ষা ডেটরেন্স না থাকায় প্রতিবেশীরা কোনো কথাতেই কর্ণপাত করে না। ’
‘প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় আমাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। এমনকি মিয়ানমারও আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে।
প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় বাংলাদেশ এমনিতেই অনেক পিছিয়ে। তার ওপর সামরিক প্রযুক্তি যেভাবে দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছে, তার সঙ্গে তাল মেলাতে বাংলাদেশের এখনই নজর দেয়া উচিত। ‘আমাদের বাহিনীগুলোয় যাতে প্রযুক্তিগতভাবে মেধাবীরা যোগ দেয় সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। আগামী দিনগুলোয় সামরিক বাহিনীর পরিকল্পনার ক্ষেত্রে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও মেশিন লার্নিংকে প্রাধান্য দিতে হবে। সায়েন্টিফিক টেকনোলজিক্যাল ভ্যালুর দিকে আমরা এতদিন মনোযোগই দিইনি। তুরস্ক ড্রোন বানিয়ে রীতিমতো বিপ্লব ঘটিয়ে দিয়েছে। অন্য ছোট দেশগুলোও সামরিক প্রযুক্তিতে অনেক এগিয়ে গেছে। ’ কিন্তু অপার সম্ভাবনার বিপরীতে বাংলাদেশ উল্টে পথে হাটছে। ফ্যাসিস্ট সরকার যে পথে চলেছে অন্তর্বর্তী সরকারও একই পথ অনুসরণ করছে।
বাংলাদেশ কারও সাথে যুদ্ধ করতে চায় না। কিন্তু কেউ যেন আমাদের উপর আক্রমণ করার সাহস না পায়, সেজন্য নিজেদের সামরিক শক্তি বাড়ানো উচিত।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
অতীতের মত উচ্চাভিলাসী বাজেট দিয়ে রাজস্ব বাড়ানোর লক্ষ্যে ভ্যাট-ট্যাক্স বাড়ালে জনজীবন আরো বিপর্যস্থ হবে। অবকাঠামোগত উন্নয়ন বাজেটের পরিবর্তে মানব সম্পদ উন্নয়ন ও জনসেবায় ব্যায় বাড়াতে হবে।
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ মহিমান্বিত ১৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছালিছাহ আশার আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে কোনো বিদেশি কোম্পানি সাড়া দেয়নি বলে এতো হা হুতাশ কেনো? বাপেক্সকেই সমুদ্রেও তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়ার দায়িত্ববোধ- কেবলমাত্র খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমাই সম্ভব ইনশাআল্লাহ
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুবারক হো- মহিমান্বিত ১১ই যিলক্বদ শরীফ! যা ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং সিবতু সুলত্বানিন নাছীর, সাইয়্যিদুল কাওনাইন, মহাসম্মানিত ইমাম হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনাদের মহিমান্বিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস। সুবহানাল্লাহ!
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সৌর বিদ্যুৎ প্রসারে প্রধান বাধা হলো উচ্চ কর ও শুল্ক। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতি নীতিনির্ধারক এবং সাধারণ মানুষের মনে একটা বদ ধারণা তৈরি করার জন্য একটা গোষ্ঠী খুব তৎপর। বড় বিনিয়োগকারীরা সুবিধা পাচ্ছে, কিন্তু সাধারণ জনগণ পিছিয়ে পড়ছে। এটি সৌর বিদ্যুতের গণমুখী বিস্তারকে বাধাগ্রস্ত করছে। সরকারের উচিৎ সহায়ক নীতিকাঠামো দিয়ে বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করা।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রধানমন্ত্রী শুধু রেসিং কার চালিয়ে উৎসাহ দিলেই হবে না। ‘শিমু’, ‘সোলেমানের’ উদ্ভাবিত সেচযন্ত্র তথা সুলভ প্রযুক্তিকেও উৎসাহ দেয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে দেশের প্রান্তিক নাগরিকের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্বারাই সঙ্কটে সমাধানের অনুসন্ধানী উদ্দীপনা থাকতে হবে। ইনশাআল্লাহ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহিমান্বিত ৮ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আত্বওয়ালু ইয়াদান সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আজ ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ৭ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ৭ই যিলক্বদ শরীফ আজ। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোশন করত উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা,ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো! মহিমান্বিত ৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যমে ছানী, সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিতা যাওজাতুম্ মুকাররমাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজীরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
এবার শুধু শাসক গং নয়, বাংলাদেশের গোটা জনসাধারণকেই বশ ও বুদ করার ছক কষছে ভারত প্রতিবেশী দেশের সাথে মিলিতভাবে আগামী পহেলা বৈশাখ পালনের ঘোষণা ভারতীয় ষড়যন্ত্রের সমার্থক। ঈমানদার দেশবাসীকে খুবই সতর্ক এবং সক্রিয় হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সোনার বাংলার সব কিছুতেই সোনা। এক নারিকেল চাষেই দেশে ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় এবং লাখ লাখ লোকের বেকারত্বের অবসান সম্ভব। সহজেই হবে অনেক কর্মসংস্থান, আমদানীর সাশ্রয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার সমৃদ্ধি। ইনশায়াল্লাহ!
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
দৈনন্দিন ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করলেও মুসলমান কি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ শুধু পাঠের মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে? ফিকির আর আমল কী অধরাই থাকবে?
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












