মুসলমান হিন্দু সংঘাত হয়। এ থেকে বাঁচাতে সব মুসলমানকে লালনবাদ গ্রহণ করে অমুসলমান হতে বলেছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ। লালনবাদে কোন ধর্মীয় সংঘাত নেই- এজন্য নাকি খোদ প্রধানমন্ত্রী স্কুল শিক্ষায় লালন বাদ ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছে- এটাই জাহেদের ভাষ্য।
সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস ব্যক্তকারী এবং সংবিধানে পূণস্থাপনকারী বিএনপি সরকার কি তবে- ইসলাম এবং আখেরী রসূল, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি আস্থা রাখতে অনীহা প্রকাশ করছে? (নাউযুবিল্লাহ) এবং লালনকে তাদের নবী বানাতে চাইছে? (নাউযুবিল্লাহ) (৩য় পর্ব)
, ১৩ জুমাদাল ঊলা শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ২৬ খ্বমিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রি:, ০৯ কার্তিক, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মন্তব্য কলাম
আসলে মুসলমান নামধারী অনেকেই ঈমানের স্বাদই পায়নি। ঈমানের নূরই তাদের অন্তরে প্রবেশ করেনি। ঈমানের স্বাদ পেলে কুফরীর দিকে তারা ধাবিত হতনা।
হিন্দুত্ববাদী ভাবধারায় নিজেদের নিমজ্জিত করতে পারতনা। লালনবাদে ঝুঁকতে পারতনা।
লালনবাদ ইবলিসের একটা কঠিন ধোঁকা।
লালনবাদকে যারা ইসলামের সাথে সদৃশ মনে করে তারা বোকা। লালনবাদ যারা মানবতাবাদ মনে করে তারা গাধা।
লালনের মানবতাবাদের কোনো সীমা রেখা নেই। লালনের মানবতাবাদে মা, মেয়ে, বউ সমান। (নাউযুবিল্লাহ) নেই সমাজের বিধানের ধারা। নেই দ্বীন ইসলামের বাধ্যবাধকতা।
কালমার্কস, লেলিনবাদের মত লালনবাদও চরম নাস্তিক্যবাদ। তবে লালন এখানে নিজেই লালন ধর্মের প্রবর্তক বাউলদের। তাদের নবীও রসূল। (নাউযুবিল্লাহ)
লালনের জীবদ্দশার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তার মৃত্যুর পর কোনো ধরণের ইসলামিক প্রথা, জানাজা কিংবা দাফন-কাফন সম্পন্ন করা হয়নি। আখড়ার ভেতরে তাঁকে সমাহিত করা হয়। একজন মুসলিমের মৃত্যু হলে তার দাফন-কাফন এবং জানাজা ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী হওয়া আবশ্যক; সুতরাং লালনের ক্ষেত্রে এর ব্যত্যয় হয়েছে।
ভক্তদের প্রতি লালন নির্দেশনা দিয়েছিলো মৃত্যুর পর যেন কোনো ধর্মীয় শাস্ত্র অনুযায়ী তার শেষ কৃত্যানুষ্ঠান করা না হয়। যে ঘরে সে বাস করতে সেই ঘরেই গর্ত করে তার লাশটিকে মাটিচাপা দিতে বলেছিলে। নির্দেশনা অনুযায়ী, সেই ঘরেই লালনকে মটিচাপা দেয়া হয় কোনো ধর্মীয় আচার ছাড়াই।
কিন্তু লালন যেহেতু গানের আড়ালে মুসলমানদের পার্থিব ও পারলৌকিক সর্বনাশ সাধনে এক বিশুদ্ধ ইবলিসি পথ, প্রদশক এ ঘোরতর দুশমন, ইসলামের সকল নীতি ও নৈতিকতাকে ভেঙ্গে দিয়ে এক নোংরা নর্দমা সৃষ্টির রূপকার, তার মুখ ও মুখোশের পরিচয় তুলে ধরা তাই জরুরী।
ড. আবুল আহসান চৌধুরী বা ড. আহমদ শরীফ বলেছে, লালন আসলে ছিল একজন কামাচারী ও মিথুনাতœক সাধনার গুরু গোসাঁই, অশিষ্ট অভিধায় একজন প্রকৃত লম্পট ।
হিন্দুদের শাখা ধর্ম অনুসারে মানুষের তৃপ্তি দান আসলে স্বয়ং নারায়নকেই সুখী করা; কারণ অলক্ষ্যে স্বয়ং নারায়নই তৃপ্তিলাভ করে, অতএব এটা বিশুদ্ধ পূর্ণকর্ম। আলোচ্য লালন এক্ষেত্রে আরও অনেক বেশী অগ্রসর কিছু মানুষকে প্রায় অক্লেশে বোঝাতে সক্ষম হয়েছে যে, এই গুপ্ত শরীরী ফাঁদের এতই মেঘচুম্বী মহিমা যে, অধর চাঁদ, শুধু নিকট অলক্ষ্যে থেকে তৃপ্তি সুখই সম্ভোগ করে না, ত্রিবেণীসঙ্গমে সশরীরে দৃশ্যমান হয়ে হাওয়ার ঘরে সে ধরাও দেয়। কারণ, ব্রক্ষ¥বিষ্ণু নর-নারায়ণ সেই ফাঁদে পড়েছে ধরা। প্রকৃত পক্ষে লালন যে মিথুনাতœক প্রক্রিয়ার মধ্যে বিরাট কিছু রয়েছে বলে বলে সাধারণকে হাতছানি দিয়ে ডাকে, তার সাঙ্গীতিক ও পারিভাষিক রূপ যত রহস্যময়ই হোক, আসলে তা লাম্পট্য। এবং পুরো লালনগীতির আদ্যোপান্ত এই লম্পটেরই কথা, যা কোন মুসলমানের কাছে প্রশয় পেতে পারে না।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা জ্বিনার নিকটবর্তী হয়ো না, নিশ্চয়ই এই অশ্লীলতা ও কুপথ।”
লালনের সর্বাতœক সাধনার মূল কেন্দ্রই হলো ব্যভিচার; ইসলামী বিধানে যে ব্যভিচার বা জ্বিনার শাস্তি হলো নিক্ষিপ্ত প্রস্তরাঘাতে প্রাণদন্ড। অতএব যে মুসলমান ইসলাম থেকে পুরোপুরি খারিজ হয়ে যেতে চান না, তিনি কি কখনো লালনকে সুফী বা আউলিয়া বা মরমী মহাসাধক বলে ভাবতে পারেন!
মূলত: বিকৃত যৌনাচারে অভ্যস্ত ভেকধারী এসব বাউলরা তাদের বিকৃত ও কুৎসিত জীবনাচারণকে লোকচক্ষুর অন্তরালে রাখার জন্য বিভিন্ন গানে মোকাম, মঞ্জিল, বিভিন্ন ইসলামী অনুসঙ্গ, আরবী পরিভাষা, আরবী হরফ ও বাংলা শব্দ প্রতীকরূপে ইচ্ছাকৃতভাবেই ব্যবহার করেছে।
এদেশে বহুল প্রচলিত একটি লালন সঙ্গীত হলো, “বাড়ির পাশে আরশি নগর/সেথা এক পড়শী বসত করে, আমি একদিনও না দেখিলাম তারে” এই গানটিকে খুবই উচ্চমার্গের আধ্যাতিক গান মনে করা হলেও, এটি মূলত একটি নিছক যৌনাচারমূলক গান, যাতে আরশিনগর, পড়শী শব্দগুলো প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে তাদের বিকৃত জীবনাচারকে গোপন রাখার উদ্দেশ্যে।” (বাংলাদেশের বাউল পৃঃ ৩৬৮-৩৬৯)
সরকারের কর্তা ব্যক্তিরা যারা লালনবাদ স্কুল শিক্ষায় ঢোকাতে চায় তারা তাহলে বলে দিলেই পারে- সব মুসলমান ইসলাম ছেড়ে লালনের মানবতাবাদী হয়ে যাও। কিন্তু মানবতাবাদের সাথে যে অশ্লীলতাবাদ অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত তা সরকারের উপদেষ্টারা জানে কী?
লালনবাদের নামে অশ্লীলতাবাদের দায়ভার কী তারা নিবে? (ইনশাআল্লাহ চলবে)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুসলমানদের উপর নিপীড়ন, নির্যাতন, উচ্ছেদ, বৈষম্য আর মসজিদ-মাদ্রাসা ধ্বংসের উৎসব করে রাষ্ট্রয়ী সন্ত্রাস করে ব্যার্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়। তাহলে তারা ‘আসাম’ বাংলাদেশের কাছে প্রত্যার্পন করুক। আর আসামের মুসলমান তো সব মরছেই। তাহলে তারা বিদায় হজ্জের ভাষণ অনুযায়ী তাদের জান-মাল রক্ষায় জিহাদে অবতীর্ন হোক।
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুসলমান হিন্দু সংঘাত হয়। এ থেকে বাঁচাতে সব মুসলমানকে লালনবাদ গ্রহণ করে অমুসলমান হতে বলেছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ। লালনবাদে কোন ধর্মীয় সংঘাত নেই- এজন্য নাকি খোদ প্রধানমন্ত্রী স্কুল শিক্ষায় লালন বাদ ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছে- এটাই জাহেদের ভাষ্য।
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
শুধু ভারতেই আধিপত্যবাদী হিন্দুত্ববাদী নয়। বাংলাদেশে অবস্থানকারী ভারতীয় হাইকমিশনার সহ হিন্দুত্ববাদীরা সবাই আধিপত্যবাদী। এদেশের হিন্দুত্ববাদীরা তাদের আধিপত্য বৃদ্ধি জন্য সরকারকে গভীর চাপ তৈরী করছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মুখপাত্র, ভারতে- মুসলমানদের উপর সহিংসতাও গণহত্যার অভিযোগ মিথ্যা অভিহিত করে তার বিপরীতে বাংলাদেশে হিন্দু স্বার্থ রক্ষায় নিবেদিত হতে বলেছে।
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
লালনবাদে কোন ধর্মীয় সংঘাত নেই- এজন্য নাকি খোদ প্রধানমন্ত্রী স্কুল শিক্ষায় লালন বাদ ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছে- এটাই জাহেদের ভাষ্য।
২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
জামাতের গুরু মওদুদী, গো’আযম, সাইদীর ফতওয়া মোতাবেক যদি তাদের আমীর, সেক্রেটারী, এমপি মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে কাফের সাব্যস্ত হয় তবে অন্যদের কী করার আছে?
২১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলমান হিন্দু সংঘাত হয়। এ থেকে বাঁচাতে সব মুসলমানকে লালনবাদ গ্রহণ করে অমুসলমান হতে বলেছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ।
২০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
শরাব ও পতিতালয়ের পয়সায় লালিত-পালিত রবীন্দ্র কখনো ভারত তথা বাংলার স্বাধীনতা চায়নি, সে বাংলা ভাষাকেও রাষ্ট্রভাষা চায়নি। তার লেখা ‘সোনার বাংলা’ কবিতায় রয়েছে পূজার আরতি। কবিতার শেষ অংশে রয়েছে- ও মা, তোর চরণেতে দিলেম এই মাথা পেতে- / দে গো তোর পায়ের ধুলা, সে যে আমার মাথার মানিক হবে। / ও মা, গরিবের ধন যা আছে তাই দিব চরণতলে-
১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মদ সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি লা’নতের কথা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।একইভাবে মূর্তি পূজা স্থলে অবস্থানকারী, সহযোগিতাকারী, পৃষ্ঠপোষকতাকারী, উৎসাহ দানকারী, প্রসাদ গ্রহণকারী সবাই মূর্তি পূজার সাথে সংশ্লিষ্টতার কারণে মুশরিক হবে
১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সব নবী রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের প্রধান কঠোরতা ছিলো মূর্তি ও পূজার বিরুদ্ধে। মূর্তি পূজা তথা শিরকের গুনাহ মহান আল্লাহ পাক কিছুতেই ক্ষমা করবেন না। মদ সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি লা’নতের কথা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ইসলাম ও মুসলমান প্রিয় দাবীদার- সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জ্ঞাপনকারী- বিএনপি সরকার কেন মুসলিম বিদ্বেষ, বাঙ্গালী বিদ্বেষ, মুসলমানদের শিক্ষার প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পতিতালয়ের টাকায় বিত্ত-বৈভব করা রবী ঠগের বন্দনায় পতিত আওয়ামী সরকারের পথেই হাঁটছে!
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইসলাম ও মুসলমান প্রিয় দাবীদার- সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জ্ঞাপনকারী- বিএনপি সরকার কেন মুসলিম বিদ্বেষ, বাঙ্গালী বিদ্বেষ, মুসলমানদের শিক্ষার প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পতিতালয়ের টাকায় বিত্ত-বৈভব করা রবী ঠগের বন্দনায় পতিত আওয়ামী সরকারের পথেই হাঁটছে!
১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফের আলোকে- হিন্দুদের পূজায় যাওয়া কুফরি, শিরেকী ও কাট্টা হারাম। পূজায় যারা পাহারা দিবে, শুভেচ্ছা জানাবে তারাও কাফির।
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












