মন্তব্য কলাম
শুধু ভারতেই আধিপত্যবাদী হিন্দুত্ববাদী নয়। বাংলাদেশে অবস্থানকারী ভারতীয় হাইকমিশনার সহ হিন্দুত্ববাদীরা সবাই আধিপত্যবাদী। এদেশের হিন্দুত্ববাদীরা তাদের আধিপত্য বৃদ্ধি জন্য সরকারকে গভীর চাপ তৈরী করছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মুখপাত্র, ভারতে- মুসলমানদের উপর সহিংসতাও গণহত্যার অভিযোগ মিথ্যা অভিহিত করে তার বিপরীতে বাংলাদেশে হিন্দু স্বার্থ রক্ষায় নিবেদিত হতে বলেছে।
বাংলাদেশে ব্যাপক জাকজমক ভাবে পূজা হচ্ছে স্বীকার করার পর ভারতীয় হাইকমিশনার বলেছে ভারতেও মুসলমান সমাজ কোনো বাধা ছাড়াই তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করছে।
, ১২ জুমাদাল ঊলা শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ২৫ খ্বমিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রি:, ০৮ কার্তিক, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মন্তব্য কলাম
এতবড় নিষ্ঠুর নিমর্ম মিথ্যাচার বাংলাদেশের প্রতি হিন্দুত্ববাদীদের চরম আধিপত্যবাদেরই নগ্ন বহি:প্রকাশ। বৈষ্যম্য বিরোধী চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে ভারতীয় অথবা দেশীয় হিন্দুত্ববাদের আধিপত্যবাদের সমূলে উৎপাটন করতে হবে।
(১)
ত্রিবেদী যা বলতে পারলো, ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ সাহেব তা বলতে পারেনি কেন? পারছেনা কেনো? বর্তমান হাইকমিশনার রিয়াজ সাহেবই নয় অতীতের কেউই বলতে পারেনি। আর বাংলাদেশে শুধু ত্রিবেদী নয় অতীতের সব ভারতীয় হাইকমিশনারই একই অবস্থা দেখেছে, পেরেছে।
পূজা নিয়ে ত্রিবেদীয় বক্তব্য- “বাংলাদেশে খুব সুন্দর পরিবেশে, খুবই সৌন্দর্য্যময় অবস্থানে পূজা হয়েছে।”
কিন্তু ভারতে মুসলমানদের ঈদে তাশরীফে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আদ্বহা, তারাবী, জুমুয়াহ এমনকি নামাজ পড়া সর্ম্পকে-
বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ সাহেব ভালো কিছু কী বলতে পেরেছে?
(২)
ভারতে, মুসলমানরা- বাংলাদেশের মতই সব দ্বীনি উৎসব স্বত:স্ফূতভাবে নিরাপত্তার সাথে পালন করতে পারছে?
বাংলাদেশের হাইকমিশনার ত্রিবেদীর মত ইতিবাচক কিছু বলতে না পারলেও নেতিবাচক খবরের তীব্রতা এতই বেশি যে তা বিশ্ব মিডিয়া, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন নিয়া জাতিসংঘেও তুমুল আলোচনা হচ্ছে।
“ওহফরধ ংযধসবফ ধঃ টঘঐজঈ ড়াবৎ গঁংষরস, কধংযসরৎর ঢ়বৎংবপঁঃরড়হ” (জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে ভারতীয় মুসলিম ও কাশ্মীরিদের ওপর নিপীড়ন নিয়ে ক্ষোভ)
সাউথ এশিয়া জাস্টিস ক্যাম্পেইনের ইন্ডিয়া পারসিকিউশন ট্র্যাকারও মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতার একটি পৃথক হিসাব প্রকাশ করে। তাদের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত ধর্মীয় বিদ্বেষজনিত ঘটনায় অন্তত ৫০০ জন মুসলিম শহীদ হয়েছেন।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো (যেমন ঐঁসধহ জরমযঃং ডধঃপয, অসহবংঃু ওহঃবৎহধঃরড়হধষ, টঝঈওজঋ) জেনোসাইড ওয়াচের মূল্যায়ন: তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে নিম্নলিখিত ঘটনাগুলোতে সংবাদ কভারেজ সবচেয়ে বেশি হয়েছে: ১. বুলডোজার অ্যাকশন: অপরাধ বা প্রতিবাদের অভিযোগে আদালতের নির্দেশ ছাড়াই তাৎক্ষণিক ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া। ২. হেইট স্পিচ ও লাভ-জিহাদ রাজনীতি: ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ও আইনগত হেনস্তা। ৩. গো-রক্ষকদের সহিংসতা: সন্দেহভাজন হিসেবে মুসলিমদের পিটিয়ে হত্যা।
(৩)
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবরে হেডিং হয়েছে- “গড়ফর’ং ওহফরধ ধহফ ঃযব চবৎংবপঁঃরড়হ ড়ভ গঁংষরসং” (মোদির ভারত এবং মুসলমানদের ওপর নিপীড়ন)
কধংযসরৎ গবফরধ ঝবৎারপব
“‘ইঁষষফড়ুবৎ ঔঁংঃরপব’: ঐড়ি ওহফরধহ ধঁঃযড়ৎরঃরবং ঃধৎমবঃ গঁংষরস যড়সবং ধহফ ঢ়ৎড়ঢ়বৎঃরবং” (বুলডোজার বিচার: কীভাবে ভারতে মুসলিমদের ঘরবাড়ি ও সম্পত্তি লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে)
উত্তর প্রদেশসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে রাস্তা ও প্রকাশ্য ময়দানে ঈদের নামাজ ও জুমার নামাজ আদায়ে পুলিশের নিষেধাজ্ঞা এবং কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়ার ঘটনা গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়েছে। এবড় ঘবংি (আন্তর্জাতিক):
ঞযব এঁধৎফরধহ (যুক্তরাজ্য): "ঊরফ রহ কধংযসরৎ সঁঃবফ ধং ওহফরধ নধহং ষধৎমব পড়হমৎবমধঃরড়হং"
দৈনিক ইনকিলাব:
"এক ঘন্টার ঈদের নামাজ পড়তে না দেওয়া কলকাতার রেড রোড পূজায় বন্ধ চার দিন" (কলকাতা রেড রোডে নামাজের অনুমতি ও ট্রাফিক সংক্রান্ত বৈষম্য নিয়ে সমসাময়িক আলোচনার প্রেক্ষিতে এই রিপোর্ট ছাপা হয়)।
(৪)
গত পরশু, ত্রিবেদীর মিথ্যাচার- ভারতের মুসলমান সমাজ তাদের ধর্মীয় উৎসবগুলো কোনো বাধা ছাড়াই ধুমধামের সাথে পালন করে। অভিজ্ঞমহল প্রশ্ন করেছেন সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ভারতের মিথ্যাচারিতা কী ওদের রাষ্ট্রীয় মূলনীতি? তার প্রমান তো বহু।
১৫ অক্টোবর- ২০২৬,
পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসের কাছে সাবেক সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়।
"আমরা ভারত সরকার এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে সংখ্যালঘু মুসলিম জনগোষ্ঠীর পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাই,"
এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জয়সওয়ালের বরাত দিয়ে বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গের ঘটনায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে করা মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করছে ভারত।
ভারতের পক্ষ থেকে পাল্টা দাবি করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ নিজেদের দেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হচ্ছে এবং তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ করছে।
(৫)
প্রসঙ্গত গতকাল সংবাদ শিরোনাম হয়েছে:
দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরলস কাজ করছে: আইজিপি
১৯ অক্টোবর ২০২৬, ঢাকা টাইমস
দুর্গোৎসবের নিরাপত্তায় অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকায় আনসার-ভিডিপি: মহাপরিচালক
বাংলাদেশে এত নিরাপত্তা থাকার পরও ভারত, বাংলাদেশকে অপবাদ দিচ্ছে, অপপ্রচারনা করছে প্রতিনিয়ত। এদিকে পূজারীরা, প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন আধিপত্যবাদী দাবী নিয়ে চাপ দিচ্ছে।
মূলত: সাবেক আওয়ামী সরকার হিন্দুত্ববাদীদের অভ্যাস খারাপ করে দিয়েছে। পতিত প্রধানমন্ত্রী বলছে ভারতকে আমি যা দিয়েছে তা তারা সারাজীবন মনে রাখবে। হিন্দুত্ববাদীদের আধিপত্যবাদী আগ্রাসী শুধু ভারতীয় হিন্দুদের নয় বাংলাদেশে থেকেও বাংলাদেশী হিন্দুত্ববাদীরা আধিপত্যবাদ চালিয়ে যাচ্ছে। ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানদের সাথে টেক্কা দেয়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য। এজন্য অন্য কোনো নামে নয়, ইসলামি ফাউন্ডেশনের সাথে টক্কর দিয়ে তারা হিন্দু ফাউন্ডেশন করার জন্য তারেক রহমানকে চাপ দিচ্ছে। বৈষম্যবিরোধী চেতনার আলোকে এদের সমূলে উৎপার্টন করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
লালনবাদে কোন ধর্মীয় সংঘাত নেই- এজন্য নাকি খোদ প্রধানমন্ত্রী স্কুল শিক্ষায় লালন বাদ ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছে- এটাই জাহেদের ভাষ্য।
২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
জামাতের গুরু মওদুদী, গো’আযম, সাইদীর ফতওয়া মোতাবেক যদি তাদের আমীর, সেক্রেটারী, এমপি মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে কাফের সাব্যস্ত হয় তবে অন্যদের কী করার আছে?
২১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলমান হিন্দু সংঘাত হয়। এ থেকে বাঁচাতে সব মুসলমানকে লালনবাদ গ্রহণ করে অমুসলমান হতে বলেছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ।
২০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
শরাব ও পতিতালয়ের পয়সায় লালিত-পালিত রবীন্দ্র কখনো ভারত তথা বাংলার স্বাধীনতা চায়নি, সে বাংলা ভাষাকেও রাষ্ট্রভাষা চায়নি। তার লেখা ‘সোনার বাংলা’ কবিতায় রয়েছে পূজার আরতি। কবিতার শেষ অংশে রয়েছে- ও মা, তোর চরণেতে দিলেম এই মাথা পেতে- / দে গো তোর পায়ের ধুলা, সে যে আমার মাথার মানিক হবে। / ও মা, গরিবের ধন যা আছে তাই দিব চরণতলে-
১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মদ সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি লা’নতের কথা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।একইভাবে মূর্তি পূজা স্থলে অবস্থানকারী, সহযোগিতাকারী, পৃষ্ঠপোষকতাকারী, উৎসাহ দানকারী, প্রসাদ গ্রহণকারী সবাই মূর্তি পূজার সাথে সংশ্লিষ্টতার কারণে মুশরিক হবে
১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সব নবী রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের প্রধান কঠোরতা ছিলো মূর্তি ও পূজার বিরুদ্ধে। মূর্তি পূজা তথা শিরকের গুনাহ মহান আল্লাহ পাক কিছুতেই ক্ষমা করবেন না। মদ সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি লা’নতের কথা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ইসলাম ও মুসলমান প্রিয় দাবীদার- সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জ্ঞাপনকারী- বিএনপি সরকার কেন মুসলিম বিদ্বেষ, বাঙ্গালী বিদ্বেষ, মুসলমানদের শিক্ষার প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পতিতালয়ের টাকায় বিত্ত-বৈভব করা রবী ঠগের বন্দনায় পতিত আওয়ামী সরকারের পথেই হাঁটছে!
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইসলাম ও মুসলমান প্রিয় দাবীদার- সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জ্ঞাপনকারী- বিএনপি সরকার কেন মুসলিম বিদ্বেষ, বাঙ্গালী বিদ্বেষ, মুসলমানদের শিক্ষার প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পতিতালয়ের টাকায় বিত্ত-বৈভব করা রবী ঠগের বন্দনায় পতিত আওয়ামী সরকারের পথেই হাঁটছে!
১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফের আলোকে- হিন্দুদের পূজায় যাওয়া কুফরি, শিরেকী ও কাট্টা হারাম। পূজায় যারা পাহারা দিবে, শুভেচ্ছা জানাবে তারাও কাফির।
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
‘আমি নিজেও একজন শ্রমিক’- প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পরও শ্রমিকদের ক্ষুব্ধ করা হচ্ছে কেন? ‘জাতীয় স্বার্থ সবার আগে’- প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পরও জাতীয় স্বার্থে আন্দোলনকারীদের উপর নির্যাতনের ষ্টীম রোলার কেন? সাবেক সরকারের আমলে প্রধানমন্ত্রী নিজেও বন্দর দেয়ার বিপক্ষে বক্তব্য দিয়ে জনগণকে খুশি করেছিলেন।
১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এক হিসেব মতে মাত্র সাত হাজার কোটি টাকা ব্যায়েই সব মুসলিম দেশের দুর্ভিক্ষ দূর করা সম্ভব। অথচ সৌদি আরব, আরব-আমিরাত, কুয়েত-কাতার-ব্রুনাইর সুলতানরা এক একজন লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি -কোটি টাকার বিলাসিতা করে- আর কাফের গায়ক-গায়িকা, নায়ক-নায়িকা ও খারাপ মহিলার পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এদের মধ্যে ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের সঞ্চারে বাংলাদেশকেই অগ্রণী হতে হবে। পতিত ইসলাম বিরোধী সরকার কর্তৃক তুলে দেয়া নিম্নোক্ত অনুচ্ছেদ-
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
এক হিসেব মতে মাত্র সাত হাজার কোটি টাকা ব্যায়েই সব মুসলিম দেশের দুর্ভিক্ষ দূর করা সম্ভব। অথচ সৌদি আরব, আরব-আমিরাত, কুয়েত-কাতার-ব্রুনাইর সুলতানরা এক একজন লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি -কোটি টাকার বিলাসিতা করে আর কাফের গায়ক-গায়িকা, নায়ক-নায়িকা ও খারাপ মহিলার পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এদের মধ্যে ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের সঞ্চারে বাংলাদেশকেই অগ্রণী হতে হবে।
০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












